Home Blog Page 74

বোয়াল খালীতে জাতীয় সমবায় দিবসে’র আলোচনা সভা

0

প্রভাস চক্রবর্ত্তী(বোয়ালখালী)

বোয়ারখালী উপজেলা প্রশাসন ও সমবায় অধিদপ্তরের আয়োজনে ৫০ তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২১ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্বাহী অফিসার নাজমুন নাহার’র সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম সেলিম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীম আরা বেগম, বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র মোঃ জহিরুল ইসলাম (জহুর), উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ নুরুল আমিন চৌধুরী ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ বখতিয়ার আলমসহ নেতৃবৃন্দ।

সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে বাড়তি ভাড়ার চাপ : সেতুমন্ত্রী

0
ফাইল ছবি

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন,জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে ভাড়া পুনঃনির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ যেন সহনীয় পর্যায়ে থাকে সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। শনিবার (৬ নভেম্বর) নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল রোববার বিআরটিএ’র ভাড়া পুনঃনির্ধারণ কমিটির বৈঠকে পরিবহণ মালিক শ্রমিকদের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকে সবার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ যেন সহনীয় পর্যায়ে থাকে সে ব্যাপারে ইতিবাচক উদ্যোগ ও প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

মূল্য সমন্বয়ের এই অজুহাতে কেউ যেন অন্যায়ভাবে দ্রব্যমূল্য ও পরিবহণ ভাড়া বৃদ্ধি করতে না পারে সে ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাসহ সবাইকে সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন তিনি।

এছাড়া পরীক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও পণ্যপরিবহণসহ জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহারের জন্য পরিবহণ মালিক শ্রমিক নেতৃবৃন্দের প্রতি ফের অনুরোধ জানান ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি এবং প্রতিবেশী দেশে জ্বালানি পাচার রোধে সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। তবে এ ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা সরকার সব সময়ই জনস্বার্থের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। লন্ডনে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিজনিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

নির্যাতিত নিপীড়িত অসচ্ছল নারী ও শিশুদের বিনা মূল্যে আইনি সেবা দিয়ে যাচ্ছেন রোকসানা আকতার

0

রোকসানা আকতার পেশায় একজন আইনজীবী হলেও যুক্ত রয়েছেন রাজনীতির সাথেও তিনি চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক ।

২০০৯ সাল থেকে নিজের একক প্রচেষ্টায় নারী অধিকার, নারী ক্ষমতায়ন, নির্যাতিত নিপীড়িত আর্থিক অসচ্ছল ভুক্তভোগীদের বিনা মূল্যে আইনি সেবা দিয়ে আর্তমানবতার সেবায় ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছেন। মূলত তিনি স্কুল জীবন থেকে প্রথমে নিজ এলাকায় মানবিক কার্যক্রম শুরু করেন। এলাকায় বসবাসরত দুস্ত ,অসহায়, নির্যাতিত পরিবারদের খুজে বের করে তাদের পাশে মানুষের দাড়ানোর নেশায় একসময় মানুষের পাশে থাকতে আত্মপিড়ীত মানুষের সাহায্য করা সনির্ভর করার ইচ্ছায় নিজেকে মানব সেবায় নিয়োজিত করা, ২০০৯ সাল থেকে আইন জীবি হবার পর তার সে আশা পরিপূর্ণতা পায়। নিজেকে পরিপূর্ণ ভাবে মানুষের সেবক হিসাবে নিয়োজিত করেন কারণ মানুষের সেবা করতে এবং মানুষের কাছে যেতে হলে আইনজীবি ছাড়া কোন পেশায় সম্ভব নয়। আইনজীবি এমন একটি পেশা যা মানুষের খুব কাছে নিয়ে যায়, মানুষকে বুঝা যায়, অসহায়দের পাশে দাড়ানো যায়। এভাবে ২০০৯ থেকে শুরু করে আজ অব্দি তিনি চলমান মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার তার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।

তিনি জনতার চট্টগ্রামকে বলেন, রাষ্ট্রের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা নিজেদের সামাজিক দায়বদ্ধতাকে এড়াতে পারি না। আমাদের সহযোগিতার কারণে হয়ত কিছু অসহায় মানুষ তার পথ চলার রাস্তা খুঁজে পাবে। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এর মাধ্যেমে ভবিষ্যত প্রজন্ম নিজেকে যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে । আমরা যদি নতুন প্রজন্মকে বুঝাতে পারি মানবের সমাজ মানেই মানবতার সমাজ নয়। মানবতার সমাজ গড়তে হলে জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ, মাদকমুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনা হৃদয়ে লালন করার পাশাপাশি উঠতি বয়সের যুবক-যুবতীদের নানা অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে বই পড়ার অভ্যাস বাড়ানো, খেলাধুলা এবং সুস্থ সংস্কৃতির চর্চার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। “কাজের মাধ্যমে শিক্ষা” স্কুল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রী বা যুব শ্রেণীর প্রতিনিধিদের জানাতে হবে আমরা শুধু নিজের কথা চিন্তা করি। আমরা প্রতিবেশীদের খোঁজ নেই না। এই মনোবৃত্তি থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি ২০১৪ সাল থেকে পুরোদমে নারী অধিকার, নারী ক্ষমতায়ন, নিপীড়িত নির্যাতিত মেয়েদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ট্রমার ট্রেনিং’র মাধ্যমে পথ দুর্ঘটনা, আগুন লাগা, পুড়ে যাওয়া, হিংস্রতা, নারী, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন। এরকম বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত মানুষের চিকিৎসা ও সেবায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর ছাড়াও কক্সবাজারেও কাজ করে যাচ্ছেন। বন্দর ইপিজেড পতেঙ্গা এলাকাতে শিল্পকারখানা থাকায় এখানে নারী শ্রমিকদের বিশাল একটি অংশ রয়েছে। পারিবারিক শালিশী বৈঠক,বাল্যবিবাহ ,নির্যাতিত নারীদের আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সেল গঠন করার পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে হেল্পলাইন সেন্টার খোলা পরিকল্পনা রয়েছে তার। শুধু নারী নয় সমাজে নির্যাতিত পুরুষদের বিষয়ে তিনি দাঁড়াতে চান তিনি। শিশুদের মেধা বিকাশে এবং সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে রয়েছে ভিন্ন পরিকল্পনা। এ পর্যন্ত তিনি শতাধিকের বেশি আর্থিক অসচ্ছল ভুক্তভোগীদের বিনা মূল্যে আইনি সেবা দিয়ে গেছেন।

পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার রোববার থেকে চলবে গণপরিবহন

0

নগরে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালিক সমিতি। রোববার (৭ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে চট্টগ্রাম নগরে চলবে গণপরিবহন।

জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালিক সমিতি। শনিবার (৬ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল।

তিনি বলেন, ‘রোববার থেকে চট্টগ্রাম নগরে চলবে গণপরিবহন। এই ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ রাস্তা বন্ধ করে ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে শুরু করে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে বাধা দিচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটের চেষ্টা করছে। কেউ যাতে ধর্মঘটকে পুঁজি করে ফায়দা লুটতে না পারে সেজন্য আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এদিকে গত ৪ নভেম্বর থেকে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। যা গিয়ে দাঁড়ায় ৮০ টাকায়। এর প্রতিবাদে শুক্রবার থেকে সারাদেশে ধর্মঘটের ডাক দেয় গাড়ি মালিক-শ্রমিকরা। তেলের দাম না কমানো পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

যেসব এলাকায় শুক্রবার বিদ্যুৎ থাকবে না

0

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়শুক্রবার (৫ নভেম্বর) জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য নগরের রামপুর, স্টেডিয়াম ও খুলশীর বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা: বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ, রামপুর এর আওতাধীন ১১ কেভি ফিডার নং-এইচ-০২ (আংশিক) এর আওতায় মহিলা পলিটেকনিক কলেজ এর সামনে।

সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা: বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ, স্টেডিয়াম এর আওতাধীন ১১ কেভি ফিডার নং, এইচ ০১ ও এইচ-২ এর আওতায় বাংলাদেশ রেলওয়ে, সিআরবি কলোনি, চৈতন্য গলি, বানিয়াটিলা, বিআরটিসি, ষ্টেশন রোড, পাথরঘাটা, মাদারবাড়ি অফিস ও আশপাশের এলাকা।

সকাল ৬টা থেকে সকাল ১১টা: বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ, খুলশী এর আওতায় ৩৩ কেভি খুলশী-জালালাবাদ সার্কিট-০২ এবং ১১ কেভি জালালাবাদ ১৭ ও ১১ কেভি জালালাবাদ-১৮ নং ফিডার এর আওতায় তুলাতুলি রোড, বেবী সুপার মার্কেট, কর্ণফুলী মার্কেট, আলগালাহ গলি, আপন নিবাস, সিএন্ডবি কলোনি, সিডিএ এভিনিউ, পুলিশ লাইন, জিইসি মোড় (আংশিক), ওয়াসা মোড়, লালখান বাজার, হাইলেভেল রোড, চানমারী রোড, বাঘঘোনা, পোড়া কলোনি, একে খাঁন বাংলো, সিআইডি পুলিশ ভবনসহ তৎসংলগ্ন এলাকাসমূহ।

বি: দ্র: অন্যান্য সকল ১১ কেভি ফিডার সমূহে পর্যায়ক্রমে শেডিং থাকবে।
কাজ সম্পাদন সাপেক্ষে নির্ধারিত সময়ের আগেও বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হতে পারে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন তারা।

কলকারখানা-শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দূর্ঘটনারোধ নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ

0

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসারে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দূর্ঘটনারোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গঠিত সমন্বিত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ টিমের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান ৪ নভেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি এবং সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এর মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইয়াছিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর মহাপরিদর্শক মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ, দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম, বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বিকেএমইএ’র পরিচালক গাজী মোঃ শহীদুল্লাহ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম এর উপ-মহাপরিদর্শক আবদুল্লাহ আল সাকিব মুবাররাত। অনুষ্ঠানে বক্তাগণ চট্টগ্রামে অবস্থিত কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দূর্ঘটনারোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিবিড় পরিদর্শন এবং শিল্প কলকারখানার মালিকদের সহযোগী হিসেবে শিল্প কলকারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখার জন্য সমন্বিত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ টিমের প্রতি আহবান জানান।

সেবার মানষিকতা ও মেধার সন্নিবেশে একজন রাজনৈতিক ছাত্রনেতা আবু নাছের জুয়েল

0

তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সদস্য। মানবিক গুলাবলিতে অনন্য একজন ছাত্রনেতা। চট্টগ্রামের বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, থানা ও ওয়ার্ডে তিনি কাজ করছেন শিক্ষার্থীদের কে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য।

জনতার চট্টগ্রাম’র সাথে একান্ত কিছু আলাপচারীতায় জানতে চাইবো তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

জনতার চট্টগ্রাম- আপনার নিজের সম্পর্কে ও আপনার শিক্ষা জীবন সম্পর্কে বলুন?

আবু নাছের জুয়েল-প্রথমেই আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুও তার পরিবারের নিহত সকল সদস্যদের। বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে নিহত ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও তিন লক্ষ মাবোনের প্রতি যাদের রক্ত ও সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধু ঘনিষ্ট সহচর এম এ আজিজের পুন্যভূমি চট্টগ্রামের ৩৭ নং ওয়ার্ডে আমার জন্ম ও বেড়ে উঠা।
আমি প্রথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পড়াশুনা করেছি বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদ্যালয়ে। উচ্চ মাধ্যমিক পড়েছি ইসলামীয়া ডিগ্রী কলেজ। পরবর্তিতে আইনের উপর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী গ্রহন করি আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম থেকে। এবং বিএ চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে অধ্যায়নরত।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ কখন ও কিভাবে?

আবু নাছের জুয়েল-চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত অবস্থায় আমি সামাজিক সংগঠন ইয়াং বয়েজ গঠন করি। যেহেতু বিএনপি /জামায়েত জোট ক্ষমতায় সেহেতু তাদের বাহিরে গিয়ে অন্য সামাজিক সংগঠন করাও তখন অনেক বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় ছিল। পরবর্তিতে আমার এলাকার একজন ছাত্রনেতা, তিনি তৎকালীন মহানগর ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক ছিলেন, যিনি বর্তমানে বন্দর কর্মচারি পরিষদের সাধারন সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করছেন মো. নায়েবুল ইসলাম ফটিক ভাইয়ের হাত ধরেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্প্রীক্ত হই।পরবর্তিতে উনার মাধ্যমে তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু ভাইয়ের সাথে ছাত্ররাজনীতি শুরু করি। ২০০৯ -১০ শিক্ষা বর্ষে দেশে সামরিক শাসন ও জরুরী অবস্থা বিরাজোমান থাকায় কলেজে কোন কমিটি হয় নাই। তবে ছাত্রলীগ ছাত্রসংসদের মননীত ক্লাস কমিটির আমি আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করি। এরপরই মূলত আমি ছাত্রলীগের মূল ধারার রাজনীতির সাথে সম্প্রীক্ত হই। এবং তখন থেকে ছাত্ররাজনীতি দিক্ষা গ্রহন করতে থাকি। মেধা ও মননের সন্নিবেশে নিজেকে ছাত্ররাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করতে আমাকে সব সময় অনুপ্রাণিত করছেন নগর ছাত্রলীগ তৎকালীন শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক জাকের আহমেদ খোকন ভাই।দীর্ঘদিন কোন ছাত্রলীগের কমিটি না থাকায় আমরা সেই সময়ে স্বাধীনতার সপক্ষের সংগঠন এর সাথে কাজ করি। প্রানের ‘৭১ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন নগর কমিটির সাধারন সম্পাদকেরও দায়িত্ব পালন করি।আমার নেতাদের হাত ধরেই পরবর্তিতে আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি(সোহাগ -জাকির) কমিটির সদস্য মননীত হই।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনি আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট এম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে অভিজ্ঞতা বলুন?

আবু নাছের জুয়েল-ছাত্ররাজনীতি করা প্রতিটি শিক্ষার্থীর ছাত্রজীবনে রাজনীতির স্বীকৃতি আশা করে। আমি সেই সৌভাগ্যবানদের মধ্যে অন্যতম। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময় শিশিবের ক্যাম্প হিসেবে সুপরিচিত ছিল। আমরা শিবিরের বাহিরে “বিবেক ” নাম দিয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দেশীয় সংস্কৃতি ও স্বদেশী পন্য ব্যাবহারের কাজ করেছি। প্রচন্ড উগ্র নিয়মতান্ত্রিকতা ও শিবিরের এক স্বৈরাচারী মনোভাব থেকে বের হয়ে একটি মুক্ত চিন্তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ আন্দোলন করেন। পরবর্তিতে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের চাপের মুখে কর্তৃপক্ষ আমাকে সেখানে পদায়ন করেন। যাতে করে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত না হয়। আমার রাজনৈতিক জীবনে এটি একটি বিশাল অর্জন ছিল। আমি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মীর নিকট কৃতজ্ঞ।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনি কি মনে করেন এম্বাসেডর হিসেবে আপনি সফল?

আবু নাছের জুয়েল-আসলে পরের মাপকাঠি দিয়ে নিজের সফলতা আমি পরিমাপ করি না। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যাদের স্বার্থে আঘাত পরেছে তাদের কাছে আমি ব্যার্থ। তবে নিজের কাছে আমি সফল। কারন আমি চেষ্টা করেছি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে ।

জনতার চট্টগ্রাম-করোনা কালীন সময়ে আপনার ভূমিকা কি?

আবু নাছের জুয়েল- করোনা একটি বৈশ্বিক মহামারী, এই ক্ষেত্রে একজন সামান্য ছাত্র রাজনীতির কর্মীর কিছু করার ক্ষমতা অনেক কম। সাধ্যের মধ্যে সবটুকুই আমি আমার সংগঠন আমরা করেছি। যদি নিজে সরাসরি করতে না পারি সে ক্ষেত্রে সাহায্য নিয়েছি অন্যকারো কাছ থেকে। তারপরও এই পুরো করোনাকালীন সময়ে জন মানুষের কাছে ছিলাম।অক্সিজেন সেবা,ডাক্তারের সেবা গ্রহন করানো, খাদ্য সাহায়তা প্রদান, অজ্ঞাতসারে মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোকে সহায়তা করা এমন সকল কার্যক্রম আমি গ্রহন করেছি। এর মধ্যে প্রচার যোগ্য খবর তো আপনারাই প্রচার করেছেন।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনার কি মনে হয় বর্তমানে করোনার পরিস্থিতি কি?

আবু নাছের জুয়েল-মহামারিকে চিরতরে ধ্বংস কিংবা বিনাশ করা যায় না। এটাকে নিয়ন্ত্রন করা যায়। পুরো করোনাকালীন সময়ে আমাদের দেশে বহু পরিবার অভিভাবক শূন্য হয়েছে। আর মহামারি নিয়ে কাজ করার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় প্রথম দিকে কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হলেও বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশে জনমানুষের নেত্রী, দেশরত্ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষন নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারনে এবং ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরনের কারনে ইনশাল্লাহ করোনা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনি সদ্য সাবেক ছাত্রনেতা আপনার মতে ছাত্ররাজনীতি কেমন হওয়া উচিত?

আবু নাছের জুয়েল-আসলে ছাত্ররাজনীতি এখন অনেকটাই ছাত্রদের থেকে ছিন্তাই হবার পথে। টোকাই, অশিক্ষিত, অনুপ্রবেশকারী, চাকুরিজীবি, নিজেকে ছাত্রনেতা দাবি করে। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে তার যোগাযোগ নাই সে ছাত্রনেতা। ছাত্ররাজনীতি ছাত্রদের হাতেই নিরাপদ। তাই ছাত্ররাজনীতি হতে হবে গঠনতন্ত্রিক ও আদর্শ নির্ভর।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

আবু নাছের জুয়েল-অদৃষ্টের স্রষ্টা আমি নই। যেহেতু রাজনীতির সাথে জড়িত তাই সকল রাজনীতিবিদের মতন আমিও চাই জনগনের সেবা মূলক কাজ করার। আর আমার পরিকল্পনা সব সময় নিজেকে তৈরি করা যেন কখনো কোন দায়িত্ব কাঁধে আসলে আমি তা করার মতন যোগ্য হয়ে উঠতে পারি। সেজন্য আমার একমাত্র পরিকল্পনা নিরবিচ্ছিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে এতক্ষন সময় দেবার জন্য?

আবু নাছের জুয়েল- জনতার চট্টগ্রাম পত্রিকার সকল পাঠক সমাজের জন্য রইলো শুভেচ্ছা ।

মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে ‍‌‌‍পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

0

‍‌‌পতেঙ্গায় মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মাত্র ২ বছরের মধ্যে ও করোনাকালীন সময়ে পতেঙ্গা এলাকায় একের পর এক প্রায় ৬০ টির বেশি মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সংগঠনটি। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, আস্থা, সুনাম আর ভালোবাসায় অর্জন হচ্ছে সংগঠনটির পরম সম্পদ।

মানুষ মানুষের জন্য এই স্লোগানকে হৃদয়ে লালন ও ধারন করে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে ‌পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের। করোনাকালীন সময়ে কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণের কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে ব্যাপক আলােচনায় আসেন পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটির মূল্য লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে দেশ ও জাতির উন্নয়নসহ সমাজের পরিবর্তনে কাজ করে যাওয়া। পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ৬০ টি কর্মসূচি পালন করেছে ।

আগামী ১২ নভেম্বর ২০২১ পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পতেঙ্গা এলাকায় বসবাসরত একজন গৃহহীন মহিলাকে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা খরচ করে গৃহনির্মাণ কর্মসূচি গ্রহন করেছে। পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ৬০ টির বেশি মানবিক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, দরিদ্র পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ, হত দরিদ্রদের গরু কোরবানি করে মাংস বিতরণ, বৃক্ষরোপন অভিযান কর্মসূচি, বিবাহে অনুদান, স্কুল-কলেজ,মসজিদ,মাদ্রাসায় সুরক্ষা সামগ্রী সাবান ও স্যাভলন বিতরণ, অসুস্থ রোগীদের আর্থিক সহযোগীতা, নির্মাণাধীন মসজিদে সিমেন্ট বিতরণ, অক্সিজেন সার্পোট সেন্টারের মাধ্যমে শ্বাসকষ্ট রোগীদের সিলিন্ডার সহায়তা, জরুরি প্রয়োজনে রক্ত দান, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ,শীত বস্ত্র বিতরণ, বিণামূল্যে সবজি বিতরণ,নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন সময়ে সাহায্যের হাত বাড়ানোর পাশাপাশি সমাজে পিছিয়ে থাকা অবহেলিত শিশুদের মেধা বিকাশে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ পরিকল্পনা রযেছে সংগঠনটির। শিক্ষিত-অশিক্ষিত বেকারদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাসহ জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মাদকমুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের গড়তে এবং যুবক-যুবতীদের নানা অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নানামুখী উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বই পড়ার অভ্যাস বাড়ানো, খেলাধুলা এবং সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখবে বলে জানাযায়।

পতেঙ্গা আলােড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে কার্যকরী পরিষদে রয়েছেন উপদেষ্টা মাে. সেকান্দর আজম,মােঃ নুরুল আকতার, মাে. ইকরাম,মাে. মােজাহেরুল আলম, মাে. ইউছুপ,মাে. মােশাররফ উদ্দিন খালেদ, মাে. জাহাঙ্গীর,মাে. রেজাউল করিম, মাে. ইকতিয়ার, ডাঃ মাে. জসিম উদ্দীন, মাে. ইকবাল হােসেন, ডাঃ মাে. ফোরকান, মাে. হারুনুর রশীদ,মো.সাইফুদ্দিন খালেদ, মাে. ইলিয়াছ,মো. মাে. ইসমাইল। সংগঠনের সভাপতি মাে. জাসেদ হােসেন,সিনিয়র সহ-সভাপতি মাে. জাহেদুল আলম,সহ-সভাপতি কায়সার হামিদ রকি,মাে. বেলাল হােসেন,মাে. আলাউদ্দিন, মাে. দিদারুল আলম সাধারণ সম্পাদক,মাে. রনি,মাে. ইব্রাহিম সহ সাধারণ সম্পাদক,মাে. বাবলু অফিস বিষয়ক সম্পাদক,মাে.গােলাম সরওয়ার পারভেজ অর্থ সম্পাদক, মাে. ইস্কান্দার সহ অর্থ সম্পাদক,মাে. মহিন সাংগঠনিক সম্পাদক,মাে. রেজাউল করিম সমাজ কল্যান সম্পাদক,মাে. সরওয়ার আলম রাহাত তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক,মাে. রবিউল হােসেন সহ-তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক, মাে. মনছুর যােগাযােগ ও যুব বিষয়ক সম্পাদক,মাে. ইশতিয়াক আলমবিকি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকসম্পাদক, মাে. টিপু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক, মাে. জাহেদূর রহমান ত্রান বিষয়ক সম্পাদক,মাে.মঞ্জুর আলম,মাে.বাবলু,মাে.রবিন নির্বাহী সদস্য।

জিইএম কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

0

জিইএম কোম্পানির লিমিটেডের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের প্রস্তুতি সভা ৪ নভেম্বর সকাল ১১ টায় পতেঙ্গায় নুর শপিং সেন্টারে মহিলা কমিশনারের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রস্তুতি সভায় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের (জিইএম কোং)’র অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত শ্রমিকদের পাওনা আদায়ের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভার আয়োজন। ১৬১ জন অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের ৭ বছরের পাওনা টাকার মধ্যে ২০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ জন শ্রমিক মারা গেছেন। পাওনা টাকার দাবিতে আগামী ৯ ও ১১ নভেম্বর জিইএম কোং অফিস ঘেরাও কর্মসূচি ও মানববন্ধনের আয়োজন করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ছাড়াও আমরা বিভিন্ন দপ্তরে স্মারক লিপি জমা দিয়েছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জিইএম কোম্পানির লিমিটেডের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষে আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম খান,সদস্য সচিব
মো. মুজিবুল হক , ক্যাশিয়ার মো. আব্দুল মাবুদ, দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সদস্য মো. কামাল উদ্দিন আহাৎ, মো.নূর মোহাম্মদ, মো. ফসিউল আলম মো. খুরশিদ আলম, মো. আকতার উদ্দিন, সুকুমার শীল,মো.নুরুন্নবী,মো.আবুল খায়ের মো. একেএম তাহেরুল ইসলাম প্রমুখ।

সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে পতেঙ্গা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমবায় সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

0

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬ টায় এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পতেঙ্গা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমবায় সমিতি লিমিটেড’র নেতৃবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৪১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সি-বীচ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ওয়াহিদুল আলম মাষ্টার, ৪১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম।
পতেঙ্গা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমবায় সমিতি লিমিটেড’র সভাপতি মো.আবু তাহের, সহ-সভাপতি ,মো.আলী হোসেন,মো.জীবন, সাধারণ সম্পাদক মো. ইমাম শরীফ (খলিল ),যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো.রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ জামাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো.কামাল, অর্থ সম্পাদক মো.মাসুদ, প্রচার সম্পাদক মো.দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পতেঙ্গা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দরা সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে জানান, নানা জটিলতা ও বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ইজিবাইক মালিক ও চালকদের পরিবার। প্রশাসনিক জটিলতার ইজিবাইক বন্ধ থাকার কারণে কয়েক হাজার পরিবারকে মানবেতর দিন কাটাতে হচ্ছে।
ইজিবাইক চলাচলের জন্য গত মাসের ১৯ অক্টোবর সিএমপি পুলিশ কমিশনারকে লিখিত ও বর্তমান মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীকে মৌখিক ভাবে জানানো হলেও এখনো ঘুরছে না ইজিবাইকের চাকা ফলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বেকার দিন কাটাচ্ছে ইজিবাইক চালকেরা।সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে জানান।