Home Blog Page 73

খেলোয়াড় তৈরির কারিগর ফরিদ ফুটবল একাডেমি

0

পতেঙ্গায় এলাকার বিভিন্ন স্থানে সকালে কিংবা বিকেলে কখনো স্কুলের মাঠে আবার কখনো পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শিশু -কিশোর ও যুবকদের নিয়ে ফরিদ ফুটবল একাডেমির ফুটবল প্রশিক্ষণ যে কোনো কারো চোখে পরার মত।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নিবন্ধিত পতেঙ্গা ফরিদ ফুটবল একাডেমি ফুটবল খেলোয়াড় গড়ার কারিগর হিসেবে ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ফরিদ ফুটবল একাডেমিতে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ২০০ জন।

ফরিদ ফুটবল একাডেমির কর্ণধার মোঃ ফরিদ উদ্দিন ইতোমধ্যে লেভেল ওয়ান সার্টিফিকেট প্রাপ্ত এ এফ সি C লাইসেন্স,এ এফ সি B লাইসেন্স ,এ এফ সি D লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছেন। পতেঙ্গায় ফরিদ ফুটবল একাডেমির লক্ষ্য বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি একদিন বাংলাদেশের বড় ক্লাবে কোচিং করানো। খেলাধুলার মাধ্যমে পতেঙ্গা ফরিদ ফুটবল একাডেমিকে সারা বাংলাদেশে পরিচিত করানো।

একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেওয়া খুদে খেলোয়াড়েরাই একদিন দেশ-বিদেশে পতেঙ্গার নাম ছড়িয়ে দেবে। ক্রমান্বয়ে নতুন প্রজন্ম খেলাধুলায় আগ্রহী হবে। মাদক বা সন্ত্রাসের পথে পা বাড়াবে না। তবে পতেঙ্গা এলাকায় খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলার জন্য একটি মাঠের খুবই প্রয়োজন।

একাডেমির যাত্রা শুরুর পর থেকেই প্রশিক্ষণ নেওয়া খেলোয়াড়েরা ঢাকায় বি.পি.এল, বি. সি. এল, দ্বিতীয় বিভাগ, তৃতীয় বিভাগ, পাইওনিয়ার ফুটবল লিগ সহ চট্টগ্রামের দ্বিতীয় বিভাগ, তৃতীয় বিভাগ চট্টগ্রাম পাইওনিয়ার ফুটবল লিগ এবং বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলোয়াড়দের পদচারণা রয়েছে। ইতিমধ্যে ফরিদ ফুটবল একাডেমী বাফুফে নিবন্ধিত এবং পূর্ণাঙ্গ একাডেমীর স্বীকৃতি পেয়েছে। আশা করি একদিন এখানে প্রশিক্ষণ নেওয়া অনেকেই জাতীয় পর্যায়ের ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে মনে করেন ফরিদ ফুটবল একাডেমির কর্ণধার মোঃ ফরিদ উদ্দিন।

যত দিন বেঁচে থাকবো ততো দিন পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো-আয়েশা বেগম

0

আয়েশা বেগম ১৯৮৩ সালের নভেম্বরে সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। মাত্র ১১ বছর বয়সে টিউশুনি দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৯৭ সালে তিনি এসএসসি পাশ করার পর থেকেই মানবতার কল্যাণে প্রথমে সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরার নিজ এলাকায় সামাজিক কর্মকার্ন্ডের সাথে যুক্ত হয়ে পরেন। ১৯৯৯ সালে এইচএসসিতে অধ্যায়নরত কালে মগধরা হাজরা ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন।

পাশাপাশি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে বুটিকের কাজ শুরু করনে। আয়েশা বেগমের প্রবল মনোবল ও ইচ্ছে ছিলো নিজেকে একজন স্বাবলম্বী নারী হিসাবে গড়ে তোলার। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে গেছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা পেশায় থাকা অবস্থায় বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের জন্য তিনি সন্দ্বীপের উপজেলার মগধরা এলাকায় বেশ সুনাম অর্জন করেন। এভাবে এক সময় ডিগ্রী পাশ করার পর চলে আসেন বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামে।

চট্টগ্রামে আসার পরও থেমে থাকেননি তিনি, দেশ ও জাতির উন্নয়ন,সমাজের পরিবর্তন, পিছিয়ে পরা নারীদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে একের পর এক সভা,সেমিনার ও আলোচনার মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করেছেন।

দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সন্ধানী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে কাজের মাধ্যমে অনেক পরিবারকে বীমার আওতায় এনে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আর্থিক নিশ্চয়তা, নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজের সুবিধা বঞ্চিত অবহেলিত মানুষকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে মানবাধিকার সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

আয়েশা বেগম চাটগাঁর সংবাদকে জানান, দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, দেশ ও সমাজের প্রতি আমাদের প্রতিটি নাগরিকের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমরা যার যার অবস্থান থেকে দেশের জন্য ভাল কাজগুলো করে যেতে পারলে সমাজ থেকে অসামাজিক কর্মকান্ড,জঙ্গীবাদ,সন্ত্রাসবাদ,মাদক,জুয়া, নির্মূল করা সম্ভব। এজন্য ভালো কাজের মাধ্যমে সমিাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষনের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মানবাধিকার সংগঠনের সাথে কাজ করার বিষয়ে তিনি বলেন, একজন মানুষের দায়িত্বে বহিরেও অনেক দায়িত্ব রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনের মাধ্যমে আমি অধিকার বঞ্চিত,ভুক্তভোগী মানুষগুলোকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিয়ে তাদের মুখে হাসি ফুটাতে পারলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে। তিনি আরো জানান,আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন । যত দিন বেঁচে থাকবো ততো দিন পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো

যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গৃহহীন পরিবারকে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু’র চাবি হস্তান্তর

0

যুবলীগের আশ্রয়ণ প্রকল্পের তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় যুবলীগের দুই দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান কর্মসূচির প্রথম দিনে চিত্র কর্ম প্রদর্শনী ও আশ্রয়ণ কর্মসূচির উদ্বোধন ১১ নভেম্বর সকাল ১১ টায় ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশার সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম(এমপি),উদ্বোধক ছিলেন,আমির হোসেন আমু, (এমপি) ।

যুবলীগের আশ্রয়ণ প্রকল্পের তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম মহানগরের পতেঙ্গা এলাকায় কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবুর সৌজন্যে যুবলীগের চলমান আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত গৃহহীন পরিবার পতেঙ্গার স্থায়ী বাসিন্দা উত্তর পতেঙ্গা পূর্ব কাটগড় যুবলীগ নেতা আব্দুল হালিমের নিকট গৃহের চাবি হস্তান্তর করেন।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা হাজী ওমর ফারুক,আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মোঃ শামসুদ্দীন,আলী আকবর চৌধুরী, মো. সেকেন্দার আজম,জাকের আহমেদ খোকন, শামসুল আলম,ডাঃ ওসমান,চট্টগ্রাম মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাজী নাছির আহম্মেদ,মো. হাসান, মো.লোকমান, জাহিদ হোসেন খোকন, মুসলিম উদ্দিন, দিদারুল আলম নান্টু, দিদারুল আলম,মো.সাদ্দাম হোসেন জয়,সাজ্জাদ হোসেন, সরওয়ার আলম রাহাত,ছাত্রনেতা আব্দুল মান্নান সুমন রাজু, অজু সরকার, সাইদুজ্জামান রাকেশ,নুসরাত জাহান প্রমুখ।

চট্টগ্রামে নতুন বাণিজ্যিক গাড়ি টাটা ইনট্রা’র উদ্বোধন করেন নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল মাতলুব আহমাদ

0

টাটার প্রাইম মুভারের গাড়ির জন্য নিটল মটরস ও সাউথ ওয়েস্ট এন্টারপ্রাইজ যৌথভাবে বাজারে নিয়ে এলো NITOL-SW TRAILER (এসডাব্লিউ ট্রেইলার)। টাটা ব্রান্ডের ছয় চাকার ট্রেইলার ট্রাকগুলোর ট্রেইলার সরবরাহের জন্য নিটল মটরস লিমিটেড ও সাউথ ওয়েস্ট এন্টারপ্রাইজের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। ফলে টাটা মটরসের প্রাইম মুভারের গ্রাহকরা গাড়ির সঙ্গে পাবেন উন্নতমানের ট্রেইলার।

গত ৮ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ব্রিফিং দেন নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল মাতলুব আহমাদ এবং সাউথ ওয়েস্ট এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলী আহসান সেলিম।

এর আগে উদ্বোধন করেন চিটাগং ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মো. নাদের খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাটার কান্ট্রি হেড মাধু প্রকাশ সিং এবং নিটল মটরসের সিইও মো. তানভীর শহিদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক গাড়ির প্রগতিশীল ক্রেতাদের দিকে লক্ষ্য রেখে এই ট্রেইলারগুলোর ডিজাইন করা হয়েছে। এগুলোর পারফরম্যান্স এবং লোডিং ক্যাপাসিটি অনেক বেশি। ক্রেতাদের সুবিধার জন্য অধিক পণ্য পরিবহনের কথা বিবেচনায় রেখে নিটল এসডাব্লিউ ট্রেইলারগুলো তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে একইদিন বিকেলে চট্টগ্রামে নতুন বাণিজ্যিক গাড়ি টাটা ইনট্রা’র উদ্বোধন করেছে নিটল মটরস। নগরের হোটেল আগ্রাবাদে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল মাতলুব আহমাদ।

উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, টাটা ইনট্রা তাদের জন্য একটি আদর্শ পিকআপ হয়ে উঠতে পারে, যারা ব্যবসায় বেশি উপার্জনের জন্য ছোট ধরনের বাণিজ্যিক গাড়ি চাচ্ছেন। পরীক্ষিত, কার্যকরী ও নির্ভরযোগ্য এই গাড়ির মালিক হওয়া যাবে স্বল্প খরচে। আমরা আত্নবিশ্বাসী যে, টাটা ইনট্রা এদেশের পিকআপের জগতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে এবং একটি উল্লেখযোগ্য মার্কেট শেয়ার দখল করতে পারবে।

এদিকে গাড়িটির বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে নিটল মটরস জানাচ্ছে, আধুনিক প্রজন্মের ক্রেতাদের নিত্যনতুন প্রয়োজনকে লক্ষ্য রেখে ইনট্রার ডিজাইন করা হয়েছে। এটা তাদের জন্য যারা স্বল্প বিনিয়োগে বেশি মুনাফায় আগ্রহী। পাশাপাশি ইনট্রা দেয় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স যা অধিক উপার্জনের জন্য সহায়ক।

টাটা মটরসের ‘প্রিমিয়াম টাফ’ ডিজাইন ফিলোসোফির উপর ভিত্তি করে তৈরি ইনট্রা দেয় পাওয়ার প্যাকড পারফরম্যান্স। সঙ্গে আছে নিরাপদ ও আরামদায়ক ড্রাইভিংয়ের অভিজ্ঞতা। টাটা ইনট্রাতে রয়েছে পাওয়ারফুল কমন রেইল ইঞ্জিন, মজবুত চেসিস ও বড় লোডিং ডেক। এগুলো একে পরিণত করেছে পণ্য পরিবহনের জন্য উপযুক্ত পিকআপে। আছে নির্ভরযোগ্য ও জ্বালানি সাশ্রয়ী ইঞ্জিন।

যার সঙ্গে যুক্ত আছে ফাইভ-স্পিড ট্রান্সমিশন ও গিয়ার শিফট অ্যাডভাইজর ব্যবস্থা। ফলে চালকরা দীর্ঘসময় ধরে ড্রাইভিং করতে পারবেন। বর্তমানে বাংলাদেশে নিটল মটরসের ৬৮টি সার্ভিস আউটলেট এবং সাতশরও বেশি স্পেয়ার পার্টস আউটলেট রয়েছে।

মোবাইল কোম্পানি বাংলালিংকের বিরুদ্ধে সংগীত তারকা জেমস’র মামলা

0

নিজের গান সুরক্ষায় কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলালিংক মোবাইল কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন দেশের শীর্ষ সংগীত তারকা জেমস। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে দুটি মামলার আবেদন করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘জেমস আদালতে এসে তার আইনজীবীর মাধ্যমে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে কপিরাইটের দুটি মামলার আবেদন করেছেন। তার অসংখ্য জনপ্রিয় গান আছে। কোনও ধরনের অনুমতি না নিয়েই জেমসের গান বাংলালিংক তাদের ওয়েলকাম টিউন, বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যবহার করে আসছে। বাংলালিংকের এই কর্মকাণ্ড কপিরাইট আইন ভঙ্গের সামিল। এ কারণে তিনি মামলা করতে আদালতে আবেদন করেছেন।’ এ বিষয়ে শুনানি কিছুক্ষণের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশের আদালতে জেমসের আইনজীবী তাপস কুমার এই মামলার আবেদন করেন। এ সময় জেমস নিজেও সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। এরপর আদালত মামলাটি ফিরিয়ে দিয়ে গুলশান থানায় মামলা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন জেমসকে। পরবর্তীতে আদালত আরও বলেন, থানা যদি মামলা গ্রহণ না করে সেক্ষেত্রে সরাসরি আদালত মামলা গ্রহণ করবেন।

জিইএম কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন ও সভা প্রত্যাহার

0

পতেঙ্গায় জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের (জিইএম কোং লিঃ) এর জিইএম কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত শ্রমিকদের পাওনা আদায়ের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৯ ও ১১ নভেম্বর জিইএম শ্রমিক সভা ,অফিস ঘেরাও কর্মসূচি ও মানববন্ধন প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সম্প্রতি জিইএম কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দদের সাথে অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত শ্রমিক কর্মচারীদের সকল পাওনাদি পরিশোধের বিষয়ে দ্বি-পাক্ষিক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জিইএম কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক টেলিফোনে বিএসইসি’র সচিবের সাথে শ্রমিকদের পাওনার বিষয়ে আলোচনা করে আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শ্রমিকদের সকল পাওনাদি পরিশোধের আশ্বাস দিলে। সকল কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন জিইএম কোম্পানির লিমিটেডের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দরা।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান

0

কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ (এক্সটেনশন) সংলগ্ন পাহাড়ে সোমবার (৮ নভেম্বর) অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়ে সেই কারখানায় অভিযান চালায় র‌্যাব।

এ সময় ১০টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিন রোহিঙ্গা অস্ত্র কারিগরকে আটক করে র‌্যাব। তারা হলেন- হাবিবুল্লাহ, রাইতুল্লাহ ও হাসান। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর উপ-অধিনায়ক তানভীর হাসান।

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা ক্যাম্প-৪ এক্সটেনশন সংলগ্ন পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র‌্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়।

তিনি আরও বলেন, রোববার দিনগত রাত ৩টা থেকে সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী গুলি বিনিময় হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিন রোহিঙ্গা অস্ত্র কারিগরকে আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে। মাদক ব্যবসা, লুটপাটসহ নানা অপরাধের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে র‌্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সেখানে অভিযানও চলবে।

বাস ও মিনিবাসের সর্বনিম্ন ভাড়া ৮ – ১০ টাকা

0

বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে পরিবহন মালিকদের দাবির মুখে গণপরিবহনে নতুন করে ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সমন্বিত ভাড়া অনুযায়ী, দূরপাল্লার বর্তমান বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ১ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১ টাকা ৮০ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ কিলোমিটারপ্রতি যাত্রীকে বাড়তি ৩৮ পয়সা গুনতে হবে। এছাড়া বড় বাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা, মিনিবাসে ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া মহানগরে বাসের বর্তমান ভাড়া কিলোমিটারে ১ টাকা ৭০ পয়সা, সেটা ২ টাকা ১৫ পয়সা করা হয়েছে। কিলোমিটারে ভাড়া বেড়েছে ৪৫ পয়সা। মহানগরে মিনিবাসের বর্তমান ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৬০ পয়সা। সেটি বাড়িয়ে ২ টাকা ৫ পয়সা করা হয়েছে। কিলোমিটারপ্রতি ৪৫ পয়সা ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।

রোববার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে গণপরিবহনে ভাড়া পুনর্নির্ধারণে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের বৈঠকে প্রস্তাবের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের ‘জেলহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

0

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য বলেছেন, জাতীয় চারনেতা কারাগারে জীবন উৎসর্গ করে দেশপ্রেম ও আদর্শের পরীক্ষা দিয়েছে। স্বজাতি ও জাতির পিতার সাথে তারা বেঈমানি করেনি। জাতীয় চারনেতা সত্য ও ন্যায়ের প্রতি অবিচল থেকে ইমানি পরীক্ষার দৃষ্টান্ত দুনিয়াতে রেখে গেছেন।

জননেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, এম. মনসুর আলী, ও এ এইচ এম কামরুজ্জামান দেশের শ্রেষ্ঠ বীর। তিনি বলেন, পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ যতদিন টিকে থাকবে, জাতীয় চারনেতার নাম দেশপ্রেমিকের ইতিহাস স্বর্ণোজ্জ্বল হয়ে থাকবে। তিনি প্রজন্মকে তাদের আত্মত্যাগ স্মরণে রেখে জীবন গড়ার আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ৬ নভেম্বর শনিবার বিকেল বন্দর ১২নং সড়কের রাসেল স্মৃতি সংসদ মিলনায়তনে ‘জেলহত্যা দিবস’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাবেক ছাত্রনেতা মেজবাহ উদ্দিন মোর্শেদের সভাপতিত্বে এবং রাসেল স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাওনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম ‘জেল হত্যা’র উপর তার নিজ লেখা একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এতে আলোচনা করেন চবি প্রাচ্য বিভাগের প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু, বীর মুক্তিযোদ্ধা রেদওয়ানুল হক, আমির হোসেন, সাইফুর রহমান স্বপন, শওকত হোসেন জগলু, ফারুক আহমদ, মোসলেহ উদ্দিন শিবলী, সৈয়দ মেজবাউল ইসলাম, নুরুল আমিন, রাশেদুল হাসান, আমজাদ হোসেন দিদার, ফররুক আহমেদ পাভেল, গোলাম সামদানী জনি, অমিতাব চৌধুরী বাবু, রাজিবুল হক রাজিব, খুরশেদ আলম বাদশা, রাহাত ইমরান, তুষার ধর, মেহেদী হাসান মজুমদার, জুবায়ের আহমেদ, শান্ত বড়ুয়া, হৃদয় ও তারেক সহ অন্যরা।

আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম বলেন, জেল হত্যা দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের নীল নকশার বাস্তবায়ন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর এর হত্যাকা- পরিকল্পিত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনাশের চক্রান্ত। তিনি হত্যা, ষড়যন্ত্র, জঙ্গী-সন্ত্রাসী তৎপরতা চিরতরে রুখতে সকল মহলের ঐক্য কামনা করেন।

চিটাগাং চেম্বার সভাপতির সাথে জাপান রাষ্ট্রদূতের মতবিনিময়

0

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি ৭ নভেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম’র সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এ সময় চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর এবং দূতাবাসের জনসংযোগ ও সংস্কৃতি প্রধান কোমিনে কেন উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি চিটাগাং চেম্বার, জেটরো এবং জেবিসিসিআই’র মধ্যে সমঝোতা স্মারকের কথা উল্লেখ করে বলেন-এই সমঝোতাটি বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক মজবুত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এই সমঝোতার আওতায় পরিকল্পিত বে অব বেঙ্গল গ্রোথ সামিটকে আগামী বছর জাপান-বাংলাদেশের ৫০ বছরের সুসম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের জন্য একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রকাশ করেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বে অব বেঙ্গল গ্রোথ সামিটের জন্য জাপান দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেন এবং জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সফর আয়োজনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর চিটাগাং চেম্বারের নতুন উদ্যোগ বাংলাদেশ সেন্টার অব এক্সিলেন্স’র সাথে জাপানভিত্তিক কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংযোগ স্থাপনের জন্য দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেন।