Home Blog Page 49

পঞ্চম সমাবর্তনে আইআইইউসি’র ২৯ শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল

0

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) পঞ্চম সমাবর্তনে ২৯ জন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল দেওয়া হবে। এছাড়া ১৩৭ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ভাইস চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল। বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইআইইউসি’র উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ।


তিনি বলেন, ‘আগামী ১১ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল ১০টায় আইআইইউসি’র নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। আইআইইউসির মান্যবর চ্যান্সেলর ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের সদয় সম্মতিতে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে এ সমাবর্তনে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে গ্র্যাজুয়েটদের পদক ও সনদ বিতরণ করবেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিত চন্দ্র। সমাবর্তন বক্তৃতা প্রদান করবেন বিশিষ্ট প্রকৌশলী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, প্রফেসর ইমেরিটাস ও ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আইনুন নিশাত।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাষ্টিজের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রসেফর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী এমপি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবারের সমাবর্তনে বসন্ত সেমিষ্টার ২০১৬ থেকে শরৎ সেমিষ্টার ২০২০ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩৬১ গ্র্যাজুয়েটকে ডিগ্রী প্রদান করা হবে। আশা করা হচ্ছে, ২ হাজার ১৪০ গ্র্যাজুয়েট সমাবর্তনে সরাসরি অংশ নিয়ে সনদ গ্রহণ করবেন। তম্মধ্যে ২৯ জন চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল ও ১৩৭ জন ভাইস চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেলের জন্যে নিবার্চিত হয়েছেন। এছাড়া এই সমাবর্তনে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ ও আইআইইউসির শিক্ষক কর্মকতার্গণ উপস্থিত থাকবেন।


পঞ্চম সমাবর্তন উপলক্ষে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইআইইউসি গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে এ বর্ণাঢ্য আয়োজন নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছাস সৃষ্টি হয়েছে। আশা করি সকলের সহযোগিতায় আমরা একটি সফল সমাবর্তন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে পারবো।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. মছরুরুল মওলা, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যার ড. ইঞ্জিনিয়ার রশীদ আহমেদ চৌধুরী, আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও মিডিয়া, প্রেস, পাবলিকেশন্স এন্ড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও ফিমেল একাডেমিক জোনের চেয়ারম্যান রিজিয়া রেজা চৌধুরী, রেজিস্ট্রার এ.এফ.এম. আখতারুজ্জামান কায়সার।

নৌপথ আরো আধুনিকায়ন করে জীবনমুখি করা হবে-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

0

নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, দখল ও দূষণরোধে সরকার কাজ করছে। বাংলার মানুষ এখন নদী নিয়ে ভাবছে, এটা আমাদের প্রথম সাফল্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী খননের কথা বলেছেন। নির্বাচনি মেনিফেস্টোতে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের কথা বলেছেন। তাঁর প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সামর্থ অনুযায়ি অর্থ ব্যয় করা হবে। নৌপথ আরো আধুনিকায়ন করে জীবনমুখি করা হবে। এ সক্ষমতা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) আছে। সে অনুযায়ি এগিয়ে যেতে হবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি ৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বিআইডব্লিউটিএ’র উন্নয়ন, আর্থিক ও প্রশাসনিক সংক্রান্ত বৈঠকে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোস্তফা কামালসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক ও বিভাগীয় প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয় যে, বিআইডব্লিউটিএ ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত (চলমান) ১২,২৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। উদ্ধারকৃত তীরভূমি/জায়গার পরিমাণ ৩৮৯.৬২ একর। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, আশুগঞ্জ-ভৈরব বাজার, নওয়াপাড়া, ঘোড়াশাল ও টঙ্গি নদী বন্দর এলাকায় এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

বৈঠকে আরো জানানো হয় যে, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীররক্ষা, ওয়াওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় আগস্ট পর্যন্ত ৬,২০২টি সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়েছে। ১০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে (পায়ে হাটার পথ) দৃশ্যমান হয়েছে এবং আরো ৪২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। আমিন বজার,পাগলাবাজার পূর্ব প্রান্ত, পাগলাবাজার পশ্চিম প্রান্ত, মুন্সিখোলা, সিন্নিরটেক ও গাবতলীতে ছয়টি ভারী জেটির নির্মাণ কাজ শেষে হয়েছে এবং আলীগঞ্জ আফছার উদ্দিন ঘাট, আলীগঞ্জ মাদ্রাসা ঘাট, সুলতানা কামাল ব্রীজ সংলগ্ন, মাছুয়া বাজার ঘাট, নারায়ণগঞ্জ লেবার ল্যান্ডিং পয়েন্ট, নারায়ণগঞ্জ সাইলো পয়েন্ট, শিমরাইল ২ ও ৩ নম্বর ঘাট এবং সারুলিয়া লেবার হ্যান্ডলিং পয়েন্টে আরো আটটি ভারী জেটির নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। টঙ্গি নদী বন্দর এলাকায় একটি ইকোপার্ক নির্মিত হয়েছে এবং গাবতলীর বড়বাজার এবং নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় আরো দু’টি ইকোপার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর টঙ্গি নদী বন্দর এলাকায় নির্মিত ইকোপার্কের উদ্বোধন করা হবে। একই সাথে টঙ্গি নদী বন্দর হতে ঢাকা বৃত্তাকার নৌপথে স্পীডবোট সার্ভিস এর উদ্বোধন করা হবে।

চাঁদপুর নদী বন্দরের আধুনিক টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানি আবর্জনা মুক্ত করার লক্ষ্যে ছয়টি রিভার ক্লিনিক ভেসেল সংগ্রহ, কক্সবাজার-মহেশখালী ফেরি সার্ভিস চালু, দু’টি বড় ধরনের উদ্ধারকারি জাহাজ সংগ্রহ, ড্রেজার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করাসহ অন্যান্য প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তিগত উৎকর্য সাধন করতে হবে- মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সারা বিশ^সহ বাংলাদেশ আজ ভারসাম্য হীন অবস্থানে আছে। এ কারণে টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে চট্টগ্রাম নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তিগত উৎকর্য সাধন করতে হবে। চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির স্বর্ণদ্বার। এ বিবেচনায় চট্টগ্রামকে আধুনিক বিশ্ব মানের নগরীতে পরিণত করতে হবে। এক্ষেত্রে কোরিয়ান ইনভারনম্যান্ট ইন্ডাস্টি এ- টেকনোজলী ইনিস্টিটিউট একটি প্রাক সম্ভাব্যতা যাচাই কার্য সম্পাদন করেছেন। যার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু অবহিত হয়েছি। এর মধ্যে যা অপপিূর্ণতা আছে তা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পর্যবেক্ষণ করে একটি টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। এর মধ্যদিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে একটি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমূসূচি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। ০৭ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে নগরীর জিইসি মোড়স্থ একটি রেষ্টুরেন্টে বিশ^ব্যাংক ও কোরিয়ান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রি-ফিজিবিলিটি ষ্টাডির অন্তবর্তী প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-চসিক সচিব খালেদ মাহমুদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, মীর্জা ফজলুল কাদের, জয়সেন বড়–য়া, স্থপতি আবদুল্লাহ আল ওমর, অতি. প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম, কোরিয়ান টেকনোলীজ ই-াস্টির গোলাম সরওয়ার, মুনির আলম চৌধুরী প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলম বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করছি। এই অবস্থায় কোরিয়ান ইনভারনম্যান্ট ইন্ডাস্টি এ- টেকনোজলী ইনিস্টিটিউট বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপর প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের যে প্রতিবেদন তৈরী করেছেন। সে বিষয়টি নিয়ে আমরা আরো পর্যবেক্ষণ করবো। তবে আমাদের ভূমির স্বল্পতা বিবেচনা করে এবং মেডিকেল বর্জ্য আলাদা করে প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিন অভিমত ব্যক্ত করেন।

সিলেট অঞ্চলের প্রকৌশলীদের সঙ্গে কেএসআরএম’র মতবিনিময়

0

সিলেট অঞ্চলের প্রকৌশলীদের সঙ্গে সম্প্রতি মতবিনিময় সভা করেছে কেএসআরএম। সিলেট সদরের একটি অভিজাত হোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেএসআরএমের মহাব্যবস্থাপক কর্নেল (অব.) প্রকৌশলী মো. আশফাকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুশতাক আহমেদ ও অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম।

অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন কেএসআরএমের উপমহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) মোজাম্মেল হক, উপব্যবস্থাপক (ব্যবসা উন্নয়ন) প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, কর্মকর্তা মিজানুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া সিলেট অঞ্চলের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন মতবিনিময় সভায়।

এতে বক্তারা বলেন, সিলেট অঞ্চল ভূপ্রাকৃতিকভাবেই ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। তাই নির্মাণকাজে প্রকৌশলীদের অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রাখতে হয় প্রতিনিয়ত। মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করতে হয় অত্যাবশ্যকীয়ভাবে। বিশেষ করে ভবন নির্মাণে মানসম্পন্ন রড ব্যবহারের বিকল্প নেই। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে স্থানীয় প্রকৌশলীদের সঠিক ধারণা দেয়ার জন্য ইস্পাত নির্মাণ শিল্প প্রতিষ্ঠান কেএসআরএমের এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

এ মতবিনিময়ের মাধ্যমে প্রকৌশলীরা পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করে টেকসই নির্মাণ কৌশল জানতে পেরেছেন। এছাড়া কেমন গুণগতমানের রড ব্যবহার করলে ভূমিধস ও ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণ সম্ভব, সেটির ধারণা দেয়া হয় মতবিনিময় সভায়। এতে দীর্ঘদিন ধরে কেএসআরএম রড তৈরিতে উন্নতমানের কাঁচামালের ব্যবহার, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড রক্ষা ও গ্রাহকের আস্থার বিষয়ে আপসহীন মনোভাবের প্রশংসা করেন রক্তারা।

নদী রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

0

২৫ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব নদী দিবস’ উদযাপিত হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানীসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ‘বিশ্ব নদী দিবস’ উদযাপন উপলক্ষ্যে রাজধানীতে সেমিনারের আয়োজন করবে। দেশের নদী রক্ষার ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সভা, সমাবেশ, কর্মশালা, প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। ‘বিশ্ব নদী দিবস’ উদযাপনে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সহযোগিতায় নদী বন্দরগুলোতে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

৬ সেপ্টেম্বর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি), ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউট (এনএমআই) এবং নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের উন্নয়ন, আর্থিক ও প্রশাসনিক সংক্রান্ত বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লায়লা জেসমিনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ এবং বিএসসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এস এম মনিরুজ্জামান, নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর মোঃ নিজামুল হক, এনএমআই’র অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন আতাউর রহমান, নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক সুমন বড়ুয়া জুম সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয় যে, ঢাকার চারপাশের নদ-নদীসমূহ দূষণমুক্তকরণের লক্ষ্যে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন কার্যক্রম শুরু করেছে। আগামী ১৭ মার্চ ২০২৩ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের পূর্বে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থা হতে প্রাপ্ত মতামতসমূহ বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের খসড়া আইন-২০২১ পরিমার্জনের কাজ চলমান রয়েছে।

সভায় বিএসসি’র জন্য ছয়টি নতুন এলএনজি ট্যাংকার/ক্যারিয়ার ক্রয়ের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয়ে সভা দ্রুত করার ওপর তাগিদ দেয়া হয়। কুড়িগ্রামে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউটের (এনএমআই) শাখা স্থাপন এবং চট্টগ্রামে নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের ‘সীম্যান্স হোস্টেল কমপ্লেক্স ভবন’ নির্মাণের লক্ষ্যে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির নব-নির্বাচিত সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদ সংবর্ধিত

0

বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন-বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটিরনবনির্বাচিত সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদকে চট্টগ্রামস্থ আগ্রাবাদের একটি রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব কমিটির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিভাগীয় যুব কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমির হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ চৌধুরী সঞ্চালনায় নব-নির্বাচিত সভাপতি ও সংবর্ধিত অতিথি নুরুল আবছার তৌহিদ বলেন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফকে আরও শক্তিশালী করতে হলে সাধারণ শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরও বলেন সকলের ঐক্যমতের ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করে সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শ্রম আদালতের সদস্য আবু আহমেদ মিঞা বলেন, আমরা শোষণমুক্ত বৈষম্যহীন জাতি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে মুক্তিযুদ্ধ করলেও স্বাধীনতার পর থেকে দেশ যে ধারায় চলতে শুরু করে, তাতে এই অঙ্গীকার অর্থহীন হয়ে পড়ে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে নতুন নতুন ট্রেড ইউনিয়ন’র প্রয়োজন।সংগঠন ছাড়া ব্যক্তি শক্তিশালী হতে পারে না, সংগঠনের নীতি-আদর্শের পাশাপাশি থাকতে হবে ঐক্যবদ্ধ।


এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএলএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আফছার ভূইয়া, মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আবুফয়েজ, বিপ্লবী গার্মেন্টস্ শ্রমিক ফেডারেশনের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি জিয়াউল হক সুমন, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা যুব কমিটির সভাপতি মোঃ মাসুম বিল্লাহ,চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুসসোবহান সুমন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের, রেলওয়ে রানিং স্টাফ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাজল ইসলাম, হালিশহর স্ট্যান্ড’র সভাপতি মোঃ আলী, পাহাড়তলী থানা বিএলএফ’র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল মাহমুদ।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, যুবনেতা সাজ্জাদ হোসেন টিপু, মোহাম্মদ ফিরোজ, মোঃইসমাইল হোসেন, এনামুল হক, কাজী জাহাঙ্গীর, ওসমান গনি, জয়নাল আবেদীন, জিয়াউর রহমান রানা, মাসুদ উদ্দিন, সোহেল রানা, সুমন,সোহেল মাহমুদ, মিজানুর রহমান আতাউল গনি ওসমানী, সাখাওয়াত হোসেন ও নেয়ামত উল্লাহ সবুজ, দেলোয়ার হোসেন জিল্লু, ইমাম উদ্দিন প্রমুখ।

জনগণকে সাথে নিয়ে বিএনপি-জামাতের নৈরাজ্য রুখে দেয়া হবে- এম. এ. লতিফ

0

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ’র উদ্যোগে বিএনপি-জামাত চক্রের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে জনগণের জানমাল রক্ষায় বন্দর-পতেঙ্গা এলাকার ৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর ইপিজেড মোড়, সল্টগোলা বাজার, স্টীল মিল, কাঠগড় মোড়, আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় ও সিমেন্ট ক্রসিং মোড়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ’র নেতাকর্মীরাসহ সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে। অবস্থান কর্মসূচী পালনকালে এম. এ. লতিফ এমপি বলেন-আওয়ামীলীগ বিএনপি-জামাতের হুমকি ধমকিতে দমিয়ে যাওয়া কোন দল নয়। ১৯৭১ সালে এ দলের নেতৃত্বে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তানিদের বিতাড়িত করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনগণকে সাথে নিয়ে আওয়ামীলীগ বিএনপি-জামাতের সমস্ত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য রুখে দিবে।

তিনি আরও বলেন-বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখনি বিএনপি-জামাত চক্র খেলা হবে রব তুলে দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু আওয়ামীলীগ জনগণের সরকার, জনগণকে সাথে নিয়ে এসব নৈরাজ্যের খেলা খেলতে দেয়া হবে না। চলমান নৈরাজ্য রুখে দিতে প্রতিটি পয়েন্টে আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের জনগণের জানমাল রক্ষায় অতন্ত্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করার আহবান জানান এম. এ. লতিফ এমপি।

নগরীর বিভিন্ন সাথে অবস্থান কর্মসূচী পালনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব ছালেহ আহমেদ, আলহাজ্ব আবদুল বারেক, আলহাজ্ব জিয়াউল হক সুমন, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা জসিম উদ্দিন চৌধুরী, পতেঙ্গা থানা আওয়ামীলীগ আহবায়ক আব্দুল হালিম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সহ-সভাপতি ওয়াহিদুল আলম, মোহাম্মদ আলী ও নুর মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন কবি, নুরুল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, ওয়ার্ড যুবলীগ’র সভাপতি মঈনুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন রাজু, মোঃ সালাউদ্দিন ও আহমেদ আব্দুর রহিম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিউর রহমান টিপু, লবণ শ্রমিক লীগ সভাপতি আব্দুল মতিন মাষ্টার, ডক শ্রমিক লীগ নেতা মোঃ ইমাম হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা শামসুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হাসান, নেছার মিয়া আজিজ, মোঃ আলমগীর, ইউনিট সাধারণ সম্পাদক সুলতান, স্বচ্ছাসেবকলীগ নেতা মুস্তাকিম আহমদ গুড্ডু, এস. এম. পারভেজ, মামুনুজ্জামান, যুবলীগ নেতা হাসান উদ্দিন সোহেল, মোঃ দিদার, মোঃ সাজ্জাদ, মোঃ শহীদ শেঠ ও মোঃ জুয়েল, ব্যারিস্টার কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি জাহেদ হোসেন খোকন, ছাত্র নেতা মোঃ আরিফ, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ, স্বাধীনতা নারী শক্তি’র পরিচালক অধ্যাপিকা হালিমা বারেক, মাহবুবা আরা, শাহানাজ আক্তার, জাহেদা, অধ্যাপিকা বিবি মরিয়ম-সহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চসিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার নগরীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। চসিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী¡ পরিচালিত অভিযানে নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন দেওয়ানহাট ওভার ব্রীজের নীচ থেকে প্রায় দুই শতাধিক কাঁচা-পাকা দোকান ও ঘর উচ্ছেদ করে জায়গাটি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। অভিযান অংশ নেন সিটি মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল হাশেম। অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, র‌্যাব, ডবলমুরিং থানা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা প্রদান করেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাথে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী’র মতবিনিময়

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরী হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নগর। আবহমানকাল ধরে এই সম্প্রীতি চলমান আছে। এখানে কোন ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নেই। শারদীয় দূর্গোৎসব বাঙ্গালীর সংস্কৃতির ঐতিহ্যের একটি অংশ। কোন সাম্প্রদায়িক শক্তি এই সম্প্রীতির অগ্রযাত্রা বিনিষ্ট করতে চাইলে তা কোনদিন সম্ভব হবে না। নগরীতে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটি গঠন এবং নগরে সম্প্রীতি সমাবেশ করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। ধর্মীয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিহত করার উপর গুরুত্ব দিয়ে জনগনকে সচেতন করতে হবে। তিনি বলেন, আসন্ন শারদীয় দূর্গোৎসবে নগরীর প্রতিটি পূজা মন্ডপে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে পর্যাপ্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সিটি কর্পোরেশন ও পূজা কমিটির স্বেচ্ছাসেবকগণ নিয়োজিত থাকবে। এবং প্রতিটি পূজা মন্ডপে সিসিটিভি ক্যামরা বসানোর জন্য কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়াও প্রতিটি পূজা মন্ডপ এলাকায় রাস্তা সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিস্ট বিভাগকে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, অভয়মিত্র ঘাট ও কালুরঘাট এলাকায় প্রতিমা বিসর্জন কর্মসূচীর ব্যয়ভার সিটি কর্পোরেশন বহন করবে বলেও জানান মেয়র। আজ মঙ্গলবার সকালে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জলের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, শৈবাল দাশ সমুন, হাসান মুরাদ বিল্পব, পুলক খাস্তগীর, আবদুস সালাম মাসুম, সংরক্ষিত কাউন্সিলর নিলু নাগ, রুমকী সেন, এড. চন্দন তালুকদার, সাধন ধর, প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, অরবিন্দু পাল অরুন, অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, অরূপ রতন চক্রবর্তী, সুজিত দাশ, সজল দত্ত, বিপ্লব সেন, রাধা রাণী দেবী, বিমল দেব প্রমুখ।

মেয়র আরো বলেন, একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে নানা অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের মধ্যদিয়ে বাঙ্গালীর এই ঐতিহ্যকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারা আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে লিপ্ত। আমাদেরকে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে শান্তিময় পরিবেশ রক্ষায় জনগনকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাস অস্ত্রবাজি, গ্রেনেড হামলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্রের মতো নেতিবাচক রাজনীতির মানষিকতা ছেড়ে দিয়ে রাজনৈতিক আচরণ করতে হবে। মেয়র মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির তত্ত্বাধানে নগরীতে যে সকল মন্ডপ স্থাপন করা হবে তাদের প্রতিটি মন্ডপের জন্য প্রতি বছরের ন্যায় চসিকের পক্ষ হতে আর্থিক অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।

আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত’র নাশকতা রাজপথে প্রতিহত করা হবে-দেবাশীষ পাল দেবু

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মহানগর যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর নেতৃত্বে তৎকালীন জামায়াত ও বিএনপির দেশজুড়ে নাশকতা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, জ্বালাও পোড়াও এবং পুলিশের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

নগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোড থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষীন করে পুনরায় এক সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাকির আহমেদ খোকন,সেকান্দর আযম,নায়েবুল ইসলাম ফটিক, মো.আখতার হোসেন,রঞ্জিত কুমার শীল,এস.এম আতিকুর রহমান,মো.ইমতিয়াজ আহমেদ বাবলা,জাহিদ হোসেন খোকন, সালাউদ্দিন বাবর,মো.ইসমাইল হোসেন,মো.দিদারুল আলম, ফরহাদ আবদুল্লাহ, রেজাউল করিম মামুন,সাজ্জাদ আলী জুয়েল,মাসুদুল আলম জিকু, কাজী আরিফ, মো.সালাউদ্দিন, শাহজাহান বাপ্পী,মো.হুরন,জহির রায়হান,সরোয়ার হোসেন,আলী নূর রুবেল,সাজিবুল ইসলাম সজিব,রমজান আলী, মো.হানিফ,আবু নাসের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পী,ইয়াসিন আরাফাত, ইকবাল হোসেন রাজু, মো.মিজান,আবদুল জব্বার জনি,মমিনুল হক, মো.জুয়েল, মিজান,এরশাদ ,মো.টিপু,মো.মনির,রোকন উদ্দিন,জাহিদুল আলম,মিন্টু আহমেদ, মো.আরমান, ইউসুফ সানি, ইমরান জনি,ইব্রাহিম খলিল সাদ্দাম,নূর এলাহি সানি, শোয়েব,মাসুম,আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ,রাসেল হোসেন বাবু,মো.সাজ্জাদ হোসেন, মো.জাবেদ,আকবর জুয়েল,সৈয়দ সুলতান ফাহিম, আবিদ হাসান,ইফতেখার হোসেন ইফতি,সৌরেন বড়ুয়া রিও,রবিউল হাসান রিফাত, পলাশ চক্রবর্তী,নূর ইসলাম রিয়াদ,বিনয় কুমার দে,সজীব কান্তি দাশ, আলমগীর, মহিম, রায়হান,ইভান,মেহিদী,রনি,আলী আকবর, দেলোয়ার,রকিবুল,প্রান্তি ভট্টাচার্য, রাজা শাহ, মো.আরিফ,শাহাবুদ্দিন সাবু,রকি দাশ, রায়হান, হৃদয়,মেহেদী হাসান,রনি,আলী আকবর, দেলোয়াট, রাকিব, শোভন,অভি,রাহাত, জাহিদ,মোবারক, তারেক প্রমুখ।

বিক্ষোভ মিছিলে দেবাশীষ পাল দেবু বলেন,রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের যে জায়গায় নিয়ে গেছে বিএনপি জামায়াত যেন সেটা ধ্বংস করতে না পারে। যদি বিএনপি-জামায়াত এদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটায়, জনগণের বন্ধু পুলিশের ওপর হামলা করে, জনগণের জান-মালের ক্ষতি করার চেষ্টা করে তাহলে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রত্যেক নেতাকর্মী যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ পরশের নেতৃত্বে এখন থেকে মাঠে থাকবেন।