Home Blog Page 48

নদী রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

0

২৫ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব নদী দিবস’ উদযাপিত হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানীসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ‘বিশ্ব নদী দিবস’ উদযাপন উপলক্ষ্যে রাজধানীতে সেমিনারের আয়োজন করবে। দেশের নদী রক্ষার ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সভা, সমাবেশ, কর্মশালা, প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। ‘বিশ্ব নদী দিবস’ উদযাপনে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সহযোগিতায় নদী বন্দরগুলোতে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

৬ সেপ্টেম্বর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি), ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউট (এনএমআই) এবং নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের উন্নয়ন, আর্থিক ও প্রশাসনিক সংক্রান্ত বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লায়লা জেসমিনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ এবং বিএসসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এস এম মনিরুজ্জামান, নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর মোঃ নিজামুল হক, এনএমআই’র অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন আতাউর রহমান, নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক সুমন বড়ুয়া জুম সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয় যে, ঢাকার চারপাশের নদ-নদীসমূহ দূষণমুক্তকরণের লক্ষ্যে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন কার্যক্রম শুরু করেছে। আগামী ১৭ মার্চ ২০২৩ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের পূর্বে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থা হতে প্রাপ্ত মতামতসমূহ বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের খসড়া আইন-২০২১ পরিমার্জনের কাজ চলমান রয়েছে।

সভায় বিএসসি’র জন্য ছয়টি নতুন এলএনজি ট্যাংকার/ক্যারিয়ার ক্রয়ের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয়ে সভা দ্রুত করার ওপর তাগিদ দেয়া হয়। কুড়িগ্রামে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউটের (এনএমআই) শাখা স্থাপন এবং চট্টগ্রামে নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের ‘সীম্যান্স হোস্টেল কমপ্লেক্স ভবন’ নির্মাণের লক্ষ্যে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির নব-নির্বাচিত সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদ সংবর্ধিত

0

বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন-বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটিরনবনির্বাচিত সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদকে চট্টগ্রামস্থ আগ্রাবাদের একটি রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব কমিটির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিভাগীয় যুব কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমির হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ চৌধুরী সঞ্চালনায় নব-নির্বাচিত সভাপতি ও সংবর্ধিত অতিথি নুরুল আবছার তৌহিদ বলেন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফকে আরও শক্তিশালী করতে হলে সাধারণ শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরও বলেন সকলের ঐক্যমতের ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করে সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শ্রম আদালতের সদস্য আবু আহমেদ মিঞা বলেন, আমরা শোষণমুক্ত বৈষম্যহীন জাতি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে মুক্তিযুদ্ধ করলেও স্বাধীনতার পর থেকে দেশ যে ধারায় চলতে শুরু করে, তাতে এই অঙ্গীকার অর্থহীন হয়ে পড়ে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে নতুন নতুন ট্রেড ইউনিয়ন’র প্রয়োজন।সংগঠন ছাড়া ব্যক্তি শক্তিশালী হতে পারে না, সংগঠনের নীতি-আদর্শের পাশাপাশি থাকতে হবে ঐক্যবদ্ধ।


এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএলএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আফছার ভূইয়া, মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আবুফয়েজ, বিপ্লবী গার্মেন্টস্ শ্রমিক ফেডারেশনের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি জিয়াউল হক সুমন, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা যুব কমিটির সভাপতি মোঃ মাসুম বিল্লাহ,চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুসসোবহান সুমন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের, রেলওয়ে রানিং স্টাফ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাজল ইসলাম, হালিশহর স্ট্যান্ড’র সভাপতি মোঃ আলী, পাহাড়তলী থানা বিএলএফ’র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল মাহমুদ।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, যুবনেতা সাজ্জাদ হোসেন টিপু, মোহাম্মদ ফিরোজ, মোঃইসমাইল হোসেন, এনামুল হক, কাজী জাহাঙ্গীর, ওসমান গনি, জয়নাল আবেদীন, জিয়াউর রহমান রানা, মাসুদ উদ্দিন, সোহেল রানা, সুমন,সোহেল মাহমুদ, মিজানুর রহমান আতাউল গনি ওসমানী, সাখাওয়াত হোসেন ও নেয়ামত উল্লাহ সবুজ, দেলোয়ার হোসেন জিল্লু, ইমাম উদ্দিন প্রমুখ।

জনগণকে সাথে নিয়ে বিএনপি-জামাতের নৈরাজ্য রুখে দেয়া হবে- এম. এ. লতিফ

0

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ’র উদ্যোগে বিএনপি-জামাত চক্রের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে জনগণের জানমাল রক্ষায় বন্দর-পতেঙ্গা এলাকার ৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর ইপিজেড মোড়, সল্টগোলা বাজার, স্টীল মিল, কাঠগড় মোড়, আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় ও সিমেন্ট ক্রসিং মোড়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ’র নেতাকর্মীরাসহ সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে। অবস্থান কর্মসূচী পালনকালে এম. এ. লতিফ এমপি বলেন-আওয়ামীলীগ বিএনপি-জামাতের হুমকি ধমকিতে দমিয়ে যাওয়া কোন দল নয়। ১৯৭১ সালে এ দলের নেতৃত্বে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তানিদের বিতাড়িত করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনগণকে সাথে নিয়ে আওয়ামীলীগ বিএনপি-জামাতের সমস্ত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য রুখে দিবে।

তিনি আরও বলেন-বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখনি বিএনপি-জামাত চক্র খেলা হবে রব তুলে দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু আওয়ামীলীগ জনগণের সরকার, জনগণকে সাথে নিয়ে এসব নৈরাজ্যের খেলা খেলতে দেয়া হবে না। চলমান নৈরাজ্য রুখে দিতে প্রতিটি পয়েন্টে আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের জনগণের জানমাল রক্ষায় অতন্ত্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করার আহবান জানান এম. এ. লতিফ এমপি।

নগরীর বিভিন্ন সাথে অবস্থান কর্মসূচী পালনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব ছালেহ আহমেদ, আলহাজ্ব আবদুল বারেক, আলহাজ্ব জিয়াউল হক সুমন, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা জসিম উদ্দিন চৌধুরী, পতেঙ্গা থানা আওয়ামীলীগ আহবায়ক আব্দুল হালিম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সহ-সভাপতি ওয়াহিদুল আলম, মোহাম্মদ আলী ও নুর মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন কবি, নুরুল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, ওয়ার্ড যুবলীগ’র সভাপতি মঈনুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন রাজু, মোঃ সালাউদ্দিন ও আহমেদ আব্দুর রহিম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিউর রহমান টিপু, লবণ শ্রমিক লীগ সভাপতি আব্দুল মতিন মাষ্টার, ডক শ্রমিক লীগ নেতা মোঃ ইমাম হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা শামসুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হাসান, নেছার মিয়া আজিজ, মোঃ আলমগীর, ইউনিট সাধারণ সম্পাদক সুলতান, স্বচ্ছাসেবকলীগ নেতা মুস্তাকিম আহমদ গুড্ডু, এস. এম. পারভেজ, মামুনুজ্জামান, যুবলীগ নেতা হাসান উদ্দিন সোহেল, মোঃ দিদার, মোঃ সাজ্জাদ, মোঃ শহীদ শেঠ ও মোঃ জুয়েল, ব্যারিস্টার কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি জাহেদ হোসেন খোকন, ছাত্র নেতা মোঃ আরিফ, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ, স্বাধীনতা নারী শক্তি’র পরিচালক অধ্যাপিকা হালিমা বারেক, মাহবুবা আরা, শাহানাজ আক্তার, জাহেদা, অধ্যাপিকা বিবি মরিয়ম-সহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চসিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার নগরীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। চসিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী¡ পরিচালিত অভিযানে নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন দেওয়ানহাট ওভার ব্রীজের নীচ থেকে প্রায় দুই শতাধিক কাঁচা-পাকা দোকান ও ঘর উচ্ছেদ করে জায়গাটি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। অভিযান অংশ নেন সিটি মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল হাশেম। অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, র‌্যাব, ডবলমুরিং থানা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা প্রদান করেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাথে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী’র মতবিনিময়

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরী হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নগর। আবহমানকাল ধরে এই সম্প্রীতি চলমান আছে। এখানে কোন ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নেই। শারদীয় দূর্গোৎসব বাঙ্গালীর সংস্কৃতির ঐতিহ্যের একটি অংশ। কোন সাম্প্রদায়িক শক্তি এই সম্প্রীতির অগ্রযাত্রা বিনিষ্ট করতে চাইলে তা কোনদিন সম্ভব হবে না। নগরীতে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটি গঠন এবং নগরে সম্প্রীতি সমাবেশ করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। ধর্মীয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিহত করার উপর গুরুত্ব দিয়ে জনগনকে সচেতন করতে হবে। তিনি বলেন, আসন্ন শারদীয় দূর্গোৎসবে নগরীর প্রতিটি পূজা মন্ডপে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে পর্যাপ্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সিটি কর্পোরেশন ও পূজা কমিটির স্বেচ্ছাসেবকগণ নিয়োজিত থাকবে। এবং প্রতিটি পূজা মন্ডপে সিসিটিভি ক্যামরা বসানোর জন্য কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়াও প্রতিটি পূজা মন্ডপ এলাকায় রাস্তা সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিস্ট বিভাগকে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, অভয়মিত্র ঘাট ও কালুরঘাট এলাকায় প্রতিমা বিসর্জন কর্মসূচীর ব্যয়ভার সিটি কর্পোরেশন বহন করবে বলেও জানান মেয়র। আজ মঙ্গলবার সকালে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জলের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, শৈবাল দাশ সমুন, হাসান মুরাদ বিল্পব, পুলক খাস্তগীর, আবদুস সালাম মাসুম, সংরক্ষিত কাউন্সিলর নিলু নাগ, রুমকী সেন, এড. চন্দন তালুকদার, সাধন ধর, প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, অরবিন্দু পাল অরুন, অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, অরূপ রতন চক্রবর্তী, সুজিত দাশ, সজল দত্ত, বিপ্লব সেন, রাধা রাণী দেবী, বিমল দেব প্রমুখ।

মেয়র আরো বলেন, একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে নানা অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের মধ্যদিয়ে বাঙ্গালীর এই ঐতিহ্যকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারা আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে লিপ্ত। আমাদেরকে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে শান্তিময় পরিবেশ রক্ষায় জনগনকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাস অস্ত্রবাজি, গ্রেনেড হামলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্রের মতো নেতিবাচক রাজনীতির মানষিকতা ছেড়ে দিয়ে রাজনৈতিক আচরণ করতে হবে। মেয়র মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির তত্ত্বাধানে নগরীতে যে সকল মন্ডপ স্থাপন করা হবে তাদের প্রতিটি মন্ডপের জন্য প্রতি বছরের ন্যায় চসিকের পক্ষ হতে আর্থিক অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।

আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত’র নাশকতা রাজপথে প্রতিহত করা হবে-দেবাশীষ পাল দেবু

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মহানগর যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর নেতৃত্বে তৎকালীন জামায়াত ও বিএনপির দেশজুড়ে নাশকতা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, জ্বালাও পোড়াও এবং পুলিশের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

নগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোড থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষীন করে পুনরায় এক সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাকির আহমেদ খোকন,সেকান্দর আযম,নায়েবুল ইসলাম ফটিক, মো.আখতার হোসেন,রঞ্জিত কুমার শীল,এস.এম আতিকুর রহমান,মো.ইমতিয়াজ আহমেদ বাবলা,জাহিদ হোসেন খোকন, সালাউদ্দিন বাবর,মো.ইসমাইল হোসেন,মো.দিদারুল আলম, ফরহাদ আবদুল্লাহ, রেজাউল করিম মামুন,সাজ্জাদ আলী জুয়েল,মাসুদুল আলম জিকু, কাজী আরিফ, মো.সালাউদ্দিন, শাহজাহান বাপ্পী,মো.হুরন,জহির রায়হান,সরোয়ার হোসেন,আলী নূর রুবেল,সাজিবুল ইসলাম সজিব,রমজান আলী, মো.হানিফ,আবু নাসের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পী,ইয়াসিন আরাফাত, ইকবাল হোসেন রাজু, মো.মিজান,আবদুল জব্বার জনি,মমিনুল হক, মো.জুয়েল, মিজান,এরশাদ ,মো.টিপু,মো.মনির,রোকন উদ্দিন,জাহিদুল আলম,মিন্টু আহমেদ, মো.আরমান, ইউসুফ সানি, ইমরান জনি,ইব্রাহিম খলিল সাদ্দাম,নূর এলাহি সানি, শোয়েব,মাসুম,আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ,রাসেল হোসেন বাবু,মো.সাজ্জাদ হোসেন, মো.জাবেদ,আকবর জুয়েল,সৈয়দ সুলতান ফাহিম, আবিদ হাসান,ইফতেখার হোসেন ইফতি,সৌরেন বড়ুয়া রিও,রবিউল হাসান রিফাত, পলাশ চক্রবর্তী,নূর ইসলাম রিয়াদ,বিনয় কুমার দে,সজীব কান্তি দাশ, আলমগীর, মহিম, রায়হান,ইভান,মেহিদী,রনি,আলী আকবর, দেলোয়ার,রকিবুল,প্রান্তি ভট্টাচার্য, রাজা শাহ, মো.আরিফ,শাহাবুদ্দিন সাবু,রকি দাশ, রায়হান, হৃদয়,মেহেদী হাসান,রনি,আলী আকবর, দেলোয়াট, রাকিব, শোভন,অভি,রাহাত, জাহিদ,মোবারক, তারেক প্রমুখ।

বিক্ষোভ মিছিলে দেবাশীষ পাল দেবু বলেন,রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের যে জায়গায় নিয়ে গেছে বিএনপি জামায়াত যেন সেটা ধ্বংস করতে না পারে। যদি বিএনপি-জামায়াত এদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটায়, জনগণের বন্ধু পুলিশের ওপর হামলা করে, জনগণের জান-মালের ক্ষতি করার চেষ্টা করে তাহলে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রত্যেক নেতাকর্মী যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ পরশের নেতৃত্বে এখন থেকে মাঠে থাকবেন।

ফ্যামেলি হেলথ কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ফ্রী হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

0

চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলাস্থ ফ্যামেলি হেলথ কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নানান শ্রেণী পেশার মানুষকে বিনামূল্যে দন্ত,হৃদরোগ, মেডিসিন, গাইনী এন্ড অবস,শিশু,বাত-ব্যাথা রোগীদের মাঝে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। “ফ্রী হেলথ ক্যাম্পে প্রায় ৮০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন।

বন্দরটিলা ফ্যামেলি হেলথ কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের এম ডি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা.হোসেন আহমদের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তত্ত্বাবধানে “ফ্রী হেলথ ক্যাম্প” অনুষ্ঠিত হয়।

ফ্রী হেলথ ক্যাম্প চিকিৎসা সেবা কালে উপস্থিত ছিলেন,বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মধ্যে ডা. ইমতিয়াজ, ডা.ইমরান, ডা. মঈন, ডা. সাজ্জাদ, ডা. হুমায়ুন, ডা. আব্দুল্লাহ আল আমিন, ডা. সাইমা, ডা. সুরাইয়া,
রাফি, ঈসমাইল, রাকিব ফারজানা, মিজানসহ

ফ্রী হেলথ ক্যাম্পে উপস্থিত অতিথি বৃন্দ।

চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের মা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক শারমিন ফারুক সুলতান, ইপিজেড থানা ও ৩৯ নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রীবৃন্দ।

চট্টগ্রামে সুচিন্তা বাংলাদেশ’র আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা

0

সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে গত ৩১ আগস্ট প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, ‘স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু যখন দেশগড়ার ভূমিকায় কাজ করে যাচ্ছেন, তখনই স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা এক জোট হয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এই হত্যার মাধ্যমে বাংলা ও বাঙালি জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যারা বাঙালি জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দিয়েছে এরা করা। কারা দেশকে উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে দিয়েছে এদেরকে চিহৃত করতে হবে। এখনো যারা উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় তাদেরকে চিহ্নত হবে। বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের মায়া না করে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। শুধু স্বাধীনতা এনেই থেমে যাননি, একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন করার মতো চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন।’

আলোচনা সভার প্রধান বক্তা সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের ভিত্তি ছিল দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা। সব মানবিক গুণাবলির অধিকারী ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুই একমাত্র বাঙালি রাজনীতিক যিনি তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক শাসকদের সাথে আপোষ করেননি।

তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করে পালিয়ে যাননি। এজন্য তাঁকে ১৪ বছর জেল খাটতে হয়েছে। এজন্যই তাঁর ডাকে সাড়ে সাত কোটি বাঙালি সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’

সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের সদস্য দেবাশীষ পাল দেবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাশিয়ার অনারারি কনসাল স্থপতি আশিক ইমরান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার জসীম উদ্দীন, মূখ্য আলোচক ডক্টর মাসুম চৌধুরী, সুচিন্তার উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইমরান, বিজিএমইএ প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সুচিন্তা চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ম সমন্বয়ক আবু হাসনাত চৌধুরী,সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ম সমন্বয়ক ডা. হোসেন আহম্মদ,সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ম সমন্বয়ক তপন চক্রবর্তী।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মারুফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সজিবুল ইসলাম, মায়মুন উদ্দীন মামুন, সরওয়ার উদ্দিন জুমা প্রমুখ।

চসিক ভ্রাম্যমান অভিযানে ৫ ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ০১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নগরীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। চসিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী পরিচালিত অভিযানে হালিশহর বড়পোল ও বড়পোল থেকে পোর্ট কলোনী পর্যন্ত রোডের উভয় পার্শ্বের ফুটপাত নালা ও রাস্তার অংশ দখল করে দোকানের অংশ বর্ধিত করা, দোকানের মালামাল ও নির্মাণ সামগ্রী রেখে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে প্রায় ৫০টি অবৈধ দোকানের অংশ, স্ল্যাব, সাইন বোর্ড ও বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়।

রাস্তায় দোকানের মালামাল, নির্মাণ সামগ্রী ও বাঁশ রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপরাধে ৫ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজু পূর্বক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানে অংশ নেন সিটি মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল হাশেম। অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা প্রদান করেন।

নৌযানে কমেছে যাত্রীভাড়া ,সর্বনিম্ন ভাড়া ৩০ টাকা

0

নৌযানের যাত্রীভাড়া কমেছে প্রতি কিলোমিটারে ০.১৫ টাকা কমেছে, সর্বনিম্ন ভাড়া ৩০ টাকা। ১ সেপ্টেম্বর রাত ১২ টার পর থেকে কার্যকর হবে এ ভাড়া। ১ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে ।

নৌযানের যাত্রীভাড়া হ্রাস করার ফলে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের জন্য জনপ্রতি যাত্রীভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৩.০০ টাকা হতে ০.১৫ টাকা হ্রাস করে ২.৮৫ টাকা এবং প্রথম ১০০ কিলোমিটারের অধিক দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারে জনপ্রতি যাত্রীভাড়া ২.৬০ টাকা থেকে ০.১৫ টাকা হ্রাস করে ২.৪৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে । জনপ্রতি যাত্রীভাড়া সর্বনিম্ন ৩৩ টাকা থেকে ৩ টাকা হ্রাস করে ৩০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত মাসে নৌযানে যাত্রীভাড়া পুনর্নির্ধারণের ফলে বর্তমানে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের জন্য জনপ্রতি যাত্রীভাড়া প্রতি কিলোমিটারে রয়েছে ৩.০০ টাকা। ১০০ কিলোমিটারের অধিক দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারের যাত্রীভাড়া রয়েছে ২.৬০ টাকা। জনপ্রতি যাত্রীভাড়া রয়েছে সর্বনিম্ন ৩৩ টাকা।

২০২১ সালে নৌযানে যাত্রীভাড়া পুনর্নির্ধারণ করায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারের যাত্রীভাড়া ছিল ২.৩০ টাকা। ১০০ কিলোমিটারের অধিক দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারের যাত্রীভাড়া ছিল ২.০০ টাকা। জনপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ছিল ২৫ টাকা। এর আগে ২০১৩ ও ২০১২ সালে নৌযানের যাত্রীভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়।