Home Blog Page 18

কোরবানির জন্য প্রস্তুত‘বাহুবলী’ দাম ৭ লাখ টাকা

মাত্র এক মাসেরও কম সময় বাকি পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদের। এরই মধ্যে কোরবানির ঈদের বাজারকে টার্গেট করে শেষ সময়ের পশু পরিচর্যায় ও প্রস্তুতি নিচ্ছেন চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন সিমেন্ট ক্রসিং জানু সওদাগরের দোকান সংলগ্ন লাল মিয়া সুকানির নতুন বাড়ির বাসিন্দা জনাব মোঃ জয়নাল আবেদীনের পুত্র মো.আজাহার উদ্দিন নামের এক যুবক। গত ১ বছর ধরে খামারে শখের বসে এসব গরু লালন পালন করছেন তিনি।

গরুর মালিক মো.আজাহার উদ্দিন বলেন,তার খামারে আড়াই লাখ টাকা থেকে শুরু করে সাত লাখ টাকার গরু রয়েছে। তার মধ্যে ৭ লাখ টাকায় বাহুবলি,৪ লাখ টাকায় জাওয়ান, সাড়ে ৩ লাখ টাকায় কালু, সাড়ে ৩লাখ টাকায় লালুসহ রয়েছে বিভিন্ন জাতের গরু।

তিনি আরও বলেন, সব সময় খামার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি খামারের প্রতিটি গরুকে পরিস্কার পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করানো হয়। দেশীয় টাটকা কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুষি, তুষ, কুড়া, ফিড খাওয়ানো হয়।

কোরবানি ঈদের জন্য ক্রেতারা গরু ক্রয় করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯৩৪০৪৬৪৫৬ নম্বরে।

পরিবেশ বান্ধব উন্নয়নে মুজিবাদর্শের নেতা,কর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে- সিডিএ চেয়ারম্যান মো.ইউনুস

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুস বলেছেন, “মাঠের কর্মীদের মূল্যায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আস্থার সার্থকতা প্রমাণই লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য অর্জনে পরিবেশ বান্ধব গন সম্পৃক্ত উন্নয়ন দর্শন ধারণ করে সিডিএ’কে এগিয়ে নেয়ার জন্য মুজিবাদর্শের সকল নেতা কর্মীকেই বাস যোগ্য নগরী গড়ার কাজে সচেতনতা তৈরি সহ বিভিন্ন কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।”

১৪ মে চউক মিলনায়তনে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে এক মত বিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।

নগর যুবলীগের সহ-সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবু’র নেতৃত্বে এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম -১১ আসনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয় সচিব ও ইপিজেড থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকের আহম্মদ খোকন, পতেঙ্গা থানা আওয়ামীলীগ নেতা সেকান্দার আজম, মহানগর যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু,সুৃফিউর রহমানর টিপু,রায়হান নেওয়াজ সজীব,মারুফ আহমেদ সিদ্দিকী,মোঃ লোকমান, ইমতিয়াজ বাবলা,জাহিদ হোসেন খোকন,সাজাদ আলী জুয়েল,কাজী মোঃ আরিফ,মোঃ এমরান,কে এম শরীফ,সারোয়ার হোসেন,মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব, ইয়াছিন আরাফাত, রমজান আলী,আবু নাছের জুয়েল,মোঃ মনির
তানভীর বিন হাসান,মোঃ বশির,
জিৎকর বাবু,মোঃ আরমান,মোঃসোয়েব, মাকসুদুর রহমান,মোঃ সোহেল, মোঃ মাসুম,মনিরউদ্দিন রুবেল,কায়সার রাজু,মোমেন রাজু,আসিফ রাইসুল,আকবর জুয়েল,সৈয়দ সুলতান ফাহিম,আবিদ হাসান, হারুনুর রশীদ সামিউল, মোঃ রায়হান,অপু সরকার,সৌরেন বড়ুয়া রিও,বিনয় কুমার দে,পলাশ চক্রবর্তী, রুবি আক্তার,জাহিদ হাসান,মোঃশহীদুল্লাহ, সজীব কান্তি দাশ,মাহমুদুল রাসেল,নিশান, মোঃ ইসমাঈল,মোঃ মোবারক প্রমুখ।

নিখোঁজ তামিম কে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলেন মানবাধিকার সংস্থা সিপিআরএস সংগঠন

চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা রেললাইন সংলগ্ন আলহেরা মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত হাফেজ বিভাগের ছাত্র ১৩ বছরের শিশু তামিম খান মাদ্রাসার বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেতে গত ২৬ এপ্রিল (শুক্রবার) জুমার নামাজ পড়তে গিয়ে পালিয়ে যায়।

অনেক খোঁজ খবর নিয়ে শিশু তামিমের কোনো হদিস না মিললে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তামিমের অভিভাবকে নিখোঁজের বিষয়টি জানান।

শিশু তামিমের অভিভাবক নিজেরাও বিভিন্ন স্থানে খোঁজ খবর নিয়ে শিশুটিকে পেতে ব্যর্থ হয়ে ইপিজেড থানা,কাউন্সিলর কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে গত ৩০ তারিখ সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী পরিবার সিপিআরএস মানবাধিকার অফিসে লিখিত অভিযোগ করলে ১ মে সিপিআরএস মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো.বেলাল হোসেনের নির্দেশে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটা কমিটি গঠন করে হারানো শিশুর অভিভাবক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে একটি বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনা করা হয়।

২ মে সকাল ১০ টায় সিপিআরএস মানবাধিকার সংস্থা এবং হারানো শিশুর অভিভাবকসহ সরজমিনে মাদ্রাসা পরিদর্শন ও শিক্ষার্থী এবং মাদ্রাসা কতৃপক্ষের সঙ্গে কথা শেষে ইপিজেড থানার (ওসি)’র সঙ্গেও বৈঠক হয়।

একদিকে ইপিজেড থানার (ওসি)মাদ্রাসা কতৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
অন্যদিকে সিপিআরএস মানবাধিকার সংস্থা পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়, হারানো শিশুকে কিভাবে খুঁজে বের করে তার অভিভাবকদের কোলে তুলে দেওয়া যায়।

হারানো শিশুটি বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে খুঁজতে গত ৩ মে রাত ৯ টায় ইপিজেড থানাধীন হাসপাতাল গেট কয়লা রেস্টুরেন্টের পাশে শিশুটিকে পাওয়া যায়। তখন মানবাধিকার সংগঠনের মাধ্যমে ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে সন্ধান দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ইপিজেড থানা পুলিশকে হারানো শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানালে ইপিজেড থানা কতৃপক্ষ জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের ছেড়ে দেন।

মানবাধিকার সংস্থা সিপিআরএস এর চট্টগ্রাম বিভাগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আয়েশা বেগম বলেন, আমি দীর্ঘক্ষণ শিশু তামিমের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি মাদ্রাসার বন্দী জীবনের প্রতি শিশুটির চরম অনীহা, মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ খাওয়া-দাওয়া কিছুই তার ভালো লাগে না। যেখানে নেই কোনো ছুটি, খেলাধুলা। সব কিছু মিলে তামিম মানষিক অশান্তির মধ্যে ছিলো। তার মধ্যে যোগ হয়েছে শিশুটির পিতা-মাতার বিবাহ বিচ্ছেদ।

যার কারণে শিশুটির জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সোনালী শৈশব। শিশুটি বঞ্চিত পিতা -মাতার আদর স্নেহ ভালোবাসা থেকে। মাদ্রাসার বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেতে শিশুটি গ্রামে চলে যাবার সিন্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগামীতেও আমাদের পক্ষ থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শিশু তামিমের সন্ধান পেতে মাঠ পর্যায়ে ছিলেন, মানবাধিকার সংস্থা সিপিআরএস এর চট্টগ্রাম বিভাগের টিম প্রধান মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আয়শা বেগম, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক মো.আলাউদ্দিন ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর কবির।

পতেঙ্গা ব্লাড ব্যাংকের শরবত বিতরণ

পতেঙ্গা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে পতেঙ্গা কাটগড় মোড়ে তাপদাহে ক্লান্ত পথচারীদের মাঝে শরবত বিতরণ কর্মসুচী নেওয়া হয়।

১ মে (বুধবার )বিকেল ৪ টায় কাটগড় মোড়ে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক,পতেঙ্গা ব্লাড ব্যাংকের প্রধান উপদেষ্টা মো. ওয়াহিদ হাসান।

পতেঙ্গা ব্লাড ব্যাংক কাটগড় মোড় পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়সহ পতেঙ্গা এলাকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শরবত বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন।

শরবত বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, পতেঙ্গা ব্লাড ব্যাংকের সদস্য কাউসার, ইমরান,নোমান আরফাত,জালাল,শাফিন, মিহার,ইফাত,মাহিম,দিদার,সাকিব,শুভ প্রমুখ।

উদ্বোধনকালে ওয়াহিদ হাসান বলেন,পতেঙ্গা ব্লাড ব্যাংক বিভিন্ন সময় মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড গরমে মধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে শরবত বিতরণ কর্মসূচি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

জাপান সফরে গেলেন সিটি মেয়ের রেজাউল করিম চৌধুরী

জাপান সরকারের আমন্ত্রণে ১০ দিনের সরকারি সফরে গেলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.রেজাউল করিম চৌধুরী।

২১ এপ্রিল (রোববার) বিকাল সাড়ে ৩ টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তজার্তিক বিমানবন্দর থেকে জাপানের টোকিও শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, চসিকের কাউন্সিলরবৃন্দ ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জোহরা কাশেম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাইফুল করিম চৌধুরী।

দক্ষিণ হালিশহরে ২৯০ জেলে পরিবারের মাঝে চাউল বিতরণ

চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের ২৯০ জন জেলে পরিবার মাঝে ৪০ কেজি করে ১১ টন ৬০০ কেজি চাউল বিতরণ কর্মসূচি ১৮ এপ্রিল দুপুরে দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সম্পন্ন হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিডিএ বোর্ড সদস্য এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. জিয়াউল হক সুমনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ইপিজেড থানা আঃ লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ সেলিম আফজল, ওয়ার্ড সচিব মোঃ মুনসুর খান, ওয়ার্ড আঃ লীগের সহ-সভাপতি হাজী মোঃ আক্কাস উদ্দিন সওদাগর , ইফতেখার আলম, সমাজ সেবক নূরুল আমিন সোহেল , সৈয়দ আনোয়ারুল‌ করিম রুশদি।
মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সহ চাউল বিতরণ কর্মসূচির সমন্বয়কারী মোঃ দুলাল এবং জেলে পরিবারের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জাগো হিন্দু পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

মর্যাদা পুরুষোত্তম ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের জন্মোৎসব রামনবমী উদযাপন উপলক্ষে জাগো হিন্দু পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে গত ১৭ এপ্রিল (বুধবার) প্রর্বতক ইসকন্ মন্দিরে দিন ব্যাপী শ্রীরামচন্দ্রে’র পূজা, শতাধিক কণ্ঠে শ্রীরামস্তুতি পাঠ, কুইজ প্রতিযোগিতা, বর্ণাঢ্য রামনবমী শোভাযাত্রা, রাম চরিত্র মঞ্চ নাটিকা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাগো হিন্দু পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি রুবেল কান্তি দে এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক টিটু শীলের সঞ্চালনায় এতে উদ্বোধক ছিলেন, জাগো হিন্দু পরিষদের উপদেষ্টা রত্নেন্দু ভট্টচার্য্য,
অতিথি ছিলেন,ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার,এটার্স সন্তোষ কুমার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, লিটন কান্তি গুহ। প্রধান বক্তা শ্রীপাদ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। আরও অতিথি ছিলেন জাগো হিন্দু চট্টগ্রাম জেলার প্রধান উপদেষ্টা মিলন শর্মা।

অতিথিবৃন্দদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর পূজা পরিষদের সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য্য, সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবু, চট্টগ্রাম মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি
দেবাশীষ নাথ দেবু, সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ আর্চায্য, জাগো হিন্দু পরিষদ কেন্দ্রিয় যুগ্ম- সাধারন সম্পাদক প্রিতম দেবনাথ,জাগো হিন্দু পরিষদের উপদেষ্টা শ্রীপাদ স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাস বহ্মচারী, চট্টগ্রাম মহানগর জন্মাষ্টমীর সহ-সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ, চট্টগ্রাম জেলা প্রসাশনের সহকারী অফিসার স্বপন কুমান দাশ,চট্টগ্রাম জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি রুপম চৌধুরী,ডাঃ যীশুময় দেব, অশোক চক্রবর্তী লিংকন,কাঞ্চন আর্চায্য এড. রাজীব দাশ,বিপ্লব দে পার্থ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন রামনবমী আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক শ্রী অমিত পারিয়াল ও জে এইচ পি’র চট্টগ্রাম জেলা প্রতিষ্ঠাতা সুব্রত দাশ আকাশ।

এসময় উপজেলা ও মহানগর থানা কমিটির সকল সারথীবৃন্দ সহ শ্রী রাম পুজা উৎযাপন কমিটির রাজীব দেবনাথ,রিমন নাথ, সুজন শীল, কৃষ্ণ ঘোষ, সুব্রত দাশ, বিশাল দেব নাথ, রকি ধর,শুভঙ্কর চক্রবর্তী, শ্রুতি দে, বৈশাখী চৌধুরী,সহ কার্যকারী কমিটির রূপন দেওয়ানজী,হিরু সুশীল,লিটু সূত্রধর, পলাশ ভট্টচার্য্য, অরুপ দাশ,শ্যামল দাশ, রিতা চক্রবর্তী, তান্নি ধর, অর্পিতা চৌধুরী,অনামিকা দে প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ভগবান শ্রীরামচন্দ্র জীবন ব্যয় করেছিলেন ন্যায়, ধর্ম, ক্ষমা ও সত্যের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য। শ্রীরামের চরিত্র ও জীবন দর্শন আমাদের অনেক কিছু শিক্ষা দেয়।

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজন

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম জেলা কমিটির উদ্যোগে ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের জন্মোৎসব উপলক্ষে রাম নবমী উদযাপন পরিষদের আয়োজনে ১৭ এপ্রিল (বুধবার) সকাল ১১ টায় রহমতগঞ্জ বাংলা কলেজ এলাকার থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। বর্ণাঢ্য র‌্যালীটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে।
রাম নবমী উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির তিমির চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম জেলা ছাত্র মহাজোটের সভাপতি কৃষ্ণ পালের সঞ্চালনায় ধমীর্য় আলোচনা সভায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনীল কান্তি দে। প্রধান বক্তা বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিত দাশ গুপ্ত। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলক প্রফেসর স্বপন চৌধুরী। উদ্বোধক ছিলেন জেলা কমিটির উপদেষ্টা কানু কুমার মজুমদার ও মহিলা কাউন্সিলর রুমকি সেন। ধমীর্য় আলোচক ছিলেন,চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলভদ্র অনুগা বাচ্চু, নিশান সরকার,টিপলু পাল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, হিন্দু মহাজোট নগর কমিটির সভাপতি অনুপ সেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাম নবমী উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির তিমির চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক রোহিত দাশ গুপ্ত (রাসেল),রুবেল দাশ,মিঠুন চৌধুরী, সত্য ধর, নয়ন চৌধুরী, ব্রক্ষানন্দ ধর। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা ও উপজেলা কমিটি, চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর যুব মহাজোট, ছাত্র মহাজোট। পতেঙ্গা, কোতোয়ালী, চকবাজার ও আকবরশাহ থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে দেশের ৪৫ জেলায় রামনবমী পালিত

ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের জন্মোৎসব উপলক্ষে
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে ১৭ এপ্রিল বুধবার একযোগে ঢাকা, চট্টগ্রাম,গোপালগঞ্জ,নিলফামারী,ময়মনসিংহ, নরসিন্দীসহ দেশের ৪৫ টি জেলায় সাড়ম্বরে রামনবমী পালিত হয়েছে।

ঢাকার জয়কালী মন্দির রোডস্থ শ্রী শ্রী রামসীতা মন্দিরে ভোরে শ্রী রামচন্দ্রের পুজা, সকাল ৯ টা থেকে ১২ পর্যন্ত যজ্ঞানুষ্ঠান ও রামসীতা মন্দিরের সভাপতি শ্রী গণেশ চন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন রামসীতা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ শুভ মজুমদার, অ্যাডঃ সৌদিপ্ত কুমার দাস, সাংগঠণিক সম্পাদক রঞ্জন সরকার, হিন্দু মহাজোটের সভাপতি অ্যাডঃ দীনবন্ধু রায়, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডঃ প্রদীপ কুমার পাল, মহাসচিব অ্যাডঃ গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা অ্যাডঃ প্রতীভা বাকচী, রামনবমী উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ডি কে সমির, সদস্য সচিব গৌতম সরকার অপু, যুব মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জনিয়ার মৃণাল মধু, ছাত্র মহাজোটের সভাপতি সজিব কুন্ডু তপু, মহিলা মহাজোট এর সভাপতি অধ্যাপিকা বহ্নি শিখা দাস, সাধারণ সম্পাদক মুক্তা বিশ্বাস, সাংগঠণিক সম্পাদক ডাঃ সমাপিকা দাস প্রমূখ।

দুপুর ১২ টায় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাডঃ গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রা ঢাকার রামসীতা মন্দির থেকে শুরু হয়ে বঙ্গভবনের পাশ হয়ে ইত্তেফাক মোড় ও জগৎবন্ধু আশ্রম ও মদনেশ্বর মহাদের জিউ মন্দির মোড়, বলধা গার্ডেন মোড় হয়ে রামসীতা মন্দিরে এসে শেষ হয়।

এতে বক্তারা বলেন, ভগবান রাম চন্দ্রের জীবনী থেকে আমরা সুস্থ পারিবার ব্যবস্থা, সমাজ ব্যবস্থা, ধর্মনীতি, রাষ্ট্র নীতি, কুটনীতি, দন্ডবিধি, পররাষ্ট্রনীতি, প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে শিক্ষা দেয়।

দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন, নারী জাতির সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা, পিতা,পুত্র,স্বামী, স্ত্রী পরস্পরের প্রতি দায়িত্ব কর্তব্যের শিক্ষা আমরা রামায়ন থেকে পাই। নতুনভাবে বিশ্বে রামায়ন চর্চা হচ্ছে। সারা বিশ্বে পরিবার ব্যবস্থা ভেঙ্গ যাচ্ছে। স্বামী স্ত্রী সহ পরিবারের মধ্যে পরস্পরের মধ্যে শ্রদ্ধা ও অসহিষ্ণু মনোভাবের ফলে আজ সারা বিশ্ব অশান্তি বিরাজ করছে। ফলে সন্তান সন্ততি প্রকৃত দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারছে না। দুপুরে প্রসাদ বিতরন ও রাতে রামায়ন গানের মধ্যদিয়ে রামনবমী উৎসব সমাপ্ত হবে বলে জানান আয়োজক কমিটি।

রাস্তায় সন্তান প্রসব করলেন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী, এগিয়ে এলো পুলিশ

নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন কাটগড় মোড়স্থ ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে রাস্তায় পড়ে থাকা অসহায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর হঠাৎ-ই প্রসব বেদনা ওঠে।

গত ১২ এপ্রিল মধ্যে রাতে স্থানীয়রা জরুরিসেবা নম্বর ৯৯৯ -এ কল দিলে খবর পেয়ে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবিরুল ইসলামের নির্দেশে এস আই আশিষ কুমার দে দ্রুত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্হলে উপস্থিত হয়ে দেখেন রাস্তার মাঝেই শিশুটি প্রায় ভূমিষ্ট হওয়ার পথে।

ঘটনাস্থলে এস আই আশিষ একজন হিজড়া ও দুইজন নারীর সহায়তায় ভূমিষ্ঠ হওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর কন্যা শিশুটির নাড়ী কাটানোর ব্যবস্হা করেন।

একদিকে ঈদের ছুটি,অন্যদিকে গভীর রাত, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্রাইভেট ক্লিনিক বন্ধ থাকায় মা ও শিশু উভয়কে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ইপিজেড থানার সহযোগিতায় বন্দরটিলাস্থ মমতা মাতৃসদনে ভর্তি করা হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসা জন্য তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানাগেছে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর নাম রাজিয়া বেগম (২৬) লক্ষীপুর জেলার মৃত মোকতার হোসেনের কন্যা। তার মায়ের সঙ্গে পতেঙ্গার চড়পাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবিরুল ইসলাম বলেন, জরুরিসেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে জানার সঙ্গে সঙ্গেই টিম পতেঙ্গা মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। মা ও নবজাতক কন্যা সন্তান দু’জনে ভালো আছে। ঈদের বন্ধ থাকার কারণে একটু কষ্ট হলেও আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি। পুলিশ জনগণের বন্ধু, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক কাজের ক্ষেত্রেও আমরা যথেষ্ট আন্তরিক। বিবেকের তাগিদেই নবজাতক ও ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়িয়েছি।