Home Blog Page 17

মহেশখালীতে দেশীয় মদ তৈরীর কারখানা ধ্বংস করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী

মহেশখালীতে দেশীয় মদ তৈরীর কারখানা ধ্বংস করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ৮ সেপ্টেম্বর ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের মুহুরিঘোনা নামক স্থানে পাহাড়ের পাদদেশে মদ তৈরির আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী মহেশখালী কন্টিনজেন্ট।

অভিযানের সময় প্রায় ২০০ লিটার বিক্রয় উপযোগী মদ, দুই হাড়ি প্রক্রিয়াধীন মদ, ৬ ড্রাম মদ তৈরির কাঁচামাল ও মদ তৈরির নানান রকম সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে মদ ও মদ তৈরির সরঞ্জাম এবং আস্তানাটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বর্তমান সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহেশখালীসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে অবৈধ ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে আসছে নৌবাহিনী।

এ ধারাবাহিকতায় মহেশখালীতে যৌথ বাহিনীর এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় নৌবাহিনীর কার্যক্রম চলমান থাকবে।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৯ তম জন্মদিন পালন

আকবর শাহ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে১৫ আগস্ট রাত ১২.০১ মিনিটে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার
সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে কেক কেটে ৭৯ তম জন্মদিন পালন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জমির আহমেদ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আকবর শাহ থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক পলাশ চৌধুরী, আবু শহীদ, নজরুল ইসলাম তুহিন,ইকবাল, আব্দুল হান্নান শিবলী, মাসুদ রেজা চৌধুরী, জাহিদ ইকবাল রনি, শেখ জামিল হোসেন, মাহবুব, নাজিম উদ্দিন, মো. কায়সার,অপু চৌধুরী আকাশ,সুমন রানা,আকরাম, ফাহিম আশরাফ, রাসেল, খোকন,তরিকুল মহসিন বিন ফাহিম,জাকির,শহীদ,ইব্রাহিম, সাঈদ, সাকিব,গোলাম রাসূল সেলিম প্রমুখ।

যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বিএনপি-জামাত শিক্ষার্থীদের ভুলপথে পরিচালিত করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করার পাশাপাশি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার বিষয়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগরের সহ সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি বন্দর নগরীর সল্টগোলা ক্রসিং থেকে শুরু করে কাস্টম মোড়, নিমতলা বিশ্ব রোড,ফকির হাট,বারিক বিল্ডিং মোড় হয়ে পুনরায় কাস্টম মোড়ে এসে সমাবেশে পরিণত হয়।এসময় বক্তারা বলেন,কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে দেশ বিরোধী স্লোগান দিয়ে দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান ও দেশের জনগণের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হলে দেশের প্রকৌশলীরা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ও সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে তা মোকাবেলা করতে বদ্ধপরিকর। একইসাথে আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ না বাড়িয়ে শিক্ষাঙ্গনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকল শিক্ষার্থীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান
জানানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিঞা,ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকের আহমদ খোকন,চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক,৩৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.আক্তার উদ্দীন,যুবলীগ নেতা
রঞ্জিত কুমার শীল,লোকমান হোসেন,মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা,জাহিদ হোসেন খোকন,সালাউদ্দিন বাবর, ইমতিয়াজ সুমন,ফরহাদ আব্দুল্লাহ্, কে.এম শরীফ, মো.মিজান, মাসুদুল আলম জিকু,মোশারফ আলী শাবলু,আব্দুল জব্বার জনি,মো সোহেল,মো.ইয়াছিন আরাফাত, ফারুক হোসেন সুমন,রমজান আলী,আবু নাছের জুয়েল,মাহমুদুর রহমান বাপ্পী,
তানভির বিন হাসান,আলী নুর রুবেল, মো.বশির,নুরুদ্দীন জনি, ইউসুফ সানি,মাকসুদুর রহমান মো.হানিফ, মো:নজরুল, প্রনব দাশ, রোকন উদ্দীন, মো.সোহেল, মো.সাজ্জাদ, মো.ফরিদ, ইব্রাহিম খলিল, সাদ্দামহোসেন, মুরাদ মাহিন,জাহিদুল আলম আলো, মো.জাবেদ, মো:মাসুম আলাউদ্দীন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ, ফিরোজ আলম, আরিফুল হক, মো.সাইমন, রাশেদুল ইসলাম ইমু, আকবর জুয়েল,সৈয়দ সুলতান ফাহিম, মো.রায়হান, শাহরিয়ার রুবেল,হারুনুর রশিদ, সজীব কান্তি দাশ,আসিফ রাইসুল, সাইমুন সেলিম স্বাধীন, আব্দুল্লাহ আল হাসান ইফতি, মাজহারুল আরফাত জীম প্রমুখ।

কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা-প্রতিবাদে নগর যুবলীগের অবস্থান কর্মসূচি

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

অবস্থান কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার বলেন, একটা দেশকে গড়ে তুলতে হলে অবশ্যই দেশপ্রেমিক লোক দরকার। মুক্তিযোদ্ধার ছেলেমেয়ে, নাতি-নাতনিকে দেশপ্রেম ও আনুগত্যে তাদের পূর্বসূরির অনুগামী বলে ধরা যায়, কিছু কুলাঙ্গার ব্যতিক্রম ছাড়া। সরকারি চাকরিতে মেধাবী এবং দেশপ্রেমিক কর্মীর প্রয়োজন অধিক। তাই কোটা ব্যবস্থায় সমমানের মেধা সাপেক্ষে এদের নিয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত সরকারি উঁচু পদে প্রচুর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী তথাকথিত মেধাবীদের পদায়ন হয়েছে যার খেসারত এখনও বাঙালিকে দিতে হচ্ছে। এদের মোকাবেলা করতে হলে সরকারি পদগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষের ভারসাম্য আনতে হবে। যতদিন না পর্যন্ত সেই ভারসাম্য আদায় হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার পোষ্যদের কোটা থাকা জরুরি। তথাকথিত মেধাবীদের দৃষ্টিই থাকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ব্যতিরেকে নিজের ক্যারিয়ারকে উন্নত করা। এসব মেধাবীদের চেয়ে দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার পোষ্যদের কোটার মাধ্যমে ঐসব গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন নিশ্চিত করা দরকার। রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য মেধার চেয়ে অধিক জরুরি। শয়তানও মেধাবী ছিলো। কিন্তু শয়তান অনুগত ছিল না। কাজেই দেশপ্রেমিক মেধাবীদের কোটা ব্যবস্থায় হলেও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা দরকার যাতে দেশবিরোধী চেতনার মানুষগুলো সুবিধা করতে না পারে। তিনি আরও বলেন, যতটুকু মেধাবী হলে নিজেকে রাজাকার দাবি করে উল্লাস করা যায়, ততটুকু মেধাবী হওয়ার প্রয়োজন নাই।

অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট আরশাদ হোসেন আসাদ, সাখাওয়াত হোসেন সাকু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী সাদিত, সাংগঠনিক সম্পাদক, দিদার উর রহমান তুষার, গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এ.জে.এম মহিউদ্দিন রনি, সুমন চৌধুরী, মনোয়ারুল আলম চৌধুরী নোবেল, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ ওমর ফারুক, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক নঈম উদ্দিন খান, ক্রীড়া সম্পাদক রাজিব হাসান রাজন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর টিপু, উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান সামি, সহ-সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ, ইব্রাহিম খলিল নিপু, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ওয়াসিম, খন্দকার মোখতার আহমেদ আরিফ সহ চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আওতাধীন ৪৪ টি ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহবায়ক ও যুগ্ম-আহবায়ক বৃন্দ।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট পতেঙ্গা থানা কমিটির আলোচনা সভা

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট পতেঙ্গা থানা কমিটির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ২৯ জুন (শনিবার ) রাত ৯ টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি সোনা বাবু জলদাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত বিমল দেব লিটনের সঞ্চালমায় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট পতেঙ্গা থানার সভাপতি সত্য কুমার ধর।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি সুজিত ধর,প্রধান সমন্বয়কারী সুমন পাল রনি,সহ-সভাপতি পান্না জলদাস, সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দেব,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক সাজু বৈদ্য,ভান্ডার সম্পাদক পরিমল বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক আবির বিশ্বাস, মন্দির বিষয়ক সম্পাদক আজালা জলদাস,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জনী চৌধুরী। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটে ঋত্বিক দে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আগামী ৭ জুলাই (রবিবার) ভগবান শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উপলক্ষে পতেঙ্গা থেকে শোভাযাত্রা সহকারে বের হয়ে প্রবর্তক মোড়ে ইসকন মন্দিরের রথযাত্রার সঙ্গে যুক্ত হবে এবং রথযাএায় আগত ভক্তবৃন্দের মধ্যে মহাপ্রসাদ ও শরবত বিতরণ করা হবে।

আজ নুরুল আবছার চৌধুরী’র জন্মদিন

নির্লোভ নিরহংকার আদর্শিক মানবিক রাজনীতিবিদ নুরুল আবছার চৌধুরীর শুভ জন্মদিন, ৫৮ পূর্ণ করে ৫৯ এ পা রাখল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও চাটগাঁর সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী। যিনি মনোনয়ন বাণিজ্য-পদায়ন বাণিজ্যসহ কিংবা রাজনৈতিক পদ পদবী ব্যবহার করে কোনো আর্থিক সুবিধা ভোগ করেননি বলে জনশ্রুতি রয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্সসহ মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (চাকসু)’র ‘৯০ সালের নির্বাচনে তিনি এজিএস প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠনের স্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন। ২০০৯ সালে সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হলেও দলীয় সিদ্ধান্তে প্রত্যাহার করেন। ২০১৪ সালের ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দল থেকে কেউ প্রার্থী না হলে তিনি প্রার্থী হয়ে ৪৫ হাজার ৮৪০ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হন, একই পাড়ার অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব চৌধুরী প্রার্থী থাকার পরেও। সে নির্বাচনে লোহাগাড়ায় দল প্রার্থী পর্যন্ত দিতে পারেনি। নির্বাচন পূর্ব নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় তার সৃজনকৃত বাগান দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সাতকানিয়ায় ১৯৮৯ সালের ২৩ মার্চ হরতাল-মিছিল থেকে গ্রেপ্তার হয়ে পাঁচমাস সতের দিন কারাবরণ, বোয়ালখালী থানার ৫৫/৯৩ সন্ত্রাস দমন মামলার আসামী হয়ে তৎকালে হাজতবাস করেছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম শহরে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে যাদের নাম লোকমুখে শুনা যায় তাদের মধ্যে তিনি উল্লেখযোগ্য। গণমানুষের সমস্যা তুলে ধরতে তিনি ২০১২ সাল থেকে চাটগাঁর সংবাদ নামক একটি গণমাধ্যম প্রকাশনার সাথে সম্পৃক্ত, যা বর্তমানে অনলাইন এবং মাল্টিমিডিয়াতেও সুনাম অর্জন করেছে। সাতকানিয়া আদর্শ মহিলা কলেজের সভাপতি থাকাকালীন কলেজটিকে ডিগ্রিতে উন্নীতকরণ, আইসিটি ভবন, শহিদ মিনার, মাঠ, দুই দফায় জমি ক্রয়, মাঠ, জলঘাট, ছাত্রী ছাউনি, ভবন সংস্কার, ক্যান্টিনসহ প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটালাইজেশনে ভূমিকা রাখেন। কলেজটির শিক্ষার্থীরা তাঁকে শিক্ষার ফেরিওয়ালা আখ্যায়িত করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীরা যৌতুক মাদক বিরোধী শপথ গ্রহণ ও মিছিল করেছে তার নেতৃত্বে। মির্জাখীল উচ্চ বিদ্যালয়ে সভাপতি হয়ে স্কুলকে কলেজে উন্নীত করেছেন তিনি। ২৭ বছর ধরে স্বীকৃতিবিহীন গারাংগিংয়া সোনাকানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের স্থাপন ও পাঠদানের অনুমতি পাইয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এলাকার ব্রীজ, কালভার্ট, রাস্তা নির্মাণেও তার অসামান্য অবদান রয়েছে। এজন্য এলাকাবাসী তাকে উন্নয়নের ফেরিওয়ালা বলেও ভূষিত করেন। ২০০৯ সালে ৩ এপ্রিল থানার ওসি এবং সার্কেলকে সাথে নিয়ে ডাকাতি প্রতিরোধে সমাবেশ করে ৯ এপ্রিল তিনজন ডাকাত গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার পর থেকে এলাকা ডাকাতমুক্ত হয়। ২০১৩-১৪ সালে জামায়াত-বিএনপির আগুন সন্ত্রাসে ও ১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনোত্তর জঙ্গি অর্থদাতা মদদদাতার নাম দিয়ে বিদেশ এবং শহর থেকে বাড়িতে আসা লোকজনকে মামলা ও অনৈতিক অর্থ আদায়ের হয়রানিমুক্ত করতে অর্থাৎ এলাকাকে চাঁদাবাজমুক্ত করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। বাঁশখালী- সাতকানিয়ার সীমান্তে বন মন্ত্রণালয়ের পাহাড়ীজায়গা বহিরাগত সন্ত্রাসীরা দখল করলে এলাকাবাসীকে সংগঠিত করে সন্ত্রাসী বিতাড়ন করে ভূমির মূল মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেন।

এছাড়া সাতকানিয়ার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, বাল্য বিবাহ রোধ, দুস্থ নারীর বিবাহ, নারী শিক্ষার অগ্রগতি ও নারী ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন তিনি। ১/১১ এর সময় (২০০৭-২০০৮) রাজনীতি যখন নিষিদ্ধ ছিল তখন তিনি শেখ হাসিনার মুক্তির দাবীতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। তার আন্দোলনের উপজীব্য ছিলো গাছের চারা, শীতার্তদের শীত বস্ত্র, বন্যার্তদের চাউল, কৃতী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, বিভিন্নভাবে ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিনের সরকার পতনে আপোষহীন ভূমিকা পালন। তিনি ফ্রি হেলথ ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে এলাকাবাসীকে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।

২০০৮ সালে পরিবেশ-সামাজিক বনায়ন, ২০১০ সালে সমাজসেবায় অনন্য ভূমিকার জন্য মাননীয় প্রধান বিচারপতির হাত থেকে শ্রেষ্ঠ সমাজ সেবক পুরস্কার, ২০১৩ সালে সাতকানিয়ায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী ভূষিত হয়েছিলেন তিনি। একই সাথে খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান থেকে একুশে পদকে ভূষিত হন। সাতকানিয়া উপজেলার গ্রামকে শহর করে স্মার্ট উপজেলায় রূপান্তর করতে তার মত একজন পরিচ্ছন্ন অভিভাবক খুবই দরকার বলে মনে করছে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সচেতন মহল।

ভক্তদের ভালোবাসা আমার শ্রেষ্ঠ উপহার-মুসাফা রাসু

ভক্তদের ভালোবাসাই আমার জীবনে শ্রেষ্ঠ উপহার বলেছেন একাধারে গীতিকার-সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী তৌহিদুল ইসলাম(মুসাফা রাসু)।
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা শিল্পী মুসাফা রাসু বেশ ব্যস্ততম দিন পার করছেন।

ইতোমধ্যে তিনি কখনো নিজের লেখা গান গাইছেন। কখনো অন্যের কথা-সুরেও দিয়েছেন কণ্ঠ। আবার শিল্পীদের জন্য তৈরি করছেন নতুন নতুন গান। পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে নাটক ও সিনেমায় অভিনয়ে । নিয়মিত লিখছেন নাটকের জন্য গল্প। এ পর্যন্ত সিনেমায় তিনটি গান গেয়েছেন তিনি।

ছটকু আহমেদ পরিচালিত সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘আহারে জীবন’ এ ‘মাটির মানুষ’ শিরোনামের একটি গান
গেয়েছেন। এছাড়াও ‘জাল’ এবং ‘ঠিকানা’ সিনেমার জন্যও গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এই কণ্ঠশিল্পী। শুধু তাই নয়- ইতিমধ্যে জহির খানের কথায়, রিছিল যাদুর সুরে ‘ঈশ্বরের অনলে’সহ আরো বেশ কয়েকটি নতুন গান নিয়ে আসছেন। তার সুরে গান গেয়েছন-কণ্ঠশিল্পী বাউল সুকুমার, রাজু মন্ডল, সাহেদ আলমসহ অনেকেই। শুধু তাই নই ছোট শিশুরা ইসলামিক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তার সুরে। মুসাফা রাসুর ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দূর্বলতা ছিল।

সঙ্গীত জীবনে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিতেন তার বাবা। বাবার সে ইচ্ছে পূরণেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তবে তার ইচ্ছে,যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন গান গাইবেন আর লিখবেন। আগামীতে দর্শক ও শ্রোতাদের মাঝে নতুন নতুন চমক নিয়ে আসবেন তিনি।
মানুষের ভালোবাসাই তার জীবনে শ্রেষ্ঠ উপহার। তাই ভালো কাজের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিবেন বলে বিশ্বাস করেন।

চট্টগ্রামে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বিশ্বমানের যন্ত্রপাতি নিয়ে চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিতে প্রস্তুত

চট্টগ্রামবাসীর চিকিৎসা সেবাকে বিশ্বের সর্বধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্তির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার চট্টগ্রাম শাখায় এখন থেকে রোগী ও তার স্বজনরা সকল প্রকার পরীক্ষায় ২৫% ছাড় পাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও পপুলার গ্রুপের বাংলাদেশের ব্যবস্হাপনা পরিচালক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান
( সিআইপি)। ১ জুন সকাল ১০ টায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হল রুমে এক মত বিনিময় সভায় শাখা ম্যানেজার ওয়ালি আশরাফ খান ব্যাবস্থাপনা পরিচালকের পক্ষে এই ঘোষণা দেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক।
প্রধান আলোচক ছিলেন,প্যাথলজিষ্ট অধ্যাপক ডা.খান মাশরেকুল আলম।

মতবিনিময়কালে বক্তারা বলেন,চট্টগ্রামে প্রথম বিশ্বের সর্বাধুনিক বায়োম্যাট্রিক্স প্রযুক্তির ১২৮ চ্যানেলের দ্রুতগতিসম্পন্ন থ্রি-টেসলা এমআরআই মেশিন ও বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ৫১২ স্লাইস ডুয়েল এনার্জি সিটি স্ক্যান মেশিন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্যাথলজিক্যাল ল্যাব একমাত্র পপুলারে রয়েছে,যা ঢাকা ও চট্টগ্রামের স্বনামধন্য ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এছাড়াও অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে সব ধরনের ইমেজিং টেস্ট করারও বিশেষ সুবিধা রয়েছে ।

শাখা ম্যানেজার ওয়ালি আশরাফ খান বলেন, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বাংলাদেশে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবায় জনগণের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের হাত ধরে ১৯৮৩ সালে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের যাত্রা শুরু হয়। চট্টগ্রামবাসীর চিকিৎসা সেবায় আধুনিক ও বিশ্বমানের ডায়াগনস্টিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড’র যাত্রা শুরু হয় ২০১০ সালে।

তিনি আরও বলেন, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার চট্টগ্রাম শাখায় ১৭০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ১৬ জন বিভাগীয় প্রধান, ২১জন অধ্যাপক, ২৬ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৩৪ জন সহকারী অধ্যাপক এবং ৭৩ জনের অধিক কনসালটেন্ট রয়েছে নিয়মিত রোগি দেখছেন।

মত বিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সহকারী ব্যবস্থাপক উজ্জ্বল বড়ুয়া ও সুজন চন্দ্র দে,মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ মো.সালাউদ্দিন সজিব, মো.বেলাল হোসেন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ।

তাণ্ডবলীলা চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল চলে গেলেও জেলেপল্লীতে রেখে গেছে ক্ষতচিহ্ন

তাণ্ডবলীলা চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় রিমাল চলে গেলেও চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা আকমল আলী রোডের বেড়িবাঁধের উপকূলীয় এলাকার জেলেপল্লীতে রেখে গেছে তার ক্ষত বিক্ষত চিহ্ন।

২৭ মে বিকাল সাড়ে তিন টায় ৭ থেকে ৮ ফুট উচ্চতায় জোয়ারের পানিতে বিধ্বস্ত হয়েছে এখানকার প্রায় ৭০ থেকে ৮০ টি কাঁচা ঘরবাড়ি। উড়িয়ে নিয়ে গেছে অনেকের ঘরের টিনের চাল।

রেমালের প্রভাবে উপকূল জুড়ে এখনো চলছে ঝড়ো বৃষ্টির সঙ্গে থেমে থেমে দমকা হাওয়া। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ পুনরুদ্ধার করতে পারেনি তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।

জানাগেছ এখানে ১ হাজার টাকায় বাসাভাড়া নিয়ে এ জেলেপল্লীতে বসবাস করতো প্রায় ২ শতাধিক জেলে পরিবারের একহাজার মানুষ।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে এখানে স্বপ্নীল মডেল একাডেমি স্কুল,জগন্নাথ মন্দির ও দোকানপাঠসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান স্বপ্নীল মডেল একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান।

গতকাল রাতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক। সরজমিনে আকমল আলী রোডের জেলেপল্লী পরিদর্শন করে সবাইকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানান।

সচেতনতার কারণে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি না হলে ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

ঘূর্ণিঝড় রিমাল-১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রিমাল প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাপবিদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

রবিবার (২৬ মে) আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ১০-এর মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি এখন বাংলাদেশের উপকূল থেকে ৩০০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি বাংলাদেশের খুলনা ও বরিশাল উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। রবিবার সন্ধ্যা বা মধ্যরাত নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় রিমাল চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে রবিবার সন্ধ্যা বা মধ্যরাত নাগাদ মোংলার কাছ দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিমবঙ্গ) ও বাংলাদেশের পটুয়াখালীর খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদসংকেত নামিয়ে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবের দেশের সব বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।‌