Home Blog Page 47

সাজেদা চৌধুরীর পুরো জীবনটাই বর্নাঢ্য একটা ইতিহাস-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

0

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস‍্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তি। তার পুরো জীবনটাই বর্নাঢ্য একটা ইতিহাস। এই ইতিহাস আমাদের ধারন করতে হবে। তিনি নির্লোভ জীবন কাটিয়ে গিয়েছিলেন। এটা আমাদের জন্য অনুকরণীয়। প্রতিমন্ত্রী ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোস্তফা কামাল এসময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, একজন মানুষ কতটুকু দেশপ্রেমিক ও দলের প্রতি আনুগত্য এবং ভালোবাসা থাকতে পারে-সেটা আমরা দেখেছি এক-এগারোর সময়ে। এক-এগারো সরকারের সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন গৃহবন্দী ছিলেন তখন সাজেদা চৌধুরী তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেই সময়ের ঘটনা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এরকম একটা সাহসী চরিত্র বাংলাদেশে বিরল। আমরা তার জীবনের দিকে তাকালে দেখবো সব সময় তিনি সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। বর্তমান প্রজন্ম এবং আমাদের এখান থেকে অনেক কিছু শিক্ষণীয় আছে। তাকে অনুসরণ করতে পারলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

চসিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ১০ ব্যক্তিকে ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার নগরীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। চসিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী পরিচালিত অভিযানে নগরীর পাহাড়তলীস্থ ঝাউতলা বাজারে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে হোটেলে খাবার তৈরী ও বিক্রির দায়ে আবু হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু পূর্বক ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মনীষা মহাজন পরিচালিত অপর অভিযানে নগরীর মোহরা কামাল বাজার, কাজীর হাট এলাকায় আরকান রোডের উভয় পার্শ্বের রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে মালামাল রাখায় ৯ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজু পূর্বক ২৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটগণকে সহায়তা প্রদান করেন।

পতেঙ্গা মডেল থানার ওসির সঙ্গে কমিউনিটি পুলিশিং ও স্পীড বোট মালিক সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

0

পতেঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মোঃ নাজমুন নুর এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পতেঙ্গা সী বিচ কমিউনিটি পুলিশং ও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত স্পীড বোট মালিক সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ।


গত ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ টায় পতেঙ্গা সী-বিচ কমিউনিটি পুলিশং ও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত স্পীড বোট মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. মুসা আলমের নেতৃত্বে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বীচ কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সহ সভাপতি মোরশেদ আলমগীর, মামুন, সাইমুন, হাকিম, রুবেল সাজ্জাদ, মারুফ, রমজান প্রমুখ।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পতেঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মোঃ নাজমুন নুর বলেন,পতেঙ্গা সী বিচ কমিউনিটি পুলিশের নেতৃবৃন্দকে কমিউনিটি পুলিশের পাশাপাশি মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সর্বদা পতেঙ্গা মডেল থানাকে অবহিত করণসহ অপরাধ দমন ও একটি আধুনিক পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের উপহার দিতে আমাদের সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

চিটাগাং চেম্বারে ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপি-কে সংবর্ধনা

0

ভূমি ব্যবস্থাপনায় ‘ডিজিটাল কর ব্যবস্থা’ প্রবর্তনের জন্য বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয় জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি (ডব্লিউএসআইএস) পুরস্কার-২০২২ এ সেরা প্রকল্প হিসেবে বিজয়ী হয়েছে। আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ এই অর্জনে বলিষ্ঠ নেতৃত্বে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপি-কে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র পক্ষ হতে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

১০ সেপ্টেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য ও চেম্বারের প্রাক্তন সভাপতি এম. এ. লতিফ, সিডিএ চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলাম দোভাষ, চেম্বার সিনিয়র সহ-সভাপতি তরফদার মোঃ রুহুল আমিন, সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, সাবেক সভাপতিদ্বয় ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ ও এস. এম. আবুল কালাম, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. ছালাম, দৈনিক আজাদী সম্পাদক ও চেম্বারের সাবেক পরিচালক এম. এ. মালেক, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন) ও হাসনাত মোঃ আবু ওবাইদা, সাবেক পরিচালকদ্বয় এস. এম. আবু তৈয়ব ও এম. এ. মোতালেব, দৈনিক পূর্বকোণ’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, রিহ্যাব’র সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান মিয়া আবদুর রহিম, বি.এস.এম. গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী, ইউরো পেট্রো প্রোডাক্ট লিঃ’র চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল, উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি আবিদা মোস্তফা, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মহাসচিব চৌধুরী ফরিদ, মহানগর দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সালামত আলী, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি সালেহ আহমেদ সুলেমান ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম কমান্ডার মোজাফফর আহমদ বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যদের মধ্যে বিডার পরিচালক সুমন চৌধুরী, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার, চিটাগাং চেম্বার পরিচালকবৃন্দ জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), অঞ্জন শেখর দাশ, মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল), বেনাজির চৌধুরী নিশান, নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন, শাহজাদা মোঃ ফৌজুল আলেফ খান, ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন, মোঃ ইফতেখার ফয়সাল, এস. এম. তাহসিন জোনায়েদ, মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম, তানভীর মোস্তফা চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিরুল আলম (ফাহিম), সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতিদ্বয় মোঃ নুরুন নেওয়াজ ও ওমর হাজ্জাজ, প্রাক্তন পরিচালকবৃন্দ, ফিলিপাইনের অনারারী কনসাল এম.এ. আউয়ালসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, ট্রেডবডি নেতৃবৃন্দ এবং নেতৃস্থানীয় ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধিত অতিথি ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপি চিটাগাং চেম্বারে দার্য়িত্বরত অবস্থায় ব্যবসায়ীদের সমস্যা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার নেতৃত্বগুণ অর্জন করেছেন উল্লেখ করে চেম্বারের জ্যেষ্ঠ ও সাবেক পরিচালকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রযুক্তিগত বিপ্লবের পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের কাজের পদ্ধতি এবং পলিসি রিফর্ম নিয়ে কাজ করেছেন বলে জানান যা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ও ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হচ্ছে। ‘দলিল যার জায়গা তার’ এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ভূমি দখলদারদের দৌরাত্ম্য ও শোষণের হাত থেকে প্রকৃত খতিয়ানভূক্ত মালিকদের রক্ষার্থে ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২১’ প্রণয়ন করা হচ্ছে যা শীঘ্রই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পালনকালে সকল ব্যক্তিগত স্বার্থের উর্ধ্বে থেকে কাজ করে গেছেন উল্লেখ করে তিনি জানান ব্যবসায়ীরা ক্যাবিনেটে আছে বলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন-চলমান ডিজিটাল সার্ভের ফলাফল খুবই ভালো। আশা করছি আগামী ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল সার্ভের পূর্ণাঙ্গ উদ্বোধন করবেন। এই সার্ভের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের ভূমি বিষয়ক সকল তথ্য এবং সংকট দূর হবে। চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবী বাণিজ্য মেলার জন্য স্থায়ী ভেন্যুর আবশ্যকতা উপলব্ধি করে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন ভূমি মন্ত্রী।

ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সাথে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বিশেষ অতিথি এম. এ. লতিফ এমপি বলেন-তিনি সততা ও নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করে গেছেন এবং তাঁর অঙ্গীকার থেকে বিচ্যুত হননি। যার ফলশ্রুতিতে তাঁর নেতৃত্বে ভূমি মন্ত্রণালয় বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাই নেতৃত্বের এই ধারাবাহিতকা বজায় থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশ আরো এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া ভূমি মন্ত্রণালয় ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে যত অব্যবহৃত ভূমি রয়েছে তার সদ্ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করেন যাতে দেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন-সরকার জনগণের দোর গোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বর্তমানে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, ভূমি সংস্কার বোর্ড, ভূমি আপীল বোর্ড, ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) দপ্তর ভূমি মন্ত্রণালয় এর অধীনে কাজ করে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সার্ভে বাস্তবায়িত হলে দেশের ভূমি সংক্রান্ত সকল জটিলতা নিরসন হবে। চট্টগ্রামে বাণিজ্য মেলা কোন স্থায়ী ভেন্যু নেই। তাই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিরিখে চট্টগ্রামে মেলা আয়োজনের একটি স্থায়ী ভেন্যুর জন্য মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

চেম্বার সিনিয়র সহ-সভাপতি তরফদার মোঃ রুহুল আমিন বলেন-বর্তমান ভূমি মন্ত্রী চিটাগাং চেম্বারের দায়িত্ব থাকাকালীন বন্দর ব্যবস্থাপনায় প্রাইভেটাইজেশনে নিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আশা করি, ভূমি মন্ত্রীর নেতৃত্বে ভূমির যে ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে তাতে সমস্ত ভূমি একটি প্ল্যাটফর্মে চলে আসবে। চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর বলেন-দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যশস্যে দিন দিন আমদানি নির্ভরতা বাড়ছে, যা নিরসনে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন কৃষি জাতীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়কে সাথে নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা দরকার। এর মাধ্যমে সরকারি খাস জমি ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কৃষি শস্য উৎপাদন করে কিছুটা হলেও আমদানি নির্ভরতা কমানো ও দেশের মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন। অন্যান্য বক্তারা বলেন-এক সময় ভূমি মন্ত্রলালয় ছিল হয়রানীর মন্ত্রণালয়। ছিল প্রতি পদে পদে ভোগান্তি। কিন্তু বর্তমানে এক ক্লিকে জানা যাচ্ছে ভূমি সংক্রান্ত সকল তথ্য যা বর্তমান ভূমি মন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের সুফল। এই মন্ত্রণালয়ের সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে বহির্বিশ্বে পেয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মর্যাদা যা শুধুমাত্র চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজ বা সাধারণ জনগণ নয় সমগ্র দেশের জন্য গৌরব ও অহংকারের।

লন্ডনে ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খানের একক সঙ্গীতা অনুষ্ঠান স্বর্ণ যুগের গানের আসর অনুষ্ঠিত

0

লন্ডনে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রোতাদের আমন্ত্রণে লন্ডন সফরকালে বেঙ্গল সেন্টার ইউকের আয়োজনে বাংলাদেশ বেতার ও টিভি সঙ্গীত শিল্পী ব্রিটেনের বাঙালী কমিউনিটির প্রিয় চেনামুখ ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান এর পরিবেশনায় একক সঙ্গীতা অনুষ্ঠান স্বর্ণ যুগের গানের আসর গত ৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ইস্ট লন্ডনের ব্র্যডি আর্টস সেন্টারে (192-196, Hanbury St. London EI SHU) সন্ধ্যা ৬ টায় একক সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানাযায় ইতিপূর্বে ইস্ট লন্ডনের বেথনাল গ্রীনের অক্সফোর্ড হলে শিল্পীর একাধিক সঙ্গীত পরিবেশনা সুধি মহলে প্রশংসা
কুড়িয়েছিলো। ২০১৫ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশে স্থায়ী হলেও গড়নের ভক্তদের ভুলে যাননি। তিনি লন্ডনের বাঙালী কমিউনিটিতে পরিচিত একটি নাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবাদে শিল্পীর রয়েছে অসংখ্য গানের ভক্ত।

ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় আইন উপকমিটির সদস্য এবং শিকড় ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী হলেও তার গানের দক্ষতা বেশ প্রশংসনীয়। বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গান পরিবেশনা করেও তিনি আলোচনায় ওঠে এসেছেন। স্বর্ণ যুগের গানের আসরের উপস্থাপনা করেন সংবাদ পাঠিকা ও বাচিক শিল্পী তানজিনা নূর- ই সিদ্দিকী। গানের আসরে উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, সহ-সভাপতি হরমুজ আলী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মারুফ চৌধুরী, বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনসহ দর্শক ও অতিথিবৃন্দ।

দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে জামায়েত-বিএনপির নৈরাজ্য-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষিত কর্মসূচি অংশ হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪ টায় সরকারি সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ প্রাঙ্গন থেকে
সারাদেশে জামায়েত-বিএনপির নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল হয়ে কালী বাড়ির মোড় হয়ে নিউ মার্কেট নতুন ষ্টেশন ঘুরে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে কোতোয়ালি মোড়ে এক সমাবেশে মিলিত হয়।

যুবলীগ নেতা জাকের আহমেদ খোকনের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সফিউর রহমান টিপু,মোস্তাকিন আহমেদ গুড্ডু, এস এম আতিকুর রহমান, মোঃ লোকমান,রায়হান নেওয়াজ সজিব, মারুফ আহমেদ ছিদ্দীকী, মোঃ ইমতিয়াজ বাবলাজাহিদ হোসেন খোকন, মোঃইসমাল, কাজী মোঃ আরিফ, মোঃসালাউদ্দিন, মোঃসোহেল,সরোয়ার হোসেন, মারুফুল ইসলাম মারুফ, মোঃশরীফ, মোঃসোহেল,এমরান হোসেন,মনিরুল হক,
যুবায়ের হোসেন অভি,ফারুক হোসেন সুমন,রমজান আলী,সাদ্দাম হোসেন জয়, আবু নাছের জুয়েল, আলী নুর,মোঃ জুয়েল, মাকসুদুর রহমান, আবদুল মোমিন রাজু, জাবেদ, রাশেদ, সাজ্জাদ, তানভীর বিন হাসান, মোঃআরমান, শহীদুল ইসলাম শহীদ,অপু দাশ, কোরবানি আজাদ, তারিকুল ইসলাম টারজান, আরজু, খোকন, মোমিনুল হক, মোঃ রোকন উদ্দিন,আনিসুর রহমন শরীফ,জাহিদুল আলম আলো,মোঃ মাসুম,আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ,জুয়েল আকবর, সৈয়দ সুলতান,আবিদ হাসান,ইফতেখার ইফতি,সৌরেন বড়ুয়া রিও, নজরুল ইসলাম টিপু,হারুন রশীদ সামিউল,মোঃ সাইফুল হাসান,ইমরানুল ইসলাম তুহিন,সৈয়দ হাসান,মোঃ রিমন, মামুন হোসেন আবির, রুবি আক্তার,সজীব কান্তি দাশ মোঃ নবী, মোঃ সাকিব, কামরুল হাসান, অজিত দাস, আরাফাত হোসেন, আলাউদ্দিন দিপু আলী, সাইদুল,ফজল,মাহাবুব হাসান জনি,দেলোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন,কায়সার অভি, আরাফাত রাহাত, তারেক,জাহিদ হাসান, মোবারক.রিপন বিশ্বাস,
রাহুল,সাকিল,আকাস,তুষার,ফয়সাল, আশিকএরশাদ রুবেল,মানিক, জাবেদ, বাপ্পা,সোহাগ,আজিজ,ইফতি
মোঃ আবছার,মেহেদী হাসান শুভ ফাহিম, রায়হান সামিন ফয়সাল রাতুল,কাওসার রাজু, মোঃ পারভেজ,অপু সরকার রাকেশমাসুদ রাজেশ দাশ
ইমরান প্রমুখ।

সমাবেশ দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে আমরা যারা এই প্রজন্ম বড় হয়েছি পাঠ্যপুস্তকসহ রাজপথেও জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলতে পারি নাই। ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে নষ্ট করে দেওয়ার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল বিএনপি। আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশের প্রকৃত ইতিহাস ফিরে এসেছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। সেই মুহূর্তে বিএনপি তাদের মিথ্যাচার শুরু করেছে। তিন চার বছর ধরে আপনাদের খবর নেই এসি রুমে বসে দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নীলনকশা এঁকেছেন। আর নির্বাচন এলেই জ্বালাও-পোড়াও, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস করেন। এ কারণেই এদেশের জনগণ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করেছে আগামী দিনেও জনগণ আপনাদের পাশে থাকবে না।’

পঞ্চম সমাবর্তনে আইআইইউসি’র ২৯ শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল

0

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) পঞ্চম সমাবর্তনে ২৯ জন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল দেওয়া হবে। এছাড়া ১৩৭ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ভাইস চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল। বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইআইইউসি’র উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ।


তিনি বলেন, ‘আগামী ১১ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল ১০টায় আইআইইউসি’র নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। আইআইইউসির মান্যবর চ্যান্সেলর ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের সদয় সম্মতিতে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে এ সমাবর্তনে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে গ্র্যাজুয়েটদের পদক ও সনদ বিতরণ করবেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিত চন্দ্র। সমাবর্তন বক্তৃতা প্রদান করবেন বিশিষ্ট প্রকৌশলী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, প্রফেসর ইমেরিটাস ও ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আইনুন নিশাত।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাষ্টিজের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রসেফর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী এমপি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবারের সমাবর্তনে বসন্ত সেমিষ্টার ২০১৬ থেকে শরৎ সেমিষ্টার ২০২০ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩৬১ গ্র্যাজুয়েটকে ডিগ্রী প্রদান করা হবে। আশা করা হচ্ছে, ২ হাজার ১৪০ গ্র্যাজুয়েট সমাবর্তনে সরাসরি অংশ নিয়ে সনদ গ্রহণ করবেন। তম্মধ্যে ২৯ জন চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল ও ১৩৭ জন ভাইস চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেলের জন্যে নিবার্চিত হয়েছেন। এছাড়া এই সমাবর্তনে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ ও আইআইইউসির শিক্ষক কর্মকতার্গণ উপস্থিত থাকবেন।


পঞ্চম সমাবর্তন উপলক্ষে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইআইইউসি গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে এ বর্ণাঢ্য আয়োজন নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছাস সৃষ্টি হয়েছে। আশা করি সকলের সহযোগিতায় আমরা একটি সফল সমাবর্তন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে পারবো।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. মছরুরুল মওলা, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যার ড. ইঞ্জিনিয়ার রশীদ আহমেদ চৌধুরী, আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও মিডিয়া, প্রেস, পাবলিকেশন্স এন্ড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও ফিমেল একাডেমিক জোনের চেয়ারম্যান রিজিয়া রেজা চৌধুরী, রেজিস্ট্রার এ.এফ.এম. আখতারুজ্জামান কায়সার।

নৌপথ আরো আধুনিকায়ন করে জীবনমুখি করা হবে-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

0

নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, দখল ও দূষণরোধে সরকার কাজ করছে। বাংলার মানুষ এখন নদী নিয়ে ভাবছে, এটা আমাদের প্রথম সাফল্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী খননের কথা বলেছেন। নির্বাচনি মেনিফেস্টোতে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের কথা বলেছেন। তাঁর প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সামর্থ অনুযায়ি অর্থ ব্যয় করা হবে। নৌপথ আরো আধুনিকায়ন করে জীবনমুখি করা হবে। এ সক্ষমতা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) আছে। সে অনুযায়ি এগিয়ে যেতে হবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি ৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বিআইডব্লিউটিএ’র উন্নয়ন, আর্থিক ও প্রশাসনিক সংক্রান্ত বৈঠকে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোস্তফা কামালসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক ও বিভাগীয় প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয় যে, বিআইডব্লিউটিএ ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত (চলমান) ১২,২৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। উদ্ধারকৃত তীরভূমি/জায়গার পরিমাণ ৩৮৯.৬২ একর। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, আশুগঞ্জ-ভৈরব বাজার, নওয়াপাড়া, ঘোড়াশাল ও টঙ্গি নদী বন্দর এলাকায় এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

বৈঠকে আরো জানানো হয় যে, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীররক্ষা, ওয়াওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় আগস্ট পর্যন্ত ৬,২০২টি সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়েছে। ১০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে (পায়ে হাটার পথ) দৃশ্যমান হয়েছে এবং আরো ৪২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। আমিন বজার,পাগলাবাজার পূর্ব প্রান্ত, পাগলাবাজার পশ্চিম প্রান্ত, মুন্সিখোলা, সিন্নিরটেক ও গাবতলীতে ছয়টি ভারী জেটির নির্মাণ কাজ শেষে হয়েছে এবং আলীগঞ্জ আফছার উদ্দিন ঘাট, আলীগঞ্জ মাদ্রাসা ঘাট, সুলতানা কামাল ব্রীজ সংলগ্ন, মাছুয়া বাজার ঘাট, নারায়ণগঞ্জ লেবার ল্যান্ডিং পয়েন্ট, নারায়ণগঞ্জ সাইলো পয়েন্ট, শিমরাইল ২ ও ৩ নম্বর ঘাট এবং সারুলিয়া লেবার হ্যান্ডলিং পয়েন্টে আরো আটটি ভারী জেটির নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। টঙ্গি নদী বন্দর এলাকায় একটি ইকোপার্ক নির্মিত হয়েছে এবং গাবতলীর বড়বাজার এবং নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় আরো দু’টি ইকোপার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর টঙ্গি নদী বন্দর এলাকায় নির্মিত ইকোপার্কের উদ্বোধন করা হবে। একই সাথে টঙ্গি নদী বন্দর হতে ঢাকা বৃত্তাকার নৌপথে স্পীডবোট সার্ভিস এর উদ্বোধন করা হবে।

চাঁদপুর নদী বন্দরের আধুনিক টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানি আবর্জনা মুক্ত করার লক্ষ্যে ছয়টি রিভার ক্লিনিক ভেসেল সংগ্রহ, কক্সবাজার-মহেশখালী ফেরি সার্ভিস চালু, দু’টি বড় ধরনের উদ্ধারকারি জাহাজ সংগ্রহ, ড্রেজার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করাসহ অন্যান্য প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তিগত উৎকর্য সাধন করতে হবে- মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সারা বিশ^সহ বাংলাদেশ আজ ভারসাম্য হীন অবস্থানে আছে। এ কারণে টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে চট্টগ্রাম নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তিগত উৎকর্য সাধন করতে হবে। চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির স্বর্ণদ্বার। এ বিবেচনায় চট্টগ্রামকে আধুনিক বিশ্ব মানের নগরীতে পরিণত করতে হবে। এক্ষেত্রে কোরিয়ান ইনভারনম্যান্ট ইন্ডাস্টি এ- টেকনোজলী ইনিস্টিটিউট একটি প্রাক সম্ভাব্যতা যাচাই কার্য সম্পাদন করেছেন। যার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু অবহিত হয়েছি। এর মধ্যে যা অপপিূর্ণতা আছে তা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পর্যবেক্ষণ করে একটি টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। এর মধ্যদিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে একটি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমূসূচি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। ০৭ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে নগরীর জিইসি মোড়স্থ একটি রেষ্টুরেন্টে বিশ^ব্যাংক ও কোরিয়ান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রি-ফিজিবিলিটি ষ্টাডির অন্তবর্তী প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-চসিক সচিব খালেদ মাহমুদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, মীর্জা ফজলুল কাদের, জয়সেন বড়–য়া, স্থপতি আবদুল্লাহ আল ওমর, অতি. প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম, কোরিয়ান টেকনোলীজ ই-াস্টির গোলাম সরওয়ার, মুনির আলম চৌধুরী প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলম বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করছি। এই অবস্থায় কোরিয়ান ইনভারনম্যান্ট ইন্ডাস্টি এ- টেকনোজলী ইনিস্টিটিউট বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপর প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের যে প্রতিবেদন তৈরী করেছেন। সে বিষয়টি নিয়ে আমরা আরো পর্যবেক্ষণ করবো। তবে আমাদের ভূমির স্বল্পতা বিবেচনা করে এবং মেডিকেল বর্জ্য আলাদা করে প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিন অভিমত ব্যক্ত করেন।

সিলেট অঞ্চলের প্রকৌশলীদের সঙ্গে কেএসআরএম’র মতবিনিময়

0

সিলেট অঞ্চলের প্রকৌশলীদের সঙ্গে সম্প্রতি মতবিনিময় সভা করেছে কেএসআরএম। সিলেট সদরের একটি অভিজাত হোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেএসআরএমের মহাব্যবস্থাপক কর্নেল (অব.) প্রকৌশলী মো. আশফাকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুশতাক আহমেদ ও অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম।

অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন কেএসআরএমের উপমহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) মোজাম্মেল হক, উপব্যবস্থাপক (ব্যবসা উন্নয়ন) প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, কর্মকর্তা মিজানুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া সিলেট অঞ্চলের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন মতবিনিময় সভায়।

এতে বক্তারা বলেন, সিলেট অঞ্চল ভূপ্রাকৃতিকভাবেই ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। তাই নির্মাণকাজে প্রকৌশলীদের অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রাখতে হয় প্রতিনিয়ত। মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করতে হয় অত্যাবশ্যকীয়ভাবে। বিশেষ করে ভবন নির্মাণে মানসম্পন্ন রড ব্যবহারের বিকল্প নেই। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে স্থানীয় প্রকৌশলীদের সঠিক ধারণা দেয়ার জন্য ইস্পাত নির্মাণ শিল্প প্রতিষ্ঠান কেএসআরএমের এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

এ মতবিনিময়ের মাধ্যমে প্রকৌশলীরা পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করে টেকসই নির্মাণ কৌশল জানতে পেরেছেন। এছাড়া কেমন গুণগতমানের রড ব্যবহার করলে ভূমিধস ও ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণ সম্ভব, সেটির ধারণা দেয়া হয় মতবিনিময় সভায়। এতে দীর্ঘদিন ধরে কেএসআরএম রড তৈরিতে উন্নতমানের কাঁচামালের ব্যবহার, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড রক্ষা ও গ্রাহকের আস্থার বিষয়ে আপসহীন মনোভাবের প্রশংসা করেন রক্তারা।