Home Blog Page 41

বদলে গেছে পতেঙ্গা সার্কেল ভূমি অফিসের চিত্র-সাড়ে তিন মাসে ৩১ মামলার নিষ্পত্তি

0

সেবাগ্রহীতাদের দোরগোড়ায় ভূমি সেবাসমূহ পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি -এসিল্যান্ড

বছরের পর বছর ধরে যেখানে ঝুলে ছিলো ভূমি জটিলতার মামলা। যুগ পেরিয়ে গেলেও নিস্পত্তি হয়নি মামলার, দূর হয়নি হয়রানী ও দূর্ভোগের। তবে এটি ছিলো সাড়ে তিন মাস আগের পতেঙ্গা সার্কেল ভূমি অফিসের চিত্র। মাত্র সাড়ে তিন মাসের ব্যবধানে বদলে গেছে পতেঙ্গা ভূমি অফিসের চিত্র। পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান পাল্টে দিলেন এমন চিত্র।

সম্প্রতি নগরীর পতেঙ্গা এলাকার বাসিন্দা সত্তোরোর্ধ্ব জাহাঙ্গীর আলম। এক সময় থাকতেন বিদেশে। নিজের এলাকায় তিনি ২৪ একর জমি কিনেন। কিন্তু করণিকের ভুলের কারণে তাকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে প্রায় এক যুগ। পতেঙ্গা সার্কেলে মিস মামলা করেও তিনি দ্রুত সমাধান পাননি। কয়েক মাস আগে তার দীর্ঘদিনের সমস্যাটি তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নির্দেশে এক মাসের মধ্যেই সুরাহা করে দিয়েছেন সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

শুধু জাহাঙ্গীর আলম নন, পতেঙ্গার এমন অনেক মানুষের জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যার দ্রুত সমাধান দিচ্ছেন সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান। আগে যেখানে দালালের দৌরাত্ম্যে অসহায় ছিল সাধারণ জনতা, সেখানে দালাল নির্মূলে এখন সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সাধারণ মানুষ সরাসরি কথা বলতে পারছেন তার সঙ্গে। প্রতি সপ্তাহে আয়োজন করা হচ্ছে গণশুনানিও। এছাড়া গত তিন মাসে ৩৪ মামলার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৩১টি, বাকি তিনটি এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান এরমধ্যে পতেঙ্গা সার্কেলের নিজস্ব ভবনের জন্য আবেদনও করেছেন।

জানা গেছে, মিজানুর রহমান পতেঙ্গা সার্কেলে যোগ দেওয়ার পর এ পর্যন্ত ৩৪টি মামলা রুজু হয়েছে। এরমধ্যে ৩১ মামলার নিষ্পত্তিও হয়েছে, বাকি তিনটি চলমান। তিনি চালু করেছেন ঘরে বসে অনলাইনে খাজনা দেওয়া ও নামজারির আবেদন সুবিধা। সপ্তাহের প্রতি বুধবার চালু করেছেন গণশুনানি। ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত রাখতে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ভুমি অফিসের সামনে সাঁটানো হয়েছে সিটিজেন চার্টার, সৌন্দর্যবর্ধনে টবে লাগানো হয়েছে নানান জাতের গাছের চারা।

সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, করণিকের ভুল, নামজারি, মিস কেইস ছাড়াও নানান কারণে ভূমি সংক্রান্ত মামলার সমাধান হচ্ছে খুবই দ্রুত সময়ে। দালাল ছাড়াই নিসংকোচে মানুষ সমস্যা নিয়ে সরাসরি এসিল্যান্ডের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। সুনির্দিষ্ট কাজ ছাড়া অযথা ভূমি অফিসে কেউ ঘুরাফেরা করলে তাদের বের করে দেওয়া হয়। এছাড়া একাধিক মামলা হলে উভয়পক্ষকে ডাকা হয় এবং প্রয়োজনে সপ্তাহে তিনদিন গণশুনানি হয়। পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, বতর্মান সরকার ভূমিসেবা সহজ করতে ডিজিটাল ভূমিসেবাসহ নানান উদ্ভাবনী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভূমি সেবাসমূহ সেবাগ্রহীতাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, সমস্যার সমাধান পেতে আমার দরজা সব সময় খোলা। বিধি বর্হিভুত বা কোন অন্যায় আবদারের কাছে আমি মাথা নত করি না।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি। পতেঙ্গা সার্কেল ভূমি অফিসের বিষয়ে এই মুহুর্তে কোনো মন্তব্য করবো না। আমি নিজেই সরেজমিন পতেঙ্গা ভূমি অফিস ভিজিট করবো, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলবো। তবে কোনো এসিল্যান্ড ভালো কাজ করলে, ভালো লাগে।‘

বিএনপির বড়ধরনের বিশৃঙ্খলা রুখে দিয়েছে আওয়ামী লীগ: তথ্যমন্ত্রী

0

চট্টগ্রামে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে সমসাময়িক বিষয়ে মতবিনিময় করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ 
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে গণমিছিলের নামে বিএনপি-জামাত ঢাকা শহরে একটা বড় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। কিন্তু পুরো ঢাকা শহরজুড়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে তা সম্ভব হয়নি। 

তিনি বলেন, এরপরও বিএনপির প্রধান সহযোগী জামাত ইসলামী পুলিশের ওপর হামলা পরিচালনা করেছে। পুলিশ বাহিনীর ধৈর্যের কারণে তারা সেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারেনি। 

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজী পুকুর পাড়স্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে সমসাময়িক বিষয়ে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ঢাকায় বিএনপির গণমিছিল কর্মসূচি থেকে পুলিশের ওপর জামাত শিবিরের হামলার ঘটনা কেন হলো এবং পুলিশের কি প্রস্তুতি ছিল সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আসলে ১০ ডিসেম্বর বিএনপি বুঝতে পেরেছে তাদের সাথে জনগণ নাই। দশ লক্ষ মানুষের সমাবেশ করবে বলে তারা সেখানে বড়জোড় ৫০/৬০ হাজার মানুষ জমায়েত করতে পেরেছে। এরপর থেকেই বিএনপি আসলে হতাশ। তাদের রাজনীতি পুরোটাই ষড়যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল। সেই কারণেই তারা একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপি বিদেশীদের পদলেহন করার নীতি অবলম্বন করেছে। সেটি করেও কোন লাভ হয়নি। তারা যেভাবে মনে করেছিল বিভিন্ন রাষ্ট্র বা দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের পক্ষে নানা ধরনের কথা বলবেন, সেটি আপনারাও দেখতে পারছেন, হয় নাই। তাদের রাজনীতিটা একই জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে। অর্থাৎ দেশে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা। দেশের জনগণ সেটি কোনভাবেই হতে দিবে না। বিশৃঙ্খলা তৈরী করার উদ্দেশ্যেই তারা নানাধরনের কর্মসূচি দিয়েছে। সেই কর্মসূচিতে তাদের কর্মীদের যেভাবে আশা করেছিল সেভাবে হয়নি।

বিএনপি এখন আবার ২০১২/১৩ সালের রাজনীতির দিকে যাচ্ছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, তাদের রাজনীতি সেই একই জায়গায় আছে। গত ১০ ডিসেম্বরও তারা গাড়িতে আগুন দিয়েছে। এখনও সুযোগ পেলে একই কাজ করবে। তারা সেখান থেকে সরে আসতে পারেনি। তাদের উদ্দেশ্যই হচ্ছে বিশৃঙ্খলা তৈরী করা। 

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর সারাদেশ কিভাবে উল্লসিত ছিল। সবাই পদ্মাসেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ এমনকি পাকিস্তানও অভিনন্দন জানিয়েছে, কিন্তু বিএনপি সেই অনুষ্ঠানে যোগদান করেনি। মেট্রোরেল উদ্বোধনের পর ঢাকা শহরের মানুষের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস, সেই মেট্রোরেল নিয়েও বিএনপি ধুম্রজাল সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছিল। মানুষের উচ্ছ্বাসে তাদের সেই অপচেষ্টা ভেসে গেছে। সেই কারণে বড় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো নিয়ে নানাধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে। সবশেষে সবছাপিয়ে মেট্রোরেল,পদ্মাসেতু, কর্ণফুলী টানেল, পায়রা বন্দর, চট্টগ্রামে বে-টার্মিনাল, কক্সবাজারসহ সারা দেশজুড়ে যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এতে বাংলাদেশের মানুষ উচ্ছ্বসিত।
 
আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে আবারো এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন, আগামী একবছর বিএনপির নাশকতা প্রতিরোধের কোন পরিকল্পনা আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কোন নম্বর সেটা কোন বিষয় নয়। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাকে যখনই যে দায়িত্ব দিয়েছেন তখনই সে দায়িত্ব আমি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেছি। আমি দশ বছর দলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, সাত বছর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, গত তিন বছর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। এসব দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করার চেষ্ঠা করেছি। আবারো আমাকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছেন আমার নেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে, এখন আমার দায়িত্ব হচ্ছে নিজেকে উজাড় করে দলের জন্য কাজ করা। প্রয়োজনে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াতে হলেও দাঁড়ানো এবং সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা।

তিনি বলেন, ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে বিএনপির নাশকতা মোকাবেলা করেছি। বিএনপি কি করতে চায়, কতটুকু করতে পারে আমরা জানি। সেটাকে মোকাবেলা করার জন্য জনগণকে সাথে নিয়ে কি করতে হবে সেটাও আমরা জানি। সুতরাং বিএনপি ওই ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালের পরিস্থিতি আর কখনো সৃষ্টি করতে পারবে না।

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির নমিনেশন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নীতি মতাদর্শে বিশ্বাস করে এমন যে কেউ নমিনেশন চাইতে পারে। সেক্ষেত্রে কোন চিত্র নায়ক-নায়িকা চাইলে সেটি অপরাধ নয়। পাশের বাড়ি পশ্চিম বাংলাসহ ভারতবর্ষে মিডিয়া জগতের অনেককেই নমিনেশন দেয়া হয়। অবশ্যই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নমিনেশন পাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় আওয়ামী লীগের ফোঁড় খাওয়া নেতাকর্মী তাদেরই অগ্রাধিকার। পাশাপাশি দলকে আরো অনেক বিষয় বিবেচনায় আনতে হয়। 

থার্টি ফার্স্ট নাইট-সন্ধ্যার পর পতেঙ্গা পারকিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

0

ইংরেজি নববর্ষকে ঘিরে চট্টগ্রামে উন্মুক্ত স্থানে কোন ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন বা সমাবেশ বা নাচ, গান বা অন্য কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করার নির্দেশনা দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। একইসঙ্গে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত পতেঙ্গা সী-বীচ ও পারকি বীচ এলাকায় অবস্থানে দেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) থার্টি ফার্স্ট নাইটকে ঘিরে সিএমপি থেকে বিশেষ এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনা বলা হয়েছে, রাস্তা, ফ্লাইওভার, ভবনের ছাদ এবং প্রকাশ্য স্থানে কোন ধরনের জমায়েত-সমাবেশ না করা। থার্টি-ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে অনুমোদিত স্থানে আয়োজিত সভা, সমাবেশ এবং ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসমূহে করোনা সংক্রান্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা। উন্মুক্ত স্থানে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কোন ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন বা সমাবেশ বা নাচ, গান বা অন্য কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করা। কোথাও কোন ধরনের আতশবাজি-পটকা না ফোটানো। কোন ভবনের ছাদে আতশবাজি/পটকা ফোটানো হলে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত পতেঙ্গা সী-বীচ ও পারকি বীচ এলাকায় অবস্থান না করা এবং লাইসেন্সকৃত সকল বার ও মদের দোকান বন্ধ রাখা। উচ্চস্বরে গাড়ির হর্ণ না বাজানো কিংবা বেপরোয়া গতিতে গাড়ী বা মোটরবাইক না চালানো। আনন্দ উদযাপনের ক্ষেত্রে আমাদের প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থা ও সংস্কৃতির প্রতি লক্ষ্য রেখে প্রত্যাশিত ও গ্রহণযোগ্য শালীনতা বজায় রাখা। মাদকদ্রব্য সেবন থেকে বিরত থাকতে থাকা। মাদকাসক্ত অবস্থায় কাউকে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সকল অনুষ্ঠানে নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা এবং নারীদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা। নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থী কর্মকান্ড হতে বিরত থাকা। অশোভণ আচরণ এবং বে-আইনী কার্যকলাপ হতে বিরত থাকা। হোটেলে ডিজে পার্টির নামে কোন স্পেস বা কক্ষ ভাড়া না দেওয়া। জনগণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয় এমন যে কোন ধরনের কর্মকাণ্ড পরিহার করা এবং সকল ফার্স্ট ফুডের দোকানসহ মার্কেট বন্ধ রাখা। থার্টি ফার্স্ট নাইটের আগের দিন বিকেল ৪টা থেকে নতুন বছরের প্রথমদিন ১ জানুয়ারি সকাল ১০টা পর্যন্ত সকল প্রকার লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন না করার জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ করা হলো।

নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

এছাড়াও যে কোন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ-দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য তাৎক্ষণিক সিএমপির পুলিশ কন্ট্রোল রুমে (০৩১-৬৩৯০২২, ০৩১-৬৩০৩৫২, ০৩১-৬৩০৩৭৫, ০১৬৭৬-১২৩৪৫৬, ০১৩২০-০৫৭৯৯৮) অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

বিএনপি,জামাতের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে জেগে উঠতে হবে-দেবাশীষ পাল দেবু

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০ ডিসেম্বর সাগরিকা মোড়ে আওয়ামী যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে সারাদেশে বিএনপি -জামাতের আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে দিন ব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

অবস্থান কর্মসূচি শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল অলংকার, একে খান গেইট, কর্নেল হাট, সিটি গেইট হয়ে পুনরায় সাগরিকা মোড়ে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

মহানগর যুবলীগ নেতা মোঃ ইমরান হোসেন হোসেন এর সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা যুবায়ের হোসেন অভি এবং মোঃ শরিফ যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন, নায়েবুল ইসলাম ফটিক, সুফিউর রহমান টিপু,নুরনবী পারভেজ, আব্দুল মতিন, আবু সাঈদ, ইমতিয়াজ বাবলা, ইমতিয়াজ সুমন, মোঃ ইসমাইল,ফরহাদআবদুল্লাহ,কাজী মোঃ আরিফ, সাজ্জাদ আলী জুয়েল, মোঃ সরোয়ার হোসেন, আবু নাছের জুয়েল।

এতে উপস্থিত ছিলেন, সাইফুল হাবিব, হোসেন আহমদ কিরন, মনিরুল হক মনির, কায়সার,নুরুল আজিম বাবুল, মোঃ আমির হোসেন,মাইনুল হাসান, মোঃমোস্তাফা মামুন ভুঁইয়া, রমজান আলী, তানভির বিন হাছান, মনির হোসেন টিটু সাজিবুল ইসলাম সজিব, মোঃ আরমান, মোঃ মুছা, মাহমুদুর রহমান বাপ্পি, মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, মোঃ দিদার, অহিদুল ইসলাম রুবেল, ফরহাদ আহমেদ সিফাত, সৈয়দ সুলতান ফাহিম, নুর ইসলাম রিয়াদ , আবিদ হাছান, সৈয়দ হোসেন, আমির হোসেন জুয়েল, মোঃ টিপু, মনির, রুবেল, বদর শাহ, আকবর হোসেন, মোঃ হানিফ,সোহেল, মাসুম, জালাল, উদ্দীন, রেহমান রাব্বী, মেহেদী হাসান, রিপন বিশ্বাস,জাবেদ, আজাদ,রায়হান, রিমন,নিশাত, এরশাদ উল্লাহ সুমন, মোঃ রনি, পারভেজ, মামুন,লিটন, আরিফ, শামীম, নুর উদ্দিন রাসেল, আলাউদ্দিন আলো, আলী হায়দার, নুর আলম, শাহরিয়ার মামুন, আব্দুল মমিন রাজু, আরাফাত, রাহাত, ফাহিম, জয় দাশ, অন্তর, রাজা শাহা, সুমন, রুবেল, রিদয়,শাকিল, মেহেদী হাসান, মোঃ অভি, মোঃ নাজিম, রাজু, রুবেল দাশ, মোঃ জুয়েল, মোঃ নোমান, মোঃ বক্কর, রানা, রিদয়, মমিনুল হক মাসুম, আলাউদ্দিন সোহেল, ফিরোজ মৃধা, সুমন ভুঁইয়া,রবিউল ইসলাম, জিকু,সুজন, বাবু, সাগর প্রমুখ।


এসময় দেবাশীষ পাল দেবু বলেন,“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে, অগ্রগতি, বেকার সমস্যা দূরীকরণ, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জঙ্গীবাদের অবসান সহ সার্বিক উন্নয়নের আওয়ামী লীগ সরকারের বিকল্প নাই,অনলাইন এবং অফলাইনে বিএনপি-জামাতের অপ-প্রচারের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে জবাব দিতে হবে, সবাইকে জেগে উঠতে হবে”।

ফটিকছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে মিলল চুরির ৫৭০ বস্তা মুরগির খাদ্য

0

ফটিকছড়িতে বিএনপির এক নেতার বাড়ি থেকে ৫৭০ বস্তা মুরগির চোরাই খাদ্য উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) ভোরে ওই নেতার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ।
জানা গেছে, অভিযানে ফটিকছড়ির জাহানপুর জাফতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত ইলিয়াস চৌধুরী বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ থেকে এসব চোরাই খাদ্য উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপি নেতা ইলিয়াস চৌধুরীর ছেলে ইকবাল ও একরাম মিলে জোর তদবির চালাচ্ছেন ঘটনা ধামাচাপা দিতে।

ইলিয়াসের পরিবারের সবাই বিএনপির রাজনীতি করলেও বর্তমানে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন বলে জানা গেছে।

অভিযানে রাউজান থানা পুলিশ ৫৭০ বস্তা মুরগির চোরাই খাদ্য উদ্ধার এবং বাড়ির কেয়ারটেকারকে গ্রেপ্তার করেন।

কক্সবাজারে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের মনিটরিং কমিটির সদস্য হলেন সাংবাদিক বলরাম

0

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের (ষষ্ঠ পর্যায়) কক্সবাজার সদর উপজেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য মনোনীত হয়েছেন তরুণ সাংবাদিক বলরাম দাশ অনুপম।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলরাম দাশ অনুপমকে মনিটরিং কমিটির সদস্য মনোনীত করেন।

উপজেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব ও মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী প্রকল্প পরিচালক বিশ্বজিৎ ব্যানার্জী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বলরাম দাশ অনুপম বর্তমানে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কক্সবাজার সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক।

বিজয় দিবস উপলক্ষে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে দেবাশীষ পাল দেবুর শীত বস্ত্র বিতরণ

0

মহান বিজয় দিবস ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির অংশ হিসেবে নগরীর আগ্রাবাদের দাইয়াপাড়ায় দেড় শতাধীক অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

ওয়াহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা সাজ্জাদ আলী জুয়েলের সঞ্চালনায় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ জসিম।

এ সময় বক্তব্য রাখেন যুবলীগ নেতা মোজাম্মেল হক,মারুফ আহমেদ ছিদ্দিকী,মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা,মোঃ ইসমাঈল,মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব,হারুনুর রশিদ আরমান,ফরহাদ আহমেদ সিফাত,আব্দুল্লাহ আল মামুন,সালাউদ্দিন কায়েস,মোঃ তানজিম উদ্দিন,মোঃ মাঈনুদ্দিন রাজু,মোঃ হেদায়েতুল ইসলাম ইভু, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বাবু, মোঃঅভি, ওয়াহিদিল আলম,মোঃ সাইফুল প্রমুখ।


শীত বস্ত্র বিতরণকালে দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, দেশের ইতিহাস বিকৃতির জনক হচ্ছে বিএনপি। তারাই ইতিহাসের খলনায়ক জিয়াউর রহমানকে বারবার ইতিহাসের নায়ক বানানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে। মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি জয় বাংলা ম্লোগানকে বিএনপি নিষিদ্ধ করে দেয়, বন্ধ করে দেয় ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার। গণমাধ্যম থেকে পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত সব জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালানো হয়। তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে জিয়ার পর খালেদা জিয়াও যুদ্ধাপরাধীদের এমপি-মন্ত্রী করেছেন।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে বিজয় র‍্যালী

0


দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র মাথাচাড়া দিবে যতবার,৭১’র হাতিয়ার গর্জে উঠবে ততবার’ এই শ্লোগান বুকে ধারন করে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ২০২২ উপলক্ষে সকাল ৮টায় নগরীর বন্দর এলাকায় পোর্ট কলোনি নতুন মার্কেট চত্বর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু র উদ্যোগে বিজয় র‍্যালী ও শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মোঃ নায়েবুল ইসলাম ফটিক,সুফিউর রহমান টিপু,সাইফুর রহমান সোহেল,এফ.এ.চৌধুরী বাদল,মোঃ মিন্টু,মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা,সালাউদ্দিন বাবর,
ইমতিয়াজ সুমন,ফরহাদ আব্দুল্লাহ,রেজাউল করিম মামুন,মাকসুদুল আলম জিকু,মোঃ রিমন,মোঃ সালাউদ্দিন,সোহেল রানা,অর্জুন চন্দ্র দাশ,শাহাজাহান বাপ্পি মোঃ ইসমাঈল হুরন,জহির রায়হান,মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব,,যুবায়ের হোসেন অভি,মোঃ মিজান,মোঃ শরীফ,মোঃএমরান,রমজান আলী,মোঃহানিফ
সাইদুল ইসলাম শাওন,আবু নাছের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পি,তানভীর বিন হাসান,মোমিনুল হক মাসুম,বাবুল,দিদার,রাসেল,মোঃ নজরুল,রোকন উদ্দিন,মো: শোয়েব,মোঃ আরমান,মোঃ আরাফাত
জাহিদুল আলম আলো,মোঃ ইব্রাহীম খলিলসাদ্দাম, মোঃমাসুম,আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ
আব্দুল্লাহ আল মামুন,ফিরোজ আলম,জালালউদ্দিন রাফসি,মোঃ রুবেল,রবিউল হোসেন রিফাত,সৈয়দ সুলতান ফাহিম,আবিদ হাসান,কৌশিক রায়,ওমর ফারুক,মোঃ ইসমাঈল, হোসেন শামিম,মোঃ বাবুল,ওমর শরীফ,ইসরাফিল,সজীব কান্তি দাশ,মোঃ রাব্বি,মোঃ রাসেল,মোঃ দিদার,প্রান্তি ভট্টাচার্য প্রমুখ।

জামায়েত-বিএনপি’র নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বজ্রকন্ঠ চত্বরে দেবাশীষ পাল দেবুর অবস্থান কর্মসূচী

0

সারাদেশে জামায়েত-বিএনপি’র নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের উপর হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে গত১০ ডিসেম্বর সকাল থেকেই নগরীর বড়পোল মোড় বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য বজ্রকন্ঠ চত্বরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসুচী পালন করা হয়েছে।

যুবলীগ নেতা মনিরুল হকের সভাপতিত্বে ও সাজিবুল ইসলাম সজীবের সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে মিছিলটি পোর্টকানেকটিং রোড, এক্সেস রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে ।

এসয় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা জাকের আহমেদ খোকন,সেকান্দর আযম,নায়েবুল ইসলাম ফটিক,
আনিফুর রহমান লিটু,সুফিউর রহমান টিপু,নূরনবী পারভেজ,রঞ্জিত কুমার শীল,মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা,
সালাউদ্দিন বাবর,ফরহাদ আব্দুল্লাহ,মোঃ ইসমাঈল,
মাকসুদুল আলম জিকু,সাজ্জাদ আলী জুয়েল,মোঃ সালাউদ্দিন,সোহেল রানা,কাজী মোঃ আরিফ,আব্দুল জব্বার জনি,জহির রায়হান,মোঃ দিদার,সারোয়ার আলম,মারুফুল ইসলাম মারু,যুবায়ের হোসেন অভি
মোঃ মিজান,মনিরুল হক,মোঃ শরীফ,মোঃ এমরান
রতন কান্তি দাশ মোঃ কায়সার,রমজান আলী,মোঃ হানিফ,আবু নাছের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পি, কিরন,সাইফুল,আলী নুর রুবেল,মামুন ভুঁইয়া,তানভীর বিন হাসান,মোমিনুল হক মাসুম,মোঃনজরুলটিপু, জুয়েল,মনির,শোয়েব মোঃ আরমান,নুর এলাহি সানি,মোঃ আরাফাত,মোঃ রাসেদ,মোঃ জাবেদ,মোঃ মাকসুদুর রহমান,জাবেদ খান জুয়েল জর্জ, মোঃ সোহেল,জাহিদুল আলম আলো,মোঃ মাসুম,রুবেল খান,আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ
আজাদ খান,সৈয়দ হোসেন,আবদুল মুমিন রাজু,আব্দুল্লাহ্ আল মামুন,তানজিম উদ্দিন,মোঃ রাজু,আকবর জুয়েল,সৈয়দ সুলতান ফাহিম
আবিদ হাসান,ইফতেখার উদ্দিন ইফতি,মোঃ ফিরোজ আলম,কৌশিক রায়,নুর ইসলাম রিয়াদ,মোঃ ওমর ফারুক,মাঈনুল হাসান সোহান, মোঃনবী, ইফতি, সাকিব,আরাফাত জিম,রাজা শাহ্ প্রমুখ।


সমাবেশে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু বলেন,২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সারাদেশে আওয়ামী লীগের ওপর নির্যাতনের স্ট্রিম রোলার চালানো হয়। এমনকি নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ায় অনেকের হাত-পা কেটে নেওয়া হয়। আবারও তারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। এ স্বপ্ন তাদের আর পূরণ হবে না।

নৈরাজ্য অগ্নি সংযোগের প্রতিবাদে দেবাশীষ পাল দেবুর বিক্ষোভ মিছিল

0


সারাদেশে জামায়েত – বিএনপি’র নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের উপর হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকাল ৪টায় নগরীর আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে আগ্রাবাদ মোড়, চৌমুহনী মোড় হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে বাদামতলী মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু, সুফিউর রহমান টিপু,নূরনবী পারভেজ মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা,জাহিদ হোসেন খোকন,
ফরহাদ আব্দুল্লাহ,সাজ্জাদ আলী জুয়েল,মোঃ সালাউদ্দিন কাজী, মোঃ আরিফ,মোঃ ইসমাঈল
জহির রায়হান,সারোয়ার আলম,মারুফুল ইসলাম মারুফ,ফারুক হোসেন সুমন,মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব মনিরুল হক,মোঃ শরীফ,মোঃ এমরান,রমজান আলী,আবু নাছের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পি,তানভীর বিন হাসান,মোমিনুল হক মাসুম মোঃ নজরুল টিপু,জুয়েল মনির,রোকন উদ্দিন, মো: শোয়েব, মোঃ আরমান,নু এলাহি সানি,মোঃ আরাফাত মোঃ মাকসুদুর রহমান জাবেদ খান জুয়েল,মোঃ মাসুম, আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ,আব্দুল্লাহ্ আল মামুন,নাজমুল হক নোমান,রাশেদুল ইসলাম, ইমুতানজিম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম বিপল্ব,আকবর জুয়েল, সৈয়দ সুলতান ফাহিম, আবিদ হাসান,ইফতেখার উদ্দিন ইফতি,হারুনুর রশীদ সামিউল,বিনয় কুমার দে,মামুন হোসেন আবির,ওমর ফারুক,মোঃ রাব্বি
মোঃ রাহাত,নবী,ইফতি,সাকিব,রানা মোবারক ইসলাম প্রমুখ।


সমাবেশে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলার মুক্তিকামী, দেশপ্রেমী জনতার পাশে পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়েছে। বিএনপি-জামাতের সকল ষড়যন্ত্র, সকল চক্রান্তকে রুখে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আজকে ঐক্যবদ্ধ, প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।