ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের (ষষ্ঠ পর্যায়) কক্সবাজার সদর উপজেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য মনোনীত হয়েছেন তরুণ সাংবাদিক বলরাম দাশ অনুপম।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলরাম দাশ অনুপমকে মনিটরিং কমিটির সদস্য মনোনীত করেন।
উপজেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব ও মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী প্রকল্প পরিচালক বিশ্বজিৎ ব্যানার্জী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বলরাম দাশ অনুপম বর্তমানে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কক্সবাজার সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক।
মহান বিজয় দিবস ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির অংশ হিসেবে নগরীর আগ্রাবাদের দাইয়াপাড়ায় দেড় শতাধীক অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।
ওয়াহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা সাজ্জাদ আলী জুয়েলের সঞ্চালনায় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ জসিম।
এ সময় বক্তব্য রাখেন যুবলীগ নেতা মোজাম্মেল হক,মারুফ আহমেদ ছিদ্দিকী,মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা,মোঃ ইসমাঈল,মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব,হারুনুর রশিদ আরমান,ফরহাদ আহমেদ সিফাত,আব্দুল্লাহ আল মামুন,সালাউদ্দিন কায়েস,মোঃ তানজিম উদ্দিন,মোঃ মাঈনুদ্দিন রাজু,মোঃ হেদায়েতুল ইসলাম ইভু, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বাবু, মোঃঅভি, ওয়াহিদিল আলম,মোঃ সাইফুল প্রমুখ।
শীত বস্ত্র বিতরণকালে দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, দেশের ইতিহাস বিকৃতির জনক হচ্ছে বিএনপি। তারাই ইতিহাসের খলনায়ক জিয়াউর রহমানকে বারবার ইতিহাসের নায়ক বানানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে। মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি জয় বাংলা ম্লোগানকে বিএনপি নিষিদ্ধ করে দেয়, বন্ধ করে দেয় ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার। গণমাধ্যম থেকে পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত সব জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালানো হয়। তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে জিয়ার পর খালেদা জিয়াও যুদ্ধাপরাধীদের এমপি-মন্ত্রী করেছেন।
দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র মাথাচাড়া দিবে যতবার,৭১’র হাতিয়ার গর্জে উঠবে ততবার’ এই শ্লোগান বুকে ধারন করে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ২০২২ উপলক্ষে সকাল ৮টায় নগরীর বন্দর এলাকায় পোর্ট কলোনি নতুন মার্কেট চত্বর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু র উদ্যোগে বিজয় র্যালী ও শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মোঃ নায়েবুল ইসলাম ফটিক,সুফিউর রহমান টিপু,সাইফুর রহমান সোহেল,এফ.এ.চৌধুরী বাদল,মোঃ মিন্টু,মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা,সালাউদ্দিন বাবর, ইমতিয়াজ সুমন,ফরহাদ আব্দুল্লাহ,রেজাউল করিম মামুন,মাকসুদুল আলম জিকু,মোঃ রিমন,মোঃ সালাউদ্দিন,সোহেল রানা,অর্জুন চন্দ্র দাশ,শাহাজাহান বাপ্পি মোঃ ইসমাঈল হুরন,জহির রায়হান,মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব,,যুবায়ের হোসেন অভি,মোঃ মিজান,মোঃ শরীফ,মোঃএমরান,রমজান আলী,মোঃহানিফ সাইদুল ইসলাম শাওন,আবু নাছের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পি,তানভীর বিন হাসান,মোমিনুল হক মাসুম,বাবুল,দিদার,রাসেল,মোঃ নজরুল,রোকন উদ্দিন,মো: শোয়েব,মোঃ আরমান,মোঃ আরাফাত জাহিদুল আলম আলো,মোঃ ইব্রাহীম খলিলসাদ্দাম, মোঃমাসুম,আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ আব্দুল্লাহ আল মামুন,ফিরোজ আলম,জালালউদ্দিন রাফসি,মোঃ রুবেল,রবিউল হোসেন রিফাত,সৈয়দ সুলতান ফাহিম,আবিদ হাসান,কৌশিক রায়,ওমর ফারুক,মোঃ ইসমাঈল, হোসেন শামিম,মোঃ বাবুল,ওমর শরীফ,ইসরাফিল,সজীব কান্তি দাশ,মোঃ রাব্বি,মোঃ রাসেল,মোঃ দিদার,প্রান্তি ভট্টাচার্য প্রমুখ।
সারাদেশে জামায়েত-বিএনপি’র নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের উপর হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে গত১০ ডিসেম্বর সকাল থেকেই নগরীর বড়পোল মোড় বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য বজ্রকন্ঠ চত্বরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসুচী পালন করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা মনিরুল হকের সভাপতিত্বে ও সাজিবুল ইসলাম সজীবের সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশ শেষে মিছিলটি পোর্টকানেকটিং রোড, এক্সেস রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে ।
এসয় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা জাকের আহমেদ খোকন,সেকান্দর আযম,নায়েবুল ইসলাম ফটিক, আনিফুর রহমান লিটু,সুফিউর রহমান টিপু,নূরনবী পারভেজ,রঞ্জিত কুমার শীল,মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা, সালাউদ্দিন বাবর,ফরহাদ আব্দুল্লাহ,মোঃ ইসমাঈল, মাকসুদুল আলম জিকু,সাজ্জাদ আলী জুয়েল,মোঃ সালাউদ্দিন,সোহেল রানা,কাজী মোঃ আরিফ,আব্দুল জব্বার জনি,জহির রায়হান,মোঃ দিদার,সারোয়ার আলম,মারুফুল ইসলাম মারু,যুবায়ের হোসেন অভি মোঃ মিজান,মনিরুল হক,মোঃ শরীফ,মোঃ এমরান রতন কান্তি দাশ মোঃ কায়সার,রমজান আলী,মোঃ হানিফ,আবু নাছের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পি, কিরন,সাইফুল,আলী নুর রুবেল,মামুন ভুঁইয়া,তানভীর বিন হাসান,মোমিনুল হক মাসুম,মোঃনজরুলটিপু, জুয়েল,মনির,শোয়েব মোঃ আরমান,নুর এলাহি সানি,মোঃ আরাফাত,মোঃ রাসেদ,মোঃ জাবেদ,মোঃ মাকসুদুর রহমান,জাবেদ খান জুয়েল জর্জ, মোঃ সোহেল,জাহিদুল আলম আলো,মোঃ মাসুম,রুবেল খান,আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ আজাদ খান,সৈয়দ হোসেন,আবদুল মুমিন রাজু,আব্দুল্লাহ্ আল মামুন,তানজিম উদ্দিন,মোঃ রাজু,আকবর জুয়েল,সৈয়দ সুলতান ফাহিম আবিদ হাসান,ইফতেখার উদ্দিন ইফতি,মোঃ ফিরোজ আলম,কৌশিক রায়,নুর ইসলাম রিয়াদ,মোঃ ওমর ফারুক,মাঈনুল হাসান সোহান, মোঃনবী, ইফতি, সাকিব,আরাফাত জিম,রাজা শাহ্ প্রমুখ।
সমাবেশে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু বলেন,২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সারাদেশে আওয়ামী লীগের ওপর নির্যাতনের স্ট্রিম রোলার চালানো হয়। এমনকি নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ায় অনেকের হাত-পা কেটে নেওয়া হয়। আবারও তারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। এ স্বপ্ন তাদের আর পূরণ হবে না।
সারাদেশে জামায়েত – বিএনপি’র নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের উপর হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকাল ৪টায় নগরীর আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে আগ্রাবাদ মোড়, চৌমুহনী মোড় হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে বাদামতলী মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু, সুফিউর রহমান টিপু,নূরনবী পারভেজ মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা,জাহিদ হোসেন খোকন, ফরহাদ আব্দুল্লাহ,সাজ্জাদ আলী জুয়েল,মোঃ সালাউদ্দিন কাজী, মোঃ আরিফ,মোঃ ইসমাঈল জহির রায়হান,সারোয়ার আলম,মারুফুল ইসলাম মারুফ,ফারুক হোসেন সুমন,মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব মনিরুল হক,মোঃ শরীফ,মোঃ এমরান,রমজান আলী,আবু নাছের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পি,তানভীর বিন হাসান,মোমিনুল হক মাসুম মোঃ নজরুল টিপু,জুয়েল মনির,রোকন উদ্দিন, মো: শোয়েব, মোঃ আরমান,নু এলাহি সানি,মোঃ আরাফাত মোঃ মাকসুদুর রহমান জাবেদ খান জুয়েল,মোঃ মাসুম, আলাউদ্দিন সোহেল,হৃদয় কুমার দাশ,আব্দুল্লাহ্ আল মামুন,নাজমুল হক নোমান,রাশেদুল ইসলাম, ইমুতানজিম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম বিপল্ব,আকবর জুয়েল, সৈয়দ সুলতান ফাহিম, আবিদ হাসান,ইফতেখার উদ্দিন ইফতি,হারুনুর রশীদ সামিউল,বিনয় কুমার দে,মামুন হোসেন আবির,ওমর ফারুক,মোঃ রাব্বি মোঃ রাহাত,নবী,ইফতি,সাকিব,রানা মোবারক ইসলাম প্রমুখ।
সমাবেশে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলার মুক্তিকামী, দেশপ্রেমী জনতার পাশে পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়েছে। বিএনপি-জামাতের সকল ষড়যন্ত্র, সকল চক্রান্তকে রুখে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আজকে ঐক্যবদ্ধ, প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
চিকিৎসা এখন প্রযুক্তিনির্ভর। মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার করে সুচিকিৎসা নিশ্চিতে সাহায্য করে। এই জন্য তাদের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং উচ্চশিক্ষা প্রয়োজন। দেশের জনগণের সর্বাধুনিক চিকিৎসাপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা প্রদানে মেডিক্যাল টেকনোলজি শিক্ষার উন্নয়ন অপরিহার্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. ইসমাইল খান।
৯ ডিসেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মেডিক্যাল রেডিয়েশন টেকনোলজিস্টদের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন,মেডিক্যাল টেকনোলজি শিক্ষার মানোন্নয়নে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ফৌজদারহাটস্থ ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব করেন সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের আহ্বায়ক মো. আলী আকবর।
উদ্বোধক ছিলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল টেকনোলজি ও নার্সিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ডা. আনোয়ার উল হক শামীম।
খন রঞ্জন রায়ের স্বাগত বক্তব্যের পর অতিথি বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ফৌজদারহাটের অধ্যক্ষ ডা. নুপুর কান্তি দাশ, চিটাগাং ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যাটস্-এর অধ্যক্ষ ডা. মাহবুবুল হক সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের সদস্য মো. জুলহাস উদ্দিন, হাসানুজ্জামান, অথৈ মজুমদার, মো. মহিউদ্দিন, বিপ্লব প্রমুখ।
দ্বিতীয় পর্ব বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সুভাষ মজুমদার, সেমিনার প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চমেকের রেডিওলজিস্ট ডা. জাস্টিন ক্লাম্প, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট মো. মোজাম্মেল হোসেন রাসেল এবং জিএমই গ্রুপের মেডিক্যাল ডাইরেক্টর শান্তনু কুমার দাশ।
তৃতীয় পর্বে মেডিক্যাল রেডিয়েশন টেকনোলজি বিষয়ে পেশাভিত্তিক ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন জিএমই গ্রুপের টেকনিক্যাল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ুন রশিদ। চতুর্থ পর্বে সাংগঠনিক অধিবেশনে ঢাকা থেকে আগত বারিট কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ মেডিক্যাল টেকনোলজি পেশার সমস্যা, সংকট ও উত্তরণ বিষয়ে আলোচনা করেন।
বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ বিলস্ এর মহাসচিব আন্তজার্তিক খ্যাত সম্পন্ন শ্রমিক নেতা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, জাতীয় স্হায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম পুনঃরায় বিলস্ মহাসচিব, সফর আলী সম্পাদক ও সৈয়দ রবিউল হক শিমুল নব নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য হওয়ায় সম্প্রতি একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ লেবার ফেড়ারেশন (বিএলএফ) বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও শ্রম আদালত সদস্য আবু আহম্মদ মিঞার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
সংবর্ধতি অতিথি শ্রমিক নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) শ্রমিক সংগঠন গুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছে। ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক সংগঠন কত শক্তিশালী হতে পারে প্রতিপক্ষ তা বুঝে। তাই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে অধিকার আদায় করতে হবে। বিলস মহাসচিব আরো বলেন, এ দেশে নিপিড়িত, নির্যাতিত, অসহায় শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করার জন্য সরকার-মালিক ও শ্রমিক ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। এতে করে দেশের সম্পদ যেমনি বৃদ্ধি পাবে তেমনি দেশে সু-শাসন প্রতিষ্ঠা হবে এবং প্রায় অর্ধেকর ও বেশি শ্রমিকদের উন্নতির সাথে সাথে দেশও উন্নতির শিখরে পৌঁছাবে।
সংবর্ধতি অতিথি বিএলএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিলস নির্বাহী সদস্য সৈয়দ রবিউল হক শিমুল বলেন,আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদেশের সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষের জন্য কাজ করি। শ্রমিক অঙ্গনের সকল শ্রেনি পেশার লোকদের মাঝে আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।
বক্তব্য রাখেন বিলস্ চট্টগ্রাম এর চেয়ারম্যান এ এম নাজিমুদ্দিন, চৌধুরী মোহাম্মদ আলী, নুরুল আবছার ভুইঁয়া, বিএলএফ জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক মাইনউদ্দিন, সহ-সভাপতি সেলিম মিঞা, নগর সহ-সভাপতি শাহ আলম হাওলাদার, দেলোয়ার হোসেন, আরও উপস্হীত ছিলেন, জেলা বিএলএফএর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও সি এন্ড এফ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের অপডক সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ, শিরাজুল ইসলাম,সহ-সাধারন সম্পাদক খুরশিদ আলম, আব্দুল মন্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ভুইঁয়া, জাফর আলম লিটন, প্রচার সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ হানিফ , নগর বিএলএফ এর প্রচার সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক আলমগীর হোসেন, হিউম্যান হলার এর সাধারন সম্পাদক টেরজিম, এলমুনিয়াম শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি বদি, রেলওয়ে রানিং স্টাপ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ওমর ফারুক, বিএলএফ চট্টগ্রাম যুব কমিটির সভাপতি জাবেদ চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আব্দুস ছোনহান সুমন, রফিক, ইমাম,আলম প্রমুখ|
আগামী ৪ ঠা ডিসেম্বর, চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র জনসভা সফল ও স্বার্থক করতে ২ ডিসেম্বর বিকেলে বন্দর এলাকায় হাজারো নেতা কর্মীর আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বন্দর শ্রমিক নেতা খন্দকার মোহাম্মদ ইয়াকুব সভাপতিত্বে ও জামিল আহমেদ মিলনের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠন সমূহের আয়োজনে উক্ত মিছিল ও তৎপরবর্তী সমাবেশে সমাপনী বক্তব্য রাখেন বন্দর কর্মচারী পরিষদ (সিবিএ) এর সাধারন সম্পাদক মোঃ নায়েবুল ইসলাম ফটিক।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন রেজাউল করিম রাজু, হুমায়ন কবির মুকুট, মোস্তফা ফরিদুর রেজা, আশীষ কান্তি মহুরি, দেলোয়ার হোসেন, এফ এ চৌধুরী বাদল, ফরহাদ আব্দুল্লাহ, মোঃ সালাউদ্দীন, মোঃ সোহেল রানা,জহির রায়হান, মোঃ ইসমাইল, মোঃআমির, রমজান আলী, মোঃ হানিফ, আবু নাছের জুয়েল, মাহমুদুর রহমান বাপ্পী,সাজীবুল ইসলাম সজীব, মোঃ মাসুম, মোঃ সোহেল, আনিসুর রহমান শরীফ, মোঃ রোকন উদ্দীন,হারুনুর রশিদ,মোঃ রানা ।
চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানাধীন বড়মিয়া মসজিদ এলাকায় চাটঁগার সংবাদ পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক লায়ন এস বি জীবনের বাসায় দুধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
জানাযায় সাংবাদিক লায়ন এস বি জীবন চকবাজার এলাকার ডাঃ কমরুল আলম বিল্ডিংয়ের ৫ম তলার একটি ফ্ল্যাট বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন।
গত মঙ্গলবার দুপুরে বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে ফ্ল্যাটের দরজার তালা কেটে বাসায় ঢুকে আলমারি, ওয়ারড্রব ও সোকেস ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, প্রাইজবন্ড ও কাপড়চোপরসহ মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে চোরের দল।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চকবাজার মডেল থানায় অভিযোগ করলে পুলিশের দুটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখনো পর্যন্ত চুরি হওয়া কোনো মালামাল উদ্ধার বা চুরির ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারসহ চোরদের শনাক্তের জন্য কাজ করছেন থানা পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় নিরাপত্তার প্রয়োজনে সিসি ক্যামরা খুবই প্রয়োজন। সিসি ক্যামেরা না থাকায় অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কোন সুযোগ হবে কিনা সেটাও অনিশ্চিত।এই এলাকায় প্রায় সময়ে বিভিন্ন অপরাধ মূলক ঘটনা ঘটলেও সিসি ক্যামরা না থাকায় দুধর্ষ চুরির এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত অধরা থেকে গেলো অপরাধীরা। এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এভাবে চুরির ঘটনা ঘটলে বেড়ে যাবে অপরাধ প্রবনতা।