Home Blog Page 97

জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর সংসদ’র আলোচনা সভা

0

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর সংসদ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে চকবাজারস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে শনিবার সকালে শোক দিবসের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক উপ-সমবায় সম্পাদক তরুণ আ’লীগ নেতা আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ আল-মামুন চৌধুরী। আলোচনা সভায় তিনি বলেন, হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙ্গালি জাতির জনক ‘বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও স্বাধীনতা-এই তিনটি শব্দ একসূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধু যে মহান উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন, তা যথার্থভাবে পূরণ করতে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, ৪২ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুল আলম শাহিন, ১৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি এম আর ইয়াসিন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অসীম বনিক, ইউনিট আ’লীগ নেতা মমিনুল আলম, ৪২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, চকবাজার থানা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. শাহ আলম, যুবলীগ নেতা কায়েস, জাহেদ, ছাত্রলীগ নেতা মোবারক বাবু, সজীব, ইমন প্রমুখ।
এর আগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

ইপিজেডে জাতীয় শোক দিবসে ফ্রিডম ব্লাড ব্যাংক’র আলোচনা সভা

0

ইপিজেডে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৫ আগস্ট যোহরের নামাজের পর ফ্রিডম ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে হাজী বশির আহম্মেদ মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে দোয়া মাহফিল করার পাশাপাশি বিকাল ৫ টায় ফ্রিডম ব্লাড ব্যাংকের নেতৃবৃন্দ নিজস্ব কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভার আয়োজন করেন।

আলোচনা সভায় ফ্রিডম ব্লাড ব্যাংকের প্রধান উপদেষ্টা ডাঃ হোসেন আহম্মেদের পরিচালনায় এক মিনিট নিরবতা পালন ও করোনাকালীন সময়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ফ্রিডম ব্লাড ব্যাংকের উপদেষ্টা খান মোঃ সাইফুল, শেখ মোঃ আলাউদ্দিন ফারুক,ফ্রিডম ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি নুর আলম সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক হাসিফুল ইসলাম জয়,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহাদাত হোসেন,অর্থ-সম্পাদক গোলাম রাব্বি,কার্যকরী সদস্য আল-সাজ্জাদ আবির,অন্তুু দাশ,রাফি সহ ফ্রিডম ব্লাড ব্যাংকের সদস্যগণ। আলোচনা সভার সঞ্চলনা করেন ফ্রিডম ব্লাড ব্যাংকের সাধারণ সম্পাদক হাসিফুল ইসলাম জয়।

পতেঙ্গায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

0

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ১৫ আগস্ট বিকাল ৪ টায় পতেঙ্গা মুসলিমাবাদ এলাকায় আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান জামে মসজিদে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সহ -সভাপতি হাজী নুরুল আবছারের উদ্যোগে এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ ও বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, ৪০ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী শাহাদাত হোসেন,ক্যাপ্টেন হাজী নিজাম উদ্দিন,আওয়ামীলীগ নেতা হাজী রাশেদ বাল্লা, হাজী মো.আজিজ, শ্রমিক নেতা রাশেক, হাজী আবুল খায়ের,হাজী কাশেম, মো. রফিক , হাজী ফোরকান, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন,বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন পতেঙ্গা থানার আহ্বায়ক, মো.তৌহিদ, মো.আব্দুল খালেক, মো.মাসুদ খানসহ নাহিদ স্মৃতি সংসদ, সেভেন সীচ, এল ডি জি সিনিয়র, এল ডি জি জুনিয়ার, মুসলিমাবাদ ফ্রেন্ডর্স সার্কেল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দোয়া মাহফিলের মোনাজাত পরিচালনা করেন মুসলিমাবাদ আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আলহাজ্ব একলাজ উর রহমান।

একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক কাউন্সিলর আ’লীগের দু’সময়ের কান্ডারী আসলামকে এখনো চায় এলাকাবাসী

0

নিজস্ব প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এ. বি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর যোগ্য উত্তরসুরি ৩৯ নং ওয়ার্ড থেকে একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক কাউন্সিলর ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. আসলামকে এখনো চায় এলাকাবাসী। এক সময়কার দলের দুঃসময়ে নিজের জীবন বাঁজি রেখে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে দলের জন্য নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন তিনি। একাধিকবার মালমাল আসামী ও বার বার কারাবরণ করার পরেও বঙ্গবন্ধুপ্রেমী সাবেক কাউন্সিলর মো. আসলামের জন্য রয়েছে এলাকার সর্বস্তরের জনগণের ভালবাসা। সকলের কাছে মো. আসলাম মানেই একজন জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতা। তবে বর্তমান সরকারের আমলে মো. আসলামের মত ত্যাগী নেতারা যোগ্য মূল্যায়ন না পেয়ে হতাশার অনলকুন্ডে দিনের পর দিন পার করছে। মো. আসলামকে চসিক প্রশাসকের সহায়ক পরিষদের সদস্য বা কমিটিতে স্থান দিতে ৩৯ নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী বর্তমান সরকারের নিকট দাবি জানান।

১৯৬৬ সালে এক দরিদ্র পরিবারে আসলামের জন্ম। বঙ্গবন্ধু আদর্শকে বুকে ধারণ করে ১৯৮২ সালে আওয়ামী রাজনীতির সাথে নিজেকে যুক্ত করেন তিনি। লেখাপড়ার জন্য ছাত্র রাজনীতি করতে পারেনি। তবে দক্ষিণ হালিশহর ৩৯নং ওয়ার্ডের বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চট্টগ্রাম মহানগরের একজন কর্মী ছিলেন। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত গণ-আন্দোলনে অংশ গ্রহন করার কারণে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তাকে ১৩টি মামলা কারাবরণ করতে হয়েছে ।

১৯৯২ সালে ৩৯নং ওয়ার্ডের আওয়ামী যুবলীগের সম্মেলনে তিনি ৩৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হোন। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে এলাকার ১৭ যুবক নিহত ও ৫০০ জনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রতিবাদ করেন তিনি। তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক মেয়র এ. বি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর পাশে থেকে তিনি গ্রেপ্তারকৃত ৫০০ জনকে নৌ-ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের করে তাদের স্ব-স্ব বাড়িঘরে পৌঁছে দেন।

১৯৯৪ সালে আলহাজ¦ এ. বি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি মেয়র নির্বাচিত হয়ে ৩৯নং ওয়ার্ডের আওয়ামী যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দকে নিয়ে তিনি শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। ১৯৯৬ সালে অসহযোগ আন্দোলনে এ. বি. এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৭ দিন চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধ রাখতে গিয়ে মো.আসলাম জীবন বাঁজি রেখে পতেঙ্গা থানা যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি মাখন লাল মহাজনসহ ১৭টি মাইক্রোসহ অস্ত্রধারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পরেন সেই গুলিবর্ষণে চট্টগ্রামের আওয়ামী পরিবারের ২৮ জন কর্মী নিহত হয়েছিলেন।

১৯৯৬ ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি প্রহসনের নির্বাচন প্রতিহত করতে চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ. বি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর নির্দেশ বাস্তবায়নে বিএনপি’র কোন মন্ত্রী, এমপির চট্টগ্রামে নির্বাচনী প্রচার বন্ধ করতে সিমেন্ট ক্রসিং নৌ-ঘাঁটির সামনে মো.আসলামের নেতৃত্বে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ আফসারুল আমিনের নির্দেশে চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে বিমান ল্যান্ডিং পয়েন্টে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আসলাম সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন।

১৯৯৮ চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটিতে মো. আসলাম সদস্য নির্বাচিত হবার পর মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও এনামুল হক দানুকে সাধারণ সম্পাদক করে যে কমিটি ঘোষিত হয় তাতে আসলামকে কার্যকরী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করা হয়। ২০০০ সালে মো. আসলাম পতেঙ্গা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে ২০০০ সালের ৩ জানুয়ারি ওয়ার্ড এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ মো.আসলামকে সর্বপ্রথম চসিক ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচনে মনোনয়ন প্রদান দিলে মো. আসলাম বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়।

২০০২ সালে অপারেশন ক্লিন হাট নামে সেনাবাহিনী দিয়ে দেশব্যাপী অপারেশন শুরু করে। সেই অপারেশনে চট্টগ্রামের সর্ব প্রথম মো. আসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর ২৬ বার রিমান্ড চাওয়া হয়। মো. আসলামের বিরুদ্ধে ৪টি পেন্ডিং হত্যা মামলাসহ মোট ২৬টি মামলা করা হয়। কারাবরণ করার পরেও জামিন এসে তাকে মোট ১২ বার গ্রেফতার করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ২০০৫ সালে ১৭ মে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে চসিক নির্বাচনে আবারও মো. আসলাম বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়। ২০১৩ সালের ৬ এপ্রিল বিএনপি-জামায়াতের ভাড়াটিয়া চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারী কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করলে তৎকালীন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ডাঃ আফসারুল আমীন আসলামের পাশে দাড়ান।

সাবেক কাউন্সিলর মো.আসলাম বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা খোরশেদ আলম সুজনকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার কারণে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) প্রশাসকের সহায়ক পরিষদের সদস্য বা কমিটিতে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এ. বি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর যোগ্য উত্তরসুরি দাবি করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় ভাবে যাকে মনোনয়ন দিয়েছে আমি তার পক্ষে কাজ করে যাব। আমি যেহেতু ৩৯ নং ওয়ার্ড থেকে একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক কাউন্সিলর ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র ছিলাম তারই ধারাবাহিকতায় এখনো এলাকাবাসী চায় আগামী ১৮০ দিনের দায়িত্বে থাকা (চসিক) প্রশাসকের সহায়ক পরিষদের সদস্য বা কমিটিতে থেকে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা,সম্ভাবনা ও উন্নয়নমূলক কর্মকার্ন্ড যেন তুলে ধরতে পারি।

মানবতার কল্যাণে আমি আছি,থাকব : প্রনব সাহা

0

জাতীয় দূর্যোগ করোনা কালীন সময়ে একজন মানবিক প্রনব সাহা লকডাউনের শুরু থেকে পতেঙ্গা জেলে পাড়ায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ,ফুটপাতে অসহায় পথ শিশু ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। রাস্তায় ক্ষুধার্ত পশুদের খাদ্যের ব্যাবস্থা করা ছাড়াও অতীতে তিনি বিভিন্ন সময়ে শীত বস্ত্র বিতরণ,শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ,বৃক্ষ রোপন অভিযান,বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানসহ নানা মানবিক কর্মকার্ন্ডের জন্য মানুষের আস্থা ও ভালবাসা অর্জন করার পাশাপাশি সকলের প্রিয় মুখ মানবতার সেবক হিসাবে পরিচিত। তিনি জানান,দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে আমি আমার অবস্থান থেকে সাধ্যমত মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করি । যত দিন বেঁচে থাকবো মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাব।

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের শুরুতেই কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবন জীবিকার কথা ভেবে করোনা সংক্রমণ এড়াতে প্রায় শতাধিক ভাড়াটিয়াদের বাড়িভাড়া মওকুফ করেন প্রনব সাহা।

করোনা কালে সর্বপ্রথম তিনি সরকারের কাছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির চট্টগ্রাম শাখার প্রায় ৫৫০০ স্বর্ণের দোকান মালিক ও প্রায় ১৪ হাজার স্বর্ণশিল্পী ও কর্মচারীদের আর্থিক প্রণোদনা ও রেশম কার্ডের দাবি জানান।

সমাজ সেবক প্রনব সাহা বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম শাখা মেট্রোপলিটন শপ্ অনার্স এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্সের অজীবন সদস্য, মা ও শিশু হাসপাতালের আজীন সদস্য এবং পতেঙ্গা থানা সার্ক মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কেন্দ্রের সভাপতি। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে দেশের ও সমাজের উন্নয়নে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

বাকলিয়ায় অসুস্থ আওয়ামীলীগ নেতার পাশে মোবাশ্বিরা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান- আব্দুল্লাহ্ আল মামুন চৌধুরী

0

নগরীর ১৯ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বাকলিয়ায় সাবেক যুবলীগ ও বর্তমান আওয়ামীলিগ নেতা অসুস্থ ইকবাল হোসেনের খোঁজ খবর নিতে ৬ আগস্ট সন্ধ্যায় তার বাসভবনে গেলেন সাবেক উপ- সমবায় সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা ও মোবাশ্বিরা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ্ আল মামুন চৌধুরী।

এ সময় তিনি অসুস্থ ইকবাল হোসেনের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে গিয়ে বলেন,দলের দুর্দিনে, আন্দোলন সংগ্রামে যে সকল ত্যাগী নেতারা রাজপথে ছিল তাদের সুখে-দু:খে সব সময় আমি পাশে আছি এবং থাকবো। আমাদের রাজনীতি হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাওয়া। তিনি অসুস্থ ইকবাল হোসেনকে ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৪৩ নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদ, এম আর ইয়াসিন, অসীম বনিক, আসাদুজ্জামান রুবেল, জাহাঙ্গীর আলম, তৌহিদ মোঃ তৈয়ব, সজীব বিশ্বাস, রাজীব চৌধুরী ইমন, জাহাঙ্গীর আব্দুল্লাহ প্রমুখভ

পুলিশ হেফাজতে ওসি প্রদীপ, কক্সবাজার আদালতে নেওয়া হচ্ছে

0

পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। এর আগে তাকে চলতি দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমানে তাকে কক্সবাজার আদালতে নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) দুপুরে সিএমপির কাছে ওসি প্রদীপ আত্মসমর্পণ করেন। সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম।

অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম বলেন, প্রদীপ কুমার দাশ বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যেহেতু তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে তিনি আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছেন। আমরা পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে তাকে কক্সবাজার আদালতে পৌঁছে দেবো।

এর আগে, বুধবার (০৫ আগস্ট) টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপকে তার চলতি দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। বর্তমানে একই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এপিএম দোহাকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ঘটনার পর টেকনাফ থানার ওসি অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিলেন। ছুটি নেওয়ার একদিন পরই তাকে প্রত্যাহার করে নেয় বাংলাদেশ পুলিশ।

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বুধবার (০৫ আগস্ট ) কক্সবাজারে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

গ্রেফতার হলেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ

0

সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের পুলিশ হাসপাতাল থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যার মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। কক্সবাজারের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই পরোয়ানা জারি করেন।

গতকাল নিহত রাশেদের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস এই মামলাটি দায়ের করেন। র‌্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে, প্রভাবমুক্ত থেকে মামলা তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন র‌্যাবের কর্মকর্তারা।
এ মামলায় সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গী ও ৩১ জুলাই এর ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত নয় পুলিশ সদস্যসহ ১৭ জনকে প্রত্যাহার করেছে কর্তৃপক্ষ।

মেরিন ড্রাইভকে ডেথ জোন বানিয়েছিলেন ওসি প্রদীপ

0

সদ্য প্রত্যাহার করা টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের হাতিয়ার ছিল কথিত ক্রসফায়ার বাণিজ্য। ইয়াবার এ প্রবেশদ্বারে ক্রসফায়ারের রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন পুলিশের এই ওসি। কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভকে কার্যত ডেথ জোনে পরিণত করেন তিনি। আতঙ্কে রাতে এ সড়কে চলাচলে মারাত্মক ভীতির সঞ্চার হয় স্থানীয়দের মধ্যে। চাহিদা মতো টাকা না পেয়ে ক্রসফায়ারে হত্যার বিস্তর অভিযোগও রয়েছে প্রদীপ কুমার দাসের বিরুদ্ধে। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে তার নানা নিপীড়নের শিকার হয়েছেন যারা, তারা তার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

২০১৮ সালের ৪ মে থেকে সারাদেশে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু করে সরকার। এতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় ক্রসফায়ারের পরিসংখ্যান। গত ৩০ জুলাই পর্যন্ত শুধু কক্সবাজার জেলায় পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮৭ জন। এর মধ্যে পুলিশের সঙ্গে ১৭৪ জন, বিজিবির সঙ্গে ৬২ জন ও র‌্যাবের সঙ্গে ৫১ জন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। আর টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ১৬১ জন। এর মধ্যে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মাধ্যমে ঘটেছে ১৪৪টি ক্রসফায়ারের ঘটনা। এসব ক্রসফায়ারের একটি বড় অংশ সংঘটিত হয় মেরিন ড্রাইভ সড়কে।

যদিও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের শুরু থেকেই এ ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছিল মানবাধিকার সংগঠনগুলো। অন্যদিকে এমন অভিযানের পরও কমেনি মাদকের চোরাচালান। বরং কিছু ক্ষেত্রে মাদকের সরবরাহ বৃদ্ধির তথ্য মিলেছে। পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাবে অভিযান শুরুর পর এক বছরে বিভিন্ন সংস্থার অভিযানে ৫ কোটি ১৪ লাখ ইয়াবা বড়ি এবং ১০ মণ হেরোইন উদ্ধার হয়েছে, যা আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। এর আগে কোনো বছরই ৪ কোটির বেশি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার হয়নি। এমন বাস্তবতায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের নামে কথিত ক্রসফায়ার বৃদ্ধির ঘটনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরুর পর টেকনাফে পুলিশের গ্রেপ্তার-বাণিজ্যের স্থলে জায়গা নেয় কথিত ‘ক্রসফায়ার-বাণিজ্য’। গত ২৪ জুলাই উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরকেন্দ্রিক ইয়াবা গডফাদার মৌলভি বখতিয়ার নামের এক ইউপি সদস্যকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ অভিযান চালিয়ে মৌলভি বখতিয়ারসহ তাহের নামের আরও এক রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করেন ওই রাতে। একদিন পর দুজনের ভাগ্যে জোটে কথিত বন্দুকযুদ্ধ। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়, মৌলভি বখতিয়ারের ঘর থেকে ১০ লাখ টাকা এবং ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার পর একটি বিশেষ সংস্থার কাছে দেওয়া জবানিতে নিহত মৌলভি বখতিয়ারের স্ত্রী জানিয়েছেন, সেই রাতে ওসি প্রদীপ কুমারের নেতৃত্বে পুলিশি অভিযানে ৫১ লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মৌলভি বখতিয়ারের এক ছেলেকে ডেকে নিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হয় আরও বিপুল অঙ্কের টাকা।

সর্বশেষ গত শুক্রবার রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান (৩৬)। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে রাশেদের পরিবার।

ভারতের করোনা হাসপাতালে আগুন, ৮ রোগীর মৃত্যু

0

‘বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট’ থেকে আগুন লেগে ভারতের গুজরাটে একটি হাসপাতালে ৮ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালটি করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ভয়াবহ আগুন লাগার এ ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এনডিটিভি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আহমেদাবাদের নাভরাংপুর এলাকার শ্রেই নামে হাসপাতালটিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর ৮টি ফায়ার ইঞ্জিন ও ১০টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেখানে তিন নারীসহ ৮ জন নিহত হয়েছেন। তারা হাসপাতালটির নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আগুন লাগার সময় ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে ৪৫ জনের মতো রোগী ভর্তি ছিলেন। যে ৮ রোগীর মৃত্যু হয়েছে তারা বাদে বাকিদের উদ্ধার করে সর্দার বল্লবভাই প্যাটেল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

এনডিটিভি আরও জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার সকালেও ঘটনাস্থলে থাকা দমকল কর্মীদের উদ্ধার তৎপরতা চালাতে দেখা গেছে। হাসপাতালটির বাইরে রোগীদের উদ্বিগ্ন স্বজনরা ভিড় করে আছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা প্রথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করছে।

নিহতদের ২ লাখ ও আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে এনডিটিভি। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে এ অর্থ প্রদান করা হবে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এক টুইট বার্তায় এর নিশ্চয়তা দেন।

শ্রেই হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি টুইটে লিখেছেন- ‘আহমেদাবাদের হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় কষ্ট লাগছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। পরিস্থিতি নিয়ে গুজরাটের মুথ্যমন্ত্রী ও আহমেদাবাদের মেয়রের সঙ্গে কথা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।’

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যাশবোর্ড অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ভারতে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ৬৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, মৃত্যু হয়েছে ৪০ হাজার ৬৯৯ জনের।