Home Blog Page 63

পতেঙ্গা মহাবারুণী ও গঙ্গাঁস্নানঘাট কমিটির উদ্যোগে মহাবারুণীস্নান মহোৎসব অনুষ্ঠিত

0

কাটগড় জেলেপাড়া সমুদ্র সৈকতে পতেঙ্গা মহাবারুণী ও গঙ্গাঁস্নানঘাট কমিটির উদ্যোগে ৩০ মার্চ ( বুধবার ) দিন ব্যাপী গীতা পাঠ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান,মহা প্রসাদ বিতরণসহ নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সনাতনী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব মহাবারুণীস্নান মহোৎসব।

ধর্মীয় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা রমনা কালি মন্দির ও জাগো হিন্দু পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা মিলন শর্মা,পঞ্চমাতা বিগ্রহ বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শ্রীমৎ প্রেমময়ানন্দ ব্রহ্মচারী,দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন পত্রিকার পরিচালক দীপ্ত দাশ,সমাজ সেবক সুবীর চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উত্তর পতেঙ্গা জেলে পাড়া মহাবারুণী ও গঙ্গা স্নান ঘাট কমিটির সভাপতি সোনা বাবু জলদাশ, সহ-সভাপতি পান্না জলদাশ, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দাশ,কাঞ্চন জলদাশ,কিরন জলদাশ,পরিমল জলদাশ, শুভ্রত জলদাশ প্রমুখ।

৭’শ কোটি টাকার ড্রেজার ও জাহাজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

0

বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) ২৯ মার্চ মঙ্গলবার সাতশত কোটি টাকার অধিক ব্যয় সাপেক্ষ চারটি ‘কাটার সাকশন ড্রেজার ও সহায়ক জলযান’ এবং একটি ‘বয়া লিফটিং জাহাজ’ এর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি ২৯ মার্চ নারায়ণগঞ্জের বন্দরস্থ কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডে এসব নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

ড্রেজারগুলো নৌপথের নাব্যতা উন্নয়ন ও সংরক্ষণে এবং ‘বয়া লিফটিং জাহাজ’ মোংলা বন্দরের চ্যানেলে বয়া স্থাপন ও প্রতিস্থাপনের কাজে সহায়ক হবে। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবধরনের নৌযান তৈরি করার সামর্থ অর্জন করেছি। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্থ বাংলাদশকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিপ্লব করেছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যার পর দেশ অন্ধকারের দিকে ধাবিত হয়। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন‍্য রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব‍্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর নামে অপপ্রচার চালানো হয়। জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া দেশের উন্নয়নে কিছুই করেনি। তারা দেশের মানুষকে শাসন ও শোষন করেছে। লুন্ঠন ছাড়া তারা দেশকে কিছু দিতে পারেনি। গত ১৩ বছরে বঙ্গবন্ধু কন‍্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অনেক এগিয়ে গেছে। শুধু নৌখাত নয়, সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে। সার্বভৌমত্ব ধরে রাখার জন‍্য শক্তি অর্জন করেছে। করোনা মহামারীর মধ‍্যেও দেশের অর্থনীতি থেমে যায়নি, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বন্ধ হয়নি। বাংলাদেশের মানুষকে নিরাপদে রাখতে সক্ষম হয়েছি; শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এযমিরাল মোহাম্মদ মুসা, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান আহমদ শামীম আল রাজী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক এবং কর্ণফুলি শীপ বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এম এ রশিদ।

‘৩৫টি ড্রেজার ও সহায়ক জলযানসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় দু’টি ২৮ ইঞ্চি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ সহায়ক জলযান ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি, দু’টি ২৪ ইঞ্চি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ সহায়ক জলযান ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া মোংলা বন্দরের জন্য একটি ‘বয়া লিফটিং জাহাজ’ সংগ্রহ করা হচ্ছে। কর্ণফুলি শীপ বিল্ডার্স লিমিটেড ড্রেজার ও বয়া লিফটিং জাহাজ নির্মাণ করছে। দু’টি ২৮ ইঞ্চি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ সহায়ক জলযান ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহে ব্যয় হবে ৩৭৮ কোটি ৭০ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা এবং দু’টি ২৪ ইঞ্চি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ সহায়ক জলযান ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহে ব্যয় হবে ২১৩ কোটি ৬১ লক্ষ ০৫ হাজার টাকা । বয়া লিফটিং জাহাজ নির্মাণে ব্যয় হবে ১১৯ কোটি টাকা। বয়া লিফটিং জাহাজ মোংলা বন্দরের চ্যানেলে বয়া স্থাপন ও প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হবে। ড্রেজারগুলো ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই এবং বয়া লিফটিং জাহাজ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের ১০০টি নদী খনন করে প্রায় ৮,০০০ কিলোমিটার নৌপথের নাব্যতা উন্নয়ন ও সংরক্ষণের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌরুট ও ফেরী রুটসমূহে সারাবছর ফেরী, লঞ্চ, কার্গো ভেসেল ও অন্যান্য নৌযান নির্বিঘেœ চলাচলের উপযোগী করা এবং ক্রমবর্ধমান ড্রেজিং চাহিদা মিটানোর লক্ষ্যে (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ) বিআইডব্লিউটিএ’র ড্রেজিং সক্ষমতা, ৩৫টি ড্রেজারসহ ১৬১টি জলযান সংগ্্রহের মাধ্যমে ড্রেজার বহরের সংখ্যা এবং ড্রেজিং ক্যাপাসিটি তিন কোটি ২৫ লক্ষ ৬০ হাজার ঘনমিটার বৃদ্ধি করার জন্য “৩৫টি ড্রেজার ও সহায়ক জলযানসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ” প্রকল্প গ্রহণ করা হয় । প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল-অক্টোবর ২০১৮ হতে জুন ২০২৩ এবং প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয়েছে ৪৪৮৯ কোটি ০৩লক্ষ ৪২ হাজার টাকা।

সংগঠনের মাধ্যমে সমাজকে সুসংগঠিত করতে হবে প্রাণের পতেঙ্গা সামাজিক সংগঠনের আলোচনা সভায়- বক্তারা

0

পতেঙ্গা মুসলিমাবাদ এলাকায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকাল ১০ টায় প্রাণের পতেঙ্গা সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে প্রথম বারের মত জমকালো আয়োজন ও চমকানো বিষয় নিয়ে দিন ব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আলোচনা সভা ও বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ডায়াবেটিক পরীক্ষা এবং দরিদ্র পরিবারকে নগদ অর্থ দিয়ে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের জিলানী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সরোয়ার কামালের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.সাইফুদ্দিন’র সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন হাজী নিজাম উদ্দীন।
প্রধান বক্তা ছিলেন, প্রবীন রাজনীতিবীদ সাবেক সিটি কর্পোরেশন জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুর রহিম।
উদ্বোধক ছিলেন, সংগঠক ও সমাজ সেবক মুজিবুল হক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, ফোর জুয়েল ইস্টিভিটর এর সত্বাধিকারী মোঃ আকতার শরীফ।

বক্তব্য রাখেন, সমাজ সেবক মো.নাজিম উদ্দিন নাজের, মো.আবদুল্লাহ, মো.আবু ফয়েজ, মোঃ শাহাজান, মো.জসিম উদ্দিন রেফারী, শিক্ষক আনিসুর রহমান ।
মো. আল আমীন।

উপদেষ্টা নিজাম উদ্দীন মেম্বার ,হাফেজ শিহাব উদ্দিন, মো. মনজুর আলম, শিক্ষক প্রনব সরকার, সাংবাদিক এস কে সাগর, মো.কবির আহমেদ, ডাঃ সহদেব চন্দ্র, মো.সেলিম, শ্রী বলরাম দাশ, মোবারক সোহাগ, মো. জয়নাল আবেদীন, সোহাগ প্রমুখ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রাণের পতেঙ্গা সামাজিক সংগঠনের সভাপতি মো.নুরুল আবছার ভুট্টো, সহ-সভাপতি মো.মোস্তফা কামাল, মো.সোলাইমান, সাধারণ সম্পাদক মো.আব্দুল কাদের সাইফুল, সাংগঠনিক সম্পাদক রিটন বড়ুয়া বাবু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইয়াছিন, অর্থ সম্পাদক মো.মাজহারুল ইসলাম সাগর,
প্রচার সম্পাদক মো.ইসমাইল হোসেন সুমন, সহ-প্রচার সম্পাদক মো.রাজিব, দপ্তর সম্পাদক মো.মাসুদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ প্রকাশ দাশ, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত মজুমদার, ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক মো.ফরিদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ খাঁন, সহ-ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক হাসান কায়সার রানা, ত্রান ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক সোনা বাবু জলদাশ, সহ ত্রান ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক নোবেল কর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহানুর, সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো.দস্তগীর চৌঁধুরী, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক মো. ইব্রাহীম , কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো.নুরুন্নবী।

কার্যকরি সদস্য মোঃ হিরু আলম, আজহারুল ইসলাম (সৈকত), মো. বশির, মো.মিলন, মো.আলমগীর হোসেন , মো. জসীম, মোঃ আলিম উদ্দীন, আব্দুল আজিজ মনির, হাসান তারেক, আসিফ চৌধুরী ইফতি, মো.ফারদিন ওসমান দিহান, ইব্রাহিম খলিল, মারুফ হোসেন আকাশ, মো.রাসেল পারভেজ, মো.ফিরোজ, বাবুল দত্ত, নুরে আলম খান, হৃদয়,তামিম হাসান, মো.মামুন, দূর্জয় শীল, নুর আলম খান পলাশ প্রমুখ।

ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম’র আলোচনা সভা

0

গত ২৬ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০ টায় ক্যাব বিভাগীয় অফিসে ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম’র প্রতিনিধি নির্বাচন ও মহান স্বাধীনতার ৫২তম জাতীয় দিবস পালনের এক আলোচনা সভা ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি ও কলামিস্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আলোচনায় আংশনেন ক্যাব সংগঠক ও প্রজন্ম চট্টগ্রাম’র প্রধান নির্বাহী চৌধুরী জসীমুল হক, ক্যাব ভোলা জেলার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান।

নির্বাচিত প্রতিনিধির মধ্যে উপস্থিত বাচিক শিল্পী মেজবাহ চৌধুরী, আইটি শিক্ষার্থী মোঃ ইকবাল হোসেন, গণিত শিক্ষার্থী মোঃ আবু হানিফ, সিভিল শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাহজালাল, মোঃ সজীব কাদের বর্ষণ, রাইহান ইসমাইল, মোঃ কাইসার উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইয়ারুপ। সভায় মহান বীর শহীদদের প্রতি একমিনিট দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করার মধ্যে দিয়ে প্রজন্ম চট্টগ্রাম’র নির্বাহী সদস্য বাচিক শিল্পী মেজবাহ চৌধুরীকে প্রধান সম্বয়ক করে ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম এর প্রতিনিধি ও সদস্য সংগ্রহ উপ-কমিটি গঠন করা হয়।

এই ব্যাপারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ক্যাব যুব গ্রুপে অংশ গ্রহণের জন্যে আহ্বান করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী পরিষদ (সিবিএ)’র উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন

0

চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী পরিষদ (সিবিএ) এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ৫১ তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে ২৬ মার্চ এক বিশাল শোভাযাত্রা বন্দরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে৷

বন্দর কর্মচারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন বন্দর কর্মচারী পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক কাজী আবদুস সাদেক নান্না৷

পুষ্পস্তবক অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন বন্দর কর্মচারী পরিষদের সহ সম্পাদক নাছির উদ্দিন চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আবদুস সাদেক নান্না বলেন, স্বাধীনতা দিবসের এই দিনটি আমাদেরকে সকল শোষণ ও অপশক্তির বিরুদ্ধে স্ফুলিঙ্গের মতো প্রতিবাদী হবার প্রেরণা জাগায়৷ তিনি সকলকে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান৷

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সাইফুল ইসলাম রনি,সবুজ শীল,জাহাঙীর আলম, জালাল উদ্দিন,নুরুল আলম বিপ্লব, মোরশেদুল হাসান,শেখ ফরিদ মিঠু,ফরিদুর রহমান, মনিরুল হুদা সিরাজী,রিপন চৌধুরী, মইন উদ্দিন,দিলীপ কুমার,রুপন ঘোষ, হাসান মাহমুদ, রিপন উদ্দিন,শাহ আলম,সাইফুল ইসলাম,ফরহাদ প্রমুখ।

শোভাযাত্রা শেষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী শহিদদের স্মরণে শহিদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

আনজুমানে রহমানিয়া ছৈয়দিয়া আমিরভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় পর্ষদের আলোচনা সভা

0

আমির ভাণ্ডার শরীফের আর্দশবাহী সংগঠন আনজুমানে রহমানিয়া ছৈয়দিয়া আমিরভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি হযরত মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ শহিদ শাহ্ আমিরভাণ্ডারী (ক.) সভাপতিত্বে কার্যকরী সংসদের ২০২২-২০২৪ এর প্রথম আলোচনা সভা গত ২৫ মার্চ শুক্রবার বাদে মাগরিব চট্টগ্রাম মহানগরের কাজিরদেউরি অস্থায়ী কার্যলয়ে সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিনের সঞ্চলানায় অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় আনজুমানে রহমানিয়া ছৈয়দিয়া আমিরভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় কার্যকারি সংসদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭১ সালে মার্চ মাস-বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হয়ে উঠার গল্প

0

বঙ্গবন্ধু জীবন একটি ঘটনাবহুল অধিকার আদায়ের সংগ্রামী জীবন। তিনি ছাত্রনেতা থেকে পাকিস্তানের মন্ত্রী পর্যন্ত হয়ে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর বাকি সব ভাষনের চাইতে ৭ ই মার্চের ভাষন ভিন্ন। এবং রাজনৈতিক জীবনে এই ভাষনের গুরুত্ব এবং স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টিতে এই ৭ মার্চের গুরুত্ব অপরিসীম।পাকিস্তান সেনা সরকার এবং তাদের গোয়েন্দা সংস্থা বারংবার চাপ প্রয়োগের চেষ্টা চালায় যেন কোন ভাবেই জাতির পিতা কোন রকমের স্বাধীনতার ঘোষনা না দিতে পারেন। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু প্রণীত ৬ দফা পাকিস্তান সরকারকে এটা বুঝতে বাধ্য করেছে যে শেখ মুজিবের চাতুরতা কাছে তারা সকলেই ব্যর্থ।


১৯৪৭ সালে যখন ভারত ভাগ হলো, শরৎ বসু আর মুজিবের নেতা সোহরাওয়ার্দীর শেষ মুহূর্তের আসামসহ একটা অখন্ড বাংলা গঠনের উদ্যোগ ভেস্তে গেল। আবুল হাশেম পন্থী বলে পরিচিত মুসলীম লীগের প্রগতিশীল অংশটা খাজাদের কাছে কোনঠাসা হয়ে পড়লো, তখন শেখ মুজিব বেকার হোস্টেলের একটা কক্ষে কর্মীদের নিয়ে মিলিত হয়ে ছিলেন। তিনি সেদিনই বলে ছিলেন “পাকিস্তান অর্জিত হচ্ছে বটে, কিন্তু আমাদের সংগ্রাম শেষ হচ্চে না, শুরু হচ্ছে “।


সাংবাদিক এন্থনি মাসকারনেসের সঙ্গে ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে বালুচ রেজিমেন্টের মেসেও তিনি উত্তেজিত হয়ে বলে ছিলেন, “আমাদের স্বাধীনতা পেতে হবে।আমাদের নিজেদের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী থাকতে হবে। “
৭ই মার্চের আগের দিন বিকেলে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ভাষন দিয়ে ছিলেন। নিজের ঘরে শুয়ে বঙ্গবন্ধু ভাষন শুনলেন ইয়াহিয়া সব দোষ দিলেন বাঙ্গলীকে।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পুরো জাতি অপেক্ষায় আছেন স্বাধীনতার ঘোষনার। প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ হাতে বাঁশের লাঠি, লগি, বৈঠা নিয়ে হাজির রেসকোর্স ময়দানে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বঙ্গবন্ধুকে এক বাক্যে জানিয়ে দেওয়া হয়, ” They don’t want any declaration of independence right now. “
গতরাতে ইয়াহিয়া ফোন করে বঙ্গবন্ধু কে বলেছিলেন, এখনই যেন মুজিব চুড়ান্ত কিছুর ঘোষণা না দেন। তেমন কিছু হলে পরিনতি হবে ভয়াবহ।

অন্যদিকে মানুষ নিজের গতিতে বিস্ফোরনের দিকে এগুচ্ছে। এই নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু নাগালের বাহিরে চলেই যাবে যদি তিনি মানুষের সময়ে দাবির কথা না বলেন। ছাত্ররা স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তৈরি করে ফেলেছে। ছাতনেতার উনার বাসায় বারবার একই অনুরোধ, “লিডার আমরা কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণার চেয়ে কম কিছু শুনতে চাইনা। “

৭ ই মার্চে তিনদিন আগে আবুজর গিফারি কলেজের ছাত্ররা মৌচার -মালিবাগের মোড়ে মিছিল করতে গিয়ে গুলিতে মারা গেছে ফারুক ইকবাল। মৃত্যুর আগের এই ছাত্র তার রক্ত দিয়ে রাজপথে লিখে ছিলো “জয় বাংলা “সমাবেশের মাত্র কিছু সময় আগে আমাদের বঙ্গমাতা, জাতির পিতার সহধর্মিণী রেনু বলে ছিলেন, “গতরাতে গভীর রাত অব্ধি মিটিং করেছেন, সারাদিন কাজের জন্য বিশ্রাম নিতে পারেন নাই। একটু দশটা মিনিট শুয়ে থাকুন “।


বিছানার গা হেলিয়ে দিলেন জাতির পিতা, পায়ের কাছে উনার স্ত্রী আর মাথার কাছে কন্যা শেখ হাসিনা। বেগম মুজিব বললেন, “শোনো, তোমার সামনে লক্ষ মানুষ, তোমার পিছনে বন্ধুক। এই লক্ষ মানুষ যেন হতাশ না হয় কারও পরামর্শ শোনার দরকার নাই। তোমার বিবেকের দিকে তাকাও। তোমার মন যা বলবে তাই বলবা। “।
বঙ্গবন্ধু উঠে দাঁড়ালেন, রওয়ানা হলেন রেসকোর্সের দিকে। নিরাপত্তার কারনে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার থেকে মিরপুর রোডে না উঠে পশ্চিম দিক দিয়ে রাওয়ানা হোলেন।


মানুষের ভিড় ঠেলে মঞ্চে উঠতে খানিকটা দেরি হলো। উনার সামনে ১০ লক্ষ মানুষ। মাঠের বাহিরে সাড়ে সাত কোটি নির্যাতিত বাঙ্গালী। হয়তো সেদিন মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে উনার সহধর্মিণীর সেই কথাই উনার কানে বাজছিল। (তোমার মন যা বলবে তুমি তাই বলবে) । আকাশে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ভারি মেশিনগান সহ একটি সবুজ হেলিকপ্টার। যেন ধমক দিচ্ছে, যেন শাসাচ্ছে মুক্তিকামী একটি জাতিকে।


মুজবি জনতাকে অভিবাদন জানিয়ে মুখ খুললেন, “আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি “।
তারসরা জীবনের স্বপ্নের কথা বললেন, ” আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না, আমি এদেশের মানুষের অধিকার চাই। “
বললেন যুদ্ধের প্রস্তুতির কথা,” যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তলো। “
স্বাধীন সোনার বাংলা গড়তে বলে দিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা “
কবি নির্মলেন্দ গুনে ভাষায়, “কে রোধে তাঁহার বজ্রকণ্ঠ বাণী?গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর
অমর কবিতাখানি…..
বঙ্গবন্ধু হয়ে গেলেন একটি অত্যাচারিত, পরাধীন, মুক্তিকামী জাতির পিতা।
পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা তাদের রিপোর্টে বলেন, “চতুর শেখ মুজিব নিখুত চতুরতায় বলেই গেলেন আমরা বুঝতেও পারলাম না। “

বঙ্গবন্ধু বঙ্গালীকে ভালোবেসে নিজেকে পিতার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন পরম মমতায়। সুকৌশলে মুক্তির স্বাদ দিয়েছেন আমাদের। স্বাধীনতা কতটা মূল্যবান তা আজ হারে হারে টের পাচ্ছে সিরিয়া, ফিলিস্তিন, জুম্ম কাশ্মীর, ইউক্রেন। পিতা তোমায় লাখো সালাম।

আবু নাছের জুয়েল
সাবেক, স্টুডেন্ট এম্বাসেডর
আই.আই.ইউ.সি।
সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু’র নেতৃত্বে স্বাধীনতা দিবসে বনার্ঢ্য শোভাযাত্রা

0

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু নেতৃত্বে বনার্ঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর বিশ্বরোডের মোড় থেকে শুরু হয়ে শহীদ বেদীতে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বন্দর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো.ইকবাল,রিফাত, ফরহাদ আবদুল্লাহ, সালাউদ্দিন, মাহাবুর রহমান শিপন, সোহেল রানা,ইমতিয়াজ আহমেদ বাবলা, মাকসুদুর রহমান জিকু,মিজান, মামুনুল করিম, আলাউদ্দীন, এরশাদ, জহির, হানিফ, শহীদ, রমজান আলী, সাজিবুল ইসলাম সজীব, আবু নাসের জুয়েল, মাহামুদুর রহমান বাপ্পি, আনিসুর রহমান শরীফ, জুয়েল, সোহেল, হৃদয় কুমার দাশ,জালাল উদ্দিন, কৌশিক রায়,ইসমাইল হোসেন শামীম প্রমুখ।

শোভাযাত্রায় শেষে পথ সভায় দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম ‘বাংলাদেশ’ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের স্ফুলিঙ্গে উজ্জীবিত সশস্ত্র জনযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের মুক্তির ইতিহাস, স্বাধীনতার ইতিহাস। স্বাধীনতার ইতিহাস ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান আর দুই লক্ষ মা-বোনের ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং কোটি বাঙালির আত্মনিবেদন ও সংগ্রামের গৌরবগাঁথা গণবীরত্বের ইতিহাস।

পতেঙ্গায় দারুল ইসলাম মাদ্রাসা’র অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

0

পতেঙ্গা মুসলিমাবাদ এলাকায় সোলায়মান কন্ট্রাক্টর জামে মসজিদ সংলগ্ন মালুম ভিলায় গত ২৫ মার্চ সকাল ১০ টায় মাদ্রাসার অর্থ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক মো. শরীফুল ইসলামের সঞ্চালনায় দারুল ইসলাম মাদ্রাসার অভিভাবক সমাবেশ ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দারুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফেজ মো.শিহাব উদ্দিন।

প্রধান বক্তা ছিলেন, সোলায়মান কন্ট্রাক্টর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব, দারুল ইসলাম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো.মাহমুদউল্লাহ।

এসময় বক্তব্য রাখেন, মো.শাহ্ আলম, মো.সাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষক মো.হারুন, মো.বোরহান উদ্দীন,শাহাদাত হোসেন মো.মহসিন মিয়া, মো.আল আমিন, শিক্ষিকা মোছাম্মদ জয়নাব এবং অভিভাবকদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, নাছির উদ্দীন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে হাফেজ মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, আমাদের সন্তানদের স্কুল- কলেজের লেখা পড়ার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জ্ঞান অর্জন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধর্ম মানুষকে আলোকিত মানুষ হবার পথ দেখায়। ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে সমাজের অবক্ষয় রোধ করা সম্ভব। তিনি আরো বলেন,দারুল ইসলাম মাদ্রাসায় বর্তমানে শতাধিকের চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন। মাদ্রাসার আরো উন্নয়নের জন্য তিনি সমাজের বৃত্তবান প্রতি সহযোগীতার আহ্বান জানান।

ইপিজেডে টিবিসির পণ্য মজুদ সিন্ডিকেট চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব

0

ইপিজেড থানাধীন ৩৯ নং ওয়ার্ড ‘র সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিন্ডিকেট চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব

বেশি মুনাফা লাভের আশায় রমজান মাসকে সামনে রেখে অবৈধভাবে সয়াবিন তেল, চিনি ও ডাল মজুদের অপরাধে সিন্ডিকেট চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল, ৫০০ কেজি চিনি ও ৫০০ কেজি ডাল উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২২ মার্চ) সকালে ইপিজেড থানার সিমেন্ট ক্রসিং এলাকার মো.জসিম সওদাগরের গুদামে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।

আটকরা হলেন, মো.জসিম সওদাগর, নুরুল্লাহ এবং মো.রাশেদ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো.নূরুল আবছার বলেন, নগরের সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় একটি সিন্ডিকেট অবৈধভাবে টিবিসির পণ্য মজুদ করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তিন জনকে আটক করা হয়। পরে ওই গুদাম থেকে ২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল, ৫০০ কেজি চিনি ও ৫০০ কেজি ডাল উদ্ধার করি।

তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত পণ্যগুলো টিসিবির না। মূলত তারা রমজান মাসকে সামনে রেখে বেশি মুনাফার আশায় বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কম মূল্যে পণ্য সংগ্রহ করে মজুদ করে আসছিল। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।