Home Blog Page 29

জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যানের প্রস্তাবনা

0

জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যানের ব্যারিস্টার মনোয়ার বলেছেন, অনতিবিলম্বে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বর্ষায় চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা/ জলজট স্থায়ীরূপ ধারণ করেছে, প্রতি বছরই নগরবাসীকে এ সমস্যার সম্মূখীন হতে হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগাপ্রকল্প নেয়া হলেও কার্যকর কোনো ফল এখনও আসেনি। যার ফলে বর্ষার মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় নগরবাসীকে নাকাল হতে হচ্ছে। ‘বর্ষা শহরও আশপাশের মানুষের জন্য অভিশাপ হিসেবে আসে। মাঝারি ধরনের বর্ষায়ও হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায়, সড়কসহ একাধিক এলাকা। এতে চট্টগ্রামের হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে প্রতি বছর। চট্টগ্রাম শহরকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেতে মুক্তি দিতে কার্যযকর পদক্ষেপ নিতে হবে।


চট্টগ্রামে রাস্তা উঁচু করে জলাবদ্ধতা নিরসন হয়নি। উপরন্তু সাধারণ মানুষের তিলে তিলে গড়া বাড়িগুলোকে অকেজো করে ফেলা হয়েছে। বিশেষ করে নীচতলা। বাধ্য হয়ে এগুলো পুন: নির্মাণ সংস্কার করতে গিয়ে আবারও বাড়ির মালিকেরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভাড়াটিয়ারা বিরাট ক্ষতির মাসুল গুনছে।

নগরীতে ৭০টি খাল ছিল ১৯৬৯ সালের এক জরিপ অনুযায়ী। বেশ কিছু খাল হয়ে গেছে বিলীন বা ভরাট , অবৈধ দখলদারদের কবলে পড়েছে খাল ড্রেনগুলোর অনেক অংশের উভয় পাড়ে।
অপরিকল্পিত নগরায়ন জলাবদ্ধতার ঝুঁকির অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। অপরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো গড়ে তোলায় আগ্রাবাদ, হালিশহর, বাকালিয়া, মোহরা, খাতুনগঞ্জ ও চাক্তাইসহ নগরীর নিম্নাঞ্চল শুষ্ক মৌসুমেও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। তিনি দু:খ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৯৫ সালের সংশোধিত  মাষ্টার প্লান


জলাবদ্ধতা নিরসনের  ড্রেনেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ২০ বছর কোন উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশন বা সিডিএ নেয়নি। ২০১৫ সালে আমরা সর্বস্তরের নাগরিকদের নিয়ে নাগরিক ফোরাম গঠন করে আন্দোলনের পর সরকারের টনক নড়ে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১৯৯৫ সালের সংশোধিত  মাষ্টার প্লানের আলোকে মেগাপ্রকল্প নেয়া হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ  দিয়েছিলেন দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য, কিন্তু আজ ২০২৩ সালে মাঝামাঝি এসেও আমরা দেখছি প্রকল্পের কাজ
সম্পন্ন হয়নি ।  

এই প্রেপ্রেক্ষাপটে জনগণের দাবী:
জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে নেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।
অপরিকল্পিত নগরায়ন বন্ধ করতে হবে।সিটি করপোশেন ও সিডিএ একে অপরের ইপর দোষ চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।রাস্তার পাশের ড্রেনগুলোকে সংস্কার করতে হবে, পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে হবে, পরিষ্কার রাখতে জনগণকে বাধ্য করতে হবে।রাস্তা উচু করা সমস্যার সমাধান নয়, রাস্তা উঁচু করার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া বন্ধ করতে হবে।খাল খনন ও পুনরুদ্ধার করতে হবে,খালের দু’পাশ অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে হবে।শহরে উম্মুক্ত জলাশয় সৃজন করতে হবে, খালি জায়গা বিল রক্ষা করতে হবে। একটি শহরের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ এলাকা জলাভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু চট্টগ্রাম শহরে রয়েছে খুবই নগণ্য শতাংশ জলাভূমি এলাকা।কর্ণফুলী নদীর গভীর ড্রেজিং করতে হবে ও এর তীর অবৈধ দখলমুক্ত করে বনায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো আপোষ চলবে না।সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এ সংক্রন্ত কঠোর আইন করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।পাহাড় কাটা বন্ধ করতে হবে,পাহাড়ে গাছের কাটিং না লাগিয়ে শিকড়যুক্ত গাছ লাগাতে হবে।প্রশাসনকে দূর্নীতিমুক্ত হয়ে জনগণের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ দায়িত্ব পালনে একনিষ্ঠ হতে হবে। এবং যোগ্য ও নগরবাসীর উপর দায়িত্বশীল মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত করতে হবে।প্রশাসনের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা সৃষ্টি করতে হবে এবং জনগণকে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত করতে হবে

বৃহস্পতিবার অভিনেতা শাহীনুর সারোয়ার স্মরণে টেলিফিল্ম ‘জান্নাত’র প্রদর্শনী

0

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির মূল মিলনায়তনে আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে প্রয়াত অভিনয়শিল্পী শাহীনুর সারোয়ার স্মরণে জীবদ্দশায় তারই অভিনীত সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ কাজ ‘জান্নাত’ টেলিফিল্মের প্রদর্শনী। সেই সাথে মঞ্চে ও চলচ্চিত্রে ব্যাপক ভূমিকা-অবদান রাখার স্বীকৃতস্বরূপ শাহীনুর সারোয়ারকে আজীবন শিল্পী সম্মাননা (মরণোত্তর) প্রদান অনুষ্ঠান। আ-কার ই-কার চলচ্চিত্র এ প্রদর্শনী ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান হবে সন্ধ্যা সাতটায়। টেলিফিল্ম ‘জান্নাত’ এর দুটি প্রদর্শনী হবে বিকাল সাড়ে পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়।

আহমেদ কামাল অফতাবের রচনা ও আশরাফুল করিম সৌরভ পরিচালিত টেলিফিল্ম ‘জান্নাত’ এর চিত্রধারণ করেছেন প্রান্ত শর্মা। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রয়াত শাহীনুর সারোয়ার, সাবিরা সুলতানা বীণা, শামীম আহমেদ, শেখ আনিস মঞ্জুর সেন্টু, তৌহিদ হাসান ইকবাল, শাহীন চৌধুরী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রামিতা ভৌমিক, রূপায়ণ বড়ুয়া, নাসরিন আক্তার হীরা, মো. ফোরকান, জুয়েনা আফসানা, বিপ্লব ভট্টাচার্য্য, বনানী শেখর রুদ্র, তুলি, বাপ্পী হায়দার, মোশারফ ভুঁইয়া পলাশ, পূর্ণিমা, তাসনুভা শাওরিন, বিকিরণ বড়ুয়া, আশিক আরেফিন, মিরাজ, ফরহাদ শাহরুখ, বীণা দাশগুপ্তা, বড়ুয়া সীমান্ত, মুরাদ হাসান, সাদিয়া করিম, জান্নাতুল পিংকী, মান্নান হিমেল, আবদুল্লাহ চিশতি, সালমা, মামুন খান রাহী, রাবেয়া জামান এঞ্জেলা, জেমিমা খাঁন, আহনাফ আল আরাফ, প্রিয়াঙ্কা, সানজারাহ, প্রাচী, মালিহা, সুহিতা সায়েদা, জয়শ্রী সরকার পূর্ণিমা, ইলমা, অদ্বিতিয়া দে, ইতি, ইয়াসমিন, সুমাইয়া, সাফিয়া, ফারজানা, নীলুফার ইয়াসমিন, সালমা আক্তার প্রমুখ।

চন্দনাইশে লক্ষ্মী ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি

0

মানবতার সেবায় আমরা বদ্ধপরিকর এই শ্লোগানকে সামনে রেখে একঝাঁক উদ্যমী তরুণের সমন্বয়ে গঠিত হয় লক্ষ্মী ভান্ডার ফাউন্ডেশন।

৩০ জুলাই সকাল ১০ টায় বৈলতলী সার্বজনীন শ্রী শ্রী সত্য নারায়ন বিগ্রহ মন্দির, বৈলতলী শ্রী শ্রী মগধেশ্বরী ও জ্বালাকুমারী মাতৃমন্দির, সুচিয়া সার্বজনীন মহাশ্মশান, বরমা মাইগাতা লোকনাথ ধামে ফলজ,বনজ ও ঔষধি চারা গাছ বিতরণের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মী ভান্ডার ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু হয়।

বিভিন্ন মন্দির ও মহাশ্মশানের পক্ষে মাষ্টার অমল চৌধুরী, সুকেশ দাশগুপ্ত,মাষ্টার অশোক সুশীল,সাবেক ইউ পি সদস্য রুপন বিশ্বাস, বিকাশ বিশ্বাস, তপু বিশ্বাস, সৈকত বৈরাগী গাছের চারা গ্রহণ করেন।

লক্ষ্মী ভান্ডার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট চন্দনাইশ উপজেলা শাখার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি শ্রী সুজন দত্ত, সাধারণ সম্পাদক শ্রী রাজীব আচার্য্য,সহ সাধারণ সম্পাদক, শ্রী রিপন দেব, শ্রী পলাশ পাল,শ্রী শৈবাল দাশ,সহ প্রচার সম্পাদক শ্রী বাবলু দাশ,সহ অর্থ সম্পাদক শ্রী বাবুন দাশ, উপজেলা সমন্বয়ক শ্রী আপন দাশ, সহ সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক শ্রী রাজু দেব,কার্যকরী সদস্য শ্রী সুভাষ দাশ,পৌরসভা সভাপতি শ্রী নন্দন শিকদার , আকাশ দাশসহ বিভিন্ন মন্দিরের প্রতিনিধিবৃন্দ।

ফাউন্ডেশনের পক্ষে যুগ্ম আহ্বায়ক প্রবাল চক্রবর্তী বলেন, প্রায় প্রতিদিনই বৃক্ষ নিধনের কারণে প্রকৃতি উজাড় হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে। তাই আসুন গাছ লাগাই পরিবেশ বাঁচায়।

আরও সহযোগিতায় ছিলেন, চন্দনাইশ উপজেলা মহাজোটের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক দেবব্রত ধর (দেবু)।

লক্ষ্মী ভান্ডার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় আগামীতে শিক্ষা সহায়তা, চিকিৎসা সেবা, বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি ,আর্থিক সহায়তা,ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও বৈদিক স্কুল প্রতিষ্ঠা,আইনি সহায়তা, ধর্মীয় কুসংস্কার প্রতিরোধে এলাকা ভিত্তিক ধর্মসভা, মন্দির ও মহাশ্মশান ভিত্তিক বৃক্ষ রোপণ অভিযান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের আলোচনা সভা

0

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট চট্টগ্রাম মহানগরের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও আলোচনা সভা গত ২৮ জুলাই শ্রী শ্রী সাধু তারা চরন মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়।

সভার প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি তিমির বরন চৌধুরী।

আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর হিন্দু মহাজোটের সাধারন সম্পাদক রতন দাশ।

পরিচিতি ও আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন ছাত্র মহাজোটের সভাপতি রবিন হাওলাদার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ছাত্র মহাজোটের সাধারণ সন্পাদক নয়ন চৌধুরী।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অজয়,ডেবিট, অদিন্ত, বিশাল, মহিলা সম্পাদিকা নিটু গুপ্তসহ ছাত্র মহাজোটের নেতৃবৃন্দ। সভায় উপস্থিত সকলের সর্বসন্মতিক্রমে আগামী একমাসের মধ্যে ছাত্র মহাজোটের সন্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান আয়োজক কমিটি।

ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান’র সংগীতানুষ্ঠান ৩০ জুলাই

0

ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান-এর সংগীতানুষ্ঠান আগামী ৩০ জুলাই (রবিবার) বিকাল সাড়ে ৫ টায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি অডিটোরিয়ামে আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মাননীয় চট্টগ্রাম জেলা জজ ড. আজিজ আহমেদ ভূয়া অন্যান্য বিচারকবৃন্দসহ উপিস্থিত থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

বাচিক শিল্পী আয়েশা হক শিমুর উপস্থাপনায় পরিবেশনায় থাকবে কিংবদন্তি শিল্পী সাগর সেনের গাওয়া রবীন্দ্র সংগীত ও শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া গানের ঝুলি।

সংগীতানুষ্ঠানে সবাইকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান।

নাজনীন চৌধুরী পদক পেলেন দেবু ও ডিউক

0

বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী প্রয়াত নাজনীন চৌধুরীর স্মরণে “নাজনীন চৌধুরী ফাউন্ডেশন ” ও এমবি গ্রামার স্কুলের যৌথ আয়োজনে আজ ২৭শে জুলাই “নাজনীন চৌধুরী পদক” প্রদান করা হয়।

নগরীর হালিশহরস্থ এম বি গ্রামার স্কুল মিলনায়তনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় ও ফাউন্ডেশনের উদ্যোক্তা বদরুল হাসানের সভাপতিত্বে এই পদক তুলে দেয়া হয় বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সংগঠক ও সমাজকর্মী কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক এবং চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবুর হাতে।

করোনাকালে মানবসেবার পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখায় তাদের এই পদক প্রদান করা হয়।

শিক্ষাউদ্যোক্তা নাজনীন চৌধুরীর প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় দেড়শতাধিক শিশু অংশগ্রহণ করে। পদক প্রদানের পাশাপাশি বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন কোহিনূর রহমান আশা। সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন শাহানা পারভীন রিনা ও গুলশান আক্তার।

প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ছিলেন হাসিনা আক্তার ও কোহেলি দাশগুপ্তা। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জোহরা খাতুন, নাহিদ সুলতানা, মাহমুদা আক্তার কাকলি, সিতারা সুলতানা, তানজিলা আক্তার, শাহনাজ বেগম, রাজিয়া সুলতানা মুন্নি, শাহিনা আক্তার, সুপ্রিতি কায়স্থগীর, সাবরিনা সুলতানা, আয়েশা আক্তার, রাবিকা সুলতানা মেরিনা৷ মরিয়ম বেগম, মাহমুদা বেগম, শাহানা আক্তার, তহুরা খানম সোহানা।

জীবনের মায়া তুচ্ছ করে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিল যে প্রেম তার নাম বাংলাদেশ-কমডোর এ ডব্লিউ চৌধুরী

0

মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মঘাতী এক শ্বাসরুদ্ধকর সফল অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ‘শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’।

২২ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৩ টায় বন্দর স্কুল ও কলেজ সংলগ্ন শহীদ মো. ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অবিশ্বাস্য এই অভিযানের অধিনায়ক কমডোর এ ডব্লিউ চৌধুরী, বীর উত্তম, বীর বিক্রম এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত থেকে নিজ মুখে সেই আত্মঘাতী অভিযানের কথা বর্ননা করতে গিয়ে সেদিনের রোমাঞ্চকর গল্পে বলেন,আমি মারা গেলে কেউ দায়ী নয় ,সেরকম দলিলে স্বাক্ষর করে আমরা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে গিয়েছিলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন শিকড় ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান। বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাইদ সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, হাজী মো. ইলিয়াস, মো. আলী ও বন্দর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ এর সভাপতি ও দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল মালিক।

আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন,
একক গান পরিবেশন করেন ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান ও বিটু শীল।

মঞ্চে ২১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডোকে সংবর্ধনা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।

আলোচনা সভায় বন্দর কলেজ, বেপজা কলেজ, বিএন কলেজ, সিটি কর্পোরেশন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী,রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অংশগ্রহণ করেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল

0

চট্টগ্রাম মহানগরের আওতাধীন ইপিজেড থানা জাতীয় পার্টি(জাপা)’র উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল ২১ জুলাই সন্ধ্যায় বন্দরটিলাস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে পার্টির সভাপতি মোঃ বিল্লাল হোসেন বেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর জাপার সিনিয়র সহ-সভাপতি আনিসুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, নগর যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন জেকি।

এসময় বক্তব্য রাখেন ইপিজেড থানা জেপির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী এম. বরকত উল্লাহ খান, হালিশহর থানা জাপার সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম, জাপা নেতা মোঃ জাহিদ হোসেন কোং, মোঃ মনিরুল ইসলাম, জাতীয় মহিলা পার্টির নেত্রী মারুফা আক্তার,সাজু আক্তার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ৬৮ হাজার গ্রাম ও উপজেলা করণের রুপকার পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণমানুষের হৃদয়ে চিরদিন অমর হয়ে বেঁচে থাকবেন। তিনি পল্লীর উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিতে অমরণ চেষ্টা করে গেছেন।

আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সনাতনী সমাজের আয়োজনে সাবেক মন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীনের স্মরণ সভা

0

চট্টগ্রাম ১০ আসনের সাংসদ ও সাবেক সফল মন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীনের স্মরণে পাহাড়তলী ও হালিশহর থানাধীন সনাতনী সমাজের আয়োজনে এক স্মরণ সভা
গত ১৪ জুলাই বিকেল ৪ টায় বাসন্তী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রঙ্গাণে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক সুনীল বরণ দাশের সভাপতিত্বে এবং অশোক দাশ, রিপন চৌধুরী ও সুজন সর্ববিদ্যার সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য ডাঃ অনুপম সেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভোমিক।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সদস্য সমর কান্তি দাশ ও শোক প্রস্তাব পাঠ করেন সুজিত দাশ।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ১০ আসনের মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু, দেবাশীষ নাথ দেবু, কাউন্সিলর অধ্যাপক ইসমাইল, কাউন্সিলর মোঃ ইলিয়াস, মহিলা কাউন্সিল হুরে আরা বিউটি, মোরশেদুল আমিন, ওহেদুল আমীন, এরশাদুল আমীন, ডাঃ মোঃ আরিফুল আমিন, ডাঃ মাহিদ বিন আমীন,সুকান্ত দও, নিধু চন্দ্র শীল, সুমন দেবনাথ, মোঃ নুরুল আবছার, সাবেক কাউন্সিল মোরশেদ আক্তার চৌধুরী, দেবাশীষ চৌধুরী, বাবুল কান্তুি নাথ, ডাঃ বিজন কান্তি নাথ, ডাঃ সুমন তালুকদার, নারায়ণ মজুমদার, সমীরণ দাশ,শেখ আব্দুল মান্নান,সুমন মজুমদার, মাষ্টার টিটু কান্তি চৌধুরী, স্বরূপ বড়ুয়া জয়,পংকজ মহাজন,মাষ্টার অজ্ঞন মহাজন,মিনু রাণী দেবী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তও্বাবধায়নে ছিলেন,সদানন্দ ভট্রচার্য্য, বাবুল দেবনাথ, অলক নাথ চৌধুরী, অলক কুমার দাশ,অনিল কান্তি নাথ প্রমুখ।

চট্টগ্রামে ‘অপারেশন জ্যাকপট’-প্রসঙ্গে আলোচনা সভা ২২ জুলাই

0

মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মঘাতী এক শ্বাসরুদ্ধকর সফল অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ‘শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’।

২২ জুলাই (শনিবার) বিকেল ৩ টায় বন্দর স্কুল ও কলেজ সংলগ্ন শহীদ মো. ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোসভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অবিশ্বাস্য এই অভিযানের অধিনায়ক কমডোর এ ডব্লিউ চৌধুরী, বীর উত্তম, বীর বিক্রম এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত থেকে নিজ মুখে সেই আত্মঘাতী অভিযানের কথা বর্ননা করবেন। প্রধান বক্তা থাকবেন শিকড় ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন ‘শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ এর সভাপতি ও দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল মালিক।

‘শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস চর্চায় আগ্রহী করতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ‘শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ এর সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান।