Home Blog Page 27

পটিয়ায় শ্রী নিতাই গৌর বৈষ্ণব আখড়ায় ধর্মীয় আলোচনা সভা ও গীতা পাঠ

0

পটিয়ায় দক্ষিণ ভুর্ষিতে শ্রী নিতাই গৌর বৈষ্ণব আখড়ায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দিনব্যাপী নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ধর্মীয় আলোচনা সভা ও গীতা পাঠ ও মহা প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রী নিতাই গৌর বৈষ্ণব আখড়ায় প্রতিষ্ঠাতা শ্রী চন্দ্রনাথ ঘোষায় জানান,আগামীতে আরো বড় পরিসরে ধর্মীয় আলোচনা সভা ও গীতা পাঠের আয়োজন করা হবে। তিনি শ্রী নিতাই গৌর বৈষ্ণব আখড়ার উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রী নিতাই গৌর বৈষ্ণব আখড়ার উদযাপন কমিটির মেম্বার অজিত নাথ,রাহুল দত্ত,তপন দত্ত,স্বপন নাথ,সমির নাথ প্রমুখ।

পতেঙ্গায় পুকুরে পড়ে ২০ মাসের শিশুর মৃত্যু

0

নগরের পতেঙ্গা এলাকায় পুকুরে পড়ে মো.ইয়াছিন আরাফাত নামে ২০ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় মুসলিমাবাদের শতাব্দী আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু মো. ইয়াছিন আরাফাত রংপুর লালমনির হাটের স্থায়ী বাসিন্দা মো .বিপ্লব মিয়ার একমাত্র সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল সাড়ে ১১ টার পর শিশু ইয়াছিনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজ শুরু হয়। পরে বেলা ১২টার দিকে পাশের পুকুরে তাকে ভাসতে দেখা যায়। এরপর তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা মো.বিপ্লব মিয়া বলেন, আমি একজন গার্মেন্টস কর্মী। গত ৩ মাস আগে চট্টগ্রাম এসেছি। স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকি। কখনও ভাবিনি এখানে এসে একমাত্র সন্তানকে চিরতরে হারাতে হবে ।

মুসলিমাবাদ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ কাইয়ুম উদ্দিন বলেন, শিশু মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আফতাব হোসেন ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আনন্দবাজার জেলে পল্লীতে দূর্বার তারুণ্য’র মশারি বিতরণ

0

“মশারিতে জনগণ,হবে সচেতন”এই স্লোগানকে সামনে রেখে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশনের মশারি বিতরণ করা হয়েছে।

ধারাবাহিকতায় দূূর্বার তারুণ্যের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবু আবিদ এর সভাপতিত্বে গতকাল ৬ ই সেপ্টেম্বর (বুধবার) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৭ নং ওয়ার্ডস্থ আনন্দবাজার জেলে কলোনিতে শতাধিক মশারি বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সামাজিক সংগঠক দেবাশীষ পাল দেবু।

এসময় দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, বাংলাদেশে মাঝেমধ্যেই দেখা দেয় ডেঙ্গুজ্বরের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব। কখনাে কখনাে এই জ্বর মহামারীরূপে দেখা দেয়। তবে সাম্প্রতিককালে সবচেয়ে ভয়ংকর আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গুজ্বর। এই মহামারী জ্বরে ঢাকাসহ সমগ্র দেশে মৃত্যুবরণ করেছে অনেক মানুষ। ডেঙ্গুর প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ জরুরি। প্রতিরোধের অন্যতম মাধ্যম হল,মশারি টাঙ্গিয়ে ঘুমানো।
তাই জনসচেতনতা সৃষ্টিতে আমরা মশারি বিতরণ করছি।

মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। দূর্বার তারুণ্য এর মাধ্যমে পুরো দেশে মশারি বিতরণ করা সম্ভব নয়। তবে এ কার্যক্রম জনসচেতনতা সৃষ্টিতে অধিক ভূমিকা রাখবে। আমরা মানুষের দরজায় গিয়ে মশারি পৌঁছে দিয়ে এটি ব্যবহারের গুরুত্বের দিকটা তুলে ধরছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম মামুন, মো. মিজান, আলাউদ্দিন,মোঃ জিহাদুল ইসলাম, এ আর তাইমুন, রকি দাশ, নূর মোহাম্মদ, নারায়ণ দাশ, নরোত্তম দাশ, রিমন, সৈকত প্রমুখ।

ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খানের সৌজন্যে এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ

0

শিক্ষা আর জ্ঞানের প্রসার মানুষকে মুক্তি দিতে পারে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ও ‘শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে’ এর সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খানের সৌজন্যে ৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় ব্যারিস্টার সুলতান আহমদ চৌধুরী কলেজ প্রাঙ্গণে এইচ এস সি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান বলেন, দেশ ও জাতির উন্নয়নে, সমাজের পরিবর্তনে আগামীতে এমন সামাজিক এবং মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর সহ সভাপতি ফরিদ উদ্দিন বাবর,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আজাদ হোসেন রাসেল,মোঃ ইদ্রিস, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ বেলাল,আইন সম্পাদক এডঃ আজম আলী জুয়েল।

রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল-মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী

0

১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালন পরিষদের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসুচীর শেষ দিনে চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবে গত ৩১আগষ্ট সন্ধ্যা ৭টায় শোক সভা ও দোয়া মাহফিলের ও আয়োজন করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর যুলীগের সহ-সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবুর সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএর সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক এর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন,চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম ১০ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মহিউদ্দিন বাচ্চু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন,চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি ওমর হাজ্জাজ, ইপিজেড থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকের আহম্মদ খোকন,৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর আবদুল মান্নান, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সেকান্দর আজম, বন্দর সিবিএ’র মোকারম হোসেন, খ ম ইয়াকুব, বীর মুক্তিযোদ্ধা বক্কর হুমায়ুন কবির মুকুট, আবুল হোসেন চৌধুরী, রেজাউল করিম রাজু,যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু, সুফিউর রহমান টিপু, আশিষ কান্তি মুহুরী, জামিল আহমেদ মিলন, এফ এ চৌধুরী বাদল, সাইফুর রহমান সোহেল,মারুফ আহমেদ সিদ্দিকী, ইমতিয়াজ বাবলা, জাহিদ খোকন, সালাউদ্দিন বাবর, ফরহাদ আবদুল্লা, মোঃ ইসমাইল, আবুল কাশেম, স্বপন, দিদারুল আলম, সাজ্জাদ আলী জুয়েল, কাজি আরিফ,মাকসুদুল আলম জিকু, এমরান হোসেন, মোঃ শরিফ, সাজিবুল ইসলাম সজীব, মারুফুল ইসলাম মারুফ, তানভির বিন হাসান, মনিরুল হক মনির, মোঃ শহিদুল্লাহ, মোঃ সোহেল রানা, যুবায়ের হোসেন অভি, মোশারফ আলী শাপলু, শাহজাহান বাপ্পি, ফারুক হোসেন সুমন, নুরুল আজিম বাবুল, বেলাল হোসেন, মোঃ জিয়া, ইসমাইল হুরন, মোঃ সালা উদ্দিন, মোঃ মিজান, আরমান, শহিদুল্লা শহিদ, মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, আকবর জুয়েল, সৈয়দ সুলতান ফাহিম, আবিদ হাসান, ইফতেখার উদিন ইফতি, হারুন আর রশিদ সামিউল, আওয়াল মুছা, নিপু চন্দ দাস,জহির রায়হান, অর্জূন দাশ, জুয়েল রানা, রমজান আলী, মো হানিফ, আবু নাছের জুয়েল মাহমুদুর রহমান বাপ্পি, প্রনব, মমিনুল হক মাসুম, মোঃ শরিফ, মোঃ মাসুম, সোহেল, আলাউদ্দিন সোহেল, মামুন, জাবের, ইশতিয়াক সাকিব, মাইনুল ইসলাম রায়হান, মোস্তাইন মারুফ, হৃদয় কুমার দাশ, প্রান্তী ভট্টাচার্য্য, আদৃতা পাল, চন্দ্রীকা, মল্লিকা, জালাল উদ্দিন, পলাশ চক্রবর্তী, মোঃ রিফাত সুমন, কৌশিক রায়, রাহাত, আলী আকবর মোঃ ফাহিম, দেলোয়ার, সাগর, নুর উদ্দিন রাসেল, রোকন উদ্দীন, জাহিদুল আলম আলো, জয় দাশ, রানা,শাহাব উদ্দীন, সৌরভ, শুভ, আশরাফ,ফাতিন, ইমন, শিমুল, দেলোয়ার, সগর, সাজ্জাদ, হৃদয়, সামী, শাহীন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্কের বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়। জাতির পিতার সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত সরকার বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে ঘাতকদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করে। জাতির পিতা চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি মর্যাদাবান ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

প্রধান বক্তার সাংসদ আলহাজ্ব এম মহিউদ্দীন বাচ্ছু বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। বাংলার ইতিহাসের মহানায়ক,৭৫-এর ১৫ আগস্ট নরপিশাচ রূপি খুনিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে।

মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিরা ১৫ ও ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে : ড. হারুন উর রশীদ

0

ড. হারুন উর রশীদ বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তিরা ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তারা বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে হত্যা করে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর গভীর ষড়যন্ত্র করেছে। সেই ষড়যন্ত্রের প্রত্যক্ষ মদদদাতা খুনী জিয়ার মরণোত্তর বিচার করা উচিত। বাংলাদেশকে সঠিক পথে চলমান রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার অব্যাহত রাখতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বুধবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় কাঠগড় এলাকার কে স্কয়ার-২ কনভেনশন সেন্টারে ২১ আগস্টে নারকীয় হত্যাকাণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বিচার দাবিতে শিকড় ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মো. আব্দুল মালিকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব ও স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, শ্রমিক নেতা মো. ইসহাক। প্রধান বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার সওগাতুল আনোয়ার খান।

উত্তম শীলের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাইদ সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফসিউল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবহান, মো. ইলিয়াস, ওয়াহিদুল আলম মাস্টার, মুনসুর নাদিম, আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুক , শাহাদাত হাসান, মো. আলী, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুস, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি জানে আলম, সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম , ফরিদ উদ্দিন বাবর, মাহমুদুল হক, চারুশিল্পী আবু নাসের রবি, মো. আলী, মো. মহসীন, আলহাজ মো. সেলিম, কামরুল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম সুজন, এসএম নাসির, মো. বেলাল, শারমিন ফারুক সুলতানা, কামরুন নাহার বেবি, ফারজানা মুন্নী, আজাদ হোসেন রাসেল, মো. ইদ্রিস, ফজল করিম, আয়েশা আকতার, রাসেল মাহমুদ, ইফতেখার হোসেন জিসান ও সাফায়েত উল্লাহ।

পতেঙ্গায় বন্ধুত্বের বন্ধনের আয়োজনে আনন্দ আড্ডা ও বনভোজন

0

পতেঙ্গায় বন্ধুত্বের বন্ধনের আয়োজনে আনন্দ আড্ডা ও বনভোজন ২৯ আগস্ট সকাল ১১ টায় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মো. কাইয়ুম উদ্দিন, মো. নেজাম, মো.সাইফুল ইসলাম, মো.সাঈফ উদ্দিন, মো.রাসেল, শাহনুর টিটু,মো.আবছার, মো.লোকমান, সাংবাদিক এস কে সাগর,সোনা বাবু জলদাস, পান্না জলদাস, মুনসুর আলম, মোহাম্মদ তৈয়ব, কাতার প্রবাসী সুজন মজুমদার, সাজিব দে, দুলাল চন্দ্র রায়, মো.আলমগীর, মোহাম্মদ নাছির বাবুর্চি প্রমুখ।

আগামীতেও পরিবার নিয়ে এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে জানান আয়োজক কমিটি।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা

0

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা গতকাল ২৮ আগস্ট(সোমবার)চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে সুচিন্তা বাংলাদেশের সমন্বয়ক জিনাত সোহানা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং দেবাশীষ পাল দেবুর পরিচালনায় শুরু হয়।

এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সমন্বয়ক জিনাত সোহানা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য, তার গোটা জীবন বিশ্লেষণ করলে এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। পাহাড়সম প্রতিকূলতার মধ্যে দাঁড়িয়েও তিনি গরিব-দুঃখী ও শ্রমজীবী মানুষের কথা বলেছেন। মাত্র সাড়ে ৩ বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ তথা তার সোনার বাংলা গড়ার নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, ক্ষমতায়ন ও অধিকারের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের চিরন্তন প্রেরণার উৎস। তার কর্ম, নীতি, আদর্শ ও দর্শন বেঁচে থাকবে অনন্তকাল। তার উন্নয়ন দর্শনকে ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ ও প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

উপস্থাপিত প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অনুপম সেন বলেন,বাংলাদেশ বিরোধী অপশক্তি মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে অগ্রণী ভুমিকা রাখতে হবে,সরকারের বর্তমান উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে প্রশংসনীয় ভুমিকা রাখছে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন।

সাংসদ নোমান আল আহমুদ বলেন,শোষণহীন সমাজ গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু এক সুদীর্ঘ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন, সবসময় শোষণের বিরুদ্ধে, বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, রুখে দাঁড়িয়েছেন শোষকদের বিরুদ্ধে। শোষণকে তিনি দেখেছেন বঞ্চনার একটি শক্তিশালী খুঁটি হিসেবে, সাম্যের পরিপন্থী হিসেবে এবং মানবাধিকারের সঙ্গে সংগতিহীন হিসেবে।

সাংসদ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সাগরের সমান বিশাল। তাকে নিয়ে এক দিনের আলোচনা যথেষ্ট নয়। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরও জানার, তাকে বিশ্লেষণ করার সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হওয়া উচিত।’

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম বলেন,প্রান্তজন অর্থাৎ সমাজে যারা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, তাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর যে ভাবনা, তাদের জন্য নানামুখী কর্মসূচি, তা আমাদেরও প্রতিটি কাজে প্রতিফলিত হওয়া উচিত যেন সমাজে সাম্য নিশ্চিত হয়। তিনি সবসময় সাম্যের কথা বলেছেন। তার কথা, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের পৌঁছে দিতে হবে পরের প্রজন্মের কাছে।’

এ ছাড়া, আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন, মোঃ আপেল মাহমুদ, পুলিশ সুপার ট্যুরিস্ট পুলিশ চট্টগ্রাম রিজিয়ন।
ওমর হাজ্জাজ, সভাপতি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি বিজিএমইএ।
ডাঃ মোঃ হোসেন আহামদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগ।
আবুল হাসনাত চৌধুরী, যুগ্মট আহ্বায়ক সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগ।
মোঃ ইমরান, সভাপতি ফ্লোরিডা আওয়ামীলীগ।
আজিজুর রহমান আজিজ, সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ।
মনোয়ার হোসেন নোবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ।
সুফিউর রহমান টিপু। যুবলীগ নেতা
কাজী মোঃ আরিফ, যুবলীগ নেতা সাজিবুল ইসলাম সজিব,মোঃ মাকসুদুর রহমান, জি এস সরকারি সিটি কলেজ।
৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সাইফ
মোঃসালাউদ্দিন,ইমরান মাহমুদ রনি, মোহ হায়দার,যুব নেতা সেলিম,রেজাউল করিম, মো:আশরাফ আলম, যুবায়ের হোসেন অভি, মোঃ সোয়েব, আকবর জুয়েল, সৈয়দ সুলতান ফাহিম, নুরুল ইসলাম রিয়াদ, ইফতেখার উদ্দিন ইফতি।

দিবসটি উপলক্ষে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের সকল কর্মী এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করাসহ ১০ দফা দাবি

0

বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের-সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামে ১০ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন। শনিবার সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের হলরুমে বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফ’র উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ফেডারেশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়,মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপিত অত্যাবশ্যকীয় জরুরী পরিষেবা বিল বাতিল, বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফদের মাইলেজ ভাতা বন্ধের প্রতিবাদ ও রেলওয়ে ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগ বিধি -২০২০ সংশোধন, নির্মাণ শ্রমিকদের কাজের সময় জীবনের নিরাপত্তা, শীপ ব্রেকিং শিল্প শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি ১৬০০০ টাকা বাস্তবায়ন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩০০০ টাকা ঘোষণা, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ সংশোধন, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ করে গাড়ি রিকুইজিশন, প্রতিটি সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের নিয়োগপত্র -পরিচয়পত্র প্রদান,শ্রম আইন বিরোধী আউট সোর্সিং নিয়োগ বন্ধ ও দ্রুততম সময়ে মজুরি বোর্ড গঠন করে দ্রব্যমূল্যের সাথে সঙ্গতি রেখে ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণা করার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, শ্রমিকরা এদেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি। শ্রমিকদের অধিকার হরণ করে দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। গত ৬ এপ্রিল শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করার লক্ষ্যে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা বিল ২০২৩ মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বর্তমান আইনে বে-আইনী ধর্মঘটে শ্রমিকদের শাস্তির বিধান চলমান থাকলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করার পায়তারা চলছে। এ আইনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দন্ডিত করার পায়তারা চলছে। আইএলও কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮ দেওয়া শ্রমিকদের অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। সংবাদ সম্মেলনে নুরুল আবছার তৌহিদ লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৭ কোটি শ্রমিক রয়েছে।

যাদের ৮৫ ভাগই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। ইপিজেডসহ নতুন নতুন গড়ে ওঠা শিল্প কারখানায় আইনি বাধা ও সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে উঠছে না। ফলে শ্রমিকরা সংখ্যায় বাড়লেও সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। বাজার দরের সাথে সংগতি রেখে বাঁচার মতো মজুরি নির্ধারণের কথা উঠলেই সামনে আনা হচ্ছে বিভিন্ন অজুহাত। শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের বিষয় নিয়ে চলছে দীর্ঘসূত্রীতা, শ্রমিকদের সংগঠন গড়ার ও করার স্বাধীনতাকে নানাভাবে সংকুচিত করা হচ্ছে। অবস্থা দেখে মনে হয় আমরা সেই পুরনো দাস প্রথাই ফিরে যাচ্ছি। অগণতান্ত্রিক ধারাগুলো বাতিল করে গণতান্ত্রিক শ্রমবান্ধব আইন প্রবর্তন করা, শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কর্মের পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রে নিহত ও আহতদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার জোর দাবী জানিয়েছেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফ’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শাকিল আক্তার চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিলস্ এর চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান এ এম নাজিম উদ্দিন,বিএফটিইউসির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক, বিভাগীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিজওয়ানুর রহমান খাঁন,চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক কে এম শহিদুল্লাহ,শ ম জামাল উদ্দিন, জাতীয়তাবাদী রেল শ্রমিক ও কর্মচারী দলের সাধারণ সম্পাদক এম আর মঞ্জু,বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগের দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, বিএলএফ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রবিউল হক শিমুল, চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হাজী আলমগীর হোসেন, সাইফুল ইসলাম শাহীন, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সহ প্রমুখ।

জন্মাষ্টমী উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা : সিএমপি কমিশনার

0

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেছেন, সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃহৎ উৎসব জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। সব ধরণের উশৃঙ্খলতা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। মহাশোভাযাত্রায় পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

সোমবার (২৮ আগস্ট) সকালে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে নগরের দামপাড়ার সিএমপি’র সম্মেলন কক্ষে জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শিল্পপতি সুকুমার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. তপন কান্তি দাশ ও অ্যাড. চন্দন তালুকদার ও বিমল কান্তি দে।

অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সহসভাপতি মাইকেল দে, লায়ন দুলাল চন্দ্র দে, চন্দন দাশ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য, কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী, কাউন্সিলর পুলক খাস্তগীর, মহিলা কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত, পরিষদ কর্মকর্তা কৃষ্ণ কান্তি দত্ত, লায়ন তপন কান্তি দাশ, প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, লায়ন শংকর সেনগুপ্ত, রতন আচার্য্য, অরূপ রতন চক্রবর্তী, প্রদীপ বিশ্বাস, ডা. কথক দাশ, দেবাশীষ নাথ দেবু, উজ্জ্বল চক্রবর্তী, কানুরাম দে, রাধা রাণী দেবী টুন্টু মুন, মিথুন মল্লিক, রাহুল দাশ, সমিরন মল্লিক, প্রকৌশলী তুহিন রায়, দেবাশীষ আচার্য্য, শিবু প্রসাদ চৌধুরী, সুভাষ মল্লিক সবুজ। এছাড়াও বিভিন্ন থানা কমিটির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসনের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও উপ-পুলিশ কমিশনার, এনএসআই, ডিজিএফআই, সিটিএসবি, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস, সিভিল সার্জন, বিদ্যুৎ বিভাগ, সিটি করপোরেশন ও বিভিন্ন থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।