Home Blog Page 97

চট্টগ্রামে করোনায় নতুন আক্রান্ত ১১৯ জন

ঈদের পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে চট্টগ্রামে করোনার নমুনা পরীক্ষা। গত তিন দিন ধরে নমুনা পরীক্ষা কম হলেও আস্তে আস্তে বাড়ছে পরীক্ষার সংখ্যা।

গত ২৪ ঘন্টায় ৬৮০টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১১৯ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪ হাজার ৬২৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১২৩ জন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবসহ চট্টগ্রামে ৪টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ২১৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১৩ জন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ১২৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জন করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ৩৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়।

এছাড়া ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন এবং কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। তবে এইদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাব এবং শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১১৯ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৬৮০টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৮৫ জন এবং উপজেলায় ৩৪ জন।

বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ : দুই বাংলাদেশি নিহত

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। নিহত দুই প্রবাসীর নাম মিরাজ ও মেহেদি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া এই ঘটনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ সদস্য আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকেসহ বাকিদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

বুধবার আইএসপিআর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, লেবাননের রাজধানী বৈরুত বন্দরের একটি ওয়্যারহাউজে ভয়াবহ বিস্ফোরণে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে মেরিটাইম টাস্কফোর্সের অধীনে নিয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ বিজয়ের ২১ জন সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব বৈরুত মেডিকেল সেন্টারে (এইউবিএমসি) ভর্তি করা হয়েছে। বাকি সদস্যদের ইউনিফিলের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হেলিকপ্টার/অ্যাম্বুলেন্সযোগে হামুদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত। শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আহত নৌসদস্যদের চিকিৎসা চলমান রয়েছে।

আইএসপিআর বলছে, এই দুর্ঘটনায় নৌবাহিনী জাহাজ বিজয় এর বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নৌবাহিনী জাহাজ, ইউনিফিল সদর দপ্তর ও বৈরুতস্থ বাংলাদেশি দূতাবাসের সাথে নৌবাহিনী সদর দপ্তরের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ইউনিফিল হেড অব মিশন এবং ফোর্স কমান্ডার ও মেরিটাইম টাস্কফোর্স কমান্ডার সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন। ঘটনার অব্যবহিত পরই বৈরুতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আল মোস্তাহিদুর রহমান সরেজমিনে বানৌজা বিজয় পরিদর্শন করেন এবং আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তর ও যথাযথ চিকিৎসা প্রদানে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সহযোগিতা করেন।

লেবাননে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনায় নৌবাহিনীর জাহাজ বিএনএস বিজয় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিস্ফোরক দ্রব্যের গুদামে ভয়াবহ এ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যে ১০০ ছাড়িয়েছে। আহত চার সহস্রাধিক। গতকাল মঙ্গলবার বৈরুতের বন্দর এলাকায় প্রচণ্ড এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

পরম আত্মীয়

‘সবাইকে একটু দেরিতে হলেও,
ঈদ মুবারক…….
করোনাকালীন সময়ে
আমরা প্রায় প্রতিদিনই নানান ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছি।

করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন আমাদের পরিচিত প্রিয়জন বা আত্মীয় স্বজন…
আমার পরিবারেও অনেকেই আক্রান্ত হয়ে, করোনার সাথে যুদ্ধ করে সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন।
আবার পরিচিত অনেকেই পৃথিবী ছেড়ে চলেও গেছেন….

এভাবেই দুটো ঈদ পার করলাম আমরা।
রোজার ঈদে কোন কাজ করিনি।
প্রায় চার মাস ঘরে বন্দী থাকার পর জীবিকার টানে, জীবনের প্রয়োজনে, কোরবানীর ঈদে কাজ শুরু করেছিলাম এক রকম জীবন ঝুঁকি নিয়েই…
একটানা প্রায় ২০ দিন, প্রতি মুহূর্তে আতংক নিয়ে শ্যুটিং করে,
আবার ঘরে ফেরা।

করোনা আতংকের পাশাপাশি কাজে ফেরার আনন্দটাও ছিল আকাশ ছোঁয়া….
থেমে যাওয়া জীবনটা আবার সচল হওয়ার আনন্দ।

ঐ আনন্দ নিয়েই ঈদের অবসর কাটানোর স্বপ্ন দেখা…
নতুন নাটক দিয়ে দর্শককে বিনোদিত করা…
কিন্তু ঈদের দিন দুপুর বেলা আমাদের প্রানপ্রিয় মাসিমা,
দূরারোগ্য ক্যান্সার এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে পিজি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
চোখের সামনে দেখলাম,
এই দুঃসময়ে কারো মৃত্যু, আপনজনদের কত গুণ বেশি অসহায় করে দেয়!
মাসির সন্তানদের শান্ত্বনা দেবার কোন ভাষা ছিল না।

এই দুঃসময়ে, এ রকম অসহায় মৃত্যু যেন কোন পরিবারে না ঘটে,
যে মৃত্যু,আপনজনের মুখটা শেষ বারের মত দেখতে দেয় না,শেষ স্পর্শ টুকু করতে দেয় না।

আপনারা মাইক্রোবাসটির যে ছবি দেখতে পাচ্ছেন, ঐদিন,
ঐ গাড়িতে যারা এসেছিলেন,
শেষকৃত্যের আয়োজন করতে,
আমার লেখাটি মূলত: তাঁদের উদ্দেশ্যে….
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের একদল স্বেচ্ছাসেবী কর্মী।
ওরা এসে সবকিছু বুঝে নিল।
আমার মাসির মৃত দেহ, ওরা ধর্মীয় রীতি মেনে স্নান করানো থেকে শুরু করে পোস্তগোলা শ্বশানে দাহ করানো পর্যন্ত….সব কিছু।

ওদের বয়স ২০ থেকে ৩০বছরের মধ্যে।
ওরাই হয়ে গেল আমার মাসির শেষ আপনজন।
দুর থেকে আমি দেখছিলাম,আর চোখের জল ফেলছিলাম।
এভাবেই নিজ চোখে দেখলাম, অপরিচিত কিছু ছেলে মেয়ে,কি ভাবে আত্মার আত্মীয় হয়ে গেল!!
আর আমরা?

অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরির ফেসবুক স্ট্যাটাস

মাসির সন্তানেরা ঠাঁই দাঁড়িয়ে দেখলাম আমাদের পরম আত্মীয়দের সকল কর্ম,
যা আমাদের করবার কথা ছিল।
স্যালুট জানাই আমাদের এই পরম আত্মীয়দের।
একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন তো,আমরা কি পারবো….
ওদের মত এই মহৎ কাজটি করতে?
আমি ওদের সাথে কথা বলে জেনেছি,
স্বেচ্ছায় ,বিনা পারিশ্রমিকে, ওরা এই মহৎ কাজটি করছে প্রতিদিন …..দিনে রাতে।

হ্যাঁ….
মানুষ আসলে ওরাই…
এভাবেই আমরা আমাদের সত্য আত্মীয়ের দেখা পেলাম।
মানুষ তো আমরাও…..
ওদের থেকে নিজেদের পার্থক্য বোঝার সময় কিন্তু এসে গেছে।

আসুন না,
আমরাও ওদের মত মানুষ হই….
স্যালুট,
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন সহ,এরকম কিছু সংগঠনের ,এমন কিছু মানুষ,
যারা এই সংকটে,জীবনের ঝুঁকি নিয়ে,
এই মহৎ কর্মটি করে চলেছেন…
আমাদের পরম আত্মীয়রা…..’

অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরির বাড়ির সামনে রাখা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মাইক্রোবাস

কথাগুলো নিজের ফেসবুকে লিখেছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরি। করোনাকালীন এই সময়ে এক অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেছেন। বলেছেন মানুষের প্রতি মানুষের ভালবাসা, সহমর্মিতার কথা। অন্য ধর্মের হলেও মানুষ মানুষের কতটা আপন এবং মানবিক হতে পারে সেই বিষয়গুলোই তুলে ধরেছেন।

করোনাকালীন জীবন আমাদের আপনজনকেও করেছে পর। মহামারি এই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির লাশের সৎকার তো দূরের কথা শেষ দেখাটাও হচ্ছে না অনেকের। অবশ্য এর কিছুটা বাস্তবতাও আছে।

উল্লেখ্য, আত্মনির্মাণ ও সৃষ্টির সেবায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন ২৮ বছর ধরে কাজ করছে বাংলাদেশে। ২০০৪ সাল থেকে শুরু করে লাশ দাফন ও সৎকার কার্যক্রম। করোনাকালে যখন সন্তান মা-বাবার লাশ ফেলে পালিয়ে যাচ্ছে তখনই করোনায় শহীদদের সম্মানজনক শেষ বিদায় জানাতে এগিয়ে এসছে কোয়ান্টাম। করোনাকালে এ পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ১৮’শর বেশি মৃতের শেষ যাত্রায় সেবা দিয়েছেন কোয়ান্টাম স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ। করোনায় মৃত্যুবরণ করা মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় বিধিবিধান মেনে তাদের সৎকার করে যাচ্ছে।

দাফন কার্যক্রমের সৎকার কাজের পুরো প্রক্রিয়ার ব্যবহৃত পিপিই, মাস্ক, সেফটি গ্লাস, ফেস শিল্ড, সার্জিক্যাল হ্যান্ড গ্লাভস, হেভি গ্লাভস, নেক কভার ও মরদেহের কাফনের কাপড় সবকিছুই কোয়ান্টামের নিজস্ব অর্থায়নে সংগ্রহ করা হয়। মরদেহ বহনের জন্য বিশেষ বডি ব্যাগসহ সুরক্ষার জন্যে তিন ধরনের জীবাণুনাশক ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি মরদেহ সৎকারের পর সুরক্ষার জন্য পিপিইসহ পরিধেয় অন্যান্য সামগ্রী কবরস্থানেই পুড়িয়ে ফেলা হয়।

প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যেতে পারে এই নম্বরে-সালেহ আহমেদ-01306413163 ও মোশতাক আহমেদ-01820250014 ও মারুফ-01713424301

সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা

দেশের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর,ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে বর্তমানে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থলও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

লেবাননের সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ১০০

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিস্ফোরক দ্রব্যের গুদামে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০০ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছ ৪ হাজারের বেশি মানুষ। এ ঘটনায় ওই এলাকার বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে বৈরুতের বন্দর এলাকার ওই বিস্ফোরণে পুরো বৈরুত শহর ভূমিকম্পের মত কেঁপে ওঠে। খবর রয়টার্স ও গার্ডিয়ানের।

লেবাননের কর্মকর্তারা বলছেন, বিস্ফোরণস্থলের ধ্বংসস্তূপ সরাতে এখনও কাজ কারছেন উদ্ধারকর্মীরা। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন এক টুইটে বলেছেন, কোনও ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করে ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বন্দরে মজুদ করে রাখা হয়েছিল, যা কোনওভাবেই ‘গ্রহণযোগ্য নয়’।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, বৈরুতের বন্দর এলাকা থেকে বড় গম্বুজ আকারে ধোঁয়া উড়ছে, এর কিছুক্ষণের মধ্যে বিকট বিস্ফোরণে গাড়ি, ভবন উড়ে যেতে দেখা যায়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে বাড়ি-ঘর এমন কেঁপে ওঠেছিল যে স্থানীয়রা ভাবছিলেন ভূমিকম্প হচ্ছে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে মানুষের চিৎকার ও ছুটোছুটি করতে দেখা যায়। বাড়িঘরের জানালার কাচ ও বেলকনি ভেঙেও অনেকে আহত হন।

পাঁচ জুয়াড়িকে আটক করেছে পতেঙ্গা থানার পুলিশ

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা মডেল থানার পুলিশ ৪ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে সাত টায় উত্তর পতেঙ্গা হোসেন আহম্মদ পাড়া মুনভিউ কমিউনিটি সেন্টারের পাশে এমদাদ মিয়ার গলি বখতিয়ারের ভাড়া ঘরে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জুয়াড়িকে আটক করেছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে খেলার সরঞ্জাম ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, মৌলভীবাজারের মৃত ইউসুফ আলীর পুত্র মো.আশিক মিয়া (২৫) নতুন পোষ্ট অফিস গলির মনসুরের ভাড়াটিয়া,নোয়াখালীর মো. ফখরুল ইসলামের পুত্র মো. রুহুল আমিন প্রকাশ জসিম উদ্দিন (৩৯)উত্তর পতেঙ্গা এমদাদ মিয়ার গলি বখতিয়ারের ভাড়াঘর,নেত্রোকোনা জেলার আব্দুল জব্বারের পুত্র মো. মাসুদ মিয়া (৩৫) হাউজিং কলোনী জসিমের ভাড়াটিয়া,ভোলার জেলার মো. হারুনের পুত্র মো.সোহাগ (২৮) মুন বেকারী গলি সোলাইমান সওদাগরের ভাড়াটিয়, ভোলার জেলার মৃত শামশুল হকের পুত্র মো.মনির (৩৫)মুন বেকারী গলি জসীম সওদাগরের ভাড়িটিয়া।

পতেঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জোবায়ের সৈয়দ বলেন, গোপন সংবাদ পেয়ে উত্তর পতেঙ্গা হোসেন আহম্মদ পাড়া মুনভিউ কমিউনিটি সেন্টারের পাশে এমদাদ মিয়ার গলিতে বখতিয়ারের ভাড়া ঘরে অভিযান চালিয়ে খেলার সরঞ্জাম ও নগদ ৫ হাজার বিশ টাকাসহ পাঁচ জুয়াড়িকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামীকাল তাদরেকে আদালতের পাঠানো হবে।

রিয়াজউদ্দিন বাজারে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে টুপির গুদামে অগ্নিকাণ্ড

নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে টুপির গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বাহার লেইনের ছয়তলা ভবনের ৩য় তলায় এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।অগ্নিঝুঁকির তালিকায় থাকা ওই এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল পুড়ে যায়।

আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন অফিসার কফিল উদ্দিন জানান, চট্টগ্রামে ৪১টি ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটের তালিকায় রিয়াজউদ্দিন বাজারও রয়েছে। তবে আগুন লাগার খবর পেয়ে নন্দনকানন ফায়ার সার্ভিসের দুটি গাড়ি প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নন্দনকানন ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বলেন, আব্দুর রহিম নামে একজন মালিকের ওই টুপির গুদামে আগুন লেগে ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

পতেঙ্গায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ২ জন আটক

পতেঙ্গার আউটার লিংক রোড এলাকা থেকে গত সোমবার (৩ জুলাই) রাতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই ডাকাতকে আটক করেছে পতেঙ্গা থানা পুলিশ। ডাকাতের দল ৩ জুলাই রাতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে দক্ষিণ পতেঙ্গা আউটার লিংক রোডের বালুর টালের পাশে একত্রিত হয়। গোপন এ সংবাদ পেয়ে টিম পতেঙ্গা দ্রুত সেখানে অভিযান চালায় এবং ডাকাত দলের দুজনকে কিরিচ, ছোরা ও লোহার রডসহ আটক করতে সক্ষম হয়। পতেঙ্গা থানার এস আই মাসুদ ফয়সালের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ২ জন ডাকাতকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- দক্ষিণ পতেঙ্গার মো. শরীফের ছেলে মো. সোহেল (২৬) ও  মো হুমায়ুন কবির প্রকাশ আরিফ (২০)। আরিফও দক্ষিণ পতেঙ্গার বাসিন্দা। তবে তার পূর্ণ পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি পুলিশ।

পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জোবায়ের সৈয়দ বলেন, আটককৃত দুজন সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। ডাকাতি করাই তাদের পেশা। তারা দক্ষিণ পতেঙ্গাসহ বিচ এলাকায় আগত পর্যটক কিংবা ইলিশ মৌসুমে ইলিশ ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সহযোগীসহ  ডাকাতি করেন।

জিজ্ঞোসাবাদে দুজন ডাকাতও তাদের কর্ম সম্পর্কে স্বীকারোক্তি দেন। এখন তাদের মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের অন্যান্য সহযোগীদেরও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

বন্দরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃত দেহের সৎকার করবে শ্মশান বন্ধু সেচ্ছাসেবক সংঘ

নগরীর বন্দর থানাধীন ৩৭ নং ওয়ার্ডের ধোপাপাড়া সার্বজনীন রক্ষা কালী মন্দিরের অফিস কার্যালয়ে ৪ আগস্ট বিকাল ৫ টায় শ্মশান বন্ধু সেচ্ছাসেবক সংঘের আলোচনা সভা ও পিপিই বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। বন্দর থানা সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি বিপন দাশের সভাপতিত্বে এবং সহ সাধারন সম্পাদক অর্নব ধরের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক সেচ্ছায় রক্তদাতা ফোরাম ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী পরিষদের সিবিএ কার্যকরী সদস্য আশীষ কান্তি মুহুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন,অনিল মেম্বার ,বিশ্বাস চন্দ্র দাশ, নীরধ চন্দ্র দাশ।
শ্মশান বন্ধু সেচ্ছাসেবক সংঘের সমন্বয়কারী বিপন দাশের নেতৃত্বে মৃত দেহ সেচ্ছায় সৎকারে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির দায়িত্ব পালন করবে সাজিব দাশ,বিকাশ দাশ,যতন দাশ,বাবুল দাশ,রতন দাশ, দিপু মজুমদার, শাওন দাশ,ক্ষুদিরাম।

এ সময় আরও উপনস্থিত ছিলেন ধোপাপাড়া কালী মন্দির কমিটির সদস্য, বুলু দাশ, আকাশ দাশ, সীমান্ত দাশ, তুষার দাশ, সৌরভ দাশ, টিপু দাশ ,প্রান্ত দাশ,ববি দাশ ,অপুর্ব দাশ, শুভ দাশ প্রমুখ।

আলোচনা সভা ও পিপিই বিতরণকালে বক্তারা বলেন,শ্মশান বন্ধু সেচ্ছাসেবক সংঘ বন্দর থানাধীন ৩৭ ও ৩৮ নং ওয়ার্ডে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃত দেহ সৎকার কার্যক্রম সেচ্ছায় চালিয়ে যাবে।

একজন মানবতার সেবক হয়ে দুর্দিনে মানুষের পাশে থাকবো কাউন্সিলর প্রার্থী : সালাউদ্দীন বাবর

চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানাধীন ৩৭ নম্বর মুনির নগর ওয়ার্ডের আগামী চসিক নির্বাচনে জনগণের সেবায় একজন মানবতার সেবক হয়ে দুর্দিনে মানুষের পাশে থাকতে সকলের দোয়া ও সহযোগীতা চেয়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থী সালাউদ্দীন বাবর। তিনি মানবতার সেবক হয়ে দুর্দিনে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে নিরলস ভাবে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। সততা,ন্যায় নিষ্ঠা আর শক্ত মনোবল নিয়েই গুটি গুটি পায়ে হেটে চলছেন দেশের উন্নয়ন ও সমাজের পরিবর্তনের পথ ধরে। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে দেশ ও মানুষের জন্য কিছু করার দৃঢ় মনোবল নিয়ে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ৩৭ নম্বর মুনির নগর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে অংশগ্রহণ করে ৩৬ বছরের বয়সের এই যুবক।

তিনি স্বপ্ন দেখেন মাদক মুক্ত,সন্ত্রাস মুক্ত,জঙ্গিবাদ ও দূর্নীতি মুক্ত আগামীর বাংলাদেশের। নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠুক নীতি নৈতিকা ও মানবিক মূল্যবোধ মধ্যো দিয়ে তা বাস্তবায়নে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। বহু প্রতিকুলতায় পিছ পা হননি কখনও। আপোষহীনভাবে লড়ে যাচ্ছেন সমাজের সব সামাজিক বাধা বিপত্তি আর দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে। খুব অল্প সময়ে এলাকায় ও এলাকার বাহিরে সকলের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন সর্বস্থরে। চলার পথে শুনেন এলাকাবাসীর সুখ- দুঃখ ,আনন্দ-বেদনার কথা,চেষ্টা করেন পাশে থাকার। শুধু তাই নই দলের কোন কর্মীর দুঃ সংবাদ শুনলে কালবিলম্ব না করেই সাথে সাথেই ছুটে যান সেই কর্মীর পাশে।

করোনাকালীন সময় ছাড়াও ক্লান্তিহীন এক যোদ্ধার নাম সালাউদ্দীন বাবর, ইস্পাত কঠোর মনোবল নিয়ে একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হয়ে মানুষকে করোনামুক্ত রাখতে ক্লান্তিহীন ছুটে চলেছেন। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের ফোন আসা মাত্রই নিজে গিয়েই হাজির । সবাইকে নিরাপদে রাখতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে সচেতনতার লক্ষে ব্যাপক প্রচার-প্রচারনা লিপলেট বিতরণ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ, ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। লকডাউনে থাকা পরিবারদের নিয়মিত খোঁজ খবর রাখাসহ এই কঠিন সময়ে এলাকার অসুস্থ রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর কর্মতৎপরতা ব্যাপক প্রশংসিত।

সালাউদ্দীন বাবর জানান, আমরা আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান আমার পিতা মো.শামসুদ্দীন টুনু স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ৩৭ নং মুনির নগর ওয়ার্ডে যে কয়জন আওয়ামীলীগ পরিবার ছিল তাদের মধ্যে অন্যতম একজন। পাশাপাশি তিনি চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী পরিষদের সাবেক সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ছিলেন। বিগত দিনে বিএনপি জামায়াত সরকারের আমলে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের নির্যাতন ও অত্যাচারে আমরা আওয়ামীলীগ পরিবারগুলো একের পর এক মামলা,হামলার শিকার হয়েছি।

ছোট বেলা থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি পিতার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। ১৯৯৮ সালে বন্দর থানাধীন ৩৭ নং মুনির নগর ওয়ার্ডের আমরা রাসেল’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক,২০০০ সালে শেখ কামাল স্মৃতি সাংসদের সাবেক সভাপতি,ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের রাজনীতি সাথে জড়িত ছিলেন,চট্টগ্রাম মহানগর খেলাঘর আসরের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক,সাবেক আহ্বায়ক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ৩৭ নং মুনির নগর ওয়ার্ড,সাবেক সদস্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম মহানগর,যুব সংগঠক চট্টগ্রাম মহানগর।

এছাড়া উপদেষ্টা মইনীয়া যুব ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর,সহ-সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া ৩৭ নং মুনির নগর ওয়ার্ড,সদস্য মুন্সি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালা কমিটি,প্রকাশনা সম্পাদক গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ ৩৭ নং মুনির নগর ওয়ার্ড,উপদেষ্টা সিলমুন কিন্ডারগার্ডেন স্কুল,পরিচালক চর্চা শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সদস্য চারু শিল্পী পরিষদ ও চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সদস্য।

মো.সালাউদ্দীন বাবর ২০০০ সালে নিমতলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি,২০০৪ সালে ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এইচ এস সি,২০০৮ সালে সরকারি চারুকলা কলেজ থেকে অনার্স ও ২০০৯ সালে চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে এম এ পাশ করেন।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সকল উন্নয়নের বার্তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে দ্বারে দ্বারে, দিন-রাত ছুটে চলছেন আওয়ামীলীগ প্রেমী পাগল মানুষটি।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ৩৭ নম্বর মুনির নগর ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী হোসেন মুরাদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে। চসিক নির্বাচনে ৩৭ নম্বর মুনির নগর ওয়ার্ডের জনগণের সেবায় একজন মানবতার সেবক হয়ে দুর্দিনে মানুষের পাশে থাকতে সকলের দোয়া ও সহযোগীতা চেয়েছেন সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ নেতা কাউন্সিলর প্রার্থী সালাউদ্দিন বাবর।