Home Blog Page 95

বাকলিয়ায় অসুস্থ আওয়ামীলীগ নেতার পাশে মোবাশ্বিরা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান- আব্দুল্লাহ্ আল মামুন চৌধুরী

নগরীর ১৯ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বাকলিয়ায় সাবেক যুবলীগ ও বর্তমান আওয়ামীলিগ নেতা অসুস্থ ইকবাল হোসেনের খোঁজ খবর নিতে ৬ আগস্ট সন্ধ্যায় তার বাসভবনে গেলেন সাবেক উপ- সমবায় সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা ও মোবাশ্বিরা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ্ আল মামুন চৌধুরী।

এ সময় তিনি অসুস্থ ইকবাল হোসেনের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে গিয়ে বলেন,দলের দুর্দিনে, আন্দোলন সংগ্রামে যে সকল ত্যাগী নেতারা রাজপথে ছিল তাদের সুখে-দু:খে সব সময় আমি পাশে আছি এবং থাকবো। আমাদের রাজনীতি হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাওয়া। তিনি অসুস্থ ইকবাল হোসেনকে ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৪৩ নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদ, এম আর ইয়াসিন, অসীম বনিক, আসাদুজ্জামান রুবেল, জাহাঙ্গীর আলম, তৌহিদ মোঃ তৈয়ব, সজীব বিশ্বাস, রাজীব চৌধুরী ইমন, জাহাঙ্গীর আব্দুল্লাহ প্রমুখভ

পুলিশ হেফাজতে ওসি প্রদীপ, কক্সবাজার আদালতে নেওয়া হচ্ছে

পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। এর আগে তাকে চলতি দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমানে তাকে কক্সবাজার আদালতে নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) দুপুরে সিএমপির কাছে ওসি প্রদীপ আত্মসমর্পণ করেন। সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম।

অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম বলেন, প্রদীপ কুমার দাশ বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যেহেতু তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে তিনি আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছেন। আমরা পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে তাকে কক্সবাজার আদালতে পৌঁছে দেবো।

এর আগে, বুধবার (০৫ আগস্ট) টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপকে তার চলতি দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। বর্তমানে একই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এপিএম দোহাকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ঘটনার পর টেকনাফ থানার ওসি অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিলেন। ছুটি নেওয়ার একদিন পরই তাকে প্রত্যাহার করে নেয় বাংলাদেশ পুলিশ।

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বুধবার (০৫ আগস্ট ) কক্সবাজারে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

গ্রেফতার হলেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ

সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের পুলিশ হাসপাতাল থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যার মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। কক্সবাজারের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই পরোয়ানা জারি করেন।

গতকাল নিহত রাশেদের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস এই মামলাটি দায়ের করেন। র‌্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে, প্রভাবমুক্ত থেকে মামলা তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন র‌্যাবের কর্মকর্তারা।
এ মামলায় সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গী ও ৩১ জুলাই এর ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত নয় পুলিশ সদস্যসহ ১৭ জনকে প্রত্যাহার করেছে কর্তৃপক্ষ।

মেরিন ড্রাইভকে ডেথ জোন বানিয়েছিলেন ওসি প্রদীপ

সদ্য প্রত্যাহার করা টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের হাতিয়ার ছিল কথিত ক্রসফায়ার বাণিজ্য। ইয়াবার এ প্রবেশদ্বারে ক্রসফায়ারের রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন পুলিশের এই ওসি। কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভকে কার্যত ডেথ জোনে পরিণত করেন তিনি। আতঙ্কে রাতে এ সড়কে চলাচলে মারাত্মক ভীতির সঞ্চার হয় স্থানীয়দের মধ্যে। চাহিদা মতো টাকা না পেয়ে ক্রসফায়ারে হত্যার বিস্তর অভিযোগও রয়েছে প্রদীপ কুমার দাসের বিরুদ্ধে। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে তার নানা নিপীড়নের শিকার হয়েছেন যারা, তারা তার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

২০১৮ সালের ৪ মে থেকে সারাদেশে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু করে সরকার। এতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় ক্রসফায়ারের পরিসংখ্যান। গত ৩০ জুলাই পর্যন্ত শুধু কক্সবাজার জেলায় পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮৭ জন। এর মধ্যে পুলিশের সঙ্গে ১৭৪ জন, বিজিবির সঙ্গে ৬২ জন ও র‌্যাবের সঙ্গে ৫১ জন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। আর টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ১৬১ জন। এর মধ্যে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মাধ্যমে ঘটেছে ১৪৪টি ক্রসফায়ারের ঘটনা। এসব ক্রসফায়ারের একটি বড় অংশ সংঘটিত হয় মেরিন ড্রাইভ সড়কে।

যদিও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের শুরু থেকেই এ ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছিল মানবাধিকার সংগঠনগুলো। অন্যদিকে এমন অভিযানের পরও কমেনি মাদকের চোরাচালান। বরং কিছু ক্ষেত্রে মাদকের সরবরাহ বৃদ্ধির তথ্য মিলেছে। পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাবে অভিযান শুরুর পর এক বছরে বিভিন্ন সংস্থার অভিযানে ৫ কোটি ১৪ লাখ ইয়াবা বড়ি এবং ১০ মণ হেরোইন উদ্ধার হয়েছে, যা আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। এর আগে কোনো বছরই ৪ কোটির বেশি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার হয়নি। এমন বাস্তবতায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের নামে কথিত ক্রসফায়ার বৃদ্ধির ঘটনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরুর পর টেকনাফে পুলিশের গ্রেপ্তার-বাণিজ্যের স্থলে জায়গা নেয় কথিত ‘ক্রসফায়ার-বাণিজ্য’। গত ২৪ জুলাই উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরকেন্দ্রিক ইয়াবা গডফাদার মৌলভি বখতিয়ার নামের এক ইউপি সদস্যকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ অভিযান চালিয়ে মৌলভি বখতিয়ারসহ তাহের নামের আরও এক রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করেন ওই রাতে। একদিন পর দুজনের ভাগ্যে জোটে কথিত বন্দুকযুদ্ধ। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়, মৌলভি বখতিয়ারের ঘর থেকে ১০ লাখ টাকা এবং ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার পর একটি বিশেষ সংস্থার কাছে দেওয়া জবানিতে নিহত মৌলভি বখতিয়ারের স্ত্রী জানিয়েছেন, সেই রাতে ওসি প্রদীপ কুমারের নেতৃত্বে পুলিশি অভিযানে ৫১ লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মৌলভি বখতিয়ারের এক ছেলেকে ডেকে নিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হয় আরও বিপুল অঙ্কের টাকা।

সর্বশেষ গত শুক্রবার রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান (৩৬)। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে রাশেদের পরিবার।

ভারতের করোনা হাসপাতালে আগুন, ৮ রোগীর মৃত্যু

‘বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট’ থেকে আগুন লেগে ভারতের গুজরাটে একটি হাসপাতালে ৮ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালটি করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ভয়াবহ আগুন লাগার এ ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এনডিটিভি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আহমেদাবাদের নাভরাংপুর এলাকার শ্রেই নামে হাসপাতালটিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর ৮টি ফায়ার ইঞ্জিন ও ১০টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেখানে তিন নারীসহ ৮ জন নিহত হয়েছেন। তারা হাসপাতালটির নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আগুন লাগার সময় ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে ৪৫ জনের মতো রোগী ভর্তি ছিলেন। যে ৮ রোগীর মৃত্যু হয়েছে তারা বাদে বাকিদের উদ্ধার করে সর্দার বল্লবভাই প্যাটেল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

এনডিটিভি আরও জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার সকালেও ঘটনাস্থলে থাকা দমকল কর্মীদের উদ্ধার তৎপরতা চালাতে দেখা গেছে। হাসপাতালটির বাইরে রোগীদের উদ্বিগ্ন স্বজনরা ভিড় করে আছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা প্রথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করছে।

নিহতদের ২ লাখ ও আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে এনডিটিভি। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে এ অর্থ প্রদান করা হবে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এক টুইট বার্তায় এর নিশ্চয়তা দেন।

শ্রেই হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি টুইটে লিখেছেন- ‘আহমেদাবাদের হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় কষ্ট লাগছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। পরিস্থিতি নিয়ে গুজরাটের মুথ্যমন্ত্রী ও আহমেদাবাদের মেয়রের সঙ্গে কথা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।’

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যাশবোর্ড অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ভারতে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ৬৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, মৃত্যু হয়েছে ৪০ হাজার ৬৯৯ জনের।

দেশে করোনার ২য় পর্যায়ের ধাক্কা আসতে পারে : ডা. বেনজির

0

মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে দ্বিতীয় পর্যায়ের ধাক্কা লাগতে পারে বলে গণমাধ্যমে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ। দীর্ঘ সময় ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের হার বাংলাদেশে নিম্নমুখী না হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি একথা বলেন।

 ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, যেসব দেশ করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে, তারা যে কাজগুলো সঠিকভাবে করেছে আমরা সেই কাজগুলো সঠিকভাবে করতে না পারার কারণেই আমাদের দেশে করোনাভাইরাস দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও নিম্নগামী হচ্ছে না। এক্ষেত্রে চীনের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। চীন খুব কম সময়ে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করছে। চীন থেকেই করোনা ভাইরাসের শুরু হয়। চীনের আগে কোনো দেশেতো করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়নি।

 ‘করোনাভাইরাস সম্পর্কে চীনের কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না। তারপরেও তারা তো খুব কম সময়েই করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করেছে। দেড়শ কোটি লোকের বাসস্থান চীনে, তারা করোনাভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করে ফেললো। চীন কী করেছে- ট্রেসিং, আইসোলেশন, কোয়ারেন্টিন এবং লকডাউন। পাশাপাশি থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম অস্ট্রেলিয়া সঠিকভাবে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করেছে। এই কাজগুলো সঠিকভাবে করতে না পারার কারণেই আমরা করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।

 করোনাভাইরাস বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে হয়তো করোনাভাইরাসের সেকেন্ডারি একটা ওয়েব আসতে পারে। আমাদের দেশের চিত্রটা হয়তো যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ভারতের মতো হতে পারে। কিছুদিন করোনাভাইরাস দম ধরে থেকে আবারো ঊর্ধ্বগতিতে যেতে পারে। আমরা একদিকে ট্রেসিং করতে পারছি না, আক্রান্ত ব্যক্তিদের ট্রেসিং করে আইসোলেটেড করা, কোয়ারেন্টিন করা, তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছিল তাদের আইডেন্টিফাই করা, এগুলোর কোনটাই সঠিক ভাবে হচ্ছে না।

 ‘করোনাভাইরাসের মতো একটা জীবাণু, সেটাতো আর বসে থাকবে না। লোকজনের মাস্ক পরা কমে যাচ্ছে, অফিস আদালত খুলে যাচ্ছে, পরিবহনও চলছে। তাহলে বিষয়টা দাঁড়াচ্ছে করোনাভাইরাস যদি নিজেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ না করে, সংক্রমণের ক্ষমতা কমিয়ে না ফেলে, তাহলে বাংলাদেশ সেকেন্ডারি একটা ওয়েবের দিকে যাবে। ’

 বর্তমানে দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য করণীয় জানতে চাইলে আইইডিসিআরের সাবেক এ প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কিছুটা আক্ষেপ করে বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের জন্য করণীয় বিষয় আমরাতো বহুবার বলেছি। আমরাতো বলেই যাচ্ছি, কিন্তু যারা প্রয়োগ করার কথা তারাতো কানে তুলো দিয়ে বসে আছে। এখন সব থেকে জরুরি হলো করোনাভাইরাসের হট স্পটগুলোতে অনুসন্ধান চালানো, কারা ওইসব স্পটের লোকজনের সংস্পর্শে এসেছেন। তাদের ট্রেস করা। এখন জরুরিভিত্তিতে এন্টিজেন কিট দিয়ে দ্রুত করোনাভাইরাস শনাক্তের ব্যবস্থা করা। বাড়িতে বসেই যেন ১৫ মিনিটের মধ্যেই করোনা আক্রান্তদের শনাক্ত করা যায়। 

 ‘এরপর আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত আইসোলেটেড করার ব্যবস্থা করা। ঠিক একইভাবে যারা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছেন তাদের কোয়ারেন্টিন করা। মানুষের চলাচল সীমিত করা। ঠিক যেমনটা আমরা পূর্ব রাজাবাজার ও ওয়ারীতে করেছি। এগুলোর কোনোটাই তো এখন হচ্ছে না। আমরা শুধু বলেই যাচ্ছি। কিন্তু করার কেউ নেই।

বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ১৩৫, জরুরি অবস্থা জারি

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ১৩৫ জনে। এছাড়া এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচ হাজার মানুষ।

মঙ্গলবার রাতে বৈরুতের বন্দর এলাকার ওই বিস্ফোরণে এখনও অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে রয়েছেন বলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংলিষ্টরা।

এদিকে রাজধানীজুড়ে দুই সপ্তাহের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় বৈরুতের অন্তত তিন লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বলেও জানান স্থানীয় গভর্নর মারওয়ান আবৌদ।
ভয়াবহ ওই বিস্ফোরণের পর রাজধানীর নিরাপত্তা সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় শহরটির অর্ধেকই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের পর বৈরুতের হাসপাতালগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। স্থান সংকটের কারণে হাসপাতালের বাইরেই আহতদের সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া হাসপাতালে অভিযান নিষেধ

0

অনুমতি ছাড়া সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে অভিযান পরিচালনা না করার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কোথাও কোনো হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করতে হলে অবশ্যই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে।

বুধবার রাতে মন্ত্রণালয় থেকে এমন নির্দেশনা জারি করা হয়। ঘোষণায় বলা হয়, করোনা মহামারী প্রাদুর্ভাবের পর থেকে দেশের সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন শাখার সদস্যরা নানা বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করছে। একটি হাসপাতালে একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করায় তাদের স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব কারণে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এক ধরনের চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম দেখার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। যেখানে জননিরাপত্তা বিভাগের একজন যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো অপারেশন পরিচালনা করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে সেটি করতে হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, যে কোনো সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা থেকে বিরত থাকতে এবং জরুরি অভিযান পরিচালনার প্রয়োজন হলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং চিকিৎসা শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

বৈরুতের ঘটনা হৃদয়বিদারক-মর্মস্পর্শী : ফখরুলবৈরুতের ঘটনা হৃদয়বিদারক-মর্মস্পর্শী : ফখরুল

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মঙ্গলবার বৈরুতের বন্দর এলাকায় প্রচণ্ড বিস্ফোরণে নিহত ও আহতের ঘটনা হৃদয়বিদারক-মর্মস্পর্শী। আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ ঘটনায় অনেকে নিহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মর্মস্পর্শী এ ঘটনায় আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। ইতিহাসে এ ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের নজির পাওয়া দুষ্কর। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে পুরো বৈরুত কেঁপে ওঠে, বিভিন্ন ভবনের জানালা ও দরজার কাঁচ ভেঙ্গে যায় এবং অনেক ভবনের বেলকোনি ধসে পড়ে। আগুনের কুণ্ডলী ও ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। এ ক্রান্তিকালে লেবাননবাসী ও তাদের সরকার যে অসীম ধৈর্য্যধারণ করে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে বিশ্বসম্প্রদায়কে অনুপ্রাণিত করবে।

লেবাননের সরকার ও জনগণ অতিদ্রুত এ সংকট কাটাতে সক্ষম হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। আমি লেবাননের শোকার্ত জনগণের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। এ মর্মান্তিক বিস্ফোরণে লেবাননবাসীর বেদনার সঙ্গে আমিও সমব্যথী। চারজন বাংলাদেশিসহ যারা ওই বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি গভীর শোক জ্ঞাপন করছি এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ জন সদস্যসহ চার সহস্রাধিক আহত মানুষের আশু সুস্থতা কামনা করছি, যোগ করেন ফখরুল।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নিলেন খোরশেদ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন খোরশেদ আলম সুজন। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টায় চসিক প্রশাসকের চেয়ারে বসেন তিনি।

উল্লেখ্য, চসিকের পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের মেয়াদ গতকাল বুধবার শেষ হয়।

চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা খোরশেদ আলম সুজন চেয়ারে বসে টাইগারপাসের চসিক সম্মেলন কক্ষে সংস্থার বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন আহমদ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, সিটি হল চসিক আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক ডা. সুশান্ত বড়ুয়াসহ বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

করোনাভাইরাস, বর্ষায় চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন না হওয়ায় খোরশেদ আলম সুজনকে চসিকের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।