Home Blog Page 80

টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ওসমান গনী গ্রেপ্তার

টেকনাফের জাদিমুড়া শালবাগান ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ প্রধান ওসমান গনী ওরফে আইয়াসকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন(এপিবিএন)।

কক্সবাজার ১৬ এপিবিএন-এর অধিনায়ক (এসপি) তারিকুল ইসলাম তারিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শালবাগান ২৬ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক-এ/৫ থেকে আজ মঙ্গলবার (৬ জুলাই) ভোররাত একটার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসপি তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, মঙ্গলবার ভোরে শালবাগান এপিবিএন ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওসমান গনি প্রকাশ আইয়াছকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। আইয়াছ রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার ত্রাস আইয়াছ বাহিনীর প্রধান। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আইয়াছের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় খুন, ডাকাতি, অবৈধ অস্ত্র, অপহরণসহ সাত/আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

ওয়ার্ড বয় থেকে এফসিপিএস, ভুয়া চিকিৎসক গ্রেপ্তার

‌‌হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় থেকে এফসিপিএস ডাক্তার। খোরশেদ আলম নামের এই ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) দুপুর ১টার সময় কর্নেল জোন্স রোডের কাট্টলি মেডিকেল হল থেকে ফার্মেসীতে চেম্বার খুলে রোগী দেখার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান আকবরশাহ্ থানার ওসি মো.জহির হোসেন।

গ্রেপ্তারকৃত মো. খোরশেদ আলম (৪২) হাটহাজারী উপজেলার আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি নগরীর সরাইপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।

আকবরশাহ্ থানার ওসি মো.জহির হোসেন জানান, নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেছে বলে পরিচয় দিত খোরশেদ আলম। নামের পাশে লিখতেন এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরোলজী) ডিগ্রী। কিন্তু আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে এসবের কোন ডকুমেন্ট প্রদান করতে পারেননি তিনি। পরে স্বীকার করেন তিনি প্রকৃতপক্ষে অষ্টম শ্রেনী পাশ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ার্ড বয় হিসেবে কাজ করতেন।

খোরশেদকে ইতিপূর্বে ২০১৭ সালে মাগুরায় ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক বৎসরের কারাদণ্ড প্রদান করে। এর আগে ২০১৩ সালে কুমিল্লায় ভ্রাম্যমাণ আদালত আরও ৬ মাসের দণ্ড দেন।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার ৩৯ মণ সামুদ্রিক মাছসহ ট্রাক জব্দ

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করে বিক্রির সময় ৩৯ মণ সামুদ্রিক মাছসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে আনোয়ারায়। এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হাসান চৌধুরী ট্রাকের চালককে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) ভোরে আনোয়ারা উপজেলার গহিরা উঠান মাঝির ঘাট এলাকা থেকে মাছসহ ওই ট্রাকটি জব্দ করে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাশিদুল হকের নেতৃত্বে সাঙ্গু কোস্টগাডের সহযোগিতায় এ অভিযান চালানো হয়।

মৎস্য কর্মকর্তা রাশিদুল হক জানান, ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণের কারণে ৬৫ দিনের জন্য মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা জারি করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাগরে মাছ শিকার করে ঘাটে বিক্রি করছিলেন জেলেরা।

ব্যবসায়ীরা ট্রাকভর্তি মাছ নিয়ে ফেরার সময় ওই ট্রাকটি জব্দ করা হয়। পরে উপজেলার ২৮টি এতিমখানায় মাছগুলো বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশে উৎপাদন হবে চীনের টিকা: রাষ্ট্রদূত

চীনের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আর অ্যান্ড ডি বাংলাদেশকে অংশীদার করে টিকা উৎপাদনের জন্য কাজ করছে। মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত হুয়ালং ইয়ান তার ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, চীন এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টি দেশে টিকা সরবরাহ করেছে এবং কোভ্যাক্সের আওতায় প্রথম ব্যাচে আরো এক কোটি ডোজ টিকা সরবরাহ করবে। অনেক উন্নয়নশীল দেশেই চীনের টিকা প্রথমে পেয়েছে।

হুয়ালং ইয়ান আরো বলেন, চীন বহু উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন ও সমবায় উৎপাদন পরিচালনা করেছে এবং তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়াল পরিচালনায় বিদেশি সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করার জন্য সমর্থন করেছে।

তার মতে, চীনা টিকাগুলো সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। এরই মধ্যে চীনের সবগুলো টিকা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। এরই মধ্যে দেশে সিনোফার্মের টিকার প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান নিখোঁজ

অনলাইন ডেস্ক , জনতার চট্টগ্রাম

রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান নিখোঁজ মঙ্গলবার (৬জুলাই) রাশিয়ায় যাত্রীবাহী একটি বিমান নিখোঁজ হয়েছে। বিমানটিতে ২৮ জন যাত্রী ছিলেন।

এএন২৬ মডেলের বিমানটি রাশিয়ার পূর্বাঞ্চল পেত্রোপাবলোস্ক থেকে কামচাটকা পেনিসুলার দিকে যাচ্ছিলো। যাত্রাপথে বিমানের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ট্রাফিক কন্ট্রোল বিভাগ জানিয়েছে, বিমানটির কিছু সময় পরেই ল্যান্ড করার কথা ছিল, তার আগেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

তবে এ ঘটনায় দু’রকমের কথা শোনা যাচ্ছে। এক পক্ষ বলছে, বিমানটি সম্ভবত সমুদ্রে নিমজ্জিত হয়েছে। অন্য পক্ষ বলছে, সেটি হয়ত পলানা শহরের কাছাকাছি কোন কয়লার খনিতে ভূপাতিত হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। দুটি হেলিকপ্টার বিমানটির চলাচলের পথ ধরে সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি করছে।

বিমান দুর্ঘটনার জন্য বিশ্বে রাশিয়ার নাম তালিকার উপরের স্থানে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি বিমানের ট্র্যাফিক নিরাপত্তার বিষয়টি উন্নত করেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে বেশ কয়েকটি মারাত্মক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ বড় বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালের মে মাসে। সুখোই সুপারজেট নামের একটি বিমান মস্কো বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। সেই দূর্ঘটনায় ৪১ জন মারা যান।

সূত্র: আল জাজিরা

স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা গুনলো ৯ জন

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) নগরের চান্দগাঁও থানা মোড় থেকে শুরু করে এক কিলামিটার, রাহাত্তারপুল, কে.বি আমান আলী রােড, কালামিয়া বাজার, তুলাতলি, শাহ আমানত সেতু মােড়, মেরিনার্স রোড, ফিরিঙ্গী বাজার ও কােতায়ালী মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে
সরকারি বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ৯ জনকে ১ হাজার ৪শ’ টাকা জরিমানা করা হয়।

এতে নেতৃত্ব দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা ফেরদৌস।

সরকার ঘোষিত সপ্তাহব্যাপী চলমান লকডাউনের ৬ষ্ঠ দিনেও নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী বলেন, নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সরকারি বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৯ জনকে জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ ও জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে। করোনা সংক্রমণ রোধে চসিকের অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলমান থাকবে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহায়তা করে চট্টগ্রাম মেট্রােপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

কঠোর লকডাউনের ‍মধ্যেও জুয়া খেলা আটক ৮ জন

নগরের ডবলমুরিং থেকে ৮ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও জুয়া খেলায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। সোমবার গভীর রাতে চৌমুহনী নাজিরপুল কলাবাগান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ‍দুজনকে বাইরে ঘোরাঘুরি করতে দেখে পুলিশ তাদের গন্তব্য জানতে চায়। তারা পুলিশকে ওষুধ কিনতে যাওয়ার কথা জানায়। পুলিশের সন্দেহ হলে কৌশলে তাদের পিছু নিয়ে চৌমুহনী নাজিরপুল কলাবাগান গলির ভিতরে শাহ আলমের আলমিরার কারখানায় একটি জুয়ার আসরে তাদের পাওয়া যায়। সেখান থেকেই ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডবলমুরিং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, আটককৃত জুয়ারিরা সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ। প্রত্যেকেরই দৈনিক আয় ৩০০ থেকে ৫০০। তারা আয় করেই এখানে বসে জুয়া খেলে। লকডাউনে চলাচলে বিধিনিষেধ থাকায় তাদের কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। তাই ওষুধ কেনার অজুহাতে জুয়া খেলতে বেরিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. মান্নান (২৭), মো. জাফর (৫৫), মো. করিম (৩২), মো. জাহাঙ্গীর হোসেস (৪০), তাজুল ইসলাম (৬০), মো. আলমগীর (৪৭), মো. কামাল (৩৮) ও মো. সুমন (২৯)।

রিকশায় একজনের বেশি নয়

নগরের সিটি গেইট এলাকায় মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকাল থেকেই অ্যাকশনে ছিল সেনাবাহিনী। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন থানা পুলিশের সদস্যরাও।
কঠোর লকডাউনের ষষ্ঠ দিনেও তৎপর রয়েছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।লকডাউনের শুরু থেকেই নগরের প্রবেশমুখ সিটি গেইটে প্রতিদিনই কড়া নজর রেখেছেন সেনা সদস্যরা।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় দেখা গেছে, রিকশায় একজনের বেশি যাত্রী দেখলেই থামিয়ে দিচ্ছেন সেনা সদস্যরা। একজনকে রিকশায় রেখে নামিয়ে দিচ্ছেন দ্বিতীয়জনকে। রিকশায় একজনের বেশি নয়,একথা বলে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে চালক ও যাত্রীকে।

এছাড়া চলছিল জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়াদের কাগজপত্র, পরিচয়পত্র যাচাই-বাছাই। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টাকারীদের গাড়ি আটকে দেওয়া হচ্ছিল মামলা। আবার উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারা যাত্রী ও পথচারীদের পুনরায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে কঠোর লকডাউনের আদেশ জারি করা হয়েছে।

বিনা প্রয়োজনে বের হলেই ব্যবস্থা, দোকান খুললে সিলগালা- চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

মঙ্গলবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বক্তব্য দেন বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলেই ব্যবস্থা, দোকান খুললে সিলগালা।সড়কে ভাড়ায় চালিত যানবাহনের বিরুদ্ধেও নেওয়া হবে ব্যবস্থা।
সরকারি আদেশ অমান্য করে হোটেল-রেঁস্তোরাসহ অন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখলে জরিমানা ও ডাবল জরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসনের ১৪ জন ও বিআরটিএর ২ জনসহ ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে নগরে শুরু হয়েছে যৌথ অভিযান। বুধবার (৭ জুলাই) পর্যন্ত অভিযান চলমান থাকবে। করোনার সংক্রমণ রোধে মানুষকে ঘরে রাখতে সরকার কঠোর লকডাউনের সময় ১৪ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করেছে।

ডিসি বলেন, মাস্ক পরাসহ শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনায় ৯ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি আক্রান্ত হয়েছে ৬৬২ জন।

মন্ত্রিপরিষদ কর্তৃক ১ জুলাই থেকে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন ঘোষণা করার পর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা মানুষকে ঘরে রাখতে চাই। কিন্তু করোনার সংক্রমণকে ভয় না করে বিভিন্ন অজুহাতে ও বিনা প্রয়োজনে তারা ঘর থেকে বের হচ্ছেন। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান খোলা রাখছেন। যৌথ অভিযানে তাদের অজুহাত দেওয়ার সুযোগ নেই।

জেলা প্রশাসক বলেন, ১-৪ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। ৫ জুলাই থেকে এসব প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর টাকা উত্তোলন ও অন্যান্য মিথ্যা অজুহাতে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে। মানুষ জড়ো হওয়ার কারণে করোনার সংক্রমণ দিনের পর দিন বাড়ছে। মানুষকে সচেতন করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৬টি গাড়িতে মাইক বসিয়ে নগরের অলিগলিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। করোনা প্রতিরোধে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাইকিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে জানান দেওয়া হবে। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হলেই পথচারীকেও জরিমানা করা হবে। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করতে পারব।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোছাম্মৎ সুমনী আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার, র‍্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. নুরুল আবছার, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,পুলিশ, র‍্যাব ও অনসার সদস্যরা।

চোলাই মদসহ ৪ জন মাদক কারবারি আটক পাচারে ব্যবহৃত সিএনজি জব্দ

কাপ্তাই বরইছড়ি এলাকার পাহাড়ে চোলাই মদ তৈরি করে নগরের বিভিন্ন জায়গায় এনে বিক্রি করতেন তারা।মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ৯টায় পুলিশের হাতে ধরা খেলেন ৬০ লিটার চোলাই মদসহ ৪ জন মাদক কারবারি। তাদের আটক করে জেলে পাঠিয়েছে মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- পাইনু মারমা, উয়ইন মারমা, শৈয়াচিং মারমা, হাসান বাবুল।

জানা গেছে, কাপ্তাই এলাকার বরইছড়ি, চন্দ্রগোনাসহ বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ি ঘরে মদ তৈরি করে তা নগরে এনে বিক্রি করতেন তারা। সকালে নগরে সিএনজি অটোরিকশাযোগে পাচারের সময় ৬০ লিটার মদসহ এক বাঙালি ও তিন পাহাড়িকে আটক করে মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ। এ সময় মদ পাচারে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ ইনচার্জ মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নগরে সিএনজি অটোরিকশাযোগে পাচারের সময় ৬০ লিটার মদসহ একজন বাঙালি ও তিন পাহাড়িকে আটক করা হয়েছে। পাচারে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়।