Home Blog Page 47

করদাতা সুরক্ষা পরিষদের সভাপতির বক্তব্যের প্রতিবাদে বাকলিয়া ও পাথরঘাটা ওয়ার্ডে বিক্ষোভ

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরী’র বিরুদ্ধে করদাতা সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি নুরুল আবছার অশালীন ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করার প্রতিবাদে ২৬ সেপ্টেম্বর সোমবার নগরীর দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড ও পাথরঘাটা ওয়ার্ডে এক মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সেলিম ও পাথরঘাটা ওয়ার্ড কাউন্সিলর পুলক খাস্তগীরের নেতৃত্বে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্চাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় জনসাধারন অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, করদাতা সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন তা অশালীন ও অবমাননাকর। সিটি মেয়র ৭০ লক্ষ জনগণের অভিভাবক প্রতিমন্ত্রী মর্যাদাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁকে উদ্দেশ্য করে যে বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে তাতে আমরা মর্মাহত হয়েছি। নুরুল আবছারে এধরণের উদ্ধার্তপূর্ণ আচরনের জবাব জনগন দিবে। বক্তাগণ এধরণের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ সহ করদাতা সুরক্ষা পরিষদের নেতৃবৃন্দকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

বিআইডব্লিউটিএ’র মাধ‍্যমে ৯০ ভাগ নদীর জায়গা দখলমুক্ত হয়েছে-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

0



নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, জনগণকে নদীমুখী করতে পারছি-এটা আমাদের সফলতা। সরকার গঠনের পর বলেছি- নদীকে আলোচনায় আনতে হবে, নদী নিয়ে জনগণকে ভাবতে হবে। জনগণ এখন নদী নিয়ে ভাবছে, নদীর সঙ্গে চলে এসেছে-এটা আমাদের সফলতা। বঙ্গবন্ধু জলাভূমি ও নদী নিয়ে কথা বলেছেন। নদী ও জলাভূমি রক্ষায় বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছি।


নদীর নাব‍্যতা রক্ষায় বঙ্গবন্ধু বিআইডব্লিউটিএ’র জন‍্য অনেকগুলো ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন; সেগুলো এখনও সচল আছে এবং নাব‍্যতা রক্ষায় কাজ করছে। বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘষিয়াখালী চ‍্যানেল এবং রাজবাড়ীর পাংশায় নদী খনন কাজে অংশ নিয়েছিলেন। নদী রক্ষায় বঙ্গবন্ধুর পদক্ষেপগুলো নিয়ে কাজ করতে পারলে-আজকে নদীর নাব‍্যতা ও দূষণ নিয়ে কথা বলতে হতোনা। এখন বাস্তবতা হলো-নদীর প্রবাহ ও নাব‍্যতা কমে গেছে; দূষণে ব‍্যবহার অনুপযোগী হয়েছে। নদী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন গঠন করেছেন। ঢাকার চারপাশে মাল্টিমোডাল কানেক্টিভিটি গড়ে তোলা এবং ১৯৯৯ সালে দূষণরোধে প্রকল্প নেয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেগুলো হয়নি। আরো বেশি দূষণ হয়েছে। সকলের সহযোগিতায় নদী তীর দখলমুক্ত করার চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহস নিয়ে কাজ করছি।তিনি আমাদের উৎসাহিত করছেন; এবং সাহস যুগিয়েছেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র মাধ‍্যমে ৯০ভাগ নদীর জায়গা দখলমুক্তের কাজ হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আয়োজিত ‘রাইটস অব রিভার্স’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর প্রতিটি বক্তব্যে নদী রক্ষার কথা বলেন। সে থেকে বুঝতে হবে বর্তমান সরকার নদী রক্ষায় কতটা সচেতন। কেননা শরীরে রক্ত চলাচলে যেমন শিরা উপশিরা প্রয়োজন তেমনি নদী দেশের সকল ধরনের প্রবাহ রাখতে সহযোগিতা করে। নদী রক্ষায় বিভিন্ন চ‍্যালেঞ্ছের সম্মুখীন হতে হয় বলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদীকে দখলমুক্ত করার জন্য আমরা যথাযথ চেষ্টা করছি। তবে নদী রক্ষা ও উদ্ধার কার্যক্রমে বেশ কিছু বাধা পেয়েছি। নদীর তীরে নদীর জায়গায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দিরের মত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে। এ নিয়ে আমরা মন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সাথে কথা বলেছি। এ বিষয়ে আমাদের সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছে।


আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিজ গোয়েন লুইস। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. আইনুন নিশাত। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান ও সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী।


খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদী রক্ষায় ধারাবাহিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। বর্তমানে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাড়াচ্ছে। মোংলা বন্দরে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজ আসছে। উন্নয়ন হচ্ছে। ঠিক তখনি নদী ও পরিবেশ নিয়ে অপরাজনীতির পায়তারা করছে একটি মহল। যথাযথ নিয়ম মেনে উন্নয়ন প্রকল্প করতে গেলেই বাধা আসে। এমনকি এই নিয়ে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিচ্ছেন অনেকে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশকে কখনো ক্ষত বিক্ষত করবেনা। দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা বদ্ধপরিকর। চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়ী বন্দরের উন্নয়নের গতিকে স্লো করতে ও টেনে ধরার জন‍্য পরিবেশের নামে কিছু লোক ঢুকে পড়েছে; সে বিষয়ে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, আসুন সবাই আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই-নদীমাতৃক বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করব।

বিভাগীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

0

বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা ২৫ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়।

কমিটির সদস্য সচিব জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকতা নাজমুস সুলতানা সীমার সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশনেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, বিএসটিআই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পরিচালক প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষন অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোঃ ফয়েজউল্যাহ, বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ইলিয়াছ ভুইয়া, চট্টগ্রাম ড্রিংকিং ওয়াটার ওয়ানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফয়সল আবদুল্লাহ আদনান, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোরটাস অ্যাসোসিয়েশনের এস এম শোয়াইব হাসান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারী প্রতিনিধিবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দীন নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্ঠিতে সরকারের বিভিন্ন্ দপ্তর ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। লাইন্সেবিহীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষন অধিদপ্তরের অভিযান জোরদার করা, প্লাস্টিকের ব্যবহার হ্রাস, হোটেল রেস্তোরায় বারবার একই তেল দিয়ে ভাজাপোড়া বন্ধ ও পোড়াতেল সংরক্ষন, বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বজ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্ঠিতে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্ঠির ওপর জোর দেন। জেল জরিমানার পরিবর্তে উদ্ভুদ্ধকরণ কর্মসুচির মাধ্যমে মানুষের আচরন পরিবর্তনে কাজ করার পরামর্শ দেন। সভার শুরুতে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা স্লাইডের মাধ্যমে খাদ্যে বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রণ ও অনিরাপদ আচরন- অভ্যাসের কারনে ক্ষতিকর বিষয় ও করনীয় তুলে ধরেন।

ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা সফল হবে না- দেবাশীষ পাল দেবু

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু বলেছেন, “ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা সফল হবে না। গৃহকর কীভাবে আদায় হবে সেটা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র নির্ধারণ করেন না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে যে প্রজ্ঞাপন জারি করে সেটাই মেয়রকে পালন করতে হয়। প্রয়োজনে জন দুর্ভোগ লাঘবে মেয়রকে সাথে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনতে হবে গৃহকর এর বিষয়টি সুরাহার জন্য। কিন্তু তা না করে, মেয়রকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বক্তব্য দিয়ে যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন তাদের সেই অপচেষ্টা সফল হতে দেয়া হবে না।”চসিক মেয়রকে কটূক্তির প্রতিবাদে ২৫ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকাল তিনটায় বিক্ষোভ মিছিলে তিনি একথা বলেন।

বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বারিক বিল্ডিং মোড় থেকে শুরু হয়ে ৩ নম্বর জেটি ফকির হাট হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আগ্রাবাদ মোড়ে এসে যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা মুনিরুল হক মনিরের সঞ্চালনায় সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন নগর যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু, সুফিউর রহমান টিপু, নূরন্নবী পারভেজ,রায়হান নেওয়াজ সজীব, মারুফ আহমেদ সিদ্দিক, ,ইমতিয়াজ বাবলা,ফরহাদ আব্দুলাহ,সাজ্জাদ আলী জুয়েল, কাজী মোঃআরিফ,সরোয়ার হোসেন, মারুফুল ইসলাম মারুফ, শাহজাহান বাপ্পি,মোঃ আমির হোসেন,জহির রায়হান, এমরান হোসেন,কোরবান আলী আজাদ, যুবায়ের হোসেন অভি,সাজিবুল ইসলাম সজীব, হোসেন আহম্মদ কিরন,জুয়েল,টিপু,মনির,রমজান আলী, মোঃ হানিফ আবু নাছের জুয়েল,মাহমুদুর রহমান বাপ্পী,জুয়েল দাশ,মোঃ রাশেদ,আলী নুর,রিয়াজুনবী রাহী,মোঃ আরমান, তানভীর বিন হাসান,

মোঃ শোয়েব,মোস্তফা মামুন ভূঁইয়া,নুর এলাহী সানি,মোঃ দিদার রিপন বিশ্বাস,মোঃ রোকনউদ্দিন মোমিনুল হক মাসুম, মোঃ আরাফাত,আব্দুল মমিন রাজু মোঃ সোহেল,মাকসুদুর রহমান,তারিকুল , মোঃ মাসুম,আলাউদ্দিন সোহেল হৃদয় কুমার দাশ,আব্দুলাহ্ আল মামুন,নাজমুল হক নোমান,নুর ইসলাম রিয়াদ,বাপ্পি,দেলোয়ার নাজিম,রাশেদুল ইসলাম ইমু ,তানজিম উদ্দিন,নজরুল ইসলাম বিপ্লব,মোঃ রিমেল আকবর জুয়েল,সৈয়দ সুলতান,ইফতেখার উদ্দিন ইফতি, আবিদ হাসান, সৌরেন বড়ুয়া রিও, হারুন রশীদ সামিউল,কৌশিক রায়,সাইফুল,নজরুল ইসলাম টিপু, রবি, রাহাত,টিপু,রেহমান রাব্বি,আকবর,মোঃ মানিক, সাইফুল ইসলাম তুহিন মোঃ ইসমাঈল,নবী,সাকিব আরাফাত, জনি, অভি,জাহেদ,দিপুঅজিত,কামরুল,রাকিব,জাহেদ শাবুদ্দিন সাবু,রাজা শাহ্,তানিম,সানি,সাদ্দাম, শামসু প্রমুখ।

পাহাড়তলীতে জাগো হিন্দু পরিষদের বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ

0

জাগো হিন্দু পরিষদ পাহাড়তলী থানা শাখা চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও বস্ত্র বিতরণ এবং আর্থিক অনুদান প্রদান গত ২৩ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপী নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে গীতা প্রতিযোগিতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যা ৭টায় জাগো হিন্দু পরিষদ পাহাড়তলী থানা শাখার সভাপতি রিপন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাজীব কান্তি নাথের সঞ্চলনায় ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাগো হিন্দু পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার প্রধান উপদেষ্টা মিলন শর্মা।

প্রধান বক্তা ছিলেন জাগো হিন্দু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রীতম দেবনাথ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, জাগো হিন্দু পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক টিটু শীল, অর্থ সম্পাদক অরুপ দাশ রুবেল, দপ্তর সম্পাদক শ্যামল দাশ, হরিমন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সদানন্দ ভটাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক সমর কান্তি দাশ, হরিমন্দির দুর্গা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুজন সর্ববিদ্যা,জাগো হিন্দু পরিষদ পাহাড়তলী থানা শাখার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আকাশ দাশ, অর্থ সম্পাদক বিজয় মজুমদার , ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হৃদয় দাশসহ বিভিন্ন ইউনিট ও পাড়া কমিটির নেতৃবৃন্দ।

আসন্ন দুর্গা পুজা উপলক্ষে ২০০ অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে জাগো হিন্দু পরিষদ পাহাড়তলী শাখার
কমিটিতে পুনরায় সভাপতি রিপন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব দেবনাথ, অর্থ সম্পাদক নয়ন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জীত দাশকে নির্বাচিত হয়।

পতেঙ্গার ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে নিজের নাটকে নিজেই ধরা

0

স্বামীকে বিদেশ পাঠানো ও নগদ বিশ হাজার টাকার লোভে ব্যবসায়ীকে গ্যাং ধর্ষন মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন কহিনুর বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধু।

অভিযুক্ত কহিনুর নোয়াখালী হাতিয়ার আমতলীর মৃত নুরুর হকের মেয়ে। সে নগরের চান্দগাঁও কাপ্তাই রাস্তার মাথা ধুপকুল এলকায় থাকেন।


বৃহস্পতবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে বাকলিয়া থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চত করেছেন সিএমপির দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নোবেল চাকমা।


তিনি বলেন, গত বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেডেকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে ফোন করে জানানো হয় বাকলিয়ার নোমান কলেজ রোডে গ্যাং ধর্ষনের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধু। তিনি চমেকের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন আছেন। পরে গৃহবধু কহিনুর বেগম পুলিশের কাছে মামলা করতে এসে পতেঙ্গার ব্যবসায়ী মুসা আলমসহ তিনজনের নাম বলেন। ঘটনার সাথে অজ্ঞাত আরও তিনজন জড়িত আছেন বলে জানায়। এঘটনায় তাৎক্ষতিক অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটকও করা হয়। পরে গৃহবধুর এলোমেলো কথায় সন্ধেহ হয় বাকলিয়া থানা পুলিশের। তাকে জিজ্ঞাবাদ করা হলে একপর্যায়ে স্বীকার করে ঘটনাটি সাজানো।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নোবেল চাকমা আরও বলেন, এবিষয়ে গৃহবধু কহিনুর বেগম স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দিয়েছে। তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ী মুসার আলমের প্রতিপক্ষ একজনের সাথে তাদের চুক্তি হয়েছে। মামলার পর তিনি নিজ খরচে স্বামীকে বিদেশ পাঠাবেন এবং গৃহবধুকে নগদ ২০ হাজার টাকা দিবেন। এই লোভে ব্যবসায়ী মুসাকে ফাঁসাতে স্বামী-স্ত্রী মিলে গ্যাং ধর্ষনের নাটক সাজান।


এসময় অভিযুক্ত গৃহবধু কহিনুর বেগম জানান, স্বামীর পরিচিত একজনের কথায় তারা ব্যবসায়ী মুসা আলমকে ফাঁসানোর নাটক তৈরী করেছে। ওই ব্যক্তি নিজ খরচে স্বামীকে বিদেশ পাঠাবেন এবং তাদেরকে নগদ ২০ হাজার টাকা দিবেন বলে চুক্তি হয়। তবে তিনি ওই লোকের নাম জানেন না বলে জানান।
ভুক্তভোগী মুসা আলম জনতার চট্টগ্রামকে বলেন, সম্পুর্ণ পরিকল্পিত ভাবে সমাজে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি আমার দীর্ঘ দিনের সুনাম নষ্ট করার জন্য এ নাটকটি সাজানো হয়েছে।

আমি সী বিচ কমিউনিটি পুলিশিং ও পতেঙ্গা সমূদ্র সৈকত সী বিচ স্পীটবোড মালিক সমিতির সেক্রেটারী।

সী বিচে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দোকান মালিকদের কাছ থেকে হকার সমিতির নামে নুর মোহাম্মদগং চাঁদাবাজি করে আসছে। আমি বরাবরের মতো তাদের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় নুর মোহাম্মদের ছেলে মাসুদ, হারুন ও ইসমাইল নামের তিনজন ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। তারা বেশ কিছুদিন ধরে আমার বিরুদ্ধে নানান অপ-প্রচার চালাচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, ঘটনার সাথে যেই জড়িত থাকুক, আমি চাই তাদের বিচারের আওতায় আনা হোক। আমি অভিযুক্ত গৃহবধুসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বাকলিয়া থানার অপারেশন অফিসার সাজেদ কামাল বলেন, অভিযুক্ত গৃহবধু পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ভুক্তিভোগী মামলা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও বিভ্রান্তির প্রতিবাদে সচেতন ছাত্র ও যুবসমাজের বিক্ষোভ মিছিল

0

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীর নামে কুরুচিপূর্ণ কটুক্তি ও বিভ্রান্তি মুলক মন্তব্যের প্রতিবাদে সচেতন ছাত্র ও যুবসমাজের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ২২ সেম্পেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় নগরীর কদমতলীর মোড় থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শুভপুর বাসষ্ঠাডের সম্মুখে রাহাত সেন্টার চত্বরে এক সমাবেশে মিলিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ,যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু,সফিউর রহমান টিপু,সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী পাভেল,নূর নবী পারভেজ,রঞ্জিতকুমারশীল,রায়হান নেওয়াজ সজিব,মারুফ আহমেদ ছিদ্দীক,জাহিদ হোসেন খোকন,মোঃ ইসমাইল,ফরহাদ আব্দুলাহ,সাজ্জাদ আলী জুয়েল,ইকবাল হোসেন রাজু,সরোয়ার হোসেন,মারুফুল ইসলাম মারুফ,মো সাজিবুল ইসলাম সজিব,রমজান আলী,আবুনাছেরজুয়েল,কোরবান আলী, তারিকুল ইসলাম টারজান, জিৎকর বাবু, তানভীর বিন হাসান,মোস্তফা মামুন ভূঁইয়া,মোঃ রোকন উদ্দিন, জাহিদুল আলম আলো, মাকসুদুর রহমান মোঃ মাসুম, হৃদয় কুমার দাশ,মোঃ ইমন, রাশেদুল ইসলাম ইমু,মোঃ সাইফুল, জুয়েল আকবর, সৈয়দ সুলতান আবিদ হাসান, ইফতেখার ইফতি,নুরুল ইসলাম রিয়াদ,হারুন রশীদ সামিউল,সৌরেন বড়ুয়া রিও,সজীব কান্তি দাশ,সাইফুল ইসলাম তুহিন,
মোঃ জিম,আব্দুল হামিদ,মেহেদী হাসান শুভ, ফাহিম ,শরীফ ,রায়হান, সামিন,রাজা শাহ্ ফয়সাল পিয়াল, নাঈম, ফাহিম, ইসমাঈল,তারেক,ফয়েজ প্রমুখ।

পটিয়ায় ধাউরডেঙ্গা কালিয়াইশ লোকনাথ ব্রহ্মচারী ২৯২ তম আবির্ভাব উৎসব উদযাপন

0

পটিয়া ধাউরডেঙ্গা কালিয়াইশ শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির ও সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে ৪ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপী নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী ২৯২ তম আবির্ভাব উৎসব উদযাপন।

ধাউরডেঙ্গা কালিয়াইশ শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রাক্ষচারী মন্দির ও সেবাশ্রম মন্দিরের সভাপতি সমীর কান্তি সিকদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বিদ্যাপতি মল্লিক বিপ্লবের সঞ্চালনায় লোকনাথ ব্রহ্মচারী ২৯২ তম আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি চট্টগ্রাম বিভাগের সাধারণ সম্পাদক প্রনব সাহা,কাটগড় হিন্দু পাড়া রাম ঠাকুর মন্দির কমিটির মহা সচিব এস বি দেব লিটন,দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর পতেঙ্গা জুয়েলার্স সমিতির সহ-সভাপতি সত্য কুমার ধর,সাংবাদিক এস কে সাগর।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মন্দির কমিটির কাজল দত্ত, নারায়ণ বিশ্বাস, সু-কুমার বিশ্বাস,চপল মহাজন, বাসুদেব সিকদার, সুমন বিশ্বাস, সজল মল্লিক, টিটন মল্লিক, বিদ্যুৎ দত্ত প্রমুখ।

লোকনাথ ব্রহ্মচারী ২৯২ তম আবির্ভাব উৎসবে অরুপ কুমার নাথের দিকনির্দেশনায় গীতা পাঠ পরিচালনা করেন চাক্তাই শ্রী শ্রী লোকনাথ ধাম।

লোকনাথ মন্দিরের আরো ব্যাপক উন্নয়নের জন্য মন্দির কমিটি সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃত্তবানের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।

শুষ্ক মৌসুমে প্রবাহ পুনরুদ্ধার এবং নৌচলাচল নিশ্চিত করতে বিআইডব্লিউটিএ ব্রম্মপুত্র নদ খনন করছে-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

0

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এম.পি বলেছেন, বাংলাদেশকে সুস্থ ও সচল রাখতে হলে নদীর প্রবাহ সচল রাখতে হবে। নাব‍্যতা না থাকায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও উত্তরাঞ্চলে বন‍্যা হয়েছে। নদীগুলোর নাব‍্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের নাব‍্যতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ‍্যে বঙ্গবন্ধু বেশ কিছু ড্রেজার সংগ্রহ করছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যার পর সে পদক্ষেপ আর দেখিনি। ব্রম্মপুত্র নদে একসময় বড় বড় জাহাজ চলত।

খননের অভাবে সেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরাতন ব্রম্মপুত্র নদ খননে পদক্ষেপ নিয়েছেন। শুধু পুরাতন ব্রম্মপুত্র নয়; অন‍্যান‍্য নদী খননে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। এর কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। ব্রম্মপুত্র নদে শুষ্ক মৌসুমে প্রবাহ পুনরুদ্ধার এবং সারাবছর নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে বিআইডব্লিউটিএ পুরাতন ব্রম্মপুত্র নদ খননের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্রম্মপুত্র নদকে দ্বিতীয় শ্রেনীর রুট হিসেবে উন্নত করলে বাংলাদেশ-ভারত নৌপ্রটোকল রুটে ১১৬ কিলোমিটার দূরত্ব কমে যাবে। ব্রম্মপুত্র নদের মুখ খুলে দিলে তুরাগ ও বালু নদের প্রবাহ নিশ্চিত হবে। ঢাকার চারপাশের নদীর দূষণ কমে যাবে। বড় ধরনের সাফল‍্য আসবে। এটি একটি বড় চ‍্যালেঞ্জ। প্রকল্প চলমান। নীচের দিকে অনেক খনন হয়েছে। মুখ খুলে দিতে পারলে সাফল‍্য আসবে।
প্রতিমন্ত্রী ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিআইডব্লিউটিএ আয়োজিত “Restoration of Dry Season Flow in old Brahamaputra River Go With Flow” শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম‍্যান কমডোর গোলাম সাদেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন‍্যান‍্যের মধ‍্যে বক্তব‍্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোস্তফা কামাল, পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস‍্য সত‍্যজিৎ কর্মকার, পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত, নেদারল‍্যান্ডস দূতাবাসের প্রথম সচিব Folkert de jeger, আইডব্লিউএম ‘র নির্বাহী পরিচালক জহিরুল হক খান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নদী খননের লক্ষ‍্যে ২০১৮ সালের নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের বিষয়টি উল্লেখ করেন। সে অনুযায়ি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া কোন সরকার বা দল নৌপথ খননে পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দরের সাথে অভ‍্যন্তরীণ নৌপথে পণ‍্য পরিবহন বেড়ে গেছে। নৌপথে পণ‍্য পরিবহনে খরচ কম। অভ‍্যন্তরীণ নৌপথে নাব‍্যতা বজায় থাকলে সমুদ্র বন্দরগুলো অনেক বেশী গতিশীল হবে।

কয়লাখাতে চীনের বিনিয়োগ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

0

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর প্রতিশ্রুতি মেনে কয়লাখাতে বিনিয়োগ বন্ধ করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীগণ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে চীনের প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতি পূরণের এক বছর পূর্তিতে ২০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা এ দাবি তোলেন।

বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান আইএসডিই-বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বৈদেশিক দেনা বিষয়ক কর্মজোট (বিডাব্লিউজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজিত হয়।

মানববন্ধন শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, চীন শুধু বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্রই নয়, বরং বাংলাদেশের উন্নয়নে বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এছাড়া চীন পৃথিবীর সবথেকে বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাতা দেশও বটে। গত ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনা কর্তৃপক্ষ এক চিঠিতে জানায় যে, বাংলাদেশে কয়লাবিদ্যুতের মতো বায়ুদূষণকারী খাতে আর কোনো বিনিয়োগ করবে না। এছাড়া গত বছর (২০২১) সেপ্টেম্বরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণে বহির্বিশ্বে নতুন কোনো কয়লা-বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি না করার ঘোষণা দেন। কিন্তু চীনা ব্যাংক ও কোম্পানিগুলো এখনও পটুয়াখালীর পায়রায় আরো একটি কয়লা-বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য অর্থায়ন করবে বলে জানা গেছে।

কর্মসূচিতে বিডাব্লিউজিইডি’র সদস্য সচিব হাসান মেহেদী বলেন, বাংলাদেশে সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে যা দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে পারে। তাই চীনের উচিৎ উন্নত মানের প্রযুক্তি ও অর্থায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি অর্জনের পথে সাহায্য করা। ইতোমধ্যে ২০৫০ সালের মধ্যে শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাস্তবায়ন করার জন্য বাংলাদেশ সরকার মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। চীনের সহায়তা পেলে সরকার খুব দ্রুত এ পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে।

আইএসডিই-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, কয়লাবিদ্যুতের ফলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যহানি ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এছাড়া আমদানিকৃত কয়লা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। তাই এ খাতে চীনের বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই, চীনের উচিৎ প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতি অমান্য করে কয়লা খাত থেকে সব ধরনের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করা।

কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম নাসিরুল হক, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, বিশিষ্ঠ কলামিস্ট মুসা খান, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মুহাম্মদ জানে আলম, বাংলাদেশ ভেজিটেবল এক্সপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য সেলিম জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ কিন্ডার গার্ডেন ঐক্য পরিষেদের বিভাগীয় সহ-সভাপতি আবু ইউনচ, চান্দগাঁও ল্যাবরেটরী মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ইসমাইল ফারুকী, বাংলাদেশ কিন্ডার গার্ডেন ঐক্য পরিষেদের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, ক্যাব জামালখানের সভাপতি সালাহ উ্দ্দীন আহমদ, ক্যাব পাঁচলাইশের সহ-সভাপতি নারী নেত্রী সায়মা হক, ঘাতক দালাল নিমুূল কমিটি চট্টগ্রামের নেতা সচিত্রা গুহ টুম্পা, ক্যাব পাহাড়তলীর হারুন গফুর ভুইয়া, মানবাধিকার সংগঠক ওসমান জাহাঙ্গীর, সিএসডিএফ’র শম্পা কে নাহার, আইএসডিই’র মোঃ জাহঙ্গীর আলম, আরিফুল ইসলাম ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমান।

ক্যাব যুব গ্রেুপের যুগ্ন সম্পাদক আমজাদুল হক আয়েজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আবরার সুজন আয়ান, প্রচার সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক রাসেল উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম, সদস্য নাঈম মুহাম্মদ নিশা, সালমান রশিদ অভি প্রমুখ।