জাটকা সংরক্ষণে রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধে এক আদেশ জারি করা হয়েছে। আগামীকাল ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ছয়টি জেলার পাঁচটি ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাটকা সংরক্ষণে আগামীকাল (১ মার্চ) থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ৬টি জেলার ৫টি ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।
রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকায় মিনি বাসের ধাক্কায় শামস তাহিয়াত মৌনতা নামে’র ১৬ বছর বয়সী বাংলাদেশ মেলিটারী অ্যাকাডেমি (বিএমএ) স্কুলের ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাবুল মিয়া জানান, গাড়িতে উঠার সময় পেছন দিক থেকে একটি মিনি বাস এসে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ওই শিক্ষার্থী। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার ও ঘাতক বাসটির চালককে আটক করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালের প্রধান উদ্যোক্তা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া ভারতে একটি গণমাধ্যমের ‘চিকিৎসক রত্ন’ খেতাব পেয়েছেন।
করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১৩ জন চিকিৎসককে এই খেতাবে ভূষিত করা হয়।
শনিবার সন্ধ্যায় আগরতলার হোটেল সোনারতরীতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এই সম্মাননা তুলে দেন চিকিৎসকদের হাতে। ত্রিপুরা রাজ্যের টেলিভিশন চ্যানেল ‘হেডলাইন ত্রিপুরা’ তাকে এই সম্মাননা দিয়েছে।
সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ডা. কুণাল সরকার, ডা. অরুণা তাঁতি ও ডা. শুভজ্যোতি ভৌমিক, ভেলোরের চিকিৎসক দেবাশিষ দত্ত, দিল্লি ম্যাক্স হাসপাতালের ডা. কিশলয় দত্ত, হরিয়ানার ডা. জয়া দেববর্মণ, লন্ডনের ডা. ডি গোলাটি, বাংলাদেশের ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া ও ডা. তুষার মহম্মদ তালুকদার, আমেরিকার ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ডা. পর্ণালী ধর চৌধুরী, ত্রিপুরার ডা. প্রদীপ ভৌমিক, ডা. তপন মজুমদার ও ডা. সংগীতা চক্রবর্তী।
হেডলাইনস ত্রিপুরার সম্পাদক প্রণব সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহারাজ স্বামী শুভাকারানানন্দ মহারাজ, ক্রিকেট কোচ সম্বরণ ব্যানার্জি ও রাজা প্রদ্যেত কিশোর মানিক্য।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী লোপা মুদ্রা ও শান্তনু রায় চৌধুরী।
কোভিড-১৯ মহামারীর প্রকোপ শুরু হলে গত বছর ২১ এপ্রিল বাংলাদেশে বেসরকারি উদ্যোগে প্রথম বিশেষায়িত হাসপাতাল ‘চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন’ ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া।
২১ জন ভলান্টিয়ার নিয়ে টানা ১৪০ দিন রোগীদের সাথে থেকেই ৬০ শয্যার ওই হাসপাতালে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবা দেন তিনি।
ভাষার মাসে রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহরের ১১ নম্বর সেক্টরে ইস্পাত প্রস্তুত শিল্পগ্রুপ কেএসআরএমের অর্থায়নে নির্মিত হলো শহীদ মিনার। জয় বাংলা চত্বরে নির্মিত এটি হলো পূর্বাচলের প্রথম শহীদ মিনার। শিশুতোষ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ইকরিমিকরির উদ্যোগে রাজউকের অনুমোদনে এটি নির্মিত হয়। শহীদ মিনারের ডিজাইন করেন শিল্পী মাহবুবুল হক। উদ্যোক্তাদের মতে, এই শহীদ মিনারকে ঘিরে পূর্বাচল নতুন শহরের গড়ে তোলা হবে একটি সাংস্কৃতিক বলয়। যা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা এবং বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বারতা ছড়াবে।
স্টিল পাত দিয়ে নির্মিত এই শহীদ মিনারে রয়েছে চারটি স্তম্ভ। দুটি স্তম্ভের অগ্রভাগ সংযুক্ত করা হবে অন্য দুটির সঙ্গে। সেই হিসেবে ওই দুটি স্তম্ভের মধ্যে একটির উচ্চতা ২১ ফুট, অন্যটি ৩১ ফুট। মিনারের বেদীতে করা হবে সুবিন্যস্ত ও নান্দনিক ফুলের বাগান। কিছু কাজ এখনো বাকি। তবে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে এটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। একুশের প্রভাতে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোক শহীদ মিনারের বেদীতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
২০ ফেব্রুয়ারি জয় বাংলা চত্বরের চারপাশে শিল্পী, শিশু-কিশোর এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের বর্ণমালা আর আলপনা আঁকার মধ্য দিয়ে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন ভাষা সৈনিক আহমদ রফিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ গাজী গোলাম দস্তগীর, বীর প্রতীক।
এ প্রসঙ্গে কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান রাহাত বলেন, ২১ মানেই বাঙলা। ফেব্রুয়ারি ভাষার মাস। আর একুশে ফেব্রæয়ারি হলো বাঙলা ও বাঙালির আবেগ। যা মিশে আছে প্রজন্মর পর প্রজন্মের রক্ত ধারায়। ভাষার মাসে কেএসআরএম জাতির ওই আবেগে মিশে থাকতে চায় শহীদ মিনার নির্মাণে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইকরিমিকরির পাশে থেকে। ভাষার জন্য যেসব বীর জীবন দিয়েছেন তাদের স্মৃতি আরো বেশি সমুজ্জ্বল হয় শহীদ মিনার নির্মাণের মাধ্যমে। আমরা চাই নতুন প্রজন্মের কাছে যেনো আরো বেশি অর্থবহ ও তাৎপর্যময় হয় শহীদদের বীরত্বগাঁথা। পাশাপাশি বিনম্র শ্রদ্ধা সেইসব বীরের প্রতি, যাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে মাতৃভাষা বাঙলা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে।
পূর্বাচলে শহীদ মিনার নির্মাণে কেএসআরএমের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম বলেন, কেএসআরএম ভাষা শহীদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। মায়ের ভাষা রক্ষায় জীবন বিসর্জনকারীদের স্মৃতি সংরক্ষণের যে তাগিদ অনুভব করেছে কেএসআরএম, প্রজন্মের পর প্রজন্ম তা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ রাখবে।
উদ্যোক্তা শিশুতোষ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ইকরিমিকরির নির্বাহী সম্পাদক কাকলী প্রধান আয়োজন সম্পর্কে বলেন, প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত প্রিয় বর্ণমালাকে অনেক আদরে যতনে লালন করা; শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর অন্যতম উপায়। আর সে লক্ষেই পূর্বাচলের জয় বাংলা চত্বরে ইকরিমিকরির উদ্যোগে কেএসআরএম ও সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় নির্মিত হয়েছে শহীদ মিনার। প্রতি বছর সবার অংশগ্রহণে নিয়মিতভাবে বর্ণমালা উৎসব আয়োজিত হবে এই শহীদ মিনার চত্বরে। এটি হবে সার্বজনীন। আমরা এই শহীদ মিনারকে ঘিরে পূর্বাচল নতুন শহরে গড়ে তুলতে চাই একটি সাংস্কৃতিক বলয়। যেখানে বাঙলা ভাষা ও বাঙালি জাতিসত্বার চর্চা হবে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ডের স্থগিত হওয়া নির্বাচন রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি)। আলকরণ ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১৫ হাজার ১৬৮ জন। ভোটকেন্দ্র ৭টি, ৪২টি বুথ,ভোট হবে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনে ৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুস সালাম মাসুম (লাটিম), বিএনপির মো. দিদারুর রহমান লাভু (রেডিও), হানিফ ভূঁইয়া (ঠেলাগাড়ি), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইয়াছির আরাফাত (মিষ্টি কুমড়া) প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
আলকরণ ওয়ার্ডের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল আলম জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে ৬ জন পুলিশ সদস্য, ১২ জন আনসার সদস্য ও র্যাবের টিম থাকবে। এছাড়াও ৪ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে থাকবেন।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, ৭টি কেন্দ্রে ৪২টি বুথে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে। ১২৬ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা (৭জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ৪২জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৮৪জন পোলিং কর্মকর্তা) প্রস্তুত রয়েছেন।
রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বারইয়াহাট তিন পৌরসভার নির্বাচনে পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি পৌরসভার নির্বাচন। ভোট গ্রহণ হবে ইভিএমে।
রাঙ্গুনিয়া পৌরসভায় ১১টি ভোটকেন্দ্রের ৭০টি বুথে এবার ভোটগ্রহণ করা হবে।ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার ৭৯১ জন। পুরুষ ভোটার ১৩ হাজার ৫১৯ জন, নারী ভোটার ১২ হাজার ২৭২ জন। মেয়র পদে প্রার্থী ২ জন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শাহজাহান সিকদার ও বিএনপির প্রার্থী হেলাল উদ্দিন শাহ। এখানে সাধারণ ওয়ার্ডে ৩৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৮ প্রার্থী।
মিরসরাই পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী নুর মোহাম্মদের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। এই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রার্থী। ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৪৪৪ জন।
বারইয়াহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী রেজাউল করিম খোকন ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী দিদারুল আলম। কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬২ জন প্রার্থী। এই পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ৬ হাজার ৬২৯ জন।
রিটার্নিং অফিসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, ১০জন ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।
পাঁচলাইশ থানার ওআর নিজাম রোড়ে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে একটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর পিতা। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই ছাত্রী। মামলায় প্রধান আসামি আজমাইন আজিম আয়ান (২২) সহ তার দুজন সহযোগী তারেক আজিজ (২২) এবং মোকারাম হোসেন (২২) মামলায় আসামি করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি আজমাইন আজিম আয়ানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানাযায় ওআর নিজাম রোড়ের একটি বাসায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রী তার সহপাঠীসহ গত ১৫ দিন ধরে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিলেন। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে জোর করে ৩ নম্বর রোড়ের মাথা থেকে ১ নম্বর রোড়ের ১৪ নম্বর বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত আজমাইন আজিম আয়ান।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আজমাইন আজিম আয়ানকে বৃহস্পতিবার সকালে খুলশী এলাকার জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্য দুই আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
লালদিয়া চর উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কথা আগামীকাল (২৫ ফেব্রুয়ারি) থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা স্থগিত করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ উচ্ছেদের বিপরীতে অবস্থান নেয় লালদিয়া চরে ঠাঁই নেয়া বাসিন্দারা। ২৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার এক মানববন্ধনে লালদিয়াবাসী দাবি করেন পুনর্বাসন ছাড়া লালদিয়ার চর ছাড়বে না ১৪শ’ পরিবার।
জানাযায় ১৯৭২ সালে বিমান ঘাঁটি সম্প্রসারণের কারণে এলাকা ছেড়ে লালদিয়ার চরে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা। স্থায়ী বন্দোবস্তের কথা থাকলেও তা পায়নি লালদিয়ার বাসিন্দারা। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের একটি রিট আবেদন করে। কিন্তু এর বিপরীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে পতেঙ্গায় কর্ণফুলী লালদিয়ার চরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে শিগগির অভিযান পরিচালনা করার উদ্যেগ নেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি সময়ে লালদিয়া চরে ওয়াসা, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী ভূমি ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দীন বলেন, আগামীকাল লালদিয়া চরে উচ্ছেদ অভিযানের পরিকল্পনা থাকলেও বর্তমানে আমরা তা স্থগিত করেছি। পুলিশের অনুরোধ এবং সবার সাথে আলাপ-আলোচনা করে আগামী পহেলা মার্চের দিকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার করার কথা ভাবছি।
এদিকে, বুধবার বিকেলে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে লালদিয়ার চর উচ্ছেদ প্রসঙ্গে নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লালদিয়ার চরের বসবাসকারিরা অধিকাংশই ভাড়াটিয়া। বন্দরের জায়গায় যারা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছেন সেই সকল স্বার্থান্বেষীদের লোকজনের তালিকা করা হয়েছে।উচ্ছেদ চলমান প্রক্রিয়া। এতদিন বন্দরের প্রয়োজন না হওয়ায় তাদের এখানে বসবাস। সেই সুযোগ এখন আর নেই।
বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. নূরুল আবছার তৌহিদ। গতকাল বিএলএফ সংগঠনের নগর কার্যলয়ে এক আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করায় সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে মো. নুরুল আবছার তৌহিদকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
একই সাথে বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে পরিবহন শ্রমিক নেতা মো. হেলাল উদ্দিন মিয়াকে মনোনীত করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিএলএফ চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আবছার ভূঁইয়া।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিএলএফ চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি সৈয়দ রবিউল হক শিমুল, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক আবু আহম্মেদ মিয়া, বিএলএফ চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ফয়েজ, ইয়াছিন মিয়াজি, মহিলা নেত্রী শারমিন শান্তা, ফেরদৌস আরাসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে বিএলএফ সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনের রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ’র চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশনা অনুযায়ী জনসাধারণের সুবিধার্থে মানবিক যুবলীগ কর্তৃক সারা দেশে পরিচালিত মানবিক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে নিউ মার্কেট এলাকায় মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু র উদ্যোগে ফ্রি করোনা টিকা নিবন্ধন সহায়তা বুথ’র উদ্বোধন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া বলেন, টিকার সরবরাহ একটি চলমান প্রক্রিয়া। দ্বিতীয় চালানে ২০ লাখ আসবে সেটা বেশ কিছুদিন আগেই জানানো হয়েছে। টিকার যথেষ্ট সরবরাহ নিশ্চিত রয়েছে। তাই প্রথম দফায় ৩৫ লাখ টিকা দেবার যে চিন্তা ছিল তা পরিবর্তন করে এখন সংরক্ষণে থাকা পুরোটাই প্রথম ডোজ হিসেবে দেবার পরিকল্পনা করা হয়েছে। টিকার চালান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে কিনা – সেই আশঙ্কাতেও দ্রুত হাতে থাকা সব ডোজ সরকার শেষ করতে চায়, মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে এমন ধারণা পাওয়া গেছে। কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও আমাদের সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।
যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটুর সভাপতিত্বে ও ইকবাল হোসেন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু ।
ফ্রি করোনা টিকা নিবন্ধন সহায়তা বুথ’র উদ্বোধনকালে দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়লেও সেই কাতারে পিছিয়ে আছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা। বেশিরভাগ কেন্দ্রগুলোয় যারা টিকা নিতে আসছেন তাদের অধিকাংশই মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত, শিক্ষিত শ্রেণীতে। কোন কেন্দ্রেই স্বল্পশিক্ষিত, সুবিধাবঞ্চিত, পিছিয়ে দরিদ্র শ্রেণীর আনাগোনা দেখা যায় নি। বাংলাদেশে এই শ্রেণীর মানুষদের সংখ্যাই অনেক বেশি, তাই তাদেরকে টিকা কর্মসূচির আওতায় আনা না গেলে এর সুফল পাওয়া যাবেনা বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদ হোসেন পাভেল, রায়হান নেওয়াজ সজীব, ইরশাদ ইফতেখার মামুন, জাহিদুল হক চৌধুরী মার্শাল, ইমতিয়াজ বাবলা, মো: ইসমাইল, সাজিবুল ইসলাম সজীব, মামনুল হক, আবু নাসের জুয়েল, মাঈনুদ্দীন মাঈনু, আসিফ শাহীন, ইমরান সানি, রাসেল, গিয়াস উদ্দীন, মারুফুল ইসলাম মারুফ, নুরুল ইসলাম রিয়াদ, আকবর জুয়েল, আবিদ হাসান, আরজু তারিকুল ইসলাম, মঞ্জুরুল আলম, মো: হাবী, সুমন শীল, জাহাঙ্গীর আলম, মঞ্জু, রাব্বি, শামীম, তারেক প্রমুখ।