Home Blog Page 79

সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে দেবাশীষ পাল দেবুর নেতৃত্বে যুবলীগের শান্তি ও সম্প্রীতি মিছিল

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কর্তৃক ঘোষিত কর্মসুচীর অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাঈনুল হাসান খান নিখিলের নির্দেশে ১৯ অক্টোবর বিকাল ৩ টায় চট্টগ্রাম পুরাতন স্টেশন মাঠ প্রাঙ্গন থেকে শান্তি ও সম্প্রীতি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিল উত্তর সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু ও সঞ্চালনায় প্রফেসার নুরনবী পারভেজ।

এতে বক্তব্য রাখেন মোঃ নায়েবুল ইসলাম ফটিক, রঞ্জিত কুমার শীল, সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী পাভেল, মোঃ লোকমান হোসেন, আবদুল্লা আল মামুন, মারুফ আহমেদ সিদ্দিকী, ইমতিয়াজ আহমেদ বাবলা। জাহিদুল হক মার্শাল, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ রাশেদ,জাহিদ হোসেন খোকন, মোঃ ইসমাইল, সালাউদ্দিন বাবর, ইমতিয়াজ সুমন,,কাজী মোঃ আরিফ, মাকসুদুর রহমান জিকু, মোঃ বেলাল হোছাইন,মোঃ শাহজাহান বাপ্পি, রবিউল ইসলাম তানিম,আমিনুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব , যুবায়ের হোসেন অভি , মোঃ এমরান হোসেন, মোঃ শরীফ, ফরহাদ আবদুল্লা, মোঃ সালাউদ্দিন বাবর, মোঃ রমজান আলী, আবু নাছের জুয়েল, মনিরুল হক মনির নুর ইসলাম রাসেল, মাহমুদুর রহমান বাপ্পি, মোঃ জুয়েল,আরমান, মনির, রতন কান্তি দাস,আব্দুল মমিন রাজু,আজাদ খান, জয় বাদশা, আলী নুর, মোঃ সাদ্দাম, মারুফুল ইসলাম, মোঃ ফয়সাল, রাশেদ,পিয়াস,টিপু,মাকসুদুর রহমান, আবির, আকবর জুয়েল, সৈয়দ সুলতান, আবিদ হাসান , ইফতেখার ইফতি, মোঃ হোসেন কিরন, নুর উদ্দিন রাসেল, দিদারুল আলম, মেহেদী হাসান, ইমরান হোসেন, জহিরুল ইসলাম মনি, মোঃ মাইনুদ্দিন হাসান, আবদুল্লাহ আল মামুন তুহিন প্রমুখ।

মিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেবাশীষ পাল দেবু বলেন,আমরা একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশকে গড়তে চাই। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। সোনার বাংলাদেশ গড়তে চাই। যে দেশে কোনও অন্যায় থাকবে না, অবিচার থাকবে না, মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচবে; বর্তমানে যুবলীগ রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সেই লক্ষ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে দল মত নির্বিশেষে সবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান মহিউদ্দিন বাচ্চু

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর নির্দেশনায় সমগ্র বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ স্লোগানে স্লোগানে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের কতৃক আয়োজিত “শান্তি ও সম্প্রীতি র‍্যালি” অনুষ্ঠিত হয়। ১৯ অক্টোবর বিকাল ৪ টায় নগরীর আন্দরকিল্লা চত্বর হয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি র‍্যালি টি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সভাপতির বক্তব্য চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন কুমিল্লার কথিত ঘটনাকে কেন্দ্র উগ্র মৌলবাদী গোষ্টী বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে সফল রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার অর্জনকে যারা ম্লান করতে চান, তাদের সমুচিত জবাব দেওয়ার জন্য ১৮ কোটি মানুষের বাতিঘর, বাঙ্গালী জাতির আশা আকাঙ্কার শেষ আশ্রয়স্থল জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ আওয়ামী পরিবারের সকল নেতাকর্মীরা আজ সনাতন ধর্মের অবালম্বী ভাইদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শান্তি ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।

এসময় আরো উপস্হিত ছিলেন নগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক যথাক্রমে দেলোয়ার হোসেন খোকা, ফরিদ মাহমুদ, দিদারুল আলম দিদার, মাহাবুবুল হক সুমন, নগর যুবলীগ সদস্য এডভোকেট আনোয়ার হোসেন আজাদ, সাইফুল ইসলাম, শাখাওয়াত স্বপন,নেছার আহমদ,মাসুদ রেজা, আবু সাইদ জন, হেলাল উদ্দিন, অধ্যাপক কাজী মুজিব,হাবিব উল্লাহ নাহিদ, নুরুল আনোয়ার,সালেহ আহমেদ দিঘল,আব্দুর রাজ্জাক দুলাল,আসহাব রসুল জাহিদ,আব্দুল আজিম,আব্দুল আওয়াল,খোকন চন্দ্র তাঁতি,আবু বক্কর চৌধুরী, রতন মল্লিক, শেখ নাসির আহমদ, নাজমুল হাসান সাইফুল,সনত বড়ুয়া, আবু বক্কর সিদ্দিক,দেলোয়ার হোসেন দেলু, আজিজ উদ্দিন চৌধুরী, ইকবাল ইকরাম চৌধুরী শামিম, সরোয়ার খান, সাইফুর রহমান রাজু, কাজী রাজেস ইমরান, কফিল উদ্দিন, কাজল প্রিয় বড়ুয়া, ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী সাদিত, হোসেন সরোয়ার্দী সরোয়ার প্রমুখ।

পতেঙ্গা মানব কল্যাণ সংস্থার স্বনির্ভর কর্মসূচিতে অসহায় ব্যক্তিরা পাবে রিক্সা, ভ্যান, সেলাই মেশিন ও ব্যবসার জন্য নগদ অর্থ

0

পতেঙ্গা মানব কল্যাণ সংস্থা সংগঠনের চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে প্রতিবারের মত তৃতীয় বার মিলন মেলা আগামী ১৯ নভেম্বর ২০২১(শুক্রবার) কাটগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সাবেক তালুকদার স্কুল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাতের ১০ টা পর্যন্ত নানান অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আয়োজন করা হবে।

এবারের তৃতীয় মিলন মেলায় যাকাত ফান্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত যাকাত দিয়ে অসহায় পরিবারকে স্বনির্ভর কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষে গত ১৬ অক্টোবর পরিচালনা পরিষদ এক গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

পতেঙ্গা মানব কল্যাণ সংস্থা ইতিপূর্বে স্বনির্ভর কর্মসূচির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গরীব অসহায়, দুস্থ মানুষ থাকলে আবেদন করার জন্য পোস্ট করলে একাধিক আবেদন আসে।সব আবেদন যাচাই বাছাই শেষে স্বনির্ভর কর্মসূচির জন্য গঠিত কমিটি বৈঠকের মাধ্যমে ৯ জন অসহায় ও দুস্থ মানুষকে নির্বাচন করা হয়।
মিলন মেলার দিন উক্ত ৯ জন ব্যক্তিদের যাকাত ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে রিক্সা, ভ্যান, সেলাই মেশিন এবং ব্যবসার জন্য পুঁজি দেয়া হবে।

আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে ২০২১ শুভেচ্ছা ফি ৪০০ টাকা প্রদান করে অংশ গ্রহন করার আহ্বান জানান আয়োজক কমিটি।এছাড়াও মিলন মেলার অনুষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন কমিটি করা হয় এবং বিভিন্ন দায়িত্ব বন্টন করা হয়। প্রতিবারে মত এবারো টিশার্ট এবং রাতের খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। জানান আয়োজ কমিটি।

শেখ রাসেলের জম্মদিন উপলক্ষে মানবিক যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

0

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৮তম জম্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য চট্টলার মানবিক নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যেগে ১৮ অক্টোবর নগরের ২৪ ও ৩৭নং ওয়ার্ডে ৫০০ দুঃস্থ অসহায় পরিবারের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ২৪নং ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাজ্জাদ আলী জুয়েল এর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএমএ নেতা ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এর জয়েন্ট সেক্রেটারি ডাঃ আরিফুল আমিন।

২৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সাহাবুদ্দিন সাবু, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী শাহ আলম, হাজী আলী ফজল, শরাফত আলী, আজিজ সর্দার শাহ আলম সর্দার।

যুবলীগ নেতা মোঃ ইসমাইল, কাজী মোঃ আরিফ, মোঃ আকবর আলী, ফাতেমা নাসরিন তৃণা, আমিনুল ইসলাম, মনির, ফরহাদ আহম্মেদ সিফাত। আবদুল্লাহ আল মামুন,জুয়েল, টিপু, মনির হালিশহর থানা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আবিদ হাসান ওমর শরিফ, ওমর ফারুক, ইফতেয়ার হোসেন, আশিক চৌধুরী, রিমন, সাকিব সাইফুল, তুহিন, সায়েম,ফয়সাল প্রমুখ।

শেখ রাসেল’র জন্মদিনে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের বিনম্র শ্রদ্ধা

0

ছবি কথা বলে, কিছু ছবি বিশেষ অর্থ বহন করে, কিছু ছবি সময় ও ইতিহাসের প্রতীক হয়ে চিরকাল জীবিত থাকে। শেখ রাসেল তেমনই এক শিশু, যে মহাকালের বুকে বাঙালি জাতির শৈশবের প্রতীক হিসেবে ঠাঁই করে নিয়েছে। একদিকে চিরায়ত দুরন্তপনা, অস্থির চঞ্চলতা, নিবিড় চপলতা অন্যদিকে জীবন সংসারে কষাঘাতের প্রতিবন্ধকতা, বাঙালির শিশুর বুকের ভেতর গোপন করা কথামালা।
একদিকে যেমন ভরপুর উচ্ছ্বলতা, অন্যদিকে ঠিক তেমনই গুমোট চাপাস্বভাব– এসব নিয়েই বেড়ে ওঠে আবহমান বাংলার প্রতিটি শৈশব।
শেখ রাসেল তারই প্রতিচ্ছবি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেল এর জন্মদিনে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা।

দেবাশীষ পাল দেবু
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য

প্রকৃত ধার্মিকতা আমাদের উদারতার শিক্ষা দেয়

0

একটা উদাহরণ দিয়ে শুরু করি, আমি গান করি বিশেষ করে রবীন্দ্রসংগীত। জীবনের এপর্যন্ত সময়ে যখনই আমি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের গানের গভীরতা কিংবা আমার কেন এতো ভাল লাগে-এসব নিয়ে কোনো আসরে আলাপ করেছি কেউ না কেউ বিদ্রোহী কবি নজরুলকে সামনে এনেছে। ভাল কথা- কিন্তু আমি নিশ্চিত জানি রবীন্দ্রনাথ হিন্দু পরিবারে আর নজরুল মুসলমান পরিবারে জন্মেছেন বলে তারা নজরুলকে টেনে আনে।

এরা কখনও হয়ত বুঝবেই না কবিরা সব মানুষের কবি। যার যার অবস্হানে স্বতন্ত্র। এরা কখনও জানার চেষ্টা করে না রবীন্দ্নাথ নজরুলকে কত স্নেহ করতেন, নজরুল ও কবিগুরুকে শ্রদ্ধাভরে ‘গুরু’ ডাকতেন। এরা জানেনা “ বিদ্রোহী” কবিতা লেখার জন্য নজরুল জেলে গেলে একমাত্র রবীন্দ্রনাথই নিজের অর্থ ব্যয় করে নজরুলকে জেল থেকে ছাডিয়ে আনেন। এরা জানলে হয়তঃ প্রথম প্রথম বিশ্বাসই করবে না যে নজরুল ইসলামী গান/গজলের পাশাপাশি প্রচুর শ্যামাসংগীত লিখেছেন।

এরা রবীন্দ্রনাথ যে তাদের অর্থাৎ আমাদের জাতের তা বোধ হয় মানবেই না। এদের ভাবনার সিলেবাসে বাঙালী রবীন্দ্রনাথ যে বাংলাদেশ নয় শুধু, বহু ভাষাভাষি বিরাট দেশ ভারতের ও জাতীয় সংগীতের রচয়িতা সুরকার – তা ঢুকবে না।

নজরুল কিংবা লালন যে কত বড় অসাম্প্রদায়কি চেতনার কিংবদন্তী তা এদের মগজে নাই। এদের প্রায় প্রত্যেকেরই শিক্ষাজীবনে হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী শিক্ষক রয়েছেন যাদের পাঠদানের প্রশংসায় এরা মশগুল থাকে। এদের প্রতিনিয়ত ভারতীয় সংগীত, চলচ্চিত্র ছাড়া চলেই না। আমি এমন ব্যক্তিও পেয়েছি রবীন্দনাথের গান কিংবা মান্না দের কন্ঠের ভূয়সী প্রশংসা করে কিন্তু প্রচন্ড হিন্দুবিদ্বেষী। মাঝে মাঝে খুব হতাশ হয়ে যাই। আমি দেখেছি সব সময় আওয়ামীলীগ আর হিন্দু মানুষকে গালাগাল করে কিন্তু নিজের ছেলেদের ভারতেই লেখাপড়া করায়। আমার ক্ষেত্রে আমি আরো প্রত্যক্ষ করেছি এরা ভারতে গিয়ে চিকিৎসা করাতে অধিকতর আগ্রহী। আর ইদানীং কালে ভারতীয় সিরিয়াল ও এদের প্রিয় হয়ে উঠেছে যেখানে পুজা পার্বন বেশী দেখায়।

প্রকৃত ধার্মিকতা আমাদের উদারতার শিক্ষা দেয়। কেননা আমাদের পরিস্কার বুঝতে হবে আমরা মুসলমানেরা যেমন আল্লাহ খোদায় বিশ্বাসী। হিন্দুরা তেমন রাম রাবনে বিশ্বাসী হতেই পারেন। কারো বিশ্বাসকে আমরা কেড়ে নিতে পারবো না। কটাক্ষ করে, বিদ্বেষমূলক কথা বলে, কিংবা ধর্মপালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আপনি কি আপনার ধর্মের কোনো সেবা করতে পারবেন? আমার ইসলাম কিংবা জানামতে কোনো ধর্ম এমন কাজকে সমর্থন করে না। কিন্তু এসব মুখে বললে তো হবে না বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে।

এবারের দুর্গা পুজায় মন্ডপে যারা হামলা করেছে, যারা উগ্রতা – বিদ্বেষ ছডিয়ে নাগরিকদের ধর্ম পালনে বিরত রেখেছে, বাধা দিয়েছে, যাদের কারনে বছরের বড় উৎসবটি করতে না পেরে নীরবে সরবে মানুষ কেঁদেছে – এর প্রত্যেকটি ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে দোষীদের বিচার ও বিচারের রায় বাস্তবায়ন আগামী দুর্গা পুজার আগেই করার জন্য আমাদের সরকারের প্রতি জোর দাবী জানাই।

সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীতে সবাইকে নিয়ে শান্তিতে বসবাস করাই ইসলামের মূল চেতনার পাঠ। এরূপ চেতনা থেকেই আমাদের দেশে রাজনৈতিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের সূত্রপাত দেখি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে। বাঙালির হাজার বছরের শাশ্বত ঐতিহ্য জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সৌহার্দ্য রক্ষা করে চলা- সমাজে বসবাস করা।

কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক উপকমিটির সদস্য
ব্যারিস্টার- সওগাতুল আনোয়ার খান

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আসন্ন নির্বাচনে ডাঃ আঞ্জুমান আরা ইসলাম ডাঃ আরিফুল আমীন পরিষদের আলোচনা সভা

0

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আসন্ন কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন ২০২১-২০২৪ উপলক্ষে ১৭ অক্টোবর বিকেল ৩ টায় নগরীর বে লিফ রেষ্টুরেন্টে ব্যারিষ্টার শওগাতুল আনোয়ার খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ডাঃ আঞ্জুমান আরা ও ডাঃ আরিফ পরিষদের প্রতি সবাইকে আন্তরিক ভাবে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

এতে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ফজলুল হাজেরা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ ফজলুল করিমের পুত্র ও সাবেক মন্ত্রী ডাঃ আফছারুল আমিনের ছোট ভাই ডাঃ আরিফুল আমিনের সমর্থনে সন্দ্বীপের আজীবন সদস্যরা এক সাথে কাজ করার ঘোষণা দেন।

আলোচনা সভায় ডা: আরিফুল আমিন তাঁর বক্তব্যে সন্দ্বীপের সকল আজীবন সদস্যদের সমর্থন আশা করেন। তিনি নির্বাচিত হলে সন্দ্বীপ থেকে আগত অসুস্থ রোগীদের সু- চিকিৎসাসহ অসচ্ছল রোগীদের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স হিসেবে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন।

প্রতিমা বিসর্জনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পাশাপাশি কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমনের নেতৃত্বে আ.লীগের অবস্থান

0

বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব। বিকেল ৩টা থেকে প্রতিমা বিসর্জন শুরু। কুমিল্লায় একটি পূজামন্ডপে কোরআন অবমাননার অভিযোগে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।

প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জনে গাড়ি বহরসহ যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ইপিজেড থানাধীন এলাকার সিমেন্ট ক্রসিং মোড়সহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৫ অক্টোবর দুপুর ২ টায় ৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী জিয়াউল হক সুমনের নেতৃত্বে অবস্থান নেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক কাউন্সিলর হাজি মোহাম্মদ আসলাম, ৩৯ নং ওয়ার্ড সি ইউনিট আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুর রউফ,সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ৩৯ ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, আওয়ামীলীগ নেতা জাহিদ হোসেন,আইয়ুব আলী, দেলোয়ার হোসেন, যুবলীগ নেতা সাদেক হোসেন, ওয়াসিম আকরাম,৩৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন বেলাল, মোঃ মহিউদ্দিন রনি, মো.হোসেন মুন্না, যুবনেতা মহসিন ও ইসমাইল হোসেন,৩৯ নং ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা, মো.আলী নূর মানিক,মনির হোসেন মুন্না, ইপিজেড থানা ছাত্রলীগ নেতা আলমীর আলো,মোহাম্মদ ইমন, আব্দুর রহমান, সামির প্রমূখ।

সাবেক কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াসিম আকরাম’র পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও নগদ অর্থ বিতরণ

0

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭ টায় পতেঙ্গা কাটগড় মুসলিমাবাদ জেলে পাড়ায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপকমিটির সাবেক সদস্য মো.ওয়াসিম আকরাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৩৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগর নেতা মো. মহিউদ্দিন রনি, সাংবাদিক এস কে সাগর, সুজন মজুমদার, রাজীব, মাছুম।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন,উত্তর পাড়া সার্বজনীন শারদীয়া দুর্গোৎসব পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পান্না জলদাশ, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দাশ ও লোকনাথ সংঘ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি আশীষ দাশ,সাধারণ সম্পাদক দোলন দাশ সহ বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় হাসপাতাল হচ্ছে

0

পতেঙ্গা-হালিশহর এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী অত্র এলাকায় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় সাংসদ এম. এ. লতিফ’র আবেদনের প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ইপিজেড এলাকায় বেপজার নারী প্রজেক্টকে হাসপাতালে রূপান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদাপূরণে জাতির পিতার মত প্রধানমন্ত্রী যে সর্বদা সচেষ্ট অত্র এলাকায় হাসপাতাল স্থাপনের পদক্ষেপ তারই বহিঃপ্রকাশ। জনস্বার্থে স্থানীয় সাংসদের আবেদনে সাড়া দিয়ে শ্রমিক অধ্যুষিত ইপিজেড-পতেঙ্গা এলাকায় বহুল প্রত্যাশিত হাসপাতালের ঘোষণায় এম. এ. লতিফ এমপি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি চট্টগ্রাম-১১ আসনের জনগণের পক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর ১০ অক্টোবর এম. এ. লতিফ এমপি হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত এলাকা বেপজার নারী প্রজেক্ট পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন-বেপজা কর্তৃক ১২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ একর জায়গার উপর বেপজার নারী প্রজেক্টকের আওতায় নির্মিত অব্যবহৃত ভবনগুলোকে হাসপাতালে রূপান্তরের বিষয়টি দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুনিপুণ দেশ পরিচালনায় দূরদর্শীতার পরিচয় বহন করে। তিনি অত্র এলাকায় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় শুধু পতেঙ্গা-হালিশহর জনগণই নয় কর্ণফুলী টানেলের সুবাধে আনোয়ারা-বাঁশখালীর জনগণও উপকৃত হবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

এম. এ. লতিফ এমপি গণতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। এম .এ লতিফ এমপি বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারের জনকল্যাণে গৃহীত সকল পদক্ষেপ বাস্তবায়ন, সরকারের সফলতা ও শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য উপস্থিত সকলকে নিয়ে মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে দোয়া করেন।

ইপিজেড এলাকায় হাসপাতাল স্থাপনে এম. এ. লতিফ এমপি’র আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য চট্টগ্রাম-১১ আসনের জনগণ এমপি মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান। হাসপাতালের এলাকায় পরিদর্শনকালে এম. এ. লতিফ এমপি’র সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন কর্নফুলী ইপিজেড’র মহা-ব্যবস্থাপক এনামুল হক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, সদস্য কামরুল হাসান ভুলু, ৪১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব সালেহ আহম্মেদ চৌধুরী, ৪০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামীলীগ’র সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল বারেক, ৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন কবি এবং স্বাধীনতা নারী শক্তির নেত্রীবৃন্দ, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ চট্টগ্রাম-১১ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।