Home Blog Page 68

চিটাগাং চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন

0

দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি‘র ২০২০-২০২১ ইং সালের বার্ষিক সাধারণ সভা ২৬ ডিসেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় আলোচ্যসূচী অনুযায়ী ২০২১-২০২৩ মেয়াদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা, ২০২০-২০২১ সালের বার্ষিক কার্যবিবরণী, ১ জুলাই ২০২০ হইতে ৩০ জুন ২০২১ ইং সমাপ্ত অর্থ বছর ও ১ জুলাই ২০২১ হইতে ৩১ অক্টোবর ২০২১ ইং পর্যন্ত চিটাগাং চেম্বারের নিরীক্ষিত আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং পরবর্তী অর্থবছরের জন্য অডিট ফার্ম নিয়োগ অনুমোদন করা হয়।

এ সময় চেম্বারের প্রাক্তন সভাপতি এম. এ. লতিফ এমপি, সিনিয়র সহ-সভাপতি তরফদার মোঃ রুহুল আমিন, সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, পরিচালকবৃন্দ এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), অঞ্জন শেখর দাশ, বেনাজির চৌধুরী নিশান, শাহজাদা মোঃ ফৌজুল আলেফ খান, ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন, মোঃ ইফতেখার ফয়সাল, মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নাসিরুল আলম (ফাহিম), প্রাক্তন পরিচালক কামাল মোস্তফা চৌধুরী, মাহফুজুল হক শাহ ও আফসার হাসান চৌধুরী (জসিম), বিভিন্ন এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক চেম্বার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করেছে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের বিজয় সমাবেশে -সুফি মিজানুর রহমান

0

একুশে পদক প্রাপ্ত পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুফি মিজানুর রহমান বলেছেন, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করেছে। দেশপ্রেম, আত্মবিশ্বাস ও আত্মশক্তিতে জেগে উঠেছে পুরো জাতি।

আজ ১৯ ডিসেম্বর রোববার সুচিন্তা ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে আলেম-ওলামা বিজয় মিছিল পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে বিকেল চারটায় সুচিন্তা ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক জিনাত সোহানা চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের জয়লাভের বড় হাতিয়ার দেশপ্রেম উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ মাটির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা পাকিস্থানি বাহিনীকে পরাজিত করে লাল-সবুজ পতাকার জন্ম দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাঙালির বিজয়ের অর্ধশত বছর পূর্ণ হয়েছে । দীর্ঘ এ সময় ক্ষুধা-দারিদ্র্যকে জয় করেছে এই জাতি। তলাবিহীন ঝুড়িতে এখন উন্নত দেশের হাতছানি বাঙালির। মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং বিজয়ের পর যারা এই জাতির ভবিষ্যৎ কটুকাটব্য করেছে আজ সেসব প্রভাবশালী দেশ এবং ব্যক্তির কাছে বাংলাদেশের উন্নয়ন রোল মডেল হয়েছে। বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ। এখনো বাকি আছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সেই সোনার বাংলার। আক্ষরিক অর্থেই বাংলাদেশের মতো একটি ক্ষুধা-দারিদ্র্যপীড়িত দেশের পক্ষে গত ৫০ বছরে যে অর্জন সেটি অবিশ্বাস্য।

কবি ও সংবাদিক শুকলাল দাশের উপস্থাপনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাখেন জামেয়া জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান,গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মোসাহেব উদ্দীন বখতিয়ার, তরুণ ইসলামিক স্কলার সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান আজহারী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম বোরহান উদ্দীন, ইসলামি ফাউন্ডেশনের সহকারি পরিচালক মুনিরুজ্জামান, নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস মাওলানা এনামুল হক সিকদার, সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের উপদেষ্টা স্থপতি আশিক ইমরান,প্রভাষক মুহাম্মদ তারেকুল ইসলাম,সুচিন্তা ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইমরান, চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ন সমন্বয়ক ডা.হোসেন আহম্মদ,সুচিন্তার যুগ্ম সমন্বয়ক আবুল হাসনাত চৌধুরী,যুবনেতা দেবাশীষ পাল দেবু,কার্যকরী সদস্য বোখারী আজম, প্রণব চৌধুরী,সৈয়দ আহমেদ রেজা কাদেরী।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক বিশ্বজিৎ পাল,মো.সাহাব উদ্দিন মহানগর ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ সাজিবুল ইসলাম সজিব,মাকছুদুর রহমান,শামীম উদ্দিন,আকবর জুয়েল,সৈয়দ সুলতান,আবিদ হাসান, ইফতেখার ইফতি,মো.জাবেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ছৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান বলেন, হেফাজত যখন ইসলামের নামে দেশজুড়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল তখন সুচিন্তা বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। যারা দেশের ক্ষতি করে,মানুষের জান মালের ক্ষতি করে তারা দেশের দুশমন,ইসলামের দুশমন। দেশকে ভালোবাসা একজন মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে বিকাল ৩ টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন মাদ্রাসার হাজারোধিক আলেম-ওলামাকে সাথে নিয়ে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ থেকে বিজয় মিছিল শুরু হয়ে জামালখান প্রেসক্লাব চত্বরে সম্পন্ন হয়।

জিনাত সোহানা চৌধুরী বলেন,বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। আমরা আমাদের কাঙ্খিত সোনার বাংলা গড়তে পারব। এ জন্য শুধু সরকার নয়, প্রতিটি ব্যক্তিপর্যায় থেকে একসঙ্গে আওয়াজ তুলতে হবে, সচেতন হতে হবে।

বন্দর থানা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম দলের কমিটি গঠন

0

বন্দর থানা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম দলের আলোচনা সভা গত ১৮ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় ১৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহব্বায়ক নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রজম্ম দল চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি রিদয় হাসান বাবুর সভাপতিত্বে ও মো. ইব্রাহিম ফরাজীর সঞ্চলনায় এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বন্দর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হাসান মুরাদ,মহানগর বিএনপির সাবেক সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সেলিম উদ্দিন শাহীন, মহানগর সেচ্চাসেবক দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. এসকান্দার,থানা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ, মহানগর ছাত্র দলের আহব্বায়ক সাইফুল ইসলাম,মো. কফিল উদ্দিন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মো. ইসমাইল কে আহব্বায়ক ও আলী আজগর কে সদস্য সচিব করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহব্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। নবাগত কমিটির আহ্বায়ক মো. ইসমাইল, সি. যুগ্ম আহবায়ক মো.জাকিরুল,যুগ্ম আহবায়ক মো. জাহিদ হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মো. নাহিদ হোসেন রিপন, মো. নিজাম উদ্দিন, মো. হেলাল উদ্দিন, সদস্য সচিব মো. আলী আজগর, মো. জসিম উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন,মোহাম্মদ সবুজ, মো.আব্দুল হাকিম, মো. সোহাগ হোসেন নয়ন, মো. হাসান, আব্দুর রউফ, মো. নাছির উদ্দীন, মো. আজাদ হোসেন, মো.আবদুল্লাহ,হাসান জাহিদ, ইমরান হোসেন।

কমিটি গঠন শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কমনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

সীড ফর প্লাস্টিক’ পরিবেশ সচেতনতায় ‘বইবন্ধু’র মাসব্যাপী আয়োজন

0

বর্তমানে প্লাস্টিক দূষণ বিশ্বে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মানবজাতি, উদ্ভিদকূল, জলজ প্রাণী ও দ্বীপ অঞ্চলের প্রাণীরা প্লাস্টিক বর্জ্যের অপব্যবহারের ফলে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে চলছে৷ খাল, বিল, নদী, এমনকি সাগরের দূষণের অন্যতম কারণ পলিথিন ও প্লাস্টিক। প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত প্লাস্টিক পদার্থের অপব্যবহার প্লাস্টিক দূষণের মাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে৷ পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্থ ডে নেটওয়ার্ক এক প্রতিবেদনে বলেছে, বিশ্বে প্লাস্টিক দূষণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ১০ নম্বরে। প্লাস্টিকদূষণের ফলে প্রতি বছর ১০ লাখ সামুদ্রিক পাখি এবং ১ লাখ সামুদ্রিক প্রাণী মৃত্যুবরণ করে।

জনসচেতনতা সৃষ্টি, প্লাস্টিক দূষণ রোধ ও পরিবেশ রক্ষার্থে বইবন্ধু আয়োজন করছে “Seed for plastic” নামে মাসব্যাপী কার্যক্রমের। অভিনব এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। উক্ত কার্যক্রমে সবাই বীজ দিয়ে বিভিন্ন ফল, ফুল, শাক ও ঔষধি গাছের বীজ সংগ্রহ করতে পারবে। ১৬ ডিসেম্বর বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জামালখানে উক্ত কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ১৯ নং জামালখান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন। বইবন্ধু চট্টগ্রাম টিম ম্যানেজমেন্ট জানায়, সীড ফর প্লাস্টিক কার্যক্রম ১৫ জানুয়ারি ২২ পর্যন্ত জামালখানে চলমান থাকবে।

প্রতিদিন দুপুর ১২:০০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।

ঢাকার ঐতিহাসিক রমনা কালী মন্দিরের উদ্বোধন

0

ঢাকার ঐতিহাসিক রমনা কালী মন্দিরের উদ্বোধন গত ১৭ ডি সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ ও তার পরিবার ঐতিহাসিক রমনা কালী মন্দিরের উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাগো হিন্দু পরিষদ ও রমনা কালী মন্দিরের উপদেষ্টা মিলন শর্মাসহ মন্দির কমিটি ও ভক্তবৃন্দ।

জানাযায় ,স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রায় ৫০ বছর পর পুরানো অবয়বে ফিরে পেয়েছে ঢাকার ঐতিহাসিক রমনা কালী মন্দির। বহু ইতিহাসের সাক্ষী, ঢাকার ঐতিহাসিক রমনা কালী মন্দিরের নতুন ভবন ও সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ ও স্ত্রী সবিতা কোবিন্দ ও মেয়ে স্বাতী কোবিন্দকে সঙ্গে নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে অংশ নিলেন পূজা এবং আরাধনায়। মূল মন্দিরে ঢোকার সময় শাঁখ বাজিয়ে সনাতনী রীতিতে অভিবাদন জানানো হয় ভারতের রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর পরিবারকে।

জাগো হিন্দু পরিষদ ও রমনা কালী মন্দিরের উপদেষ্টা মিলন শর্মা জানান, রমনা কালী মন্দির ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক আর্মি প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিল,হত্যা করা হয়েছিল মন্দিরের তৎকালীন সেবায়েতকে। যেটুকু ধ্বংসাবশেষ ছিল,তাও ১৯৭৩ সালে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে আবারো সেই রমনা কালী মন্দির প্রায় পুরনো অবয়বে ফিরে এলো। আমি শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতার সাথে স্বরণ করছি ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রী প্রয়াত সুষমা স্বরাজকে। ২০১৬ সালে তিনি এই মন্দির পুনরায় তৈরি করার জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেন। তাঁর ঐকান্তিক ইচ্ছা এবং আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া ঐতিহাসিক এই মন্দিরটি পুনরায় তৈরি করা কখনোই সম্ভব হতোনা। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য আজ একটি বড় প্রাপ্তির দিন।

শেখ কামাল স্পোর্টিং ক্লাব’র উন্মুক্ত মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন

0

পতেঙ্গায় শেখ কামাল স্পোর্টিং ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ৩য় বারের মত উন্মুক্ত মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২১-২২ এর উদ্বোধনী খেলা গত ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭ টায় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ৪০ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা ফরিদুল আলম ফরিদ, চট্টগ্রাম মহানগর কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাবেদ,মো.ইউসুফ, সাবেক ছাত্র নেতা মোঃ মুসলিম,সমাজ সেবক পতেঙ্গা আলোড়ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার।

এতে জহুর এন্ড নাহার ফাউন্ডেশন ২-০ গোলে জয়লাভ করে। ২য় খেলায় ম্যাচ সেরা ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন সমাজ সেবক পতেঙ্গা আলোড়ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার।

পতেঙ্গায় আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে বিজয় দিবস পালন

0

পতেঙ্গায় কাটগড় মুসলিমাবাদ এলাকার আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে
স্বাধীনতার ৫০ বছর সুবর্নজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে বিজয় দিবস পালন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,সমাজ সেবক মো.নাছির,হোসেন সুমন,দেলোয়ার, জাহাঙ্গীর আলম,জয়নাল, জাহাঙ্গীর ১, জাহাঙ্গীর ২, ডাঃ সুমন চৌধুরী ,রুপন বিশ্বাস,আজগড়, হাসান,সাইফুল, হাজী নাছির ,সালাউদ্দীন, সাইমন,লিটন,সাইদুল, সাইমন ২, রাব্বি, মহিউদ্দীন, রপন, আবির , রাশেদ, রেজাউল, উতুল, অপু, বাবলু, সাব্বির, রাকিব, বাপ্পি, শিহাব প্রমুখ।

বাংলাদেশি কারিগরদের তৈরি গয়না রপ্তানির বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে-প্রনব সাহা

0

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) চট্টগ্রাম জেলা শাখার আসন্ন দ্বি বার্ষিক কার্যকরি পরিষদের নির্বাচন ২০২২-২০২৩ আগামী ২৩ ডিসেম্বর। নির্বাচনে মৃনাল,সূধীর ও প্রনব সম্মীলিত পরিষদকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে ভোটারদের নিকট আহ্বান জানান বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস) চট্টগ্রাম শাখার সাবেক মহানগর সহ-সভাপতি লায়ন প্রনব সাহা।

চলমান জাতীয় দূর্যোগ করোনাকালীন সময়ে চট্টগ্রামের স্বর্ণ ব্যাবসায়ীদের রক্ষার্থে সকল জুয়েলারি দোকানের সিটি কর্পোরেশন ট্যাক্স, ট্রেড, ডিলিংস সহ সকল ভ্যাট মওকুফ,রেশন কার্ডের ব্যবস্থা,প্রণোদনা এবং প্রশাসনিক জটিলতা বন্ধের দাবি জানান তিনি। ভয়াবহ করোনা পরিরিস্থিতি এখনও সামলে উঠতে পারেনি জুয়েলারি ব্যবসায়িগণ,কর্মচারি ও স্বর্ণশিল্পীরা। মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন এ পেশায় জড়িত লোকজন ও তাদের পরিবারকে।

বাজুস’র আসন্ন দ্বি বার্ষিক কার্যকরি পরিষদের নির্বাচনে মৃনাল,সূধীর ও প্রনব সম্মীলিত পরিষদ জয়যুক্ত হলে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শতভাগ বাস্তবায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে পাশাপাশি আগামী প্রজন্মকে প্রাতিষ্ঠানিক একটি গুছানো বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) চট্টগ্রাম জেলা শাখা উপহার দেয়া হবে বলে জানান বাজুস নেতা প্রনব সাহা।

দেশের উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণসহ জুয়েলারি সমিতির সুদিন ফিরিয়ে আনতে একটি আধুনিক ও সু-সংগঠিত জুয়েলারি সমিতির কোন বিকল্প নেই। তবে বর্তমান সময়ে জুয়েলারি সমিতির বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সমস্যা হচ্ছে ৫% ভ্যাট কমিয়ে ১.৫% ভ্যাট নির্ণয় করা, প্রসাশন কতৃক স্বর্ণসহ যদি কাউকে আটক করা হয় এবং স্বর্ণ উদ্ধার করা হয় তাকে আসামি না করে যেহেতু স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে তাই আটককৃত ব্যক্তিকে আসামি না করে রাজস্বাক্ষী করা হলে নানা জটিলতা ও হয়রানি থেকে বেঁচে যাবে অনেক পরিবার, ব্যবসা পরিচালনা করতে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন জুয়েলারি সমিতি (বাজুস) চট্টগ্রাম শাখার সাবেক মহানগর সহ-সভাপতি লায়ন প্রনব সাহা।
উল্লেখ্য করোনা কালীন সময়ে কঠোর লকডাউনে যখন জুয়েলারি ব্যবসায়িগণ,কর্মচারি ও স্বর্ণশিল্পীরা মানবেতর দিন কাটাচ্ছিল তখন নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মৃনাল ও প্রনব পরিষদ সবার ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে নজির বিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তাছাড়া প্রনব সাহা তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বছর জুড়ে একের পর এক মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য মানবিক কার্যক্রম করোনা পরিস্থিতিতে শতাধিক ভাড়াটিয়ার ঘর ভাড়া মওকুফ।

বিজয় দিবসে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর বিজয় মিছিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ

0

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে প্রতিটি যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন হবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে , মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মাধ্যমে লালিত নতুন প্রজন্ম এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখবে। ধাপে ধাপে প্রতিটি যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবে।এই শ্লোগান বুকে ধারণ করে স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় মিছিল ও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং দুঃস্থ ও গরীব মানুষের শীত বস্ত্র ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নায়েবুল ইসলাম ফটিক,এফ এ চৌধুরী বাদল,আক্তাজ্জামান ময়না,মোঃ মিন্টু,ইমতিয়াজ বাবলা,মোঃ ইসমাইল,মোঃ শহীদ,মোঃ হানিফ,পারভীন সুলতানা, ফরহাদ আব্দুল্লাহ,রেজাউল করিম মামুন,মোঃ সোহেল রানা,মোঃ সালাউদ্দীন,কাজী মোঃ আরিফ মনিরুল হক, শাহজান বাপ্পী,জহির রায়হান,অর্জুন দাশ,সাজিবুল ইসলাম সজিব,আবু নাছের জুয়েল,মাহামুদুর রহমান বাপ্পী,সরোয়ার হোসেন,মোঃ টিপু,রমজান আলী,হানিফ, মাসুম,এমরান হোসেন, নজরুল,দেওয়ান নাজনীন,শিল্পী দত্ত,রকি দাশ, কিরণ, মমিন, রোকন উদ্দীন,শোয়াইব,মোঃ সোহেল,মাসুম,দিদার, আকবর,হৃদয় দাশ, জালাল উদ্দীন,জনি, কৌশিক রায়,ফাহিম,রেহমান রাব্বী, জয় দাশ, রিফাত, বায়েজিদ,প্রান্ত,শাবু, মোঃইসমাইল, হোসেনহুরন মোঃজসিম,মোঃজুয়েল,মোঃসোবাহান,রিপন নিপু চন্দ্র দাশ, খোকন চন্দ্র দাশ, মোঃস্বপন, মোঃহানিফ মোঃমাসুম, মোঃরোকন, মোঃফিরোজ মোঃসুমন প্রমুখ।

ইপিজেডে মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস পালন

0

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মহান বিজয় দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে ইপিজেড থানা ও ৩৯ নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গত ১৬ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় ইপিজেড চত্বর থেকে বিজয় রেলী শুরু হয়ে দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে এসে সংক্ষিপ্ত পথ সভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয় এবং সাড়ে ১১ টায় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের মা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক শারমিন ফারুক সুলতানা নেতৃত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ইপিজেড থানা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নাছিমা আক্তার, রোকসানা বেগম, সাধারণ সম্পাদক কামরুন্নাহার বেবি, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুন্নেছা।

৩৯ নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক রোমানা আক্তার রুমা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিলুফা ইয়াসমিন,
সি ইউনিটের সভাপতি শাহীন আক্তার, এ ইউনিটের সভাপতি ফাতেমা নার্গিস কাঁকন, সি ইউনিটের সহ-সভাপতি সুলতানা জামান, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা জামাল নিশী,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আক্তার ববি,বি ইউনিটের সহ-সভাপতি কাজী নাজনীন নাহার, সাধারণ সম্পাদক রুবি আক্তার, এ ইউনিটের সহ-সভাপতি সেলিনা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহানা আফরোজ,সি ইউনিটের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আকলিমা বেগম প্রমুখ।

পথসভায় শারমিন ফারুক সুলতানা বলেন, মহান মু্ক্তিযুদ্ধ বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে এক গৌরবময় বিজয়গাথা। সুদীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতার লাল সূর্য পতাকা। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের জীবনে ঐতিহাসিক এক বিজয়ের দিন, গর্ব ও অহংকারের দিন।