Home Blog Page 59

মুক্ত সাংবাদিকতাই হচ্ছে দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর

0

মুক্ত সাংবাদিকতা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর। স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা দেশ ও জাতিকে সঠিক পথ দেখায়। যেখানে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো শক্ত অবস্থানে থাকে না কিংবা থাকতে পারে না সেখানে গণমাধ্যম বড় ভূমিকা পালন করে থাকে।

পৃথিবীর সকল দেশেই গণমাধ্যম কর্মীরা সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে গিয়ে কম বেশি বাধাগ্রস্ত হয়। কখনো কখনো হামলা-মামলার শিকার হতে হয়। আমাদের দেশেও গণমাধ্যম কর্মীরা সঠিক সংবাদ প্রকাশের জন্য নানারকম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সরকারি-বেসরকারি দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রকাশ করে গণমাধ্যম কর্মীরা রাষ্ট্রকে সজাগ রাখে এবং সঠিক পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করে থাকে। কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ওই কারণে গণমাধ্যম এবং গণমাধ্যমকর্মীদের শত্রু মনে করে। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কল্যাণে নিবেদিত গণমাধ্যম এর পাশে রাষ্ট্র পদক্ষেপ নিতে অনেক ক্ষেত্রে ভুল করে থাকে। আবার পদক্ষেপ নেন না।

করোনাকালীন স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রকাশ করতে গিয়ে একজন গণমাধ্যমকর্মী নির্যাতন মামলার শিকার হয়েছেন। গণমাধ্যমে শুধুমাত্র ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রকাশ করে তা নয়, দেশের সার্বিক উন্নয়ন জাতীর কাছে তুলে ধরে থাকে।

বর্তমান সরকারের গৃহীত আশ্রায়ন প্রকল্প বিশ্বের প্রতিটি দেশের অনুকরণীয় হতে পারে। এটি মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম একটি।আশ্রায়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ একদিন বহিবিশ্বের প্রশংসা এবং আন্তর্জাতিক সম্মাননা পাবে। এপ্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে কোন ব্যক্তি কোন অনিয়ম করে থাকে, আর সে তথ্য তুলে ধরে গণমাধ্যম সরকারকে সহায়তা করেছে বলে সকলেই একমত হবেন বলে আশা করি।

সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিত্যপণ্যের মূল্য সকলকেই কমবেশি বেকায়দায় ফেলেছে। কিছু কিছু আমদানি পণ্যের দাম যৌক্তিকভাবে বেড়েছে সত্য। দেশে উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়ার যৌক্তিক কোনো কারণ থাকতে পারে না। আর ভোজ্যতেল আমদানিকৃত নিত্যব্যবহার্য পণ্যের মূল্য অযৌক্তিকভাবে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছে। আর সে তথ্য গণমাধ্যম যখন লাগাতারভাবে সরকারকে তুলে ধরতে সহযোগিতা করেছে, তখনই এব্যাপারে রাষ্ট্র পদক্ষেপ নিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ কিছুটা হলেও করতে পেরেছে। কাজেই গণমাধ্যম কারো শত্রু বা প্রতিপক্ষ নয় এটাই হচ্ছে বাস্তবতা। বরং গণমাধ্যম সরকার ও জাতির জন্য কল্যাণকর রাষ্ট্র গরতে ভূমিকা রেখে চলেছে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্র কিংবা জাতির জন্য কল্যাণকর নয় ।

গণমাধ্যমকর্মীরা যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করতে যান, তখন প্রতিষ্ঠান থেকে বলা হয় উর্ধ্বতন কতৃপক্ষর সাথে যোগাযোগ করার জন্য। উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের আদেশ ছাড়া তথ্য দেয়া যাবে না। সেই ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ একই কথা বলে থাকেন। এক্ষেত্রে গণমাধ্যম অসহায়। যদিও বলা আছে, তথ্য অধিকার আইনে সঠিক তথ্য সরবরাহের জন্য। একদিকে বলা হয়েছে সঠিক তথ্য সরবরাহ করার, আবার অন্যদিকে বলা হয়েছে তথ্য না দেয়ার। তারপরও গণমাধ্যমকর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে চলেছে। এ কথা হলফ করে বলতে দ্বিধা নেই, গনমাধ্যম কর্মীরা যতটা দেশ ও জাতির কল্যানে নিবেদিত, পরিবার কিংবা স্বজনদের জন্য ততটা নিবেদিত নয়।

একথা সত্য গণমাধ্যম যত বেশি তথ্য প্রকাশ করবে , রাষ্ট্র ততো বেশি মানুষের কল্যাণে পদক্ষেপ নিতে পারবে। আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এদিবসে একজন গণমাধ্যমকর্মী হয়ে বসে থাকতে পারিনা। পেশাদারিত্বের কথা ভেবে, অন্তত এদিনে সঠিক তথ্য প্রকাশ করা উচিত বলে কলম কাগজ নিয়ে বসা।১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এদিবসটি পালনের ঘোষনা দেয়া হয়।ওয়াল্ড প্রেস ফ্রিতম ডে। এদিবসটি সামনে এলে গনমাধ্যমের স্শা
স্বাধীনতা ও সংবাদ কর্মিদের পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং নিরাপদ পরিবেশে বিষয়টি সামনে এসে দাঁড়ায়। সাংবাদিকদের স্বার্থ নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার ফ্রান্স ভিত্তিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স সংগঠনের তথ্যমতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আমাদের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায় সবার পেছনে। এবছর পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের দিনে পড়েছে ৩ মে আন্তর্জাতিক এ দিবসটি পালনের।


এদিনে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং পোর্টাল ছাড়া সকল গণমাধ্যম বন্ধ থাকবে।গণমাধ্যম কর্মীরা আশাকরি সীমিত পরিসরে হলেও পালন করবে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস।অধিকাংশ গণমাধ্যম এখন ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।সংগত কারনে গণমাধ্যম কর্মিরা তাদের উপর অর্পিত ন্যায় প্রতিষ্ঠায় বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।তারপরও থেমে নেই নৈতিক দায়িত্ব পালন থেকে
নিজেকে সড়িয়ে রাখা। যেখান অন্যায়,সেখানে ন্যায়।যেখানে অনিয়ম-দুর্নীতি, সেখানেই নিয়ম আর নীতি। এভাবেই এগিয়ে চলেছে গণমাধ্যম এবং গণমাধ্যম কর্মীরা।

গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

0

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, আত্মশুদ্ধির এই মাসে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অসীম রহমতে নিজেকে সংশোধন ও পরিশুদ্ধ করতে পারলেই মানবজনম ধন্য হবে। পবিত্র ইসলামের নামে ধর্মের মূল মর্ম বাণীর ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

এদের একমাত্র উদ্দেশ্য দেশকে আফগানিস্তান বানানো এবং লুঠেরাদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা। যে দেশ ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্তের মূল্যে স্বাধীন হয়েছে সে দেশ ও জাতির অগ্রগতি, মুক্তি ও প্রগতির ধারাকে কেউ হিমঘরে জমাট করে রাখতে পারবে না। এটাই হলো ইতিহাসের শিক্ষা।

৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এরশাদ মামুনের তত্ত্বাবধানে গরীব ও দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর একেবারে শূন্য থেকে শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেছিলেন আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। কিন্তু ১৫ আগস্ট সে স্বপ্ন থেমে যায়। পরে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের অভিধায় উন্নীত করেছেন, এই অর্জনকে ধরে রাখতে হবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছেন আমরা নিজস্ব অর্থায়নে সোনার বাংলা বিনির্মাণে সক্ষমতা অর্জন করেছি।

এরশাদ মামুনের সভাপতিত্বে ও মোজাফ্‌ফর আহমদ মাসুমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পাহাড়তলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আবছার মিয়া, আকবর শাহ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, মহিলা কাউন্সিলর তসলিমা নুরজাহান রুবি, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুল করিম চৌধুরী।

আরো উপস্থিত ছিলেন, নিয়াজ আহমদ, মজিবুর রহমান সজিব, মো. ইউসুফ, ফেরদৌস খোকন, মো. অলি আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম, , শফিকুল ইসলাম মানিক, কামরুজ্জামান রোমান, মো. ইকবাল প্রমুখ।

কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও তার সহধর্মিণীর রোগমুক্তি কামনায় দেবাশীষ পাল দেবুর দোয়া মাহফিলের আয়োজন

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও তাঁর সহধর্মিণী বিশিষ্ট আইনজীবী এ্যাড. নাহিদ সুলতানা যূথী’র আশু রোগমুক্তি কামনায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত কর্মসুচীর অংশ হিসেবে সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে ১ মে রবিবার বাদ আসর নগরীর জিপিও মোড়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

মহানগর যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটুর সভাপতিত্বে ও রায়হান নেওয়াজ সজীবের পরিচালনায় এসময় আরোও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ সম্পাদক তসলিম উদ্দিন রানা,প্রফেসার নুরনবী পারভেজ,মোঃইসমাঈল, মারুফ আহমেদ সিদ্দিক, মোঃ ইমতিয়াজ বাবলা, মো ইকবাল হোসেন, মোঃ সাজিবুল ইসলাম সজিব, মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ,মোঃমাকছুদুর রহমান,বিভূ দেবনাথ,

আসিফ হোসেন মিল্লাদ, মোঃসাইফুর রহমান রানা,মোঃ রাসেল হোসেন বাবু,আসিফ রসুল,জুয়েল আকবর, সৈয়দ সুলতান ফাহিম আবিদ হাসান, মোঃ হারুনুর রশিদ, সামিউল প্রমুখ।

শেখ জামালের জন্মদিনে ৬০০ মানুষকে শাড়ি ও লুঙ্গি উপহার দিলো যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু

0

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মেঝ সন্তান শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নির্দেশে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের আহ্বানে কেন্দ্রীয় যুবলীগ কর্তৃক ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে ২৮ এপ্রিল বিকেল ৩ টায় চট্টগ্রাম নগরীর ৩৭ নং মুনির নগর ওয়ার্ডের মুন্সি পাড়া ফাতেমা স্কুলের মাঠে পবিত্র রমজান মাসে ঈদ উল ফিতর সামনে রেখে ৬০০ অসহায় ও দুস্থ মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

যুবলীগ নেতা সালাউদ্দিন বাবরের সভাপতিত্বে রেজাউল করিম মামুনের পরিচালনায় এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জানে আলম,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফরিদ, যুবলীগ নেতা নুরুন্নবী পারভেজ, জনি,মামুন, মিজান,এরশাদ,তারেক, তপু,লাভলু,রিদয় প্রমুখ।

কাটগড় মোড়ে প্রাণের পতেঙ্গা সামাজিক সংগঠনের ইফতার বিতরণ

0

প্রাণের পতেঙ্গা সামাজিক সংগঠনে উদ্যোগে ২৬ এপ্রিল বিকেল ৫ টায় কাটগড় মোড়ে পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ২০০ পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে।

এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,প্রাণের পতেঙ্গা সামাজিক সংগঠনের উপদেষ্টা বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও সমাজ সেবক বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) চট্টগ্রাম বিভাগের সাধারণ সম্পাদক প্রণব সাহা।

ইফতার বিতরণ শেষে মুসলিমাবাদ মোড়ে হাজি শফিক আহমেদের বিল্ডিংএ কেজি স্কুলে প্রাণের পতেঙ্গা সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রাণের পতেঙ্গা সামাজিক সংগঠনের উপদেষ্টা সমাজ সেবক হাজী মোঃ নাছির, হাজী মোঃ তৈয়ব আলী রেফারী,মেম্বার মোঃ নেজাম উদ্দিন,মোঃ বেলাল,মোঃ আনিস,মোঃ জসিম উদ্দিন রেফারী,মোঃ আলমগীর,শিক্ষক প্রনব সরকার, সাংবাদিক এস কে সাগর,মোঃ বশির।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,সংগঠনের সভাপতি মোঃ নুরুল আবছার ভুট্টো, সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তফা কামাল, মোঃ সোলাইমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কাদের সাইফুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক রিটন বড়ুয়া বাবু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইয়াছিন, অর্থ সম্পাদক মোঃ মাজহারুল ইসলাম সাগর,প্রচার সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন সুমন, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ রাজিব, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মাসুদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ প্রকাশ দাশ, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত মজুমদার, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শাহানুর, সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দস্তগীর চৌঁধুরী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মোঃ ইব্রাহীম কার্যকরি সদস্য পান্না জলদাশ ,মোঃ নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

চকবাজার ওয়ার্ডে ২০০ অসহায় মানুষ পেল যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর খাদ্য সহায়তা

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নির্দেশে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের আহ্বানে কেন্দ্রীয় যুবলীগ কর্তৃক ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে ২৫ এপ্রিল বিকাল ৩ টায় নগরীর ১৬ নং চকবাজার ওয়ার্ডের কাতালগন্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিলানায়তনে ২০০ অসহায় ও দুঃস্থ জনসাধারণের মাঝে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে চাল, পেয়াজ,চিনি, সেমাই সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।

যুবলীগ নেতা জিৎ কর বাবুর সভাপতিত্বে ও মোঃমহিউদ্দীনের পরিচালনায় এময় আরোও বক্তব্য রাখেন চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সাহাব উদ্দিন , সাধারণ সপাদক আনসারুল্ হক,সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনু,মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ, মহানগর যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু, নুরুন্নবী পারভেজ, ইমতিয়াজ আহমেদ বাবলা, শিল্পী বড়ুয়া,অভিক দাশ গুপ্ত,মিঠুন চক্রবর্ত্তী, সাজিবুল ইসলাম সজীব, মাকসুদুর রহমান,মাকসুদ জামিল মারুফ, মুজিবুর রহমান রাসেল, রাসেল হোসেন বাবু, মোঃসুমন, আকবর জুয়েল, সৈয়দ সুলতান ফাহিম, আবিদ হাসান মামুন হোসেন আবির প্রমুখ।

জব্বারের বলীখেলায় যেসব পথ বন্ধ থাকবে

0

শনিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলা ও তিন দিনের বৈশাখী মেলা উপলক্ষে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগ।

রবিবার (২৪ এপ্রিল) থেকে মেলা চলাকালীন ক্রেতা-বিক্রেতাসহ আগত লোক সমাগমের কারণে মেলার আশপাশের সড়কগুলো থেকে লালদীঘি অভিমুখী সব ধরনের যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। যানবহনের চালক ও যাত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের এসব নির্দেশনা মেনে চলার বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সিএমপির গণশাখা থেকে জানানো হয়েছে, আবদুল জব্বারের বলী খেলা ও বৈশাখী মেলা উপলক্ষে লোকজনের সমাগম এবং গাড়ি ডাইভারশনের কারণে লালদীঘি এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় যানবাহনের চাপ বেশি থাকবে। এলাকার সড়কসমূহে স্বাভাবিক চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রী সাধারণকে জরুরি প্রয়োজনে এই এলাকার সড়ক এড়িয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে যে পথে

আন্দরকিল্লা মোড় (জামে মসজিদের সামনে) থেকে বক্সিরহাট-লালদিঘীগামী রাস্তা বন্ধ থাকবে। জেলা পরিষদ মার্কেট থেকে টেরিবাজার-আন্দরকিল্লাগামী রাস্তা বন্ধ থাকবে। সিনেমা প্যালেস থেকে কে সি দে রোড হয়ে সোনালী ব্যাংক পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ থাকবে। জহুর হকার্স/মহল মার্কেট থেকে বাটা ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ থাকবে। টেরিবাজার ফুলের দোকান থেকে টেরিবাজারগামী রাস্তা বন্ধ থাকবে। আমানত শাহ মাজার রোডের মুখ থেকে টেরিবাজারগামী রাস্তা বন্ধ থাকবে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং রোগীদের আসা-যাওয়ার জন্য পুলিশ সহায়তা করবে। টেরিবাজার, খাতুনগঞ্জ, আসাদগঞ্জ, চাক্তাইগামী সব ধরনের পণ্যবাহী গাড়ি/ বড় গাড়ি রাজাখালী দিয়ে প্রবেশ করে মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে বের হয়ে যাবে।

আকবরশাহে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

0

নগরীর আকবরশাহ থানার টোলরোড এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে টোল রোডের লতিফপুর এলাকার বেড়িবাঁধের রাস্তার ওপর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন : সাহেদ হোসেন টিটু (২৪), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন শাকিল (২২) ও শাহেদ আজগর হীরা (২৪)।

আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ জহির হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টোল রোডে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের তল্লাশি করে একটি দেশীয় এলজি, ২টি কার্তুজ, দেশীয় অস্ত্র ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। ডাকাত দলের পলাতক সদস্য মুরাদ হাসান (২৪), মো. আজাদ (৩৫), জুয়েল (২৫) ও ইমনকে ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে।

সুস্থতার জন্য যে ফল দেয় সুফল

0

সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত জল পান করা খুব জরুরি। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো জলের উৎস। যার মধ্যে অন্যতম ফল। কোন ফলে কতটা জল রয়েছে, জানাচ্ছেন ডায়েটিশিয়ান রাখি চট্টোপাধ্যায়।


গরম পড়তে না পড়তেই শরীরে জলের টান। এই আবহাওয়ায় যেমন জল বেশি খেতে হবে, সঙ্গে জলের চাহিদা পূরণ করে এমন খাবারও ডায়েটে রাখতে হবে। আমাদের শরীরে ৬০ শতাংশই জল। তাই জলের চাহিদাও প্রচুর।

জলের অভাবে শরীরের একাধিক ক্ষতি হতে পারে –
হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি, রক্ত সঞ্চালন, মুখে লালা তৈরিতে, পুষ্টি অনুঘটক, শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখা— এই সব শারীরিক ক্রিয়াকলাপগুলো সচল রাখতে জলের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। পর্যাপ্ত জলের অভাবে পেশিতে টান ধরতে পারে। শরীরে ক্লান্তিভাব দেখা যায়। কিডনির কার্যকারিতা ঠিক রাখতে জলপান জরুরি। এছাড়া ওজন কমাতেও প্রচুর জলপান দরকার। খাবার খাওয়ার ঠিক ৩০ মিনিট আগে জল পান করলে খিদে বাড়ে, বিপাকের হার বৃদ্ধি ঘটে, শরীরে ক্যালোরি ক্ষয় হতে সাহায্য করে। জল ছাড়া গ্রিন টি-র মতো পানীয়ও শরীরকে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। ত্বক তরতাজা রাখতে, মানসিকভাবে স্বতঃস্ফূর্ত থাকতে সাহায্য করে।


তবে যতটা জলের প্রয়োজন শরীরে তার সবটাই জলপানের দ্বারা নয়, খাবারের মাধ্যমে শরীরে অনেকটা জলের চাহিদা মেটানো যায়। বিশেষত কিছু ফল রয়েছে যেগুলি খেলে জলের জোগানও দেওয়া যায় শরীরে।

তরমুজ: তরমুজে ৯২ % জল আছে, যা সহজেই গরমকালে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা মেটায়। শুধু তাই নয়, তরমুজে উপস্থিত আরও পুষ্টিগুণ হার্টের নানা সমস্যা দূর করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।
আম: সাধারণত আমে ৮৩ শতাংশ জল থাকে। বেশিরভাগ মানুষই এই ফল খেতে পছন্দ করেন। এই ফলে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আমে রয়েছে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন যা চোখের জন্যেও অত্যন্ত ভাল।

লেবু: লেবুতে ৮৭ শতাংশ জল থাকে। শরীর হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি লেবু এনার্জি বৃদ্ধি করে। বিশেষত যারা ব্যায়াম করেন, তাদের প্রতিদিন খাওয়া উচিত। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, তাই ত্বকের জন্যেও উপকারী।

আপেল: আপেলে ৯৬ শতাংশ জল থাকে। প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে রোগব্যাধি দূরে থাকে। আপেল বিপাকক্রিয়ার উন্নতি করে, হার্টকে সুস্থ রাখে এবং রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে উপস্থিত ভিটামিন এবং খনিজ, দাঁত ও হাড়কে শক্তিশালী করে এবং ত্বককে সুস্থ রাখে।

আনারস: আনারস একটি সুস্বাদু ও সরস ফল। এতে ৮৬ শতাংশ জল রয়েছে। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। আনারসে প্রচুর ম্যাঙ্গানিজ থাকে যা হাড়ের জন্য উপকারী। এতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।

পেঁপে: পেঁপেতে জল ছাড়াও ভিটামিন সি, ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভিটামিন সমৃদ্ধ পেঁপে খুব উপকারী।

ব্লুবেরি: ব্লুবেরিতে ৮৪ শতাংশ জল আছে। ব্লুবেরি রক্তকে বিশুদ্ধ করে। এটিতে সমস্ত প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে যা মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে। বহু মানুষ কাশি এবং সর্দি নিরাময়ের জন্যও হবেরি খান।

শশা: শশাতে প্রায় ৯৬ শতাংশ জল থাকে, এছাড়া রয়েছে প্রচুর ডাইজেস্টিভ এনজাইম যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। এছাড়া শরীরে জল ধরে রাখতেও এর জুড়ি নেই। রয়েছে প্রচুর ফাইবার। তাই কনস্টিপেশন প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

ডাবের জল: অতিরিক্ত গরমের প্রয়োজনীয় জল শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা হয়। ডাবের জল শরীরে এই জলের ঘাটতি পূরণ করে। এতে আছে কার্বোহাইড্রেট যা এনার্জি বাড়ায়। এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি যা ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণ করে।

তালশাঁস: তালের শাঁসে রয়েছে ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করতে সাহায্য করে। তালশাঁসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। কচি তালের শাঁস বমিভাব, লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্তাল্পতা প্রতিরোধেও উপকারী এই সুস্বাদু ফল।

আখেঁর রস: আখঁ বা আখেঁর রস হল প্রাকৃতিক মিনারেল ওয়াটার। পেটের সমস্যা বা ডিহাইড্রেশনের জন্য এটি খুব উপকারী। দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাড়ন্ত শিশুরা যদি আখের রস চিবিয়ে পান করে তাহলে তার দাঁতের সমস্যা অনেকটাই লাঘব হয়। আখের রসে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন ও এন্টিঅক্সিড্যান্ট যা ব্রেস্ট ক্যানসার এবং প্রস্টেট ক্যানসার নিরাময়ে কাজ করে।

আঙুর: আঙুরে প্রায় ৮১% জলীয় অংশ রয়েছে। এটি আমাদের পরিপাকতন্ত্র থেকে অ্যাসিডের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং কিডনির উপর চাপ কমায়। আঙুর মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টস যেমন, কপার, আয়রন এবং ম্যাঙ্গানিজে ভরপুর একটি ফল যা হাড়ের গঠন এবং মজবুত হওয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি। কিডনির যে কোনও সমস্যা থেকে আমাদের মুক্ত রাখে।

লিচু: মৌসুমি ফল হিসাবে লিচু অসম্ভব উপকারি একটি ফল। প্রতিটি লিচুতে প্রায় ৮৪% জল থাকে যা ডিহাইড্রেশন উপশমে বিশেষ কার্যকরী। লিচু ক্যানসারের নোভিস কোষগুলোকে ধংস করে। ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট যা কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হ্রাস করে। প্রচুর ফাইবার ও জল যা হজমে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

জামরুল: এতে প্রায় ৮৩% জল রয়েছে। এছাড়াও ফ্ল্যাভনওয়েড ও ফাইটকেমিক্যাল সমৃদ্ধ জামরুল ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এই ফলের গ্লাইসেমিক লোড খুব কম হওয়ায় ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এই রসালো ফল মস্তিষ্ক ও লিভারের যত্নে টনিক হিসাবে কাজ করে।


অতিরিক্ত জল পানও কিন্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই প্রয়োজনের বেশি জল পান একেবারেই নয়। তার চেয়ে বরং গরমকালে জলের পাশাপাশি এই ফলগুলিও খাওয়া স্বাস্থ্যকর। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

দক্ষিণ কাট্টলীতে যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবুর ইফতার সামগ্রী বিতরণ

0

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর আহবানে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড ফইল্যাতলী বাজার সংলগ্ন চুনা ফ্যাক্টরী মোড় এলাকার ২৩ এপ্রিল বিকেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবুর উদ্যোগে ৩০০ অসহায় ও দুস্থ জনসাধারণের মাঝে চাল, ডাল, তেল, পেয়াজ,দুধ, চিনি, সেমাই সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক ইসমাইল, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব এরশাদুল আমিন,১১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আসলাম হোসেনসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ এর সকল নেতৃবৃন্দ।