Home Blog Page 2

মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় চট্টগ্রামে ‘মেন্টাল হেলথ অ্যাম্বাসেডর ২০২৬

0
mental-helth

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক মানসিক সহায়তা সম্পর্কে ধারণা দিতে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘Mental Health Ambassador 2026 – Chattogram’। শনিবার (৪ জুলাই) নেভি কনভেনশন সেন্টারে “LifeSpring Consultancy Ltd.” -এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ৫ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিশেষ আলোচনা করেন দেশের খ্যাতনামা মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। ডা. মুনমুন জাহান, তিন বছরের শিশুর দুশ্চিন্তা, মননশীলতা (Mindfulness) এবং মানসিক সুস্থতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সেশনের শেষে তিনি অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে একটি মেডিটেশন পরিচালনা করেন।

ডা. আরাফাত আজিম তার বক্তব্যে “Maslow’s Hierarchy of Needs” তত্ত্বের আলোকে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশের বিভিন্ন ধাপ ব্যাখ্যা করেন।

অন্যদিকে ডা. মৌমিতা পাল তথ্যসমৃদ্ধ একটি স্লাইড উপস্থাপনার মাধ্যমে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক এবং সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

প্রায় ৫০০ জনের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে দিনভর ট্রেনিং এ প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাইকিয়াট্রিস্ট ডা. মুনমুন জাহান, লাইফস্প্রিং চট্টগ্রাম ব্রাঞ্চের সাইকিয়াট্রিস্ট ডা. আরাফাত আজিম, ডা. মৌমিতা পাল, ডা. শাফিকা আফরোজ, ডা. মাশ্রুরা মাহজাবিন, ডা. তাসনুভা মাহবিন এবং সাইকোলজিস্টদের মধ্যে ছিলেন ইমরান হোসাইন, সাবিনা আক্তার এবং আফরোজা আফরিন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, আল হিদায়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ চট্টগ্রাম, নেভী অ্যাংকারেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রোভার্স স্কাউট, আশার আলো, শিশু নিকেতন, ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ESDO)-এর প্রতিনিধিবৃন্দ।

আয়োজকরা জানান, অংশগ্রহণকারীদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করে নিজ নিজ পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজে *Mental Health Ambassador* হিসেবে ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

0

সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে প্রচারসামগ্রী তৈরির ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু, উদ্দেশ্য ও বার্তাকে প্রাধান্য দিয়ে সুস্পষ্টভাবে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি (থ্রিডি বা অন্য কোনো আঙ্গিকে) ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড প্রস্তুতের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও পরিপত্রে জানানো হয়েছে।

বন্দর থানা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

0

ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, অপপ্রচার এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনৈতিক চর্চার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বন্দর থানা যুবদল।

রবিবার (২৮ জুন) বিকেল ৫ টায় কেন্দ্রঘোষিত সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন বন্দর থানা এলাকায় যুবদল নেতা ও সংগঠক আরিফুর রহমান আরিফের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বন্দর থানা যুবদলের নেতৃবৃন্দরা।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেনের নির্দেশনায় বন্দর থানা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয় বলে জানান যুবদল নেতা আরিফুর রহমান আরিফ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আইন ভঙ্গ করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যেভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে তা মেনে নেয়া হবে না। বন্দর থানা যুবদলসহ এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মরা আওয়ামী লীগের সকল পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা যুবদলের সংগঠক মো: আরিফুর রহমান আরিফ, মো: সাহেদ, পারভেজ, মুন্না, জাহেদ, সবুজ, শাহজাহান, সাব্বির হোসেন হিরা, রাসেল, কামরুল হাসান কাজল, লোকমান, আলাউদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা ৩৮নং ওয়ার্ড যুবদলের জাহেদ, ও ৩৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের জামাল, নাজিম, শান্ত, রাজু, সবুজ নেতৃবৃন্দ।

নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মরণ সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

0

চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়াস্থ নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের উদ্যোগে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ ও প্রয়াত শিক্ষকদের স্মরণে স্মরণ সভা এবং আজীবন দাতা সদস্য, সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গত ৩০ মে শনিবার স্কুলের মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলোওয়াত করেন ওমর ফারুক ও পবিত্র গীতা পাঠ করেন গোপী দাশ।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের আহ্বায়ক মো. কাউছার আলমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মোজাফফর হোসেন রাহাত ও যুগ্ম সদস্য সচিব লোকমান হাকিম রাজের যৌথ সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উদযাপন উপকমিটির আহবায়ক মোজাম্মেল হক সানি, সদস্য সচিব সঞ্জয় চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ সুমন চৌধুরী।

এসময় অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ডা. এএসএম মোস্তাক আহমেদ, অমল চৌধুরী, ডা. রানা চৌধুরী, লোকমান হাকিম ও সুকুমার কারণসহ শিক্ষক অনুপম দাশ, লায়ন স্বপন কান্তি সাহা, শেফাল কান্তি সুশীল, নির্মল কান্তি তালুকদার, সুনিপুন চক্রবর্ত্তী, মিতালী রাণী সুশীল, সাজেদা সুলতানা, জালাল উদ্দীন আহমদ।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মো. জাকের হোসেন, সজল দাশ, শিপ্লব বিশ্বাস, হাজী মুস্তাফিজুর রহমান, প্রবীর তালুকদার, সঞ্জয় চৌধুরী। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মরহুম আব্দুর রহিম চেয়ারম্যান, প্রয়াত শিক্ষকদের মধ্যে নেপাল চন্দ্র দাশ, হরিরঞ্জন তালুকদার, রনজিৎ কুমার দাশ, দিলীপ কুমার কারণ, কানু কারণ, ভুপতি রঞ্জন দাশ, দিলীপ কান্তি মল্লিক, সাবেক অফিস সহকারী মরহুম আলী হোসেন, প্রয়াত তেজেন্দ্র লাল দাশ ও প্রয়াত নৈশপ্রহরী সুবল বিশ্বাস স্মরণে স্মরণ সভা ও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া সাবেক শিক্ষক পুরঞ্জন ভট্টাচার্য, অনুপম দাশ, লায়ন স্বপন চন্দ্র সাহা, নির্মল কান্তি তালুকদার, ননী গোপাল দাশ, দুলাল বিশ্বাস, নেপাল কান্তি চৌধুরী, মিসেস দিপ্তী খাস্তগীর, মিতালী রাণী সুশীল, সাজেদা সুলতানা, সুনিপুন চক্রবর্ত্তী, বর্তমান শিক্ষক শেফাল কান্তি সুশীল, মাওলানা আতাউল্লাহ বোখারী, বিদ্যুৎ মজুমদার, তাপসী নন্দী, জালাল উদ্দিন আহমদ, ধর্ম যতন বড়ুয়া, দিলীপ কুমার শীল, ইন্দিরা ভট্টাচার্য্য, রুপেন কুমার সুশীল, রাফাআতুন নেছা রায়হানা, পার্থ ভট্টাচার্য্য, রয়েল দাশকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

আজীবন দাতা সদস্যদের মধ্যে প্রফেসর ডা. এএসএম মোস্তাক আহমেদ, সুকুমার কারণ, লোকমান হাকিম, সুরেন্দ্র বিজয় দাশ, মরহুম রশিদ আহমেদ, বাসনা দাশ, তুহিন কান্তি দাশ, প্রিয়াংকা চৌধুরী, টুম্পা দেব কারণ, অস্পিতা কারণ, পূর্ণ কারণ, রাজবীর কারণ প্রহর, অদ্রিজা কারণ, বাবু টিটু কারণকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আহবায়ক কমিটির সমীর ধর, অর্ণব দাশ, প্রান্ত বিশ্বাস, মো. আরমান, টুম্পা চৌধুরী, পম্পি চৌধুরী, গৌরী বিশ্বাস, জুই দাশ, শুভ চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহেদ, শ্রীবাস দাশ, সাইদ আনোয়ার রিফাত, মোহাম্মদ সুজন, কৌশিক দাশ, জয় আইচ, অলি দাশ, উৎস কারণ, রনি ধর, রাহুল মজুমদার। এছাড়াও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লিটন আইচ, আনোয়ার হোসেন, আবু তৈয়ব, মোহাম্মদ ইসমাইল, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রাসেল দাশ, শাহাদাত হোসেন, রাজীব দাশ, ফজল আহমেদ, জয়নাল আবেদীন, মো. নাছির, আবু ছৈয়দ, মো. তারেক, মোহাম্মদ হানিফ, মো. মামুন, মোহাম্মদ বাদশাহ, নারায়ণ মজুমদার, শওকত আলী, নোমান মাহমুদ, আবছার উদ্দিন, শহিদুল ইসলাম আনছার, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, বৈশাখী বল, ঐতিহ্য বিশ্বাস, মো. আরিফ, মো. এমরান ও অক্ষয় ভট্টাচার্য্য, রিমন চক্রবর্ত্তী। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট রূপম চক্রবর্ত্তী ও শিক্ষক বাহাদুর আলম প্রমুখ।

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী সুজিত চৌধুরী

0

চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার  কোলাগাঁও ইউনিয়নের বৈষ্ণব মহাজনের বাড়ির স্থায়ী বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজ সেবক, দানবীর ও শিক্ষানুরাগী সুজিত চৌধুরী শারীরিক ভাবে খুবই অসুস্থ। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদে ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

তার জামাতা শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগরের অন্যতম সদস্য ও চাটগাঁর সংবাদ পত্রিকার সাংবাদিক উজ্জ্বল ধর দেশবাসীর কাছে শ্বশুরের সুস্থতার জন্য দোয়া ও আর্শীবাদ কামনা করে বলেন, আমার শ্বশুর জীবদ্দশায় বিভিন্ন মঠ-মন্দিরসহ সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানবতার কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি বিশিষ্ট সমাজ সেবক, দানবীর ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে:ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত

0

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তন পর দেশের সংকটময় সময়ে চট্টগ্রামে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীপক কুমার পালিত।

দেশের ক্রান্তিলগ্নে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের পাশে দাড়িয়ে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন ও সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন, জনসংখ্যার অনুপাতিক হারে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করাসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজপথে সম্মুখ সারীর যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে গেছেন দীপক কুমার পালিত।

সনাতনী সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ রাখার পাশাপাশি সম্প্রীতি ও স্বাধীনতার পক্ষে শক্তিকে সুসংগঠিত করতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে গিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে মনোনয়ন গ্রহণ করলেও বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে তিনি নিজে সরে দাঁড়িয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সমর্থন জানান—যা তার দায়িত্ববোধ ও দূরদর্শিতার প্রমাণ বহন করে।

দীপক কুমার পালিত হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের, ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে মন্দিরভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গীতা শিক্ষাকেন্দ্র গুলোকে আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে যাচ্ছেন। মাঠ পর্যায়ে
নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে তিনি পাঠদান পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করার কারণে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে মন্দির ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করেছেন। দীপক কুমার পালিত বলেন,প্রতিটি মঠ ও মন্দিরের ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকার বদ্ধপরিকর।

দায়িত্ব পালনকালে ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিতের অগ্রনী ভুমিকা ইতোমধ্যে বেশ প্রসংশনীয়। তিনি সমাজের অসচ্ছল ও পিছিয়ে পড়া হিন্দু পরিবারগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা, চিকিৎসা সহায়তা, বৃত্তি প্রদান কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।

ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত মনে করেন, চট্টগ্রাম সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ—এখানে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানে আবদ্ধ। তিনি দায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের কল্যাণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সেবায়েত ও পুরোহিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, শুদ্ধ ধর্মীয় আচরণ, মন্দির ব্যবস্থাপনা দক্ষতা সামাজিক সম্প্রীতির চর্চার ফলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবার মান ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জনসম্পৃক্ততা ও সচেতনতা বৃদ্ধি বিভিন্ন সভা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষকে সামাজিক ও ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য—স্বেচ্ছাসেবার গুরুত্ব, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সমাজ উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা। এছাড়া মন্দির তালিকাভুক্তি ও নিরাপত্তা জোরদারেও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
উন্নয়ন ও সম্প্রীতির ইতিবাচক বার্তা
সরকারের ধর্মীয় কল্যাণমূলক কার্যক্রম জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও উন্নয়নের বার্তা উপস্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সার্বিক মূল্যায়ন মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে বলা যায়— দীপক কুমার পালিত ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার, মানবিক সহায়তা এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে এক নিবেদিত প্রাণ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয় দিচ্ছেন। তার ধারাবাহিক উদ্যোগ ধর্মীয় কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও শক্তিশালী করছে।

ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক তার এক ছেলে এক মেয়ে বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ার।

বহুগুনের অধিকারী দীপক কুমার পালিত একজন রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংগঠক, শিক্ষক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ইতিমধ্যে তিনি তিন তিন বার চট্টগ্রাম মহানগর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেছেন। ইতিমধ্যে তার একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তিনি ৩০ অধিক মঠ, মন্দির এবং দেবালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আগামীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর চসিক নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

দি চিটাগং ট্রাস্টের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

0

দি চিটাগং ট্রাস্ট-বাংলাদেশ (সিটিবি)’র আলোচনা সভা নগরীর হাজারী লেইনস্থ ট্রাস্টের নিজস্ব কার্যালয়ে গতকাল ৪ মে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অরুন কান্তি মল্লিকের সভাপতিত্বে এবং ট্রাস্টের শিক্ষা সচিব অধ্যক্ষ অনুপ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ট্রাস্টের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, ট্রাস্টের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মনোজ কুমার দেব,ট্রাস্টের সাবেক চেয়ারম্যান নারায়ন চন্দ্র মজুমদার।

এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ট্রাস্টের মহা সচিব প্রবাল দে,ট্রাস্ট কর্মকর্তা রাজীব দে, প্রসূন চৌধুরী,জিকু দত্ত,রতন কান্তি দে, বিপ্লব চৌধুরী,কৃত্তিকা চক্রবর্তী,ঊষা আচার্য্য, সৈকত দে, লক্ষ্মী সরকার, রুপনা চৌধুরী রুপা, সীমা দে, বিভাষ দাশ, সাগর দাশ, শ্যামল বিশ্বাস, মাভৈঃ তারানাথ চক্রবর্তী, কালীশংকর চক্রবর্তী,ওসমান গণি, টিটু চক্রবর্তী, ধীমান ভট্টাচার্য্য, জনি চক্রবর্তী, রাসেল চৌধুরী, শ্যামল বৈদ্য সবুজ, অ্যাড. তৃষ্ণা ভট্টাচার্য্য।

আলোচনা সভায় ২০২২-২০২৫ সালের ট্রাস্টের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তীকে আহবায়ক, বাবুল ঘোষ বাবুনকে সদস্য সচিব, অধ্যক্ষ মনোজ কুমার দেব, অ্যাড. তৃষ্ণা ভট্টাচার্য্য ও বিভাষ দাশকে সদস্য করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

সভায় আগামী ১৫ মে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

পতেঙ্গার জেলেপাড়ায় ত্রিনাথ ঠাকুর মন্দিরের ৫০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

0

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন উত্তর পতেঙ্গা কাটগড় জেলেপাড়া ত্রিনাথ ঠাকুরের মন্দিরের ৫০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব উপলক্ষে ২০ ও ২১ এপ্রিল দুইদিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য ধর্মীয় মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যে থাকছে নগর কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পবিত্র গীতাপাঠ,মহাপ্রসাদ বিতরণ ও ধর্ম সভা।
ত্রিনাথ সংঘের আয়োজনে আনন্দ মোহনের বাড়িতে ২০ এপ্রিল (সোমবার) সন্ধ্যা ৭ টায় উত্তর পতেঙ্গা কাটগড় জেলেপাড়া ত্রিনাথ ঠাকুর মন্দিরের সভাপতি বিদুর দাসের সভাপতিত্বে এবং গীতাপাঠক গৌরাঙ্গ দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত।
প্রধান বক্তা ছিলেন,ভগবতীয় বক্তাও লেখক উত্তম চক্রবর্তী। মঙ্গল প্রজ্বলন করেন শ্রীশ্রী মানিকানন্দ অবদূত ব্রহ্মচারী। আলোকিত অতিথি ছিলেন, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-সভাপতি লায়ন সন্তোষ কুমার নন্দি। উদ্বোধক ছিলেন,শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য উজ্জ্বল ধর।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের সহ-প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক এস কে সাগর,শ্রীশ্রী শম্ভুনাথ বাবার মন্দির ভৈরব প্রাঙ্গণ নিত্যধামের সভাপতি রতন সাধু,জেলেপাড়া সৈকত পল্লী সার্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক মিলন দাশ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ত্রিনাথ সংঘের মন্দিরের পূজারী নিলু রানী দাস, শান্তি মোহন দাস, নারায়ন দাস, অমল ধর, সঞ্জীত দাস, ভগীরত দাস, রবিন শীল,কৃষ্ণ দাস, সাগর দাস, অন্তু দেব, রনি দাস, সুকুমার দাস,আজালা দাস। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাজু দাস,রামদাস, বাপ্পারাজ, অভি দাস, আকাশ দাস, নিখেল দাস, লক্ষ্মী দাস, বালি দাস, রনি দাস, দীপক দাস, গীতা দাস, রঞ্জিত দাস, টিপু দাস, বিধান দাস, রণ দাস।

প্রধান অতিথি ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের সন্তানদের লেখা পড়ার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। হিন্দু সুরক্ষা আইনসহ সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান সরকারের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

কাটগড় জেলেপাড়ায় সার্বজনীন শ্রীশ্রী ভুবন মঙ্গল অষ্টপ্রহর মহা নামযজ্ঞ উদযাপন পরিষদের ধর্ম সভা অনুষ্ঠিত

0

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন কাটগড় জেলেপাড়ায় সার্বজনীন শ্রীশ্রী ভুবন মঙ্গল অষ্টপ্রহর মহা নামযজ্ঞ উদযাপন পরিষদের আয়োজনে ১৬ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত দুই দিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের উদ্বোধন ও ধর্ম সভা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমগ্র অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য ও সভাপতিত্ব করেন পূর্ববঙ্গ গুরুকূল ব্রহ্মচর্য্য আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা সেবায়েত শ্রী শ্রীমৎ স্বামী সন্জিতানন্দ পুরী মহারাজ। লিটন দাসের সঞ্চালনায় এতে আর্শীবাদক ও মঙ্গলপ্রজ্বলন করেন শ্রী শ্রীমৎ স্বামী রবিশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ।

প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রফেসর ড.হরি শংকর জলদাস। উদ্বোধক ছিলেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টর ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি সুজিত সরকার, অনুপ সেন,ডাক্তার সহদেবসহ আয়োজন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

ধর্ম সভা শেষে মহোৎসব আয়োজন কমিটির পূর্ববঙ্গ গুরুকূল ব্রহ্মচর্য্য আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা সেবায়েত শ্রী শ্রীমৎ স্বামী সন্জিতানন্দ পুরী মহারাজ বলেন, অষ্টপ্রহর মহা নামযজ্ঞ মহোৎসবে তিন দিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে থাকছে পবিত্র গীতাপাঠ,নামযজ্ঞ,মহাপ্রসাদ বিতরণ। অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫ হাজার ভক্তবৃন্দর সমাগম ঘটবে বলে জানান তিনি।

উদ্বোধক হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টর ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত বলেন, আমরা আশা করি বর্তমান সরকার সনাতনী সম্প্রদায়ের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন, সরকারের কাছে আমাদের দাবি হিন্দু সুরক্ষা আইন প্রণয়ের মাধ্যমে সনাতন সম্প্রদায়ের পাশে থাকবেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ড.হরি শংকর জলদাস বলেন, ধর্ম মানুষকে আলোর পথ দেখায়। আমাদের সন্তানদের মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।

স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী মহারাজ এসেছেন মানবতার কল্যাণে-অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী

0

চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড এলাকার মহাজন ঘাটায় ৩ এপ্রিল (শুক্রবার)শ্রীশ্রী অদ্বৈতানন্দ সমবেত প্রার্থনা সংঘের আয়োজনে প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী নানান ধর্মীয় মাঙ্গলিক আয়োজন,বিশ্ব শান্তি কামনায় সপ্তশতী চণ্ডীযজ্ঞ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন,শ্রীমৎ স্বামী বিবেকানন্দ পুরী মহারাজ।

শ্রীশ্রী অদ্বৈতানন্দ সমবেত প্রার্থনা সংঘের সভাপতি পুষ্পেন চৌধুরী সুকুমারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক টিটন দাশের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট ধর্মীয় বক্তা অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী।

প্রধান আলোচক ছিলেন,শ্রীমৎ স্বামী রামানন্দ পুরী মহারাজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন,এডভোকেট মোহল লাল মহাজন, সমাজ সেবক উত্তম কুমার শীল,এডভোকেট রুবেল দাশ,রনধীর দাশ, সনজয় দাশ,রাজেশ দাশ,দীপ্ত দাশ, বিজয় মজকুরি,সৈকত মহাজন সাজু, সুজন মজুমদার, সুজন শীল,সুজন বিশ্বাস।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন,শ্রীশ্রী অদ্বৈতানন্দ সমবেত প্রার্থনা সংঘের কার্যকরী কমিটির সমন্বয়কারী ডাক্তার বিপ্লব মল্লিক ও মাধব দাশ,অর্থ সম্পাদক বাবুরাম দাশ, সর্বশ্রী সুমন দেবনাথ, জুয়েল সরকার, রুবেল দত্ত,অন্তর শীল,শিব দাশ,লব বৈদ্যা, পলাশ পাল,লব দাশ,রঞ্জন দাশ, ক্ষনি দাশ,জুয়েল, ছোটন,রনি, শিবলু, অভিরাম,স্বপন,বিজয়,তপন,অন্তু,শেখর, সঞ্জয়,প্রবেশ,পলাশ, নয়ন,দিগন্ত, জীবন, উজ্জ্বল,সুমন,রানু,টিপলু,তৃপ্ত,দেবরাজ, স্বদেশ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট ধর্মীয় বক্তা অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী বলেন,স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী মহারাজ এসেছেন মানবতার কল্যাণে।তিনি মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিমূর্ত প্রতীক হিসেবে মানুষের মঙ্গলে তার সাধন শক্তিকে উৎসর্গ করেছেন।