Home Blog Page 101

এফডিসিতে তারকাদের কোরবানি

0

বিগত বছররের ন্যায় এ বছরও এফডিসিতে কোরবানি দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। প্রতি বছরই বিগত বছরের চেয়ে বেশি সংখ্যক কোরবানি দিয়েছেন তিনি। প্রথম বছর একটি গরু, পরের বছর দুইটি এবং তার পরের বছর তিনটি গরু কোরবানি দেন পরীমনি। এবছর এফডিসিতে ৫টি গরু কোরবানি দিয়েছেন নায়িকা। এফডিসির ৯নং ফ্লোরের সামনে এই পাঁচ গরু কোরবানি করা হয়।

এদিকে বিগত কয়েক বছর পরীর পাশাপাশি শিল্পী সমিতির উদ্যোগে একাধিক গরু কোরবানি দেয়া হলেও এ বছর কোন কোরবানি নেই সমিতির। তবে সেখানে মৌসুমী-ওমর সানী ও নিপুণ একটি করে মোট দুটি গরু কোরবানি দিয়েছেন।

পরীমনি বলেন, তুলনামূলক অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্যই আমার এ উদ্যোগ। শুরু থেকেই বলে আসছি আমি যতদিন সামর্থ নিয়ে বাঁচবো এফডিসিতে কোরবানি দিয়ে যাবো। এটা লোক দেখানো জন্য নয়। ভেতরের উপলব্ধি থেকে।

পরী আরও বলেন, ‌এফডিসি আমার আরেক পরিবার। খুশির দিনে পরিবারের সঙ্গে সুখ ভাগাভাগি করে নিতে আমারও খুব ভালো লাগে।

ঈদের দিন সকালে কোরবানি দিয়ে এফডিসি ত্যাগ করেন মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানী। তিনি বলেন, ‘অসচ্ছল শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্য এ কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এফডিসির বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী আমাদের নিম্ন আয়ের শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে মাংস বিতরণ করবেন। এখানে আমার কোনো কাজ নেই। কোরবানি দেওয়া দায়িত্ব ছিল, সেটি পালন করেছি।’

তবে বিকেলে এফডিসিতে গিয়ে নিজ হাতে কোরবানির মাংস চলচ্চিত্রকর্মীদের হাতে তুলে দেন নায়িকা পরী মণি। কোরবানির গরুর মাংস বিলি করতে নায়িকা নিপুণও বিকে আসেন এফডিসিতে। নিজ হাতে কোরবানির মাংস তুলে দেন তিনি।

এ সময় নিপুন বলেন, ‘এফডিসি আমার আরেক পরিবার। তাই কোরবানির মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে ঈদের খুশি ভাগাভাগি করে নিলাম। এ ছাড়াও এখানকার অধিকাংশকে ঈদের উপহার পাঠিয়েছি।’
এসএ/

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশের জনগণ সব সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে: শেখ হাসিনা

0

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার জন্য পুনরায় স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে অভিযুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জাতির পিতাকে হত্যার পর দেশের জনগণ তাঁদের সব সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে।’ তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে গেছেন। দেশি-বিদেশি চক্র যারা এই স্বাধীনতা চায়নি এবং এতে বিশ্বাসও করতো না। এমনকি স্বাধীনতা অর্জনে কোন রূপ সহযোগিতা পর্যন্ত করেনি। তারাই ষড়যন্ত্র করে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।’

জাতীয় শোক দিবস ২০২০ উপলক্ষে আজ রোববার সকালে ধানমন্ডি ৩২নং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ কৃষক লীগের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং অনাথদের মাঝে ঈদ উপহার, মৌসুমী ফল ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা মোবাইল কল করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

তিনি এবং তাঁর ছোট বোন বিদেশে থাকায় ১৫ আগস্টের সেই ঘটনা থেকে প্রাণে বেঁচে যান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিন্তু দেশের জনগণ জাতির পিতাকে হত্যার পর তাঁদের সকল সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে। স্বাধীনতার পরে জাতির পিতার গতিশীল নেতৃত্বে দেশ যখন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছিল ঠিক সে সময়ই তাঁকে হত্যা করা হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহামারির সময়ে সরকার জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। মানুষ যাতে উন্নত জীবন পায় সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’ জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ যাতে উন্নত জীবন পায় সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’ সরকার ও দলের পক্ষ থেকে অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে খাবার পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গরিব, এতিম ও অসহায়দের মুখে খাবার তুলে দেয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’ তিনি দলের প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়ার এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নে ব্রতী হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, ‘এ জন্য জাতির পিতা সম্পর্কে সবাইকে জানতে হবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়লে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করতে পারবেন।’ দুঃসময়ে জনগণের পাশে দাঁড়ানোয় আওয়ামী লীগ এবং এর সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘করোনার এই সময়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোও ভালো কাজ করছে।’

তিনি শোকের মাসে তাঁর পরিবারের সদস্যদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন, ‘এই মাসে আমি আমার সবাইকে হারিয়েছি, তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’ এ সময় তিনি বন্যা কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি ও উদাত্ত আহ্বান জানান।

ভিডিও কলের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। আরও বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম। কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি। (বাসস)।

বঙ্গবন্ধু বাঙালির স্বাধীনতা

0

শোকের মাস আগস্টের আজ ২য় দিন। মানবসভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত মাস এটি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন।

আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাশ্রিত রাজনৈতিক ধারাকে বদলে ফেলার কুপ্রচেষ্টা ছিল। শুধু দিক পরিবর্তন নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দর্শনাশ্রিত গতিধারা চিরতরে রুদ্ধ করে বাংলা ও বাঙালির চিরায়ত রাজনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং ঐতিহ্যবিরোধী দর্শন চালুরও অপচেষ্টা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সকাল ছিল রাতের চেয়েও অন্ধকার। সৌভাগ্য বাঙালির যে, সেদিনের নৃশংসতা থেকে সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা- শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

শেখ হাসিনা তার পিতার অসমাপ্ত কাজগুলো করতে পারছেন বলেই আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দর্শন, আদর্শকে আঁকড়ে ধরে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পথে চলতে পারছে। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছেন। কার্যকরও করেছেন বিচারের রায়। স্বাধীনতাবিরোধী মহল ছাড়া এটি সব বাঙালির কাঙ্ক্ষিত ছিল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। তিনি বাংলার মাটি ও মানুষের পরম আত্মীয়, শত বছরের ঘোর নিশীথিনীর তিমির বিদারী অরুণ, ইতিহাসের বিস্ময়কর নেতৃত্বের কালজয়ী স ষ্টা, বাংলার ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা। বাঙালি জাতির পিতা। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। উন্নত সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্নসারথি।
কিশোর বয়স থেকেই প্রতিবাদী ছিলেন। সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের কথা বলেছেন। সত্য ও ন্যায়ের পথ থেকে তিনি কখনও দূরে সরে যাননি। ভীতি ও অত্যাচারের মুখেও সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে শোষিত মানুষের অধিকারের কথা বলেছেন। আর এভাবেই তিনি হয়ে ওঠেন স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক।

শোষিত মানুষের পক্ষে নির্ভীক অবস্থানের কারণে তিনি কেবল বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্বে অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পান।

১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ, যেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন- ‘বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত, এক পক্ষে শোষক, আরেক পক্ষে শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।’

জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে শোষিত মানুষের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর এই অবস্থান বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়। বিশ্বের শোষিত-নির্যাতিত মানুষ বঙ্গবন্ধুকে গ্রহণ করে নেয় নিজেদের নেতা হিসেবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন গণতন্ত্রের অতন্দ্র সৈনিক। কৈশোর থেকেই তিনি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে ছিলেন সোচ্চার। বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আটান্নর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা-আন্দোলন, ছিষট্টির ছয় দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ- প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি ছিলেন নেতৃত্বের ভূমিকায়।

বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রধান শক্তির উৎস ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে তিনি ছিলেন সর্বদা বজ কণ্ঠ। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের তার ভাষণ গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে, স্বাধিকারের পক্ষে, স্বাধীনতার পক্ষে এক ঐতিহাসিক দলিল। ওই ভাষণ একটি জাতিকে জাগ্রত করেছে, একবিন্দুতে মিলিত করেছে। এমন ঘটনা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল।

বাংলাদেশের মুক্তি আন্দোলনে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর নাম চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এ কথাই যেন ব্যক্ত হয়েছে অন্নদাশঙ্কর রায়ের এই শব্দগুচ্ছে- ‘যতদিন রবে পদ্মা-যমুনা গৌরী-মেঘনা বহমান/ততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।’

আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে মাদক সেবন,পথচারীদের উত্যক্তকারীসহ ১৩ জন আটক

0

নগরীর আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থান করে মাদক সেবন ও পথচারীদের উত্যক্ত করার অপরাধে রোববার (২ আগস্ট) পাঁচ কিশোরসহ ১৩ জনকে আটক করেছে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ।

আটককৃতরা ১৩ জনের মধ্যে মো. আলী কাউসার (৫৪), মো. জাহাঙ্গীর (৪৬), মো. জামাল (৩৬), মো. জাহাঙ্গীর (৩০), মাসুম (২০), শাকির (২১), লিটন (৫০), মো. সোহেল (২১), মো. হাবিবুর রহমান ইফাত (১৬), মো. রাসেল (১৭), মো. জুয়েল (১৬), মো. নাজিম (১৪) ও মো. লাল বাদশা (১৫)। আটককৃত পাঁচ কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানো এবং বাকি আটজনকে প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাঁচলাইশ থানার (ওসি) আবুল কাশেম ভুঁইয়া বলেন, আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে অবস্থান করে মাদক সেবন, পথচারীদের উত্যক্ত করার অপরাধে পাঁচ কিশোরসহ ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার ও তার আশেপাশের এলাকায় ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের টহল নিয়তিম চলছে বলে জানান তিনি।

সেনাবাহিনীর সাবেক মেজরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় : প্রত্যাহার ২১ পুলিশ সদস্য

0

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) বাহারছড়ায় পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা রাশেদ নিহত হন। রোববার (০২ জুলাই) স্থানীয় বাহারছড়া চেকপোস্টের ইনচার্জ লিয়াকতসহ ২১ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের আদেশ দেয়া হয়েছে।

সিনহা রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রোববার (০২ আগস্ট) সকালে ধানমণ্ডির বাসায় সাংবাদিকদের মন্ত্রী আরো বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘একটা নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য ৩ কমিটির সদস্য গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এই মুহূর্তে যা বলবো তাতেই একটা প্রভাব পড়তে পারে। তাই কিছুই বলতে চাচ্ছি না।

শুক্রবার রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক মেজর সিনহা রাশেদ খান। শনিবার (০১ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।


কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজার বাজার এরিয়া কমান্ডারের প্রতিনিধি। কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত করে ঘটনার কারণ, উৎস অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় ঠিক করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সাবেক মেজর সিনহা ২০১৮ সালে স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। তিনি অর্থমন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন উপসচিব মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ খানের ছেলে। গত ৩ জুলাই স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের তিন ছাত্র-ছাত্রীসহ জাস্ট নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভ্রমণ ভিডিও তৈরি করতে কক্সবাজার যান তিনি

মিরসরাই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

0

মিরসরাই উপজেলার ৭ কাটাছরা ইউনিয়নের তেতৈয়া এলাকায় সিদ্দিকুর রহমান মাস্টার বাড়িতে রোববার ২ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টায় পুকুরের ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলো তাসফিয়া তাবাচ্ছুম (৬) ও তাসফীন আক্তার মারিয়া (৬)। নিহত দুই শিশু সম্পর্কে চাচাতো বোন। তারা ওই বাড়ির শাজাহাজান খানসাব ও মোশারফ হোসেন সুমন হোরামিয়ার কন্যা।
এলাকাসী জানান, দুপরে খেলার ছলে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় দুই বোন। । অনেকক্ষন পর পুকুরে তাদের লাশ ভাসতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে ৭ নং কাটাছরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম চৌধুরী হুমায়ন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,খুবই মর্মান্তিক ঘটনা।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ৮৮৬ জন,২২ জনের মৃত্য

0

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ৮৮৬ জন,২২ জনের মৃত্যু। দেশে এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১৫৪ জন এবং করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৮৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৩৬ হাজার ৮৩৯ জন। ২ আগস্ট দুপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৮৪ জনের। মৃত ২২ জনের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, চল্লিশোর্ধ্ব দুইজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন, ষাটোর্ধ্ব আটজন এবং সত্তরোর্ধ্ব নয়জন ও আশির্ধ্ব দুইজন রয়েছেন। মৃত ২২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে আটজন, চট্টগ্রাম বিভাগের তিনজন, খুলনা বিভাগে তিনজন, রাজশাহী বিভাগে চারজন, বরিশাল বিভাগে দুইজন এবং রংপুর বিভাগের একজন রয়েছেন।

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

0

কুমিল্লার চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ২ জন নিহত হয়েছে। ২ আগস্ট রবিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলাধীন হাড়িখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহতদের মধ্যে সামসি বেগম (৫০) নামে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছেন। সামসি বেগম বাড়ি নোয়াখালী জেলার এখলাসপুর গ্রামে। নিহত অপর পুরুষের নাম এখনো পাওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী হিমাচল পরিবহনের দ্রুতগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে উল্টে যায়। এতে বাসটির ওপরের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত বাসে থাকা ৭ যাত্রীর মধ্যে ঘটনাস্থলে ২ জন নিহত হন। আহত হন চালক, হেলপারসহ ৫ যাত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির সার্জেন্ট সালেহ আহমেদ।

পানির দামে চামড়া,ট্যানারি মালিকরা লাভবান হলেও বঞ্চিত গরীবের ভাগ্য

0

চামড়াজাত পণ্যের দাম বাড়লেও প্রতিবছরই কমছে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম। ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছর কোরাবনির ঈদের আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চামড়ার দাম কমিয়ে পুনর্নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আর এভাবেই গত কয়েক বছরে গরুর চামড়ার দাম কমে অর্ধেকের নিচে ও খাসি চারভাগের একভাগে নেমেছে। এতে করে ট্যানারি মালিকরা লাভবান হলেও বঞ্চিত হচ্ছেন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী ও চামড়ার টাকার হক ভাগিদার গরিব সাধারণ মানুষেরা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর কাঁচা চামড়ার মূল্য ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। ওই সময়ে লবণযুক্ত ছাগলের চামড়ার বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। মাত্র সাত বছরের ব্যবধানে ২০২০ সালে লবণযুক্ত প্রতিবর্গফুট গরুর কাঁচা চামড়ার দাম মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় এবং প্রতি বর্গফুট ছাগলের চামড়ার ১৩ থেকে ১৫ টাকায় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

গত ৭ বছরে গরুর চামড়া দাম কমেছে ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। একই সময়ে ছাগলের চামড়ার দাম কমেছে ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ ২০১৩ সালে ছাগলের চামড়া যে দামে পাওয়া যেত, ২০২০ সালে এসে গরুর চামড়া তার চেয়েও কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।

কোরবানির গরু-ছাগলের চামড়ার কেনাবেচা নিয়ে বিক্রেতা ফরিয়া ও বেপারি, তিনপক্ষই অসন্তুষ্ট। বিক্রেতারা বলছেন, সরকারের নির্ধারিত মূল্য পাচ্ছেন না তারা। ফরিয়ারা বলছেন, যে দামে বিভিন্ন মহল্লা থেকে চামড়া কিনেছেন, সেই দামে বেপারিদের কাছে বিক্রি করতে পারছে না।

আর বেপারিরা বলেন, যে দামে চামড়া কেনার কথা সে দামে পাচ্ছেন না তারা। চামড়ার বাজারের এই অবস্থার কারণে অনেকেই তাদের পশুর চামড়া বিভিন্ন এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংকে বিনামূল্যে দিয়ে দিয়েছেন।

এর বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পশু কোরবানির যে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে তাতেও উপরের কারণগুলোই স্পষ্ট। করোনা আর ট্যানারি মালিকদের কাছে চামড়া ব্যবসায়ীদের বড় অঙ্কের বকেয়া।

এদিকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রি ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণের কাজ তদারকি করতে অভিযান শুরু করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক (উপসচিব) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় রাজধানী ঢাকায় দুইটি টিমসহ দেশের ৬১ জেলায় সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রয় হচ্ছে কিনা এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা হয়।’

এর আগে গত সপ্তাহে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা “জাতীয় সম্পদ চামড়া, রক্ষা করবো আমরা” স্লোগানে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ পদ্ধতি বিষয়ক লিফলেট বিলি করা হয়। সেই আলোকে কোরবানির চামড়া সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি-না তা তদারকি করা হয়।

শোকের মাসে বঙ্গবন্ধু’র পরিবারের নিহতদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করলেন- দেবাশীষ পাল দেবু

0
শোকের মাসে বঙ্গবন্ধু'র পরিবারের নিহতদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করলেন- দেবাশীষ পাল দেবু

শোকের মাস আগস্টে কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসাবে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচির হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১আগস্ট নগরীর আমানত শাহ মাজার প্রাঙ্গণে তানজিমুল মুসলিমিন এতিমখানার তত্ত্বধায়ক হাফেজ মো. আমান উল্লাহের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। দোয়া মাহফিল শেষে কোমলমতি মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন যুবলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু । এসময় উপস্থিত ছিলেন, সমাজ সেবক আজিম খান, হাফেজ ফজলুল কাদের,যুবলীগ নেতা রায়হান নেওয়াজ সজীব, আনিফুর রহমান লিটু, মারুফ আহমেদ, ইকবাল হোসেন, মারুফুল ইসলাম, তারিকুল ইসলাম, মো ফয়সাল, মো রাশেদ, আসিফ শাহীন, জসিম উদ্দিন প্রমুখ। দেবাশীষ পাল দেবু বলেন আগস্ট মাস বাঙালি জাতীয় জীবনে শোকের মাস। এই মাসের ১৫ আগস্ট বাঙালির মুক্তির দিশারি জাতির পিতা শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করেছে কিছু বিপদগামী ও কুলাঙ্গার সেনা কর্মকর্তা। যার কারণে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা পেলেও আমারা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পায়নি।Chat Conversation EndType a message…

Found 0 results