Home Blog Page 76

যেসব এলাকায় শুক্রবার বিদ্যুৎ থাকবে না

0

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়শুক্রবার (৫ নভেম্বর) জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য নগরের রামপুর, স্টেডিয়াম ও খুলশীর বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা: বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ, রামপুর এর আওতাধীন ১১ কেভি ফিডার নং-এইচ-০২ (আংশিক) এর আওতায় মহিলা পলিটেকনিক কলেজ এর সামনে।

সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা: বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ, স্টেডিয়াম এর আওতাধীন ১১ কেভি ফিডার নং, এইচ ০১ ও এইচ-২ এর আওতায় বাংলাদেশ রেলওয়ে, সিআরবি কলোনি, চৈতন্য গলি, বানিয়াটিলা, বিআরটিসি, ষ্টেশন রোড, পাথরঘাটা, মাদারবাড়ি অফিস ও আশপাশের এলাকা।

সকাল ৬টা থেকে সকাল ১১টা: বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ, খুলশী এর আওতায় ৩৩ কেভি খুলশী-জালালাবাদ সার্কিট-০২ এবং ১১ কেভি জালালাবাদ ১৭ ও ১১ কেভি জালালাবাদ-১৮ নং ফিডার এর আওতায় তুলাতুলি রোড, বেবী সুপার মার্কেট, কর্ণফুলী মার্কেট, আলগালাহ গলি, আপন নিবাস, সিএন্ডবি কলোনি, সিডিএ এভিনিউ, পুলিশ লাইন, জিইসি মোড় (আংশিক), ওয়াসা মোড়, লালখান বাজার, হাইলেভেল রোড, চানমারী রোড, বাঘঘোনা, পোড়া কলোনি, একে খাঁন বাংলো, সিআইডি পুলিশ ভবনসহ তৎসংলগ্ন এলাকাসমূহ।

বি: দ্র: অন্যান্য সকল ১১ কেভি ফিডার সমূহে পর্যায়ক্রমে শেডিং থাকবে।
কাজ সম্পাদন সাপেক্ষে নির্ধারিত সময়ের আগেও বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হতে পারে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন তারা।

কলকারখানা-শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দূর্ঘটনারোধ নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে প্রশিক্ষণ

0

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসারে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দূর্ঘটনারোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গঠিত সমন্বিত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ টিমের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান ৪ নভেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি এবং সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এর মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইয়াছিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর মহাপরিদর্শক মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ, দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম, বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বিকেএমইএ’র পরিচালক গাজী মোঃ শহীদুল্লাহ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম এর উপ-মহাপরিদর্শক আবদুল্লাহ আল সাকিব মুবাররাত। অনুষ্ঠানে বক্তাগণ চট্টগ্রামে অবস্থিত কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দূর্ঘটনারোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিবিড় পরিদর্শন এবং শিল্প কলকারখানার মালিকদের সহযোগী হিসেবে শিল্প কলকারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখার জন্য সমন্বিত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ টিমের প্রতি আহবান জানান।

সেবার মানষিকতা ও মেধার সন্নিবেশে একজন রাজনৈতিক ছাত্রনেতা আবু নাছের জুয়েল

0

তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সদস্য। মানবিক গুলাবলিতে অনন্য একজন ছাত্রনেতা। চট্টগ্রামের বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, থানা ও ওয়ার্ডে তিনি কাজ করছেন শিক্ষার্থীদের কে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য।

জনতার চট্টগ্রাম’র সাথে একান্ত কিছু আলাপচারীতায় জানতে চাইবো তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

জনতার চট্টগ্রাম- আপনার নিজের সম্পর্কে ও আপনার শিক্ষা জীবন সম্পর্কে বলুন?

আবু নাছের জুয়েল-প্রথমেই আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুও তার পরিবারের নিহত সকল সদস্যদের। বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে নিহত ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও তিন লক্ষ মাবোনের প্রতি যাদের রক্ত ও সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধু ঘনিষ্ট সহচর এম এ আজিজের পুন্যভূমি চট্টগ্রামের ৩৭ নং ওয়ার্ডে আমার জন্ম ও বেড়ে উঠা।
আমি প্রথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পড়াশুনা করেছি বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদ্যালয়ে। উচ্চ মাধ্যমিক পড়েছি ইসলামীয়া ডিগ্রী কলেজ। পরবর্তিতে আইনের উপর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী গ্রহন করি আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম থেকে। এবং বিএ চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে অধ্যায়নরত।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ কখন ও কিভাবে?

আবু নাছের জুয়েল-চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত অবস্থায় আমি সামাজিক সংগঠন ইয়াং বয়েজ গঠন করি। যেহেতু বিএনপি /জামায়েত জোট ক্ষমতায় সেহেতু তাদের বাহিরে গিয়ে অন্য সামাজিক সংগঠন করাও তখন অনেক বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় ছিল। পরবর্তিতে আমার এলাকার একজন ছাত্রনেতা, তিনি তৎকালীন মহানগর ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক ছিলেন, যিনি বর্তমানে বন্দর কর্মচারি পরিষদের সাধারন সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করছেন মো. নায়েবুল ইসলাম ফটিক ভাইয়ের হাত ধরেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্প্রীক্ত হই।পরবর্তিতে উনার মাধ্যমে তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু ভাইয়ের সাথে ছাত্ররাজনীতি শুরু করি। ২০০৯ -১০ শিক্ষা বর্ষে দেশে সামরিক শাসন ও জরুরী অবস্থা বিরাজোমান থাকায় কলেজে কোন কমিটি হয় নাই। তবে ছাত্রলীগ ছাত্রসংসদের মননীত ক্লাস কমিটির আমি আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করি। এরপরই মূলত আমি ছাত্রলীগের মূল ধারার রাজনীতির সাথে সম্প্রীক্ত হই। এবং তখন থেকে ছাত্ররাজনীতি দিক্ষা গ্রহন করতে থাকি। মেধা ও মননের সন্নিবেশে নিজেকে ছাত্ররাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করতে আমাকে সব সময় অনুপ্রাণিত করছেন নগর ছাত্রলীগ তৎকালীন শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক জাকের আহমেদ খোকন ভাই।দীর্ঘদিন কোন ছাত্রলীগের কমিটি না থাকায় আমরা সেই সময়ে স্বাধীনতার সপক্ষের সংগঠন এর সাথে কাজ করি। প্রানের ‘৭১ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন নগর কমিটির সাধারন সম্পাদকেরও দায়িত্ব পালন করি।আমার নেতাদের হাত ধরেই পরবর্তিতে আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি(সোহাগ -জাকির) কমিটির সদস্য মননীত হই।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনি আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট এম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে অভিজ্ঞতা বলুন?

আবু নাছের জুয়েল-ছাত্ররাজনীতি করা প্রতিটি শিক্ষার্থীর ছাত্রজীবনে রাজনীতির স্বীকৃতি আশা করে। আমি সেই সৌভাগ্যবানদের মধ্যে অন্যতম। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময় শিশিবের ক্যাম্প হিসেবে সুপরিচিত ছিল। আমরা শিবিরের বাহিরে “বিবেক ” নাম দিয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দেশীয় সংস্কৃতি ও স্বদেশী পন্য ব্যাবহারের কাজ করেছি। প্রচন্ড উগ্র নিয়মতান্ত্রিকতা ও শিবিরের এক স্বৈরাচারী মনোভাব থেকে বের হয়ে একটি মুক্ত চিন্তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ আন্দোলন করেন। পরবর্তিতে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের চাপের মুখে কর্তৃপক্ষ আমাকে সেখানে পদায়ন করেন। যাতে করে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত না হয়। আমার রাজনৈতিক জীবনে এটি একটি বিশাল অর্জন ছিল। আমি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মীর নিকট কৃতজ্ঞ।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনি কি মনে করেন এম্বাসেডর হিসেবে আপনি সফল?

আবু নাছের জুয়েল-আসলে পরের মাপকাঠি দিয়ে নিজের সফলতা আমি পরিমাপ করি না। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যাদের স্বার্থে আঘাত পরেছে তাদের কাছে আমি ব্যার্থ। তবে নিজের কাছে আমি সফল। কারন আমি চেষ্টা করেছি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে ।

জনতার চট্টগ্রাম-করোনা কালীন সময়ে আপনার ভূমিকা কি?

আবু নাছের জুয়েল- করোনা একটি বৈশ্বিক মহামারী, এই ক্ষেত্রে একজন সামান্য ছাত্র রাজনীতির কর্মীর কিছু করার ক্ষমতা অনেক কম। সাধ্যের মধ্যে সবটুকুই আমি আমার সংগঠন আমরা করেছি। যদি নিজে সরাসরি করতে না পারি সে ক্ষেত্রে সাহায্য নিয়েছি অন্যকারো কাছ থেকে। তারপরও এই পুরো করোনাকালীন সময়ে জন মানুষের কাছে ছিলাম।অক্সিজেন সেবা,ডাক্তারের সেবা গ্রহন করানো, খাদ্য সাহায়তা প্রদান, অজ্ঞাতসারে মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোকে সহায়তা করা এমন সকল কার্যক্রম আমি গ্রহন করেছি। এর মধ্যে প্রচার যোগ্য খবর তো আপনারাই প্রচার করেছেন।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনার কি মনে হয় বর্তমানে করোনার পরিস্থিতি কি?

আবু নাছের জুয়েল-মহামারিকে চিরতরে ধ্বংস কিংবা বিনাশ করা যায় না। এটাকে নিয়ন্ত্রন করা যায়। পুরো করোনাকালীন সময়ে আমাদের দেশে বহু পরিবার অভিভাবক শূন্য হয়েছে। আর মহামারি নিয়ে কাজ করার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় প্রথম দিকে কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হলেও বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশে জনমানুষের নেত্রী, দেশরত্ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষন নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারনে এবং ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরনের কারনে ইনশাল্লাহ করোনা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনি সদ্য সাবেক ছাত্রনেতা আপনার মতে ছাত্ররাজনীতি কেমন হওয়া উচিত?

আবু নাছের জুয়েল-আসলে ছাত্ররাজনীতি এখন অনেকটাই ছাত্রদের থেকে ছিন্তাই হবার পথে। টোকাই, অশিক্ষিত, অনুপ্রবেশকারী, চাকুরিজীবি, নিজেকে ছাত্রনেতা দাবি করে। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে তার যোগাযোগ নাই সে ছাত্রনেতা। ছাত্ররাজনীতি ছাত্রদের হাতেই নিরাপদ। তাই ছাত্ররাজনীতি হতে হবে গঠনতন্ত্রিক ও আদর্শ নির্ভর।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

আবু নাছের জুয়েল-অদৃষ্টের স্রষ্টা আমি নই। যেহেতু রাজনীতির সাথে জড়িত তাই সকল রাজনীতিবিদের মতন আমিও চাই জনগনের সেবা মূলক কাজ করার। আর আমার পরিকল্পনা সব সময় নিজেকে তৈরি করা যেন কখনো কোন দায়িত্ব কাঁধে আসলে আমি তা করার মতন যোগ্য হয়ে উঠতে পারি। সেজন্য আমার একমাত্র পরিকল্পনা নিরবিচ্ছিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া।

জনতার চট্টগ্রাম-আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে এতক্ষন সময় দেবার জন্য?

আবু নাছের জুয়েল- জনতার চট্টগ্রাম পত্রিকার সকল পাঠক সমাজের জন্য রইলো শুভেচ্ছা ।

মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে ‍‌‌‍পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

0

‍‌‌পতেঙ্গায় মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মাত্র ২ বছরের মধ্যে ও করোনাকালীন সময়ে পতেঙ্গা এলাকায় একের পর এক প্রায় ৬০ টির বেশি মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সংগঠনটি। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, আস্থা, সুনাম আর ভালোবাসায় অর্জন হচ্ছে সংগঠনটির পরম সম্পদ।

মানুষ মানুষের জন্য এই স্লোগানকে হৃদয়ে লালন ও ধারন করে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে ‌পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের। করোনাকালীন সময়ে কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণের কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে ব্যাপক আলােচনায় আসেন পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটির মূল্য লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে দেশ ও জাতির উন্নয়নসহ সমাজের পরিবর্তনে কাজ করে যাওয়া। পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ৬০ টি কর্মসূচি পালন করেছে ।

আগামী ১২ নভেম্বর ২০২১ পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পতেঙ্গা এলাকায় বসবাসরত একজন গৃহহীন মহিলাকে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা খরচ করে গৃহনির্মাণ কর্মসূচি গ্রহন করেছে। পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ৬০ টির বেশি মানবিক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, দরিদ্র পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ, হত দরিদ্রদের গরু কোরবানি করে মাংস বিতরণ, বৃক্ষরোপন অভিযান কর্মসূচি, বিবাহে অনুদান, স্কুল-কলেজ,মসজিদ,মাদ্রাসায় সুরক্ষা সামগ্রী সাবান ও স্যাভলন বিতরণ, অসুস্থ রোগীদের আর্থিক সহযোগীতা, নির্মাণাধীন মসজিদে সিমেন্ট বিতরণ, অক্সিজেন সার্পোট সেন্টারের মাধ্যমে শ্বাসকষ্ট রোগীদের সিলিন্ডার সহায়তা, জরুরি প্রয়োজনে রক্ত দান, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ,শীত বস্ত্র বিতরণ, বিণামূল্যে সবজি বিতরণ,নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন সময়ে সাহায্যের হাত বাড়ানোর পাশাপাশি সমাজে পিছিয়ে থাকা অবহেলিত শিশুদের মেধা বিকাশে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ পরিকল্পনা রযেছে সংগঠনটির। শিক্ষিত-অশিক্ষিত বেকারদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাসহ জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মাদকমুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের গড়তে এবং যুবক-যুবতীদের নানা অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে পতেঙ্গা আলোড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নানামুখী উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বই পড়ার অভ্যাস বাড়ানো, খেলাধুলা এবং সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখবে বলে জানাযায়।

পতেঙ্গা আলােড়ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে কার্যকরী পরিষদে রয়েছেন উপদেষ্টা মাে. সেকান্দর আজম,মােঃ নুরুল আকতার, মাে. ইকরাম,মাে. মােজাহেরুল আলম, মাে. ইউছুপ,মাে. মােশাররফ উদ্দিন খালেদ, মাে. জাহাঙ্গীর,মাে. রেজাউল করিম, মাে. ইকতিয়ার, ডাঃ মাে. জসিম উদ্দীন, মাে. ইকবাল হােসেন, ডাঃ মাে. ফোরকান, মাে. হারুনুর রশীদ,মো.সাইফুদ্দিন খালেদ, মাে. ইলিয়াছ,মো. মাে. ইসমাইল। সংগঠনের সভাপতি মাে. জাসেদ হােসেন,সিনিয়র সহ-সভাপতি মাে. জাহেদুল আলম,সহ-সভাপতি কায়সার হামিদ রকি,মাে. বেলাল হােসেন,মাে. আলাউদ্দিন, মাে. দিদারুল আলম সাধারণ সম্পাদক,মাে. রনি,মাে. ইব্রাহিম সহ সাধারণ সম্পাদক,মাে. বাবলু অফিস বিষয়ক সম্পাদক,মাে.গােলাম সরওয়ার পারভেজ অর্থ সম্পাদক, মাে. ইস্কান্দার সহ অর্থ সম্পাদক,মাে. মহিন সাংগঠনিক সম্পাদক,মাে. রেজাউল করিম সমাজ কল্যান সম্পাদক,মাে. সরওয়ার আলম রাহাত তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক,মাে. রবিউল হােসেন সহ-তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক, মাে. মনছুর যােগাযােগ ও যুব বিষয়ক সম্পাদক,মাে. ইশতিয়াক আলমবিকি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকসম্পাদক, মাে. টিপু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক, মাে. জাহেদূর রহমান ত্রান বিষয়ক সম্পাদক,মাে.মঞ্জুর আলম,মাে.বাবলু,মাে.রবিন নির্বাহী সদস্য।

জিইএম কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

0

জিইএম কোম্পানির লিমিটেডের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের প্রস্তুতি সভা ৪ নভেম্বর সকাল ১১ টায় পতেঙ্গায় নুর শপিং সেন্টারে মহিলা কমিশনারের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রস্তুতি সভায় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের (জিইএম কোং)’র অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত শ্রমিকদের পাওনা আদায়ের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভার আয়োজন। ১৬১ জন অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের ৭ বছরের পাওনা টাকার মধ্যে ২০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ জন শ্রমিক মারা গেছেন। পাওনা টাকার দাবিতে আগামী ৯ ও ১১ নভেম্বর জিইএম কোং অফিস ঘেরাও কর্মসূচি ও মানববন্ধনের আয়োজন করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ছাড়াও আমরা বিভিন্ন দপ্তরে স্মারক লিপি জমা দিয়েছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জিইএম কোম্পানির লিমিটেডের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষে আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম খান,সদস্য সচিব
মো. মুজিবুল হক , ক্যাশিয়ার মো. আব্দুল মাবুদ, দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সদস্য মো. কামাল উদ্দিন আহাৎ, মো.নূর মোহাম্মদ, মো. ফসিউল আলম মো. খুরশিদ আলম, মো. আকতার উদ্দিন, সুকুমার শীল,মো.নুরুন্নবী,মো.আবুল খায়ের মো. একেএম তাহেরুল ইসলাম প্রমুখ।

সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে পতেঙ্গা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমবায় সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

0

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬ টায় এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পতেঙ্গা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমবায় সমিতি লিমিটেড’র নেতৃবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৪১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সি-বীচ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ওয়াহিদুল আলম মাষ্টার, ৪১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম।
পতেঙ্গা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমবায় সমিতি লিমিটেড’র সভাপতি মো.আবু তাহের, সহ-সভাপতি ,মো.আলী হোসেন,মো.জীবন, সাধারণ সম্পাদক মো. ইমাম শরীফ (খলিল ),যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো.রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ জামাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো.কামাল, অর্থ সম্পাদক মো.মাসুদ, প্রচার সম্পাদক মো.দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পতেঙ্গা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দরা সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে জানান, নানা জটিলতা ও বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ইজিবাইক মালিক ও চালকদের পরিবার। প্রশাসনিক জটিলতার ইজিবাইক বন্ধ থাকার কারণে কয়েক হাজার পরিবারকে মানবেতর দিন কাটাতে হচ্ছে।
ইজিবাইক চলাচলের জন্য গত মাসের ১৯ অক্টোবর সিএমপি পুলিশ কমিশনারকে লিখিত ও বর্তমান মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীকে মৌখিক ভাবে জানানো হলেও এখনো ঘুরছে না ইজিবাইকের চাকা ফলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বেকার দিন কাটাচ্ছে ইজিবাইক চালকেরা।সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে জানান।

৩৭ নং ওয়ার্ডে রক্ষা কালী মন্দিরের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী শ্যামা পূজার আয়োজন

0

নগরীর বন্দর থানাধীন ৩৭ নং ওয়ার্ডের ধোপার দীঘির পশ্চিম পাড় শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মন্দির প্রাঙ্গণে ৩ নভেম্বর (বুধবার ) থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিন ব্যাপী গীতাপাঠ,ধর্ম সভা, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শ্যামা পূজা।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি খোকন চন্দ্র দে’র সভাপত্বিতে ও মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপন দাশের সঞ্চালনায় ধর্মীয় সভার আয়োজন করা হয়েছে। ৩ নভেম্বর শ্যামা পূজার উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের ট্রাষ্টী উত্তর কুমার শর্মা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, এড নিতাই প্রসাদ ঘোষ,আশীষ কান্তি মহুরি।

এ সময় আরো উপস্থিত থাকবেন, কার্যকরী কমিটির সভাপতি সাজিব দাশ, সাঃ সম্পাদক চন্দন দাশ, পুজা আহ্বায়ক কমিটি সভাপতি বুলু দাশ, সাঃ সম্পাদক টিটু দাশ, পরিচালনা পর্ষদের সহ সাঃ সম্পাদক রাজিব দাশ, বিকাশ দাশ, লাভলু দাশ, কার্তিক দাশ,কাজল দাশ প্রকাশ বিশ্বাস, সাগর ধর,রূপন দাশ,টিপন দাশ, প্রান্তুদাশ, প্রদীপ বনিক, সীমান্ত দাশ, তুষার দাশ, উত্তম দাশ, শিপ্লব দাশ, সন্জয় দাশ,অন্তু দাশ, আকাশ দাশ, অনর্ব ধর, অপু দাশ, শ্রীমতি ববি অপর্না দাশ, জনি দে,সুমন আচায্য, জিসান,রাজিব পাল,স্বদেশ দাশ, বিজয় দাশ,শিমুল দাশ, বিক্রম দাশ, টিপু দাশ প্রমুখ।

স্বাধীনতা বিরোধীদের কোন ষড়যন্ত্র শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করতে পারবে না- এম. এ. লতিফ এমপি

0

এম. এ. লতিফ এমপি’র উদ্যোগে জাতীয় জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নীচ তলায় চট্টগ্রাম-১১ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে ০৩ নভেম্বর সকাল ১১.০০ টায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি এম. এ. লতিফ এমপি বলেন-জেল হত্যা দেশের স্বাধীনতা বিরোধীদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ। স্বাধীনতা বিরোধীদের সেই ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত রয়েছে। তাদের এই ষড়যন্ত্র রুখতে এম. এ. লতিফ এমপি নেতা কর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন। স্বাধীনতা বিরোধীদের কোন ষড়যন্ত্র শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করতে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। সভায় এম. এ. লতিফ এমপি আরো বলেন-মানবতার মা শেখ হাসিনার সুনিপুণ দেশ পরিচালনায় বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানসহ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি শেখ হাসিনার মানবিক দৃষ্টান্ত উত্থাপন করে বলেন-বিশ্বের কোন দেশ এক লক্ষ উদ্বাস্তুকে আশ্রয় না দিলেও শেখ হাসিনা ১২ লক্ষ রোহিঙ্গাকে এদেশে আশ্রয় দিয়েছেন।

ফকিরহাট শেখ আবদুল লতিফ জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম দোয়া মাহফিলে জাতীয় চার নেতার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর শহীদ পরিবার এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দোয়া করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁদের পরিবারের সকল সদস্য এবং বর্তমান সরকারের সফলতা ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য দেবাশীষ পাল দেবু’র সঞ্চালনায় আলোচনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ৩৯ নং ওয়ার্ড সাবেক কমিশনার মোঃ আসলাম, ৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন ইবনে আহাম্মদ, ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সভাপতি আব্দুল আজিজ মোল্লা, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরিদ নেওয়াজ, ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সহ-সভাপতি মোঃ ফরিদ কন্ট্রাক্টর, চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সভাপতি আলহাজ্ব আলী বক্স, সাধারণ সম্পাদক ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ওয়ারিশ আলী খান, ৪০ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সহ-সভাপতি মোঃ আলী, ২৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন হাসান, ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র প্রচার সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক এজাহার মিয়া, লবণ শ্রমিকলীগ’র সভাপতি আবদুল মতিন মাষ্টার, ৩৬ নং ওয়ার্ড ইউনিট আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল মান্নান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন, ৩৮ নং ওয়ার্ড ইউনিট আওয়ামীলীগ’র সভাপতি আব্দুল শুক্কুর, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আল নুরী, আওয়ামীলীগ নেতা নেছার মিয়া আজিজ, মোঃ জাহেদ আলী, মোঃ শাকির ও মোঃ সিরাজুল ইসলাম শাকিল, শ্রমিক নেতা কামাল উদ্দিন চৌধুরী, ২৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সহ-সভাপতি রাশেদ জোবাইরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিউর রহমান টিপু, যুবলীগ সদস্য মহিউদ্দিন দুলাল, ৪১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মঈনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন রাজু, যুবলীগ নেতা মোঃ ওয়াহিদ, ৪০ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন, যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম মিন্টু, ২৮ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আনোয়ার আলী ও হারুনুর রশিদ, মহানগর যুবলীগ নেতা মোঃ আক্তার হোসেন, ডবলমুরিং থানা সাবেক ছাত্রলীগ’র সভাপতি মোস্তফা কামাল টিপু ও কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন শান্ত, সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম রাসেল, সিটি কলেজের সাবেক এজিএস মোস্তাকিম আহমেদ গুড্ডু, মহানগর ছাত্রলীগ’র সহ-সভাপতি ইমতিয়াজ বাবলা, ব্যারিষ্টার কলেজ ছাত্র সংসদ ভিপি জাহিদ হোসেন খোকন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন বাবর, স্বাধীনতা নারী শক্তি’র পরিচালক অধ্যাপিকা বিবি মরিয়ম, যুবলীগ নেতা নুর উদ্দিন মারুফ, মোঃ শহিদ শেঠ, মোঃ জুয়েল ও মোঃ আকবরসহ প্রমূখ।

পতেঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু নিহত

0

নগরের পতেঙ্গা থানাধীন স্টিলমিল এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৮অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে
রাস্তা পার হওয়ার সময় উল্টো দিক থেকে আসা পিকআপের ধাক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ সামিউল (৮) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।

নিহত সামিউল পতেঙ্গা থানার ওয়াহাব কলোনীর মোহাম্মদ সাদেকের ছেলে।
পুলিশ জানায়, রাস্তা পার হওয়ার সময় উল্টো দিক থেকে আসা পিকআপের ধাক্কায় গুরুতর আহত হলে একজন পথচারী তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুরুল আলম আশেক বলেন, দুপুরে পতেঙ্গা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় একটি শিশুকে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মিরসরাইয়ে পুকুরে ডুবে তাসমিয়া আক্তার নামের এক শিশু মৃত্যু

0

মিরসরাইয়ে উপজেলার ৫ নম্বর ওচমানপুর ইউনিয়নের রোকন্দিপুর গ্রামের ছালেহ আহমদ সুপারিনটেনডেন্ট বাড়িতে মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকালে পুকুরের পানিতে ডুবে তাসমিয়া আক্তার (৫) নামের এক শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবার মারা গেছে ।
নিহত তাসমিয়া ওই বাড়ির জাহিদুল ইসলামের মেয়ে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইউসুফ।

নিহতের প্রতিবেশী তৌসিফ আহমেদ নবী বলেন, মঙ্গলবার সকালে তাসমিয়ার মা ঘরে কাজ করছিল। সবার চোখের আড়ালে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ঘরের পাশে পুকুরে তাসমিয়ার দেহ ভাসতে দেখা যায়। দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।